B" নামক একটি দেশের সরকার উৎপাদন অবস্থা জানার জন্য মোট জাতীয় উৎপাদন হিসাব করে থাকে। এ লক্ষ্যে সরকার জনগণের ভোগ ব্যয়, সকল সরকারি ব্যয় ও বিনিয়োগ হিসাব করে। এছাড়া বছরে কী পরিমাণ পণ্য রপ্তানি ও আমদানি করা হয় সে তথ্যও সংগ্রহ করে থাকে।-

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মোট দেশজ উৎপাদন হতে সংশ্লিষ্ট সময়ে মূলধন জাতীয় সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি বাদ দিয়ে যা অবশিষ্ট থাকে তাই নিট দেশজ উৎপাদন।

উত্তরঃ

কোনো দেশের ভূমি, শ্রম এবং মূলধন তার প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর ক্রিয়া করে একবছরে যে পরিমাণ দ্রব্য এবং বস্তুগত ও অবস্তুগত সেবাকর্ম উৎপন্ন করে তার সমষ্টিকে জাতীয় আয় বলে।
জাতীয় আয় একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার প্রধান নির্দেশক। জাতীয় আয়ের সার্থে জড়িত বিষয়গুলো হলো- মোট দেশজ উৎপাদন, নিট দেশজ উৎপাদন, মোট জাতীয় উৎপাদন, নিট জাতীয় উৎপাদন, ব্যক্তিগত আয়, মাথাপিছু আয় ইত্যাদি। আর এসব বিষয় বিচার-বিশ্লেষণ করলে অবশ্যই একটি দেশের অর্থনীতির সকল বিষয়কে নির্দেশ করে। তাই জাতীয় আয়কে একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার প্রধান নির্দেশক বলা হয়।

উত্তরঃ

B' দেশের সরকার ব্যয় পদ্ধতি অবলম্বন করে মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপ করে।
মোট জাতীয় উৎপাদনকে দুটি পদ্ধতিতে পরিমাপ করা যায়। আয় পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি। আয় পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফার যোগফল থেকে পরোক্ষ কর বাদ দিতে হয়। অন্যদিকে ব্যয় পদ্ধতিতে ভোগব্যয়, সরকারি ব্যয়, বিনিয়োগ ব্যয় ও নিট রপ্তানি যোগ করে মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপ করা যায়।
উদ্দীপকের 'B' নামক একটি দেশের সরকার উৎপাদন অবস্থা জানার জন্য মোট জাতীয় উৎপাদন হিসাব করে থাকে। এ লক্ষ্যে জনগণের ভোগব্যয়, সকল সরকারি ব্যয় ও বিনিয়োগ হিসাব করে থাকে। এছাড়া বছরে কী পরিমাণ পণ্য রপ্তানি ও আমদানি করা হয় অর্থাৎ নিট রপ্তানি সম্পর্কিত তথ্যও সংগ্রহ করা হয়। সুতরাং বলা যায়, 'B' দেশের সরকার ব্যয় পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপ করে

উত্তরঃ

আমি মনে করি না যে মোট জাতীয় উৎপাদন দ্বারা একটি দেশের উৎপাদন পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হওয়া যায়। এজন্য নিট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপ করা প্রয়োজন।
মোট জাতীয় উৎপাদন যখন হিসাব করা হয় তখন একটা আর্থিক বছরে দেশের সকল মানুষ (দেশের ভেতরে ও বাইরে) যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার মূল্যকে হিসাবে নেওয়া হয়।
অন্যদিকে নিট জাতীয় উৎপাদন যখন হিসাব করা হয় তখন মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের ক্ষয়জনিত ব্যয় বাদ দিয়ে ধরা হয়।
উদ্দীপকে 'B' নামক দেশটির সরকার উৎপাদন অবস্থা জানার জন্য জনগণের ভোগব্যয়, সকল সরকারি ব্যয় ও বিনিয়োগ ব্যয়। এছাড়া বছরে কী পরিমাণ পণ্য রপ্তানি ও আমদানি করা হয় এ সকল তথ্য হিসাব করা হয়। অর্থাৎ মোট জাতীয় উৎপাদন হিসাব করা হয়। এ উৎপাদন থেকে মূলধন জাতীয় সম্পদের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দেওয়া হয় না। কিন্তু বছর শেষে এর মূল্য যে কমছে সেটা হিসাবে বাদ না দিলে দেখা যাবে দেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ বেশি কিন্তু বাস্তবে এর মূল্য যথেষ্ট কম। তাই প্রকৃত অবস্থা নিরূপণের জন্য মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধন জাতীয় সম্পদ বা স্থায়ী সম্পদের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে তাই হলো নিট জাতীয় উৎপাদন।
পরিশেষে বলা যায়, আমি মনে করি একটি দেশের প্রকৃত উৎপাদন পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত হওয়ার জন্য মোট জাতীয় উৎপাদন যথেষ্ট নয়। এজন্য নিট জাতীয় উৎপাদন হিসাব করতে হয়।

128
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনসামগ্রীর ক্ষয়ক্ষতিজনিত ব্যয় বা অবচয় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে তাকে নিট জাতীয় আয় বলে।

253
উত্তরঃ

জনগণের আয় থেকে কর এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য খরচ বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে তাকে ব্যয়যোগ্য আয় বলে।
জীবনযাত্রার মানের সাথে ব্যয়যোগ্য আয়ের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক বিদ্যমান।
কেননা জাতীয় আয় থেকে সকল প্রকার কর, ব্যবসায়ের অবণ্টিত মুনাফা এবং মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিয়ে তার সাথে
হস্তান্তরযোগ্য আয় (যেমন- বেকার ভাতা, বৃদ্ধ বয়সের পেনশন) যোগ করে ব্যয়যোগ্য আয় পাওয়া যায়। তাহলে এই ব্যয়যোগ্য আয় দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অবস্থা মজবুত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে এবং দেশে নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তোলে দেশের বেকার সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হবে। এতে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। তাই বলা যায়, ব্যয়যোগ্য আয়ের সাথে জীবনযাত্রার মান সম্পর্কিত।

365
উত্তরঃ

একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে কোনো দেশে যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদিত হয় তার বাজারমূল্যরে মোট জাতীয় উৎপাদন বলে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় করা হলো।
এখানে

GNP = মোট জাতীয় উৎপাদন

C- মোট ভোগ ব্যয় ৩,০০০ কোটি ডলার

1= মোট বেসরকারি বিনিয়োগ ব্যয় ৩,০০০ কোটি ডলার

G = মোট সরকারি ব্যয় ২,০০০ কোটি ডলার

X = মোট রফতানি ৩,০০০ কোটি ডলার

M = মোট আমদানি ২,০০০ কোটি ডলার

আমরা জানি,

GNPC+1+G+(X-M)

= ৩,০০০ + ৩,০০০ + ২,০০০+ (৩,০০০-২,০০০)

= ৮,০০০ + ১,০০০ = ৯,০০০ কোটি ডলার

উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের মোট জাতীয় উৎপাদন ৯,০০০ কোটি ডলার

242
উত্তরঃ

কোনো একটি দেশের একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরের মোট আয়ের সমষ্টিকে মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যা পাওয়া যায় তাকে মাথাপিছু আয় বলে।

উদ্দীপকে উল্লিখিত ক ও খ দেশের মাথাপিছু আয় নির্ণয় করা হলো:
'ক' দেশের মাথাপিছু আয় নির্ণয় :

এখানে,
GNP = মোট জাতীয় উৎপাদন
C = মোট ভোগ ব্যয় ৩,০০০ কোটি ডলার

1 = মোট বেসরকারি বিনিয়োগ ব্যয় ৩,০০০ কোটি ডলার

G = মোট সরকারি ব্যয় ২,০০০ কোটি ডলার
X = মোট রফতানি ৩,০০০ কোটি ডলার
M = মোট আমদানি ২,০০০ কোটি ডলার
D = অবচয় বা মূলধনজনিত ব্যয় ৪০০ কোটি ডলার
আমরা জানি,

GNPC+I+G+(X-M)

=৩.০০০+৩.০০০+২.০০০+(৩.০০০+২.০০০)

= ৮.০০০+১.০০০

= ৯.০০০ কোটি ডলার

এখন,
জাতীয় আয় (NI) = GNP - D

= ৯.০০০-৪০০

= ৮,৬০০ কোটি ডলার

সুতরাং,

মাথাপিছু আয় = জাতীয় আয় .=. ডলার

জনসংখ্যা

দেশের মাথাপিছু আয় নির্ণয় :
এখানে

GNP = মোট জাতীয় উৎপাদন
C = মোট ভোগ ব্যয় ২,০০০ কোটি ডলার
1= মোট বেসরকারি বিনিয়োগ ব্যয় ২,৫০০ কোটি ডলার
G = মোট সরকারি ব্যয় ১,৫০০ কোটি ডলার
X = মোট রফতানি ২,৫০০ কোটি ডলার
M = মোট আমদানি ১,২০০ কোটি ডলার
D = অবচয় বা মূলধনজনিত ব্যয় ৩০০ কোটি ডলার
আমরা জানি,

GNPC+I+G+ (X - M)

= ২,০০০ + ২,৫০০ + ১,৫০০ + (২,৫০০ – ১,২০০)

= ৬,০০০ + ১,৩০০= ৭,৩০০ কোটি ডলার
এখন,

জাতীয় আয় (NI) = GNP-D

= ৭,৩০০ - ৩০০

= ৭,০০০ কোটি ডলার

সুতরাং

মাথাপিছু আয় = জাতীয় আয় =.= ৩,৫০০ ডলার

জনসংখ্যা

ক ও খ দেশের মাথাপিছু আয়ের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, খ দেশের তুলনায় ক দেশের মাথাপিছু আয় (৪,৩০০ -৩,৫০০) = ৮০০ ডলার বেশি। এক্ষেত্রে খ দেশের তুলনায় ক দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো বলে প্রতীয়মান হয়।

238
উত্তরঃ

কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ তাদের প্রাকৃতিক সম্পদ, শ্রম ও মূলধনের সাহায্যে যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম সৃষ্টি করে তার আর্থিক মূল্যকে জাতীয় আয় বলে।

408
উত্তরঃ

কোনো একটি দেশের একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরের মোট আয়ের সমষ্টিকে মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যা পাওয়া যায় তাকে মাথাপিছু আয় বলে।
মাথাপিছু আয় পরিমাপ করার জন্য প্রথমে দেশের মোট জাতীয় আয় পরিমাপ করতে হয়। অতঃপর মোট জাতীয় আয়কে দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি ব্যক্তির আয় নির্ণয় করা হয় এবং এটি মানুষের জীবনযাত্রার মানকে নির্দেশ করে। মাথাপিছু আয় পরিমাপের সূত্রটি নিম্নরূপ:
মাথাপিছু আয় = জাতীয় আয়

জনসংখ্যা

289
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews