Blue economy means extraction of the resources of sea of the growth of an economy. Bangladesh has settled maritime boundary disputes with Myanmar in 2012 and with India in 2014 through an arbitral method. It is estimates that Bangladesh has acquired 118,813 square kilometres of the Bay of Bengal. It is estimated that resources from the sea of Bangladesh constitute 81 per cent of the resources existing in territory. Within the jurisdiction of Bangladesh, the sea is endowed with immense and precious natural resources, living and non-living. Besides fish and other living animals, Bangladesh could also have gas fields as it is reported that Mayanmar has discovered a large gas field on its area of the sea. We need to ecosystems of the seas which are reportedly being degraded at an unprecedented rate, and this is not a issue only for Bangladesh . It should be addressed in cooperation with other countries.

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ব্লু ইকোনমি মানে অর্থনীতির বৃদ্ধির জন্য সমুদ্রের সম্পদ আহরণ। বাংলাদেশ ২০১২ সালে মিয়ানমারের সাথে এবং সালে ভারতের সাথে সালিসী পদ্ধতির মাধ্যমে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করেছে। অনুমান করা হয় যে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরের 118,813 বর্গকিলোমিটার অধিগ্রহণ করেছে। অনুমান করা হয় যে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে বিদ্যমান সম্পদের ৮১ শতাংশই সমুদ্র থেকে পাওয়া সম্পদ। বাংলাদেশের অধিক্ষেত্রের মধ্যে, সমুদ্র অপার এবং মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ, জীবিত এবং নির্জীব দ্বারা সমৃদ্ধ। মাছ এবং অন্যান্য জীবন্ত প্রাণীর পাশাপাশি বাংলাদেশেও গ্যাসক্ষেত্র থাকতে পারে কারণ মিয়ানমার তার সমুদ্র এলাকায় একটি বড় গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে বলে জানা গেছে। আমাদের সমুদ্রের ইকোসিস্টেম দরকার যা নজিরবিহীন হারে ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে, এবং এটি শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য একটি সমস্যা নয়। অন্যান্য দেশের সহযোগিতায় এর সমাধান করা উচিত।

Shawon Shahariar
Shawon Shahariar
3 years ago
1.1k

Related Question

View All
উত্তরঃ

সংস্কৃতি হলো একটি জাতির আত্মার প্রতিচ্ছবি। এটি মানুষের জীবনযাপন, চিন্তা-চেতনা, বিশ্বাস, শিল্প-সাহিত্য, রীতিনীতি ও ঐতিহ্যের সমন্বিত রূপ। কিন্তু বিশ্বায়নের এই যুগে জাতীয় সংস্কৃতি আজ বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। একদিকে বিশ্বায়ন সংস্কৃতিকে বৈশ্বিক মাত্রা দিচ্ছে, অন্যদিকে এটি জাতীয় সংস্কৃতির স্বকীয়তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। তাই জাতীয় সংস্কৃতি ও বিশ্বায়নের সংস্কৃতির মধ্যে সমন্বয় ও সংঘাতের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন।  

জাতীয় সংস্কৃতি হলো একটি নির্দিষ্ট দেশ বা জাতির নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়। এটি ঐতিহ্য, ইতিহাস, ভাষা, ধর্ম, উৎসব, সঙ্গীত, নৃত্য, সাহিত্য ও সামাজিক মূল্যবোধের মাধ্যমে গড়ে ওঠে। যেমন—  

-বাংলাদেশের সংস্কৃতি
: বাংলা নববর্ষ (পহেলা বৈশাখ), রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের গান, বাউল সঙ্গীত, জামদানি শাড়ি, নকশিকাঁথা ইত্যাদি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ।  
- ভারতের সংস্কৃতি: বিভিন্ন রাজ্যের নিজস্ব ভাষা, ধর্ম, উৎসব (দিওয়ালি, দুর্গাপূজা), শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ও নৃত্যের বৈচিত্র্য।  

জাতীয় সংস্কৃতি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং জাতীয়তাবোধকে শক্তিশালী করে।  
 
বিশ্বায়নের মাধ্যমে বিশ্ব আজ একটি "গ্লোবাল ভিলেজ"-এ পরিণত হয়েছে। প্রযুক্তি, যোগাযোগ, বাণিজ্য ও পর্যটনের প্রসারের ফলে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি একে অপরের সাথে মিশছে। বিশ্বায়নের সংস্কৃতির প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো—  

1. পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাব :হলিউড চলচ্চিত্র, পপ সঙ্গীত, ফাস্ট ফুড (ম্যাকডোনাল্ডস, কোকাকোলা), পশ্চিমা পোশাক (জিন্স, টি-শার্ট) ইত্যাদি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়।  
2.সামাজিক মাধ্যমের ভূমিকা: ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্কৃতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।  
3.বহুসংস্কৃতিবাদ: বিশ্বায়নের ফলে এক দেশে বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষ একসাথে বসবাস করছে, যেমন—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপীয় দেশগুলোতে বহুসংস্কৃতিক সমাজ গড়ে উঠেছে।  
জাতীয় সংস্কৃতি ও বিশ্বায়নের সংঘাত
বিশ্বায়ন জাতীয় সংস্কৃতির জন্য যেমন সুযোগ নিয়ে এসেছে, তেমনি কিছু চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে—  

- সাংস্কৃতিক আগ্রাসন: পশ্চিমা সংস্কৃতির অত্যধিক প্রভাবে স্থানীয় সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখের পাশাপাশি ভ্যালেন্টাইন’স ডে উদযাপনের প্রবণতা বেড়েছে।  
যুবসমাজের মনোজগতে পরিবর্তন: অনেক তরুণ এখন স্থানীয় সংস্কৃতির চেয়ে পশ্চিমা সংস্কৃতিকে বেশি গুরুত্ব দেয়, যা জাতীয় পরিচয়কে দুর্বল করতে পারে।  
-ভাষার ক্ষেত্রে প্রভাব: ইংরেজির আধিপত্যের কারণে অনেক দেশে স্থানীয় ভাষা অবহেলিত হচ্ছে।  
সমন্বয়ের পথ


বিশ্বায়নকে অস্বীকার করার উপায় নেই, তবে জাতীয় সংস্কৃতিকে সংরক্ষণ ও বিশ্বায়নের ইতিবাচক দিকগুলো কাজে লাগাতে হবে—  

1.গ্লোবালাইজেশনের সাথে লোকালাইজেশনের সমন্বয়: বিশ্ব সংস্কৃতির ভালো দিকগুলো গ্রহণ করার পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতিকে লালন করতে হবে। যেমন—জাপান পশ্চিমা প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে কিন্তু তাদের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি (চা-চক্র, কিমোনো, সামুরাই সংস্কৃতি) আজও অটুট।  
2. শিক্ষা ও সচেতনতা: নতুন প্রজন্মকে জাতীয় সংস্কৃতির গুরুত্ব শেখাতে হবে। স্কুল-কলেজে স্থানীয় ইতিহাস, সাহিত্য ও শিল্পকলা চর্চা বাড়াতে হবে।  
3. সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ: সরকারি নীতি ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে জাতীয় সংস্কৃতিকে প্রমোট করা প্রয়
উপসংহার  
বিশ্বায়ন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া, কিন্তু এর মধ্যে থেকেও জাতীয় সংস্কৃতির স্বকীয়তা বজায় রাখা সম্ভব। বৈশ্বিক সংস্কৃতির সাথে সমন্বয় করে স্থানীয় সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করাই হলো বুদ্ধিমানের কাজ। আমাদের মনে রাখতে হবে, সংস্কৃতির বৈচিত্র্যই মানবসভ্যতার শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তাই বিশ্বায়নের যুগে জাতীয় সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে।  

বিশ্বের সাথে চলো, কিন্তু নিজেকে ভুলো না। 

Sameha Suchi
Sameha Suchi
1 year ago
827
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews