বাংলাদেশে পণ্য ও সেবার মান নির্ধারণ, পরীক্ষা, নিশ্চিত করা ও উন্নয়ন করার কাজে নিয়োজিত একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠানের নাম হলো-
BSTI (Bangladesh Standards and Testing Institution) |
জীবিকা অর্জন ও মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে যে কোনো ব্যবসায় করার অধিকার সকলের রয়েছে। তবে সকল ব্যবসায় দেশের প্রচলিত আইন দ্বারা স্বীকৃত ও বৈধ হতে হয়। এ অধ্যায়ে ব্যবসায়ের বিভিন্ন আইনগত দিক যেমন লাইসেন্স, ট্রেড মার্কস, ফ্রানসাইজ ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-
- ব্যবসায়ের আইনগত দিকের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
- লাইসেন্সের ধারণা ও এটি পাওয়ার উপায় বর্ণনা করতে পারব।
- ফ্রানসাইজের ধারণা ও এটি পাওয়ার উপায় বর্ণনা করতে পারব ।
- পেটেন্টের ধারণা, নিবন্ধনকরণ ও সুবিধাবলি বর্ণনা করতে পারব।
- ট্রেড মার্কের ধারণা ও ধরন ব্যাখ্যা করতে পারব।
- ট্রেড মার্ক নিবন্ধন করার পদ্ধতি ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করতে পারব
- কপিরাইটের ধারণা ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
- কপিরাইট নিবন্ধন করার সুবিধা বর্ণনা করতে পারব।
- BSTI সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে পারব ।
- বিমার ধারণা ও প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।
- বিমার প্রকারভেদ ও বিমা করার প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
Related Question
View Allবর্তমানে বাংলাদেশে ২০০৯ সালের ট্রেডমার্কস আইন চালু আছে।
লেখক বা শিল্পীর সৃজনশীল সাহিত্য বা শিল্পকর্ম নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিক্রি, উন্নয়ন ও ব্যবহারের একক আইনগত অধিকারকে কপিরাইট বলে।
এর উদ্দেশ্য হলো সৃষ্টিকর্ম নকল থেকে রক্ষা করে প্রকৃত লেখক, শিল্পী বা স্বত্বাধিকারীর স্বার্থের সুরক্ষা করা। কপিরাইট আইন অনুযায়ী একজন লেখক বা শিল্পী তার সৃষ্ট কাজের ওপর পূর্ণ অধিকার লাভ করেন। সাধারণত বই, প্রবন্ধ, নৃত্য, সংগীত, চিত্র, চলচ্চিত্র প্রভৃতি কপিরাইট আইনের আওতাভুক্ত।
উদ্দীপকের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়টি ফ্রানসাইজিং (Franchising) ব্যবসায়ের অন্তর্ভুক্ত।
এর মাধ্যমে কোনো খ্যাতনামা কোম্পানির নাম ব্যবহার করে পণ্য তৈরি ও বিক্রি করার অধিকার পাওয়া যায়। এরূপ ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে মূল প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিতে হয়। অনুমতির বিনিময়ে মূল প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট হারে ফি পেয়ে থাকে। কেএফসি, পিজ্জাহাট, ব্যান্ড বকস কোম্পানি ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের উদাহরণ।
উদ্দীপকের ইসমাম ঢাকায় বেড়াতে এসে তার মামাতো ভাইয়ের সাথে চিড়িয়াখানা, নভোথিয়েটার, জাতীয় জাদুঘরসহ বিভিন্ন দর্শনীয় এলাকায় ঘোরাফেরা করে। তারা সব জায়গায় একই নামের একটি রেস্টুরেন্টে খাওয়া-দাওয়া করে। এই রেস্টুটেন্টটি বিদেশি। কিন্তু এ দেশেও একই নামে এর অনেক শাখা আছে। মূল রেস্টুরেন্টের নাম ব্যবহারের অনুমতি নিয়েই ব্যবসায়ীরা এদেশে শাখা খুলেছে। সব শাখায় একই ধরনের খাবার ও সেবা দেওয়া হয়। এজন্য শাখাগুলো বিক্রীত পণ্যের ওপর নির্দিষ্ট হারে ফি মূল প্রতিষ্ঠানকে দেয়। এসব বৈশিষ্ট্য ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়টি ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের আওতাভুক্ত।
উদ্দীপকে বর্ণিত ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বাড়াতে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে আমি মনে করি।
ফ্রানসাইজিং হলো একটি চুক্তিভিত্তিক ব্যবসায়। এখানে দুটি পক্ষের (ফ্রানসাইজর ও ফ্রানসাইজি) মধ্যে চুক্তি হয়। এ ধরনের ব্যবসায়ে সাধারণত ব্রান্ডেড পণ্য বা সেবা বিক্রি করা হয়।
ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ে স্বনামধন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নামেই পণ্য বিক্রি করা হয়। তাই এ ব্যবসায়ে সাফল্য লাভের সুযোগ বেশি থাকে। তারপরও আমাদের দেশে এ জাতীয় ব্যবসায়ের খুব একটা প্রসার ঘটেনি।
ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর জন্য দুই পক্ষকেই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ফ্রানসাইজরের (মূল প্রতিষ্ঠান) সুনাম যাতে ক্ষুণ্ণ না হয় সেদিকে ফ্রানসাইজিকে (অনুমোদন গ্রহণকারী) বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। এজন্য কোনো অবস্থাতেই পণ্য ও সেবার বিকৃতি ঘটানো যাবে না। পণ্যের সঠিক মান বজায় রাখতে হবে। দুই পক্ষকেই চুক্তির শর্ত যথাসম্ভব নমনীয় রাখতে হবে। তাছাড়া যথাযথ প্রচারের ব্যবস্থাও করতে হবে। এভাবেই এদেশে ফ্রানসাইজিং ব্যবসায়ের জনপ্রিয়তা বাড়ানো যাবে বলে আমি মনে করি।
প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির ন্যূনতম প্রবর্তক দুইজন।
যেকোনো ব্যবসায় শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে লিখিত অনুমোদন নেওয়াই হলো লাইসেন্স।
লাইসেন্সকে অনুমোদনপত্র বলা হয়। কোনো ব্যবসায় স্থাপন ও পণ্য বিক্রয়ের বৈধ অধিকারের জন্য উদ্যোক্তাকে লাইসেন্স নিতে হয়। একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেওয়া হয়। মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে তা আবার নবায়ন করা হয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দিষ্ট হারে ফি দিতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!