বিভিন্ন ভরসংখ্যা বিশিষ্ট একই মৌলের পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
ব্যাপন ও নিঃসরণের মধ্যকার পার্থক্য নিম্নরূপ-
| ব্যাপন | নিঃসরণ | |
| i | কোনো মাধ্যমে কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় বস্তুর স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। | সরু ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো গ্যাসের অণুসমূহের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে। |
| ii | এটি স্বতঃস্ফূর্ত ও মন্থর প্রক্রিয়া। | এটি অধিক চাপের প্রভাবে দ্রুত প্রক্রিয়া। |
উদ্দীপকের ১ম, ২য় ও ৬ষ্ঠ মৌলত্রয় হলো যথাক্রমে Cl, Fe ও Mg | এদের ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপ-
কোনো মৌলে ইলেকট্রন যতটি শক্তি স্তরে বিন্যস্ত থাকে, শক্তিস্তরের সেই সংখ্যাই হলো ঐ মৌলের পর্যায় সংখ্যা।
ক্লোরিন মৌলটিতে ৩য় প্রধান শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিদ্যমান। এটি ৩য় পর্যায়ের পর্যায়ের মৌল।
কিন্তু ৩য় পর্যায়ের মৌল এর ক্ষেত্রে সর্বশেষ শক্তিস্তরে যদি দুইটির বেশি ইলেকট্রন থাকে সেক্ষেত্রে সর্ববহিঃস্থ শক্তিস্তরের উপস্থিত ইলেকট্রনের সাথে দশ যোগ করে গ্রুপ সংখ্যা নির্ণয় করতে হয়। যেহেতু ক্লোরিন (CI) মৌলটির সর্বশেষ শক্তিস্তরে 7টি ইলেকট্রন বিদ্যমান।
সুতরাং CI গ্রুপ সংখ্যা = 7+10=17.
অর্থাৎ ক্লোরিন ৩য় পর্যায়ের গ্রুপ 17-এ অবস্থিত।
আয়রন (Fe) মৌলটিতে শেষ ইলেক্ট্রন ৪র্থ শক্তিস্তরে বিদ্যমান, তাই এটি ৪র্থ পর্যায়ের মৌল।
আমরা জানি, যে সব মৌলের সর্ববহিঃস্থ স্তরে ৪ ও তারপর এ অরবিটাল থাকে সেসব মৌলের ক্ষেত্রে ৪ ও d অরবিটালের মোট ইলেকট্রন সংখ্যাই হলো তার গ্রুপ নম্বর। আয়রনের ও অরবিটালে দুইটি ও এ অরবিটালে 6টি ইলেকট্রন বিদ্যমান। সুতরাং আয়রনের গ্রুপ হবে (2 + 6) = 8, অর্থাৎ আয়রন পর্যায় সারণির অষ্টম পর্যায়ের গ্রুপ - ৪ মৌল।
আবার, ম্যাগনেসিয়াম মৌলটিতে ৩য় প্রধান শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিদ্যমান। সুতরাং মৌলটির ৩য় পর্যায়ে অবস্থিত। ম্যাগনেসিয়ামের সর্বশেষ কক্ষপথে ২টি ইলেকট্রন বিদ্যমান। তাই এটি গ্রুপ-২ এর গ্রুপের মৌল। সুতরাং, Mg হলো ৩য় পর্যায়ের গ্রুপ-2 মৌল।
উদ্দীপকের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম মৌলত্রয় হলো যথাক্রমে:
Na (সোডিয়াম), Si (সিলিকন) ও K (পটাসিয়াম)
নিম্নে এদের আকারের ক্রম ব্যাখ্যা করা হলো:
আমরা জানি, একই গ্রুপের উপর থেকে নিচে পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসে একটি নতুন শক্তিস্তর যুক্ত হয়। ফলে পরমাণুর আকার বৃদ্ধি পায়।
আবার, একই পর্যায়ের বাম থেকে ডানে পরমাণুর কেন্দ্রে একটি করে প্রোটন সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং যোজ্যতা স্তরে একটি ইলেকট্রন বৃদ্ধি পায়। কিন্তু শক্তিস্তরের সংখ্যা একই থাকে।
তাই সর্বশেষ শক্তিস্তরের ইলেকট্রনের উপর নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ বাড়বে। ফলে, পরমাণুর আকার ছোট হতে থাকে। তাই একই পর্যায়ের বাম থেকে ডানে পরমাণুর আকার হ্রাস পায়।
উদ্দীপকের মৌলগুলো ইলেকট্রন বিন্যাস থেকে দেখা যায়, Na ও Si ৩য় পর্যায়ের ও পটাসিয়াম ৪র্থ পর্যায়ের মৌল।
সুতরাং, এখানে পটাসিয়ামের আকার সবচেয়ে বড়। কারণ এটি চুতর্থ পর্যায়ের মৌল। সুতরাং, Na, Si, K এর মধ্যে আকারের ক্রমটি হবে :
K > Na > Si
Related Question
View Allরাসায়নিকভাবে সদৃশ প্রতি ৩টি মৌলের মধ্যে মাঝের মৌলটির পারমাণবিক ভর মোটামুটিভাবে অপর মৌল দুটির পারমাণবিক ভরের গড় হয়- এটিই ডোবেরাইনার ত্রয়ী সূত্র।
বেরিয়াম (Ba) মৌলটি গ্রুপ-২ এ অবস্থিত। এর অক্সাইড পানিতে ক্ষারীয় দ্রবণ তৈরি করে। এর সর্ববহিঃস্ত স্তরের দুটি ইলেকট্রন অধাতুকে দান করে আয়নিক যৌগ (লবণ) তৈরি করে। এটি বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে। তাই বেরিয়াম (Ba) কে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়।
ক্ষার
প্রদত্ত উদ্দীপকে সোডিয়াম (Na), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ফ্লোরিন (চ), ক্লোরিন (CI) এবং ব্রোমিন (Br) এই পাঁচটি মৌল অবস্থিত। এদের মধ্য Na, Mg ও CI মৌলত্রয় পর্যায় সারণির তৃতীয় পর্যায়ে এবং F, CI ও Br মৌলত্রয় পর্যায় সারণির 17 নং গ্রুপে অবস্থিত।
আমরা জানি, পর্যায় সারণির যে কোনো পর্যায়ে যতই বামদিক থেকে ডানদিকে যাওয়া যায় অর্থাৎ পারমাণবিক সংখ্যা যতই বাড়ে পরমাণুর আকার ততই হ্রাস পায়। অতএব উদ্দীপকের Na, Mg ও CI এর মধ্যে Na এর আকার সবচেয়ে বড় এবং CI এর আকার সবচেয়ে ছোট। এদের আকারের ক্রম হলো Na > Mg > Cl । Na এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ 0.154 nm এবং CI এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ 0.099 nm।
আবার একই গ্রুপের মৌলসমূহের বেলায় উপর থেকে নিচের দিকে গেলে পরমাণুর ইলেকট্রনের জন্য নতুন কক্ষপথ বা শক্তিস্তর যুক্ত হয়।
ফলে পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বৃদ্ধি পায়। F, CI ও Br মৌলগুলোর মধ্যে F একই গ্রুপের সবচেয়ে উপরে এবং Br সবচেয়ে নিচে অবস্থিত। অতএব, এদের আকারের ক্রম হলো F < Cl < Br Br এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ হলো 0.144nm |
উপরোক্ত আলোচনা হতে দেখা যায়, Na ও Br উভয়ের আকারই CI থেকে বড়। অর্থাৎ এদের ক্রম হলো- Na > Cl < Br কিন্তু Na ও Br এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধ যথাক্রমে 0.154 nm ও 0.114 nm । সুতরাং উদ্দীপকের মৌলগুলোর মধে Na এর আকার সবচেয়ে বড়।
গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন প্রবেশ করিয়ে এক মোল ঋণাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে।
উদ্দীপকের পর্যায়ের মৌলগুলো যথাক্রমে Na, Mg ও Cl
পর্যায় সারণির একই পর্যায়ে মৌলগুলোর জন্য বাম দিক থেকে ডান দিকে ইলেকট্রন আসক্তি ক্রমশ বৃদ্ধি পায়। কারণ বাম থেকে ডান দিকে পারমাণবিক সংখ্যা। ক্রমশ বৃদ্ধি পায়। ফলে নিউক্লিয়াসের প্রোটনের সংখ্যা বৃদ্ধি তথা ধনাত্মক চার্জ বৃদ্ধি পায় কিন্তু নতুন কোনো শক্তিস্তর সৃষ্টি না হওয়ায় নিউক্লিয়াস থেকে ইলেকট্রনের দূরত্ব তেমন বৃদ্ধি পায় না। ফলে ধনাত্মক চার্জের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। তাই অধিক আকর্ষণের জন্য মৌলগুলোের ইলেকট্রন আসক্তি বৃদ্ধি পায়।
এক্ষেত্রে উদ্দীপকের পর্যায়ের সর্ববামের মৌল Na এর আকার সবচেয়ে বড় এবং সর্বডানের মৌল Cl এর আকার সবচেয়ে ছোট। অতএব এ পর্যায়ের মৌলের আকারের ক্রম হলো Na > Mg > ........>Cl আবার, আমরা জানি মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ অর্থাৎ আকার বৃদ্ধি পেলে ইলেকট্রন আসক্তি হ্রাস পায় এবং আকার হ্রাস পেলে ইলেকট্রন আসক্তি বৃদ্ধি পায়। সুতরাং উদ্দীপকের পর্যায়ের মৌলগুলোের ইলেকট্রন আসক্তির ক্রম হবে Na < Mg<..........
মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলি তাদের পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।
উদ্দীপকের B মৌলটি পর্যায় সারণির চতুর্থ পর্যায়ের গ্রুপ-২ এ অবস্থিত। কাজেই মৌলটি হতে ক্যালসিয়াম (Ca)।
যে সকল ধাতু মাটিতে যৌগ হিসেবে পাওয়া যায় এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার তৈরি করে তাদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়। বৈশিষ্ট্য অনুসারে গ্রুপ-2 এর মৌলসমূহকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। ক্যালসিয়াম (Ca) পর্যায় সারণির দ্বিতীয় গ্রুপে অবস্থিত একটি মৌল। মৌলটি মূলত মাটিতে পাওয়া যায় এবং পানির সাথে বিক্রিয়া করে Ca(OH)2 গঠন করে। তাই ক্যালসিয়াম (Ca) কে মৃৎক্ষার ধাতু বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!