বাংলাদেশ (একটি জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ ও CVF/LDC গোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর হিসেবে) COP-29-এ মূলত নিম্নলিখিত দাবিগুলো জোরালোভাবে তোলে-
১। নতুন সমষ্টিগত পরিমাণগত জলবায়ু অর্থায়ন লক্ষ্য (NCQG): ২০২৫ পরবর্তী সময়ে পূর্বের ১০০ বিলিয়ন ডলারের অঙ্গীকার ছাড়িয়ে পর্যাপ্ত, পূর্বানুমানযোগ্য, অতিরিক্ত ও স্বচ্ছ অর্থায়ন নির্ধারণ ও তা বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়নের দাবি।
২। Loss & Damage Fund-এর দ্রুত ও কার্যকর অপারেশনালাইজেশন: ক্ষতি-ক্ষয় (loss) ও অবনতি (damage) মোকাবিলায় গ্রান্ট-নির্ভর, সহজপ্রাপ্য ও দ্রুত ছাড়যোগ্য তহবিল নিশ্চিত করা।
৩। Adaptation Finance বৃদ্ধির স্পষ্ট রোডম্যাপ: অভিযোজন খাতে অর্থায়ন বহুগুণ বৃদ্ধি, পৃথক লক্ষ্য নির্ধারণ এবং সহজ শর্তে প্রাপ্তির নিশ্চয়তা।
৪। টেকনোলজি ট্রান্সফার ও ক্যাপাসিটি বিল্ডিং: নিম্ন আয়ের ও জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য স্বল্প খরচে/লাইসেন্স-ফ্রি প্রযুক্তি হস্তান্তর, জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি।
৫। রিনিউএবল এনার্জি ট্রানজিশন ও ফসিল ফুয়েল ফেজ-ডাউন: নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় আকারের বিনিয়োগ, জাস্ট ট্রানজিশন ও মিথেনসহ স্বল্পায়ু গ্রিনহাউস গ্যাস হাসে বাধ্যতামূলক লক্ষ্য।
৬। ডেট-রিলিফ/ডেট-সোয়াপ (Debt relief /debt-for-climate swap): জলবায়ু অর্থায়ন গ্রহণের পথে ঋণের ফাঁদ লাঘব করা এবং জলবায়ু বিনিয়োগে ঋণ বিনিময়ের সুযোগ
৭। প্রারম্ভিক সতর্কীকরণ ব্যবস্থা (Early Warning for All): জলবায়ু দুর্যোগ-প্রবণ দেশগুলোতে সর্বজনীন আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় অর্থায়ন ও প্রযুক্তি সহায়তা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!