তারিখ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬
বরাবর,
থানা নির্বাহী অফিসার
________ থানা, ________ জেলা।
বিষয়: বিদ্যালয়ে একটি পাঠাগার স্থাপনের জন্য আবেদন।
জনাব,
সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, আমি রিহান/রিহানা, কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায় বহু শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত থাকলেও এখনো পর্যন্ত একটি সুষ্ঠু ও সমৃদ্ধ পাঠাগারের ব্যবস্থা নেই। ফলে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যবইয়ের বাইরে জ্ঞানার্জনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
পাঠাগার শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বৃদ্ধি, সৃজনশীলতা বিকাশ এবং নৈতিক শিক্ষা অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। একটি সুসজ্জিত পাঠাগার থাকলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে অতিরিক্ত জ্ঞান অর্জন করতে পারবে, যা তাদের ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত প্রার্থনা এই যে, আমাদের বিদ্যালয়ে একটি আধুনিক ও প্রয়োজনীয় বইসমৃদ্ধ পাঠাগার স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমরা শিক্ষার্থীরা বিশেষভাবে উপকৃত হব।
আপনার সদয় বিবেচনার জন্য আমরা চিরকৃতজ্ঞ থাকব।
ধন্যবাদান্তে,
বিনীত নিবেদক
রিহান/রিহানা
শ্রেণি : ১০ম
কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
পায়রাবন্দ উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রাবাস,
পায়রাবন্দ, রংপুর।
২৩ এপ্রিল, ২০২৬
শ্রদ্ধেয়া মা,
আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম নিও। আশা করি বাড়ির সবাই ভালো আছো। ছাত্রাবাসের অন্য সবার সাথে আমিও ভালো আছি।
তোমাদেরকে জানাবার জন্য লিখছি যে, সামনেই আমাদের নির্বাচনি পরীক্ষা। আর মাত্র এক মাস বাকি। তাই এখন আমি খুব ব্যস্ত সময় পার করছি। বিদ্যালয়ের পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্রাবাসে রাত জেগে পরীক্ষার বিশেষ প্রস্তুতি নিচ্ছি। শিক্ষকগণ যে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, আমি সেগুলো কঠোরভাবে অনুসরণ করছি।
আমার শরীর ও মন দুটোই ভালো আছে। তোমরা আমার জন্য দোয়া করো, যেন এই পরীক্ষায় আমি খুব ভালো ফল করতে পারি এবং তোমাদের মুখ উজ্জ্বল করতে পারি।
বাবাকে আমার প্রণাম জানিও। আর ছোটদের অনেক আদর। আজ আর নয়।
তোমার আদরের ছেলে,
প্রান্ত
Related Question
View Allবৈশাখী মেলা
বাংলার গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি বিশেষ অংশ হলো বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর বাংলা পহেলা বৈশাখ, অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল, এই মেলার আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলা শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাংলার জীবনযাত্রার সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত এক ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান।
মেলার শুরু হয় সকালবেলায়, যেখানে গ্রামের মানুষ তাদের পোষাক ও সাজসজ্জায় মেতে ওঠে। বাজারে নানা ধরনের স্টল ও দোকান বসে, যা বিভিন্ন রকমের পণ্য ও সামগ্রী বিক্রি করে। এই মেলায় স্থানীয় হস্তশিল্প, জামদানি শাড়ি, মাটির পুতুল, কুটির শিল্পের নানা সামগ্রী পাওয়া যায়। মেলার এক দিকের গন্ধ আসে পিঠে-পুলি, মোয়া, চিড়েসুড়ির মত ঐতিহ্যবাহী খাবারের সুবাস।
বৈশাখী মেলা শুধু কেনাকাটার জন্যই নয়, বরং এটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আনন্দের মিলনমেলা। মেলা উপলক্ষে গীতিনাট্য, লোকনৃত্য, গান, কৌতুক পরিবেশিত হয়। এই সাংস্কৃতিক কার্যক্রম গ্রামীণ জীবনকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং নতুন প্রজন্মকে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পরিচিত করায়।
মেলা শেষ হওয়ার পর, সবাই একসাথে আনন্দের সাথে বাড়ি ফিরে আসে, মনে মনে ভরপুর আশা ও স্মৃতি নিয়ে। বৈশাখী মেলা একদিকে যেমন বাংলার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে, অন্যদিকে এটি সামাজিক মেলবন্ধনও শক্তিশালী করে।
এভাবে, বৈশাখী মেলা বাংলার সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য অংশ, যা সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহ্যবাহী জীবনের সাথে সম্পৃক্ত।
বৈশাখী মেলা
বৈশাখী মেলা নববর্ষের একটি উৎসব । নববর্ষ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে এই মেলা বসে । এটি বৈশাখের প্রথম দিনে (মাসের) অনুষ্ঠিত হয় । মূলত বৈশাখী মেলার আয়োজন করে স্থানীয় লোকেরা । পহেলা বৈশাখ আয়োজন করা হয় বাংলাদেশের বিভিন্নজায়গায় ছোট বড় অনেক স্থানে । মেলা শুরু করে স্থানীয় লোকেরা এই মেলাতে বিভিন্ন ধরনের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা গুলো শুরু করে । এই মেলাগুলো এক সপ্তাহ কিংবা এক মাস ব্যাপী হয়ে থাকে । বৈশাখী মেলা সাধারণত খোলা আকাশের নিচে বসে । প্রতিবছর রমনার বটমূলে বসে এ মেলার প্রভাতি আসর । এছাড়া গ্রামের হাট-বাজার, নদীর তীর, মন্দির প্রাঙ্গণে এ মেলা বসে । মানুষের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ করা যায় । নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, নানা ধরনের কুটিরশিল্প, খেলনাসহ হরেক রকম পণ্যের সমাহার ঘটে এ মেলায় । এছাড়াও থাকে যাত্রা, পুতুলনাচ, নাগরদোলা, সার্কাসসহ বিনোদনমূলক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন । বিভিন্ন ধরনের মিষ্টিজাতীয় খাবারও পাওয়া যায় মেলায় । এমেলায় বসে বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহি নানা খাবারের পশরা । হরেক রকমের মিষ্টি, বাতাসা, খই, মুড়ি, আচার সহ নানান রকম বাহারী বাঙ্গালী খাবার এ মেলার প্রধান আকর্ষন । এছাড়া রং-বেরঙের বেলুন আর বাঁশের বাঁশির সুর আর কচিকাচাদের কোলাহলে মুখরিত থাকে মেলা প্রাঙ্গন । বৈশাখী মেলায় গিয়ে তালপাতার তৈরি হাতপাখা কেনেন না এমন লোকের সংখ্যা খুব কম । লোহা ও কাঠের তৈরি সামগ্রীর মধ্যে দা, বঁটি, কাস্তে, ছুরি, খুন্তি, কোদাল, শাবল, পিঁড়ি, জলচৌকি, চেয়ার, টেবিল, খাট-পালঙ্ক ইত্যাদি পাওয়া যায় । বৈশাখি মেলা আনন্দের পাশাপাশি আমাদের জীবনের অনেক প্রয়োজন মেটায় ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!