কপর্দকশূন্য, নিরাশ্রয় কর্ডেলিয়াকে বার্গান্ডির ডিউক বিয়ে করতে চাইল না কারণ তখন কর্ডেলিয়াকে বিয়ে করলে তার স্বার্থসিদ্ধি হবে না। রাজা লিয়ারের তিন মেয়ে ছিল, যাদেরকে রাজা সমস্ত রাজ্য তিন ভাগে ভাগ করে দিতে চাইলেন। তাই তিনি রাজসভায় সভাসদদের ডাকেন। রাজার বড়ো দুই মেয়ে ছিল বিবাহিত। ছোটো মেয়ে কর্ডেলিয়া ছিল কুমারী। সেখানে উপস্থিত ছিল কর্ডেলিয়ার দুই পাণিপ্রার্থী; একজন বার্গান্ডির ডিউক এবং অপরজন ফ্রান্সের যুবরাজ। রাজসভায় সম্পত্তি ভাগের আগে একে একে মেয়েদের কাছে রাজা জানতে চান যে তারা তাঁকে কতটা ভালোবাসে? বড়ো দুই মেয়ের তোষামুদে ও চাটুকারী বাক্যে রাজা খুশি হন এবং ছোটো মেয়ে কর্ডেলিয়ার সত্য কথায় রাজা খেপে যান। তিনি কর্ডেলিয়াকে ত্যাজ্য করেন, রাজ্য থেকে বের করে দেন। সম্পূর্ণ রাজ্য বড়ো ও মেজো মেয়ের মধ্যে ভাগ করে দেন। এতে করে কর্ডেলিয়া হয়ে পড়ে কপদকশূন্য ও নিরাশ্রয়। এ অবস্থায় বার্গান্ডির ডিউক তাকে বিয়ে করতে চাইল না। কারণ রাজত্ব ছাড়া রাজকন্যার কোনো মূল্য নেই তার কাছে। আসলে বার্গান্ডির ডিউক ছিল লোভী ও স্বার্থান্বেষী। স্বার্থের কারণে সে কর্ডেলিয়াকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। কিন্তু যখন দেখল স্বার্থ পূরণ হবে না তখন সে আর তাকে বিয়ে করতে চাইল না।
রাজা ও আর্ল অব কেন্টের সম্পর্ক অতি বিচিত্র। ব্রিটেনের রাজা লিয়ারের সভাসদবর্গের মধ্যে কেন্ট ছিলেন সবচেয়ে বিশ্বস্ত। রাজা লিয়ারের প্রতি ছিল তার অগাধ ভক্তি। রাজা ছিলেন তার কাছে পিতৃতুল্য। তাই তিনি রাজার যেকোনো বিষয়ে নির্ভীকভাবে কথা বলতে পারতেন। তিন মেয়েকে রাজা রাজ্য ভাগ করে দেওয়ার আগে একে একে যখন জিজ্ঞেস করলেন তারা তাকে কেমন ভালোবাসে, তখন বড়ো দুই কন্যা তাঁকে তোষামুদে বাক্যে তুষ্ট করে স্বার্থ হাসিল করে। কিন্তু ছোটো মেয়ে কর্ডেলিয়া তার অন্তরের ভালোবাসা মুখে প্রকাশ করে সেই ভালোবাসার মর্যাদাহানি করতে চায় না। তাই সে বলে, একটি মেয়ের তার বাবাকে যতটা ভালোবাসা কর্তব্য ততটাই সে ভালোবাসে। এর বেশিও নয়, কমও নয়। এ কথা শুনে রাজা তাকে ত্যাজ্য করলেন, তাকে রাজ্য থেকে বের হয়ে যেতে বললেন এবং সম্পূর্ণ রাজ্য চাটুকার বড়ো দুই মেয়েকে ভাগ করে দিলেন। এমন পরিস্থিতিতে রাজা লিয়ারের সভাসদবর্গ সকলে বিস্মিত, হতচকিত হয়ে গেলেন এবং কর্ডেলিয়ার জন্য দুঃখে তাঁরা মুহ্যমান হলেন। তবে রাজার, ভয়ে কেউ কোনো প্রতিবাদ করতে পারলেন না। কিন্তু রাজার সঙ্গে আর্ল অব কেন্টের এমনই একটা সম্পর্ক ছিল যে, সে নির্ভীক কণ্ঠে কর্ডেলিয়ার প্রতি রাজার অবিচারের প্রতিবাদ করল। সে বলল, "এ আপনি কী করছেন রাজা? কর্ডেলিয়া যে আপনাকে কম ভালোবাসে না, সেটা কি বুঝতে পারছেন না? অন্তঃসারশূন্য তোষামোদবাক্যই আপনার কাছে বেশি মূল্য পেল?" রাজা তখন তাকে ক্রুদ্ধ হয়ে বলেন যে, বাঁচতে চাইলে যেন সে চুপ থাকে। আর্ল অব কেন্ট তখন বলে, "আমার এ জীবন আপনার সেবাতেই উৎসর্গ করা। আপনি তা নিলে নিয়ে নেবেন। আমার ভয় কীসের?" রাজা ও কেন্টের এই কথোপকথনেই তাঁদের দুজনের সম্পর্কের গতি-প্রকৃতি স্পষ্ট হয়ে যায়। কেন্ট রাজার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও অনুগত। রাজার প্রতি তার অগাধ ভক্তি। পিতার মতো ভালোবাসেন তাঁকে। কিন্তু তাঁর অন্যায়কে সর্বসমক্ষে বলার সাহস রাখে সে। এরপর রাজা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে নির্বাসন দন্ড দেন। ছয় দিনের মধ্যে তাঁকে রাজ্য ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়। তবে তাঁদের যে সম্পর্ক তার সবচেয়ে বড়ো চমক অপেক্ষা করে রাজার দুঃসময়ে। রাজা বড়ো দুই মেয়ের কাছে অপমানিত হয়ে নিরাশ্রয় হন। তখন তাঁর পাশে দুজন বিশ্বস্ত অনুচর ছিল। তাদের একজন ছিল বিদূষক এবং অপরজন ছিলেন কাইয়াস নামে এক নরনিযুক্ত ভৃত্য। কাইয়াস আসলে ছদ্মবেশী আর্ল অব কেন্ট। রাজা লিয়ার যদিও তাকে রাজ্য থেকে নির্বাসন দিয়েছিলেন, কিন্তু রাজার প্রতি আনুগত্যবশত 'কেন্ট রাজাকে ছেড়ে দূরে চলে যেতে পারেনি। এখানে রাজার প্রতি তার আনুগত্য, ভালোবাসার আসল রূপ প্রকাশ পেয়েছে। স্বার্থহীনভাবে রাজাকে ভালোবেসেছে আর্ল অব কেন্ট। রাজাকে 'সে সর্ব অবস্থায় রক্ষা করতে চায়। রাজার দুরবস্থা তাঁকে ভীত করে। সে রাজাকে কীভাবে দুর্দশা থেকে উদ্ধার করবে সেই চিন্তায় অস্থির। সে রাজাকে আর্ল অব গ্লস্টারের পরামর্শে ফ্রান্সের কাছাকাছি ব্রিটেনের সীমান্ত ডোভারে নিয়ে যায়, যেখানে অন্তত রাজার প্রাণের ভয় নেই। এভাবে আর্ল অব কেন্ট রাজা লিয়ারের সঙ্গে ছায়ার মতো থেকেছে সব সময়। আর্ল অব কেন্ট রাজাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসে গিয়েছে।
Related Question
View Allসম্মিলিত সেনাবাহিনীর কাছে কর্ডেলিয়ার অপ্রতুল সেনাবাহিনী পরাজিত হয়।
বড় দুই মেয়ের অমানুষিক নিষ্ঠুরতার কারণে মানসিক যন্ত্রণায় রাজা উন্মাদ হয়ে গেলেন।
'কিং লিয়ার' গল্পে গনেরিল পিতা লিয়ারের সঙ্গে ভালো করে কথা বলে না, পিতার অনুচর যোদ্ধারক্ষীদের কাজে খুঁত ধরে, তাঁকে যথাযোগ্য সম্মান করে না। তাই রাজা অকৃতজ্ঞ কন্যার প্রাসাদ ছেড়ে রিগানের কাছে চলে যেতে কাইয়াসকে দিয়ে চিঠি পাঠান। এ বিষয় জানতে পেরে গনেরিল রিগানকে চিঠি লিখে জানায় যে, সে যেন রাজাকে পাত্তা না দেয়। রিগান স্থির কণ্ঠে পিতাকে জানায় যে, লিয়ার এবং তাঁর রক্ষীদের সমাদর করতে প্রস্তুত নয়। এরূপ অমানবিক আচরণে কিং লিয়ার মনের কষ্টে উন্মাদ হয়ে যান।
উদ্দীপকটি কিং লিয়ারের প্রতি তাঁর বড় দুই মেয়ের অমানবিক আচরণের দিক থেকে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। মানবিক আচরণই মানুষ প্রত্যাশা করে। যারা মানুষের প্রতি অমানবিক আচরণ করে তারা ভালো মানুষ নয়।
উদ্দীপকে মানুষের প্রতি মানুষের মানবিক আচরণের দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বাবু ইয়ারের ওপর অত্যন্ত রাগ করলেও শেষ পর্যন্ত তার বাড়িতেই উদ্দীপকের ব্যক্তির থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এ বিষয়টি 'কিং লিয়ার' গল্পের রাজা লিয়ারের প্রতি তার বড় দুই মেয়ে গনেরিল ও রিগানের আচরণের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। কারণ প্রথমে গনেরিল পিতার সঙ্গে অমানবিক আচরণ করলে রাজা লিয়ার রিগানের কাছে যান। রিগান বড় বোনের কথামতো স্থির কণ্ঠে জানায় যে, লিয়ার এবং তার রক্ষীদের সমাদর করতে সে প্রস্তুত নয়। পিতার সঙ্গে রিগান অমানবিক আচরণ করে।
উদ্দীপকে 'কিং লিয়ার' গল্পের একটি বিশেষ দিকের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়, পুরো বিষয় সেখানে অনুপস্থিত- মন্তব্যটি যথার্থ।
সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার যেমন দায়িত্ব ও কর্তব্য আছে, তেমনই পিতা-মাতার প্রতিও সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য আছে। যারা স্বার্থের কারণে পিতা-মাতাকে কষ্ট দেয় তারা নির্বোধ ও অমানুষ।
উদ্দীপকে মানুষের প্রতি মানুষের মানবিক আচরণের দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে। নিজের বাড়িতে একটি লোকের আশ্রয় ও আহারের ব্যবস্থা করতে না পারায় বাবু তার ইয়ার দোস্তের ওপর রাগ করলেও আশ্রয়প্রার্থীর জন্য তিনি আশ্রয় ও আহারের ব্যবস্থা করেছেন। এ বিষয়টি 'কিং লিয়ার' গল্পের একটি বিশেষ দিকের বৈসাদৃশ্য মাত্র। কারণ এখানে ছোট মেয়ে কর্ডেলিয়ার প্রতি কিং লিয়ারের এবং তাঁর প্রতি বড় দুই মেয়ের যে অমানবিকতা প্রকাশ পেয়েছে তার বিপরীত চিত্রই উদ্দীপকে লক্ষ করা যায়।
'কিং লিয়ার' গল্পে রাজা লিয়ার বড় দুই মেয়ের অন্তঃসারশূন্য তোষামোদ বাক্যে বিশ্বাস করে ছোট মেয়েকে সমস্ত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করেন। তাঁর বিশ্বস্ত সভাসদ কেন্টের প্রতিবাদ, অসহায় কর্ডেলিয়াকে বার্গান্ডির ডিউকের বিবাহ, কিং লিয়ারের প্রতি বড় দুই মেয়ের অমানবিক আচরণ ইত্যাদি বিষয় উদ্দীপকে নেই। এ দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
"এত কম তোমার বয়স, এখনই এমন কঠিন তোমার মন?"-কথাটি রাজা লিয়ার তার ছোটো মেয়ে কর্ডেলিয়াকে বলেছেন।
রাজা লিয়ারের, ছিল তিন মেয়ে। বৃদ্ধ রাজা স্থির করলেন তিনি তিন মেয়েকে সমস্ত সম্পত্তি ভাগ করে দেবেন। সেই উদ্দেশ্যে রাজসভা ডেকে সভাসদদের সামনেই তিন মেয়েকে একে একে জিজ্ঞেস করলেন কে তাকে কতটুকু ভালোবাসে? বড়ো দুই মেয়ে বলে দিল তারা তাদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসে বাবাকে। রাজা ভীষণ খুশি হলেন। তিনি ছোট মেয়ে কর্ডেলিয়াকে ভালোবাসতেন সবচেয়ে বেশি। তাই তিনি তার কাছে আরও বেশি আবেগপূর্ণ তোষামুদে বাক্য আশা করেছিলেন। কর্ডেলিয়ার ভালোবাসা ছিল অন্তরে প্রোথিত এবং তা এত গভীর যে, জিভের ডগায় আনলে তার মর্যাদাহানি হবে বলে সে মনে করল। তাই সে শুধু বলল যে, একটি মেয়ের তার বাবাকে যতটা ভালোবাসা কর্তব্য ততটাই সে ভালোবাসে। এর বেশিও নয়, কমও নয়। এভাবে রাজা সামনে অকপটে কিছু সত্য কথা সে বলল। তার বাক্যে তোষামুদে ভাব ছিল না। রাজা লিয়ার এতে খেপে গেলেন এবং মেয়েকে ভুল বুঝে বললেন, “এত কম তোমার বয়স, এখনই এমন কঠিন তোমার মন?"
কিং লিয়ার তোষামুদে তুষ্ট হয়ে নিজের জীবনে করুণ পরিণতি ডেকে এনেছিলেন।
ব্রিটেনের বৃদ্ধ রাজা লিয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁর তিন মেয়ে গনেরিল, রিগান আর কর্ডেলিয়াকে রাজ্য ভাগ করে দেবেন। তাঁর বড়ো দুই মেয়ে ছিল বিবাহিত এবং কর্ডেলিয়া ছিল কুমারী। রাজা লিয়ার রাজদরবারে সবাইকে ডাকলেন। তিনি সভাসদদের সামনে সম্পত্তি ভাগ করে দেওয়ার ঘোষণা দিলেন এবং তার আগে তিন মেয়েকে একে একে জিজ্ঞেস করলেন কে তাঁকে কতটুকু ভালোবাসে। বড়ো মেয়ে গনেরিল বলল, "পিতা, আপনার প্রতি আমার ভালোবাসা আমি কথায় প্রকাশ করতে অক্ষম। এই পৃথিবীতে যা কিছু মহান, সুন্দর, জীবনের যা কিছু কাম্য, আরাধ্য সবকিছুর চেয়ে, আমার এই দুই চোখের জ্যোতির চেয়ে, আমার সমগ্র জীবনের চেয়ে আপনাকে বেশি ভালোবাসি।” তার কথায় রাজা খুর সন্তুষ্ট হলেন এবং তাকে রাজ্যের সেরা এক-তৃতীয়াংশ দান করলেন। এরপর রিগান বলল, "আমার বড়ো বোন দেখি আমারই মনের কথাগুলো সব বলে দিয়েছে। তবে একটা কথা সে বলতে পারেনি, তা হলো আপনার ভালোবাসা ছাড়া আমার জীবনের অন্যসব সুখ-আনন্দ তুচ্ছ।” রাজা রিগানের প্রশস্তি শুনে পরম হৃষ্টচিত্তে তাকে রাজ্যের অপর এক-তৃতীয়াংশ দান করলেন। ছোটো মেয়ে কর্ডেলিয়াকে রাজা ভালোবাসতেন বেশি। তাই তার কাছে প্রত্যাশাও ছিল বেশি। কিন্তু কর্ডেলিয়া রাজাকে হতাশ করল। কর্ডেলিয়া মনে করে, তার ভালোবাসা কারও চেয়ে কম নয়; বরং তা এত গভীর যে, জিভের ডগায় আনলে তার মর্যাদাহানি হবে। সে রাজাকে বলল, "পিতা আমার মনের কথা মুখে আনতে পারছি না। তার জন্য আমার অশান্তির সীমা নেই। একটি মেয়ে তার পিতাকে যতখানি ভালোবাসা কর্তব্য, ঠিক ততখানিই আপনাকে ভালোবাসি। তার বেশিও নয়, কমও নয়।” এ কথা শুনে রাজা স্তম্ভিত হলেন, তাঁর মুখ অপমানে কালো হয়ে গেল। কর্ডেলিয়ার অকপট সত্য রাজা মেনে নিতে পারলেন না। তিনি কর্ডেলিয়াকে ত্যাজ্য করলেন। তাকে রাজ্য থেকে বের করে দিলেন এবং সম্পূর্ণ রাজ্য বড়ো ও মেজো মেয়ের মধ্যে ভাগ করে দিলেন। রাজা তোষামুদেবাক্যকেই মর্যাদা দিলেন। রাজা লিয়ারের এমন অবিচক্ষণ সিদ্ধান্ত তাঁর জীবনের জন্য কাল হলো। সমুদয় রাজ্য দুই মেয়েকে দান করায় তিনি তাদের করুণার পাত্র হয়ে পড়লেন। কিছুদিন পর দুই বোনের আসল স্বরূপ বেরিয়ে এলো। তারা রাজাকে অপমানজনক অবস্থায় ফেলল এবং রাজা রাজবাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য হলেন। রাজার জীবনে নেমে এলো দুঃসহ গ্লানি আর দুঃখ। তিনি বুঝতে পারলেন তাঁর বড়ো দুই মেয়ের ভালোবাসা ছিল মেকি এবং ছোটো মেয়ের ভালোবাসাই ছিল আসল। একপর্যায়ে তিনি প্রায় উন্মাদ হয়ে যান। এই দুঃসময়ে কর্ডেলিয়াই তার পাশে এসে দাঁড়ায়। তবে কর্ডেলিয়ারও প্রাণসংহার হয়। মানুষ তাঁর ভুলের জন্য দুঃখ-কষ্ট আর বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে। কিং লিয়ারও তোষামোদে তুষ্ট হয়ে তাঁর জীবনে করুণ পরিণতি ডেকে এনেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
