i. একটি বিকারক (E) যার নাম: টলেন বিকারক 

ii. বিক্রিয়া: 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

অণু গঠনকালে কোনো মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলের পরমাণু যুক্ত হওয়ার ক্ষমতাকে যোজনী বা যোজ্যতা বলা হয়।

উত্তরঃ

K2Cr2O7 যৌগের জারণ সংখ্যা শূন্য।

ধরি, Cr এর জারণ সংখ্যা x।

সুতরাং

1 × 2 + x × 2 + (- 2) × 7 = 0 

2x - 12 = 0

∴ x = 6

সুতরাং, K2Cr2O7 যৌগে Cr এর জারণ সংখ্যা হলো +6।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের (ii) নং বিক্রিয়াটিতে D যৌগ তৈরির বিক্রিয়া হলো:

সুতরাং, D যৌগটি হলো R-CH = CH2 |

R-CH = CH2 কে লঘু KMnO4 এর মধ্য দিয়ে চালনা করলে R-CH = CH2 জারিত হয়ে অ্যালকিলিন গ্লাইকল উৎপন্ন হয় এবং KMnO4 এর গোলাপী বা বেগুনি বর্ণ বিনষ্ট হয়।

আবার, R-CH = CH2 কে Br2 দ্রবণের মধ্য দিয়ে চালনা করলে ডাইব্রোমো অ্যালকেন উৎপন্ন হয় ও Br2 এর কমলা-লাল বর্ণ দূরীভূত হয়ে বর্ণহীন দ্রবণ উৎপন্ন হয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের C যৌগ তৈরির বিক্রিয়াটি হলো:

সুতরাং C যৌগটি হলো অ্যালডিহাইড (R-CHO) এবং E হলো টলেন বিকারক।

টলেন বিকারক প্রস্তুতি:

জলীয় দ্রবণে AgNO3, NaOH এর সাথে বিক্রিয়া করে AgOH উৎপন্ন করে, পরে যা বিযোজিত হয়ে AgOH হিসাবে অধঃক্ষিপ্ত হয়।

AgNO3 + NaOH → AgOH + NaNO3

2AgOH→ Ag2O + H2O

AgOH এ NH3 এর জলীয় দ্রবণ ফোঁটায় ফোঁটায় যৌগ করলে সকল অধঃক্ষেপ দ্রবীভূত হয়ে অ্যামোনিয়াযুক্ত AgOH এর দ্রবণ বা টলেন বিকারক উৎপন্ন হয়।

Ag2O + 4NH3 + H2O → 2[Ag(NH3)2]+ + 2OH-

টলেন বিকারক দিয়ে R-CHO সনাক্তকরণ:

টলেন বিকারকের Ag+ আয়ন R-CHO এর সাথে বিক্রিয়া করে বিজারিত হয় এবং ধাতব Ag হিসাবে অধঃক্ষিপ্ত হয়। একই সাথে R-CHO জারিত হয়ে জৈব এসিডে পরিণত হয়।

R-CHO + 2Ag+ + 2OH- → R-COOH + 2Ag↓ + H2O

এভাবে R-CHO সনাক্ত করা যায়।

90

এ পৃথিবীর বয়স প্রায় 4.54 বিলিয়ন বছর। আজকে পৃথিবীকে যেমন দেখছো, অনেক অনেক বছর আগে পৃথিবীর রূপ কিন্তু এমন ছিল না। আজ থেকে 500 বা 600 মিলিয়ন বছর আগে এই পৃথিবী ছিল ঘন বনজঙ্গল, নিচু জলাভূমি আর সাগর-মহাসাগরে পরিপূর্ণ। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত মৃত প্রাণী, উদ্ভিদ, শৈবাল-ছত্রাক নিচু এলাকাগুলোতে জমা হয়েছিল। তার উপর পড়তে থাকল পলির আস্তরণ। এভাবে মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে এ সকল উদ্ভিদ আর প্রাণীর দেহাবশেষের উপর হাজার হাজার ফুট মাটি, বিভিন্ন শিলার আস্তরণ হয়ে গেল। উচ্চচাপ, উচ্চ তাপমাত্রা, মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে বিভিন্ন ভৌত আর রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে কয়লা, পেট্রোলিয়াম আর প্রকৃতিক গ্যাস সৃষ্টি হলো৷ এদেরকে বলে জীবাশ্ম জ্বালানি। কয়লার মূল উপাদান কার্বন। আর পেট্রোলিয়ামের মূল উপাদান শুধু কার্বন ও হাইড্রোজেনের দ্বারা সৃষ্ট যৌগ হাইড্রোকার্বন। হাইড্রোকার্বন হলো জৈব যৌগ। অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, কার্বক্সিলিক এসিডসহ আরও যে সকল জৈব যৌগ আছে তারা মূলত হাইড্রোকার্বন থেকেই সৃষ্ট। এগুলো নিয়েই এ অধ্যায়ে আলোচনা করা হবে।

 

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা
 

  • জীবাশ্ম জ্বালানির ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব। 
  • পেট্রোলিয়ামকে জৈব যৌগের মিশ্রণ হিসেবে ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • পেট্রোলিয়ামের ব্যবহার ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • হাইড্রোকার্বনের ধরন ও শ্রেণিবিভাগ ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • সম্পৃক্ত ও অসম্পূৰ্ণ হাইড্রোকার্বনের প্রস্তুতির বিক্রিয়া ও ধর্ম ব্যাখ্যা এবং এদের মধ্যে পার্থক্য করতে পারব।
  • প্লাস্টিক দ্রব্য ও ভন্ড্রু তৈরির রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং এর ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব।
  • পরিবেশের ওপর প্লাস্টিক দ্রব্য অপব্যবহারের কুফল উল্লেখ করতে পারব।
  • প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম এবং কয়লা ব্যবহারের সুবিধা, অসুবিধা ও ব্যবহারের কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • হাইড্রোকার্বন থেকে অ্যালকোহল অ্যালডিহাইড ও জৈব এসিডের প্রস্তুতির কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড ও জৈব এসিডের ব্যবহার করতে পারব।
  • পরিবেশের উপর প্লাস্টিক দ্রব্যের প্রভাব সম্পর্কিত অনুসন্ধানমূলক কাজ করতে পারব। 
  • পরীক্ষার মাধ্যমে জৈব ও অজৈব যৌগের মধ্যে পার্থক্য করে দেখাতে পারব।
  • জীবাশ্ম জ্বালানির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা প্রদর্শন করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পেট্রোলিয়ামের প্রধান উপাদান হলো হাইড্রোকার্বন।

562
উত্তরঃ

অ্যালকেনসমূহ কার্বন-কার্বন ও কার্বন-হাইড্রোজেন শক্তিশালী একক সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। এরা রাসায়নিকভাবে আসক্তিহীন বা প্যারাফিন নামে পরিচিত। এ কারণে অ্যালকেনসমূহ সাধারণত রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না অর্থাৎ কম সক্রিয় জৈব যৌগ। পক্ষান্তরে অ্যালকিনসমূহের অণুতে কার্বন-কার্বন দ্বি-বন্ধন বিদ্যমান থাকে। কার্বন-কার্বন দ্বি-বন্ধনের প্রথমটি সিগমা বন্ধন হওয়ায় প্রথম বন্ধনটি শক্তিশালী হলেও দ্বিতীয় বন্ধটি পাই (গ) বন্ধন হওয়ায়, তুলনামূলকভাবে দ্বিতীয় বন্ধনটি প্রথম বন্ধন অপেক্ষা দুর্বল হয়। তাই পাই (গ) বন্ধনটির সহজে ভাঙ্গন ঘটে। ফলে এরা সংযোজন, পলিমারকরণ, দহন বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। তাই অ্যালকিন রাসায়নিকভাবে অ্যালকেন অপেক্ষা সক্রিয় হয়।

935
উত্তরঃ

আলুতে প্রচুর পরিমাণে স্টার্চ আছে। উদ্দীপকে বিদ্যমান বিক্রিয়ার মাধ্যমে স্টার্চ থেকে গ্লুকোজ ও গ্লুকোজকে জাইমেজ এনজাইমের উপস্থিতিতে ইথানলে রূপান্তরিত করা হয়। প্রাপ্ত ইথানলকে এসিডযুক্ত পটাসিয়াম ডাইক্রোমেট অথবা পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্বারা জারিত করলে প্রথমে ইথান্যাল (অ্যাসিট্যালডিহাইড) ও পরে ইথানয়িক এসিড উৎপন্ন হয়।

CH3CHO + [O] CH3COOH ইথানয়িক এসিড

এভাবে উৎপন্ন ইথানয়িক এসিডকে NaOH এর সাথে মিশ্রিত করলে সোডিয়াম ইথানয়েট উৎপন্ন হয়।

CH3COOH + NaOH → CH3COONa + H2O সোডিয়াম ইথানয়েট

এখানে প্রাপ্ত সোডিয়াম ইথানয়েটকে (CH3COONa) সোডালাইম (NaOH + CaO এর মিশ্রণ) সহ উত্তপ্ত করলে মিথেন (CH4) পাওয়া যায়।

বিক্রিয়া: CH3COONa (NaOH+CaO)  CH4 + Na2CO3

এভাবে আমরা আলু থেকে মিথেন (CH4) প্রস্তুত করতে পারি।

604
উত্তরঃ

আলুতে প্রচুর পরিমাণ স্টার্চ থাকে। অতিরিক্ত আলুতে বিদ্যমান স্টার্চ থেকে আমরা নিম্নলিখিত উপায়ে ইথানল প্রস্তুত করতে পারি যা বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

আলুকে প্রথমে সিদ্ধ করে কাই (Paste) এ পরিণত করা হয়। একে ম্যাস (mash) বলে। এ ম্যাসের সাথে মল্ট মিশ্রিত করে মিশ্রণটি প্রায় 45°C তাপমাত্রায় এক ঘন্টা রেখে দিলে মল্ট থেকে নিঃসৃত "ডায়াস্টেজ” নামক এক প্রকার এনজাইম দ্বারা স্টার্চ আর্দ্র বিশ্লেষিত হয়ে মল্টোজে পরিণত হয়।

মল্টোজকে 20°C তাপমাত্রায় শীতল করে পানিযোগে লঘু (10%) করে ইস্ট যোগ করলে, ইস্ট থেকে নিঃসৃত ম্যালটেজ এনজাইম মল্টোজকে গ্লুকোজে এবং পরবর্তীতে জাইমেজ নামক এনজাইম গ্লুকোজকে ফারমেন্টেশন করে ইথানলে পরিণত করে।

আলু থেকে এভাবে প্রাপ্ত ইথানল পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে মটর ইঞ্জিন, বিমান, বাস, ট্রাক, কলকারখানায় বিকল্প জ্বালানিরূপে ব্যবহার করা হচ্ছে। পেট্রোলের সাথে (10-20%) ইথানল মিশ্রিত করে গ্যাসহোল (Gasohol) নামক জ্বালানি তৈরী করা হয়েছে, যা বিভিন্ন দেশে জ্বালানিরূপে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

CH3CH2OH + O2 → 2CO2 + 6H2O + তাপশক্তি

যেহেতু অ্যালকোহল থেকে আমরা প্রচুর পরিমাণ তাপশক্তি পাই, তাই অতিরিক্ত আলু থেকে ইথানল উৎপন্ন করে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে ব্যবহার সম্ভব।

394
উত্তরঃ

হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত দ্বি-মৌল যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয়।

273
উত্তরঃ

অ্যারোমেটিক যৌগগুলোতে সাধারণত 5, 6 কিংবা 7 সদস্যের সমতলীয় যৌগ এবং এগুলোতে একান্তর দ্বিবন্ধন থাকে। বেনজিন ছয় সদস্যের সমতলীয় চাক্রিক যৌগ। এতে একান্তর দ্বিবন্ধন বিদ্যমান। অর্থাৎ পর্যায়ক্রমে কার্বন-কার্বন একটি একক বন্ধন এবং একটি দ্বিবন্ধন থাকে। তাই

বেনজিন একটি অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।

451
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews