(i) ফাইটোপ্লাংকটন জুয়োপ্লাংকটন → ছোট মাছ → বড় মাছ
(ii) মৃত মাছ → বিয়োজক → কেঁচো

(সৃজনশীল প্রশ্ন)

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

একটি জীব কর্তৃক সৃষ্ট জৈব রাসায়নিক পদার্থের কারণে যদি অন্য জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশ আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাধাপ্রাপ্ত হয় অথবা মৃত্যু ঘটে তখন সেই প্রক্রিয়াকে অ্যান্টিবায়োসিস বলে।

Sabbir Hossain
Sabbir Hossain
2 years ago
উত্তরঃ

স্বর্ণলতা একটি পরজীবী উদ্ভিদ যা অন্য সজীব উদ্ভিদের উপর জন্মায় এবং তাদের দেহ থেকে পুষ্টিরস শোষণ করে বেঁচে থাকে। এটি পোষক উদ্ভিদের টিস্যুতে (tissue) প্রবেশ করে এবং তাদের খাদ্য ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে নিজের বৃদ্ধি ঘটায়।

এই ধরনের সম্পর্ককে ঋণাত্মক আন্তঃক্রিয়া (negative interaction) বলা হয় কারণ এতে একটি জীব (স্বর্ণলতা) উপকৃত হয় এবং অন্য জীব (পোষক উদ্ভিদ) ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্বর্ণলতার কারণে পোষক উদ্ভিদ দুর্বল হয়ে পড়ে, বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং অনেক সময় মারাও যেতে পারে। তাই এটি পরজীবিতা নামক এক প্রকার ঋণাত্মক আন্তঃক্রিয়া।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

একটি সম্পূর্ণ খাদ্য শিকল উৎপাদক থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন স্তরের খাদক হয়ে শক্তি প্রবাহের একমুখী পথ অনুসরণ করে। এই শিকলে উৎপাদক, প্রাথমিক খাদক, দ্বিতীয় স্তরের খাদক এবং সর্বোচ্চ স্তরের খাদক ক্রমান্বয়ে শক্তি গ্রহণ করে। সবশেষে বিয়োজকরা মৃত জীবদেহ থেকে শক্তি গ্রহণ করে পরিবেশকে পরিষ্কার রাখে।

উদ্দীপকের (ii) নং শিকলটি হলো: মৃত মাছ → বিয়োজক → কেঁচো। এই শিকলটি একটি সাধারণ চারণ খাদ্য শিকলের (grazing food chain) মতো উৎপাদক দিয়ে শুরু হয়নি। এটি মৃত জৈব পদার্থ (মৃত মাছ) থেকে শুরু হয়েছে, যা বিয়োজকদের মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত হচ্ছে। এখানে কেঁচো বিয়োজক দ্বারা প্রক্রিয়াজাত জৈব পদার্থ ভক্ষণ করছে।

যেহেতু (ii) নং শিকলটিতে কোনো উৎপাদক নেই এবং এটি মৃত জৈব পদার্থ থেকে শুরু হয়েছে, তাই এটি একটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শিকল। এটি মূলত মৃতজীবী খাদ্য শিকলের (detritus food chain) একটি অংশ নির্দেশ করে, যেখানে শক্তি প্রবাহ জীবন্ত উৎপাদক থেকে শুরু না হয়ে মৃত জৈব পদার্থ থেকে শুরু হয়। একটি সম্পূর্ণ খাদ্য শিকলের জন্য উৎপাদক এবং বিভিন্ন স্তরের খাদকের উপস্থিতি অত্যাবশ্যক, যা উদ্দীপকের (ii) নং শিকলে অনুপস্থিত।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
উত্তরঃ

একটি বাস্তুতন্ত্রে খাদ্যশৃঙ্খলের মধ্য দিয়ে শক্তি প্রবাহকে পিরামিডের মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে বিশ্লেষণ করা যায়, যা শক্তি প্রবাহের পিরামিড (Pyramid of energy) নামে পরিচিত। এই পিরামিড খাদ্যস্তরে শক্তির পরিমাণগত সম্পর্ককে নির্দেশ করে এবং প্রতিটি স্তরে শক্তির সঞ্চালন ও ক্ষয়কে দৃশ্যায়িত করে।

প্রদত্ত (i) নং খাদ্যশৃঙ্খলটি হলো: ফাইটোপ্লাংকটন → জুয়োপ্লাংকটন → ছোট মাছ → বড় মাছ। এই খাদ্যশৃঙ্খলটিকে শক্তি প্রবাহের পিরামিড হিসেবে বিশ্লেষণ করলে এর ভিত্তি থেকে শুরু করে প্রতিটি স্তরে শক্তির পরিমাণ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতে দেখা যায়। পিরামিডের সবচেয়ে নিচের স্তরে থাকে উৎপাদক (producers), যারা সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এখানে ফাইটোপ্লাংকটন হলো উৎপাদক। এরপর আসে প্রথম স্তরের খাদক (primary consumers), যারা উৎপাদকদের ভক্ষণ করে শক্তি লাভ করে। জুয়োপ্লাংকটন হলো প্রথম স্তরের খাদক, যা ফাইটোপ্লাংকটন খায়।

পিরামিডের তৃতীয় স্তরে থাকে দ্বিতীয় স্তরের খাদক (secondary consumers), যারা প্রথম স্তরের খাদকদের ভক্ষণ করে। এই খাদ্যশৃঙ্খলে ছোট মাছ হলো দ্বিতীয় স্তরের খাদক, যা জুয়োপ্লাংকটন খায়। পরিশেষে, পিরামিডের শীর্ষ স্তরে থাকে তৃতীয় বা উচ্চ স্তরের খাদক (tertiary/apex consumers), যারা দ্বিতীয় স্তরের খাদকদের ভক্ষণ করে। এখানে বড় মাছ হলো তৃতীয় স্তরের খাদক, যা ছোট মাছ খায়। প্রতিটি খাদ্যস্তরে শক্তি স্থানান্তরের সময় প্রায় ৯০% শক্তি তাপশক্তি হিসেবে পরিবেশে হারিয়ে যায় এবং মাত্র ১০% শক্তি পরবর্তী খাদ্যস্তরে স্থানান্তরিত হয় (১০% সূত্র)। ফলে, প্রতিটি উপরের স্তরে শক্তির পরিমাণ নিচের স্তরের তুলনায় অনেক কম থাকে।

এই শক্তি হ্রাসের কারণে পিরামিডটি একটি খাঁড়া আকৃতি ধারণ করে, যেখানে ভিত্তিটি সবচেয়ে চওড়া এবং শীর্ষটি সবচেয়ে সরু হয়। ফাইটোপ্লাংকটনে যে পরিমাণ শক্তি থাকে, তার মাত্র ১০% জুয়োপ্লাংকটনে, জুয়োপ্লাংকটনের ১০% ছোট মাছে এবং ছোট মাছের ১০% বড় মাছে স্থানান্তরিত হয়। এভাবেই (i) নং খাদ্যশৃঙ্খলটি শক্তি প্রবাহের পিরামিড দ্বারা সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা যায়, যা বাস্তুতন্ত্রে শক্তির গতিশীলতা এবং উৎপাদনশীলতা বুঝতে সাহায্য করে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
298

জীবের চারপাশের জড় এবং জীবজ সবকিছু মিলেই জীবের পরিবেশ পঠিত হয়। আলো, বাতাস, ঝড়-বৃষ্টি, মাটি, পানি যেমন একটি জীবের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি তাকে ঘিরে যে জীবজগৎ থাকে, তার প্রভাবও ঐ জীবের জীবনে সমান গুরুত্বপূর্ণ। একটি জীব তার জীবনধারণের বিভিন্ন পর্যায়ে যেসব পদক্ষেপ নেয়, সেগুলো অবশ্যই একই পরিবেশে বসবাসকারী অন্য জীবের জীবনে প্রভাব ফেলে। জীবজগতে খাদ্যশিকল বা খাদ্যশৃঙ্খল কিংবা খাদ্যজাল খুবই পুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেগুলোকে বাদ দিয়ে জীবের অস্তিত্বের কথা কল্পনা করা যায় না।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• বাস্তুতন্ত্র ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বাস্তুতন্ত্রের উপাদানসমূহের আন্তঃসম্পর্ক বিশ্লেষণ করতে পারব।
খাদ্যশিকল ও খাদ্যজাল ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বাস্তুতন্ত্রে শন্তির প্রবাহ ও পুষ্টি উপাদানের সম্পর্ক তুলনা করতে পারব।
• ট্রফিক লেভেলের মধ্যে শক্তির সম্পর্ক তুলনা করতে পারব।
•শক্তি পিরামিডের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব।
•খাদ্যশিকল বা খাদ্যশৃঙ্খল সীমিত রাখতে শক্তি পিরামিডের প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারব।
•জীববৈচিত্র্য এবং জীববৈচিত্র্যের প্রকারভেদ ব্যাখ্যা করতে পারব।
• বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা রক্ষায় জীববৈচিত্র্যের প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারব।
•পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিভিন্ন জীবের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া ও আন্তঃনির্ভরশীলতা ব্যাখ্যা করতে পারব।
•পরিবেশ সংরক্ষণ পদ্ধতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
•পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারব।
•একটি নির্বাচিত এলাকার উৎপাদক, খাদক, বিয়োজক এবং ভৌত পরিবেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয় করতে পারব।
•একটি নির্দিষ্ট পরিবেশের উপাদানসমূহ দূষিত হওয়ার কারণ নির্ণয় করতে পারব।
• বাস্তুতন্ত্রে শক্তির প্রবাহ, খাদ্যশিকল, খাদ্যজালের প্রবাহচিত্র অঙ্কন করতে সক্ষম হব।
• পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বাস্তুতন্ত্রের উপাদানের অবদান উপলব্ধি করতে পারব এবং এর সংরক্ষণে সচেতন হব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

পরভোজী বা মৃতজীবী যে সকল অণুজীব জীবের মৃতদেহ থেকে বিশোষণের মাধ্যমে খাদ্য গ্রহণ করে এবং মৃতদেহকে বিয়োজিত করে সরল জৈব যৌগে পরিণত করে তাদের বলা হয় বিয়োজক।

2.4k
উত্তরঃ

বাস্তুতন্ত্রে একাধিক খাদ্য শিকল দেখা যায়। এ খাদ্য শিকলগুলো স্বাধীন বা পৃথকভাবে অবস্থান করে না। এসব খাদ্য শিকলগুলোর একটি শিকল অন্য এক বা একাধিক খাদ্য শিকলের সাথে সম্পর্কযুক্ত। বাস্তুতন্ত্রে এভাবে একাধিক খাদ্য শিকলগুলো আন্তঃসম্পর্কযুক্ত হয়ে একটি জালের ন্যায় গঠন তৈরি করে। জালের ন্যায় এ গঠনই হলো খাদ্যজাল।

709
উত্তরঃ

উক্ত খাদ্যজালের সবচেয়ে বড় খাদ্যশৃঙ্খলটি হলো-
সবুজ উদ্ভিদ সবুজ পোকা মাংসাশী পতঙ্গ ছোট পাখি শেয়াল।
উদ্দীপকের খাদ্যজালটির এ খাদ্যশৃঙ্খলটিতেই রয়েছে বেশি সংখ্যক খাদ্যস্তর। বাস্তুতন্ত্রের সব ধরনের খাদ্যশৃঙ্খলেই প্রতিটি খাদ্যস্তরে কিছু শক্তির অপচয় হয়। এ শৃঙ্খলটির উৎপাদক সবুজ উদ্ভিদ থেকে সবুজ পোকা যতটা শক্তি গ্রহণ করে তার শরীরে ততটা শক্তি জমা হয় না। আবার দ্বিতীয় স্তরের খাদক মাংসাশী পতঙ্গ সবুজ পোকার দেহ থেকে যে পরিমাণ শক্তি গ্রহণ করে তার কিছুটা খরচ বা অপচয় হয়ে যায়। এ ভাবে তৃতীয় স্তরের খাদক ছোট পাখি যখন মাংসাশী পতঙ্গ থেকে খাদ্য হিসেবে শক্তি গ্রহণ করে সেখানেও কিছু শক্তির অপচয় ঘটে এবং সর্বোচ্চ খাদক শেয়াল যখন ছোট পাখিকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণের মাধ্যমে শক্তি নেয় সেখানেও কিছু শক্তি ব্যয় হয়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে এ খাদ্যশৃঙ্খলটিতে খাদ্যস্তরের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সর্বোচ্চ খাদকে শক্তি পৌঁছাতে মোট শক্তির অপচয় বা ব্যয় সবচেয়ে বেশি হয়।

671
উত্তরঃ

উপরোক্ত খাদ্যজালের ছোট পাখিটি বাস্তুতন্ত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। উদ্দীপকের ছোট পাখিটির বিলুপ্তি ঘটলে স্থলজ বাস্তুতন্ত্রে এক বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিবে। বাস্তুতন্ত্র তার জীববৈচিত্র্য হারাবে। পরিবেশ থেকে কোন প্রজাতি বিলুপ্ত হলে বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়ে যায়, অর্থাৎ বাস্তুতন্ত্র তার ভারসাম্য হারায়।
উদ্দীপকের খাদ্যজাল থেকে ছোট পাখিটি বিলুপ্ত হলে পরিবেশ তথা বাস্তুতন্ত্রে যা ঘটবে-
বাস্তুতন্ত্রে সবুজ পোকা ও মাংসাশী পতঙ্গের সংখ্যা বেড়ে যাবে। কারণ ছোট পাখি সবুজ পোকা ও মাংসাশী পতঙ্গ খেয়ে বেঁচে থাকে। পরিবেশ তথা বাস্তুতন্ত্রে সবুজ পোঁকার সংখ্যা বেড়ে গেলে সবুজ উদ্ভিদের সংখ্যা কমতে থাকবে। কারণ সবুজ পোকা সবুজ উদ্ভিদ খেয়ে বেঁচে থাকে। এসকল পোকার আক্রমণে উদ্ভিদে বিভিন্ন ধরনের রোগ দেখা দিবে ফলে ফসলী উদ্ভিদের ফলন কমে যাবে। এতে বাস্তুতন্ত্রের প্রাণিকূলের বেঁচে থাকার জন্য যে খাবার প্রয়োজন তাতে ঘাটতি দেখা দিবে। অন্যদিকে বাস্তুতন্ত্রে উদ্ভিদের সংখ্যা কমে গেলে পরিবেশে অক্সিজেনের অভাব দেখা দিবে। কারণ সবুজ উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষণের সময় অক্সিজেন নির্গত করে। সুতরাং পরোক্ষভাবে ছোট পাখিটি বাস্তুতন্ত্রে গ্যাসীয় ভরসাম্য রক্ষা করে চলেছে। আবার খাদ্যজাল থেকে ছোট পাখি বিলুপ্ত হলে খাদ্যজালের সর্বোচ্চ খাদক শেয়াল তার খাবার না পেয়ে বাস্তুতন্ত্র থেকে বিলুপ্ত হবে।

সুতরাং সবশেষে বলা যায় যে উক্ত খাদ্যজাল থেকে ছোট পাখির বিলুপ্তি ঘটলে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যতা নষ্ট হবে, পরিবেশ দূষিত হবে, বাস্তুতন্ত্র থেকে বিলীন হবে অনেক জীবপ্রজাতি, পরিবেশে দেখা দিবে খাদ্যভাব- যা বাস্তুতন্ত্রের প্রাণিকূল ধ্বংসের প্রথম পদক্ষেপ।

380
উত্তরঃ

পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের প্রাচুর্য ও ভিন্নতাই হলো জীববৈচিত্র্য।

683
উত্তরঃ

কখনও কখনও দুটি জীব একসঙ্গে বসবাসের সময় এদের একটি জীব অন্যের দ্বারা উপকৃত হয় কিন্তু অন্যটি উপকৃত না হলেও কখনও ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। দুটি জীবের এ ধরনের সহাবস্থানকে বলা হয় কমেনসেলিজম। যেমন- রোহিনী উদ্ভিদ অন্য বড় উদ্ভিদকে আরোহন করে উপরে উঠে। এক্ষেত্রে রোহিনী উদ্ভিদটি উপকৃত হয় কিন্তু বড় উদ্ভিদ উপকৃত হয় না। আবার রোহিনী উদ্ভিদ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তও হয় না। এই সহাবস্থানই হলো কমেনসেলিজমের একটি প্রকৃত উদাহরণ।

582
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews