সংক্ষেপে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

আবহাওয়ার উপাদানগুলো হলো- তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, বায়ুচাপ ইত্যাদি। আবহাওয়ার এই উপাদানগুলোর উল্লেখযোগ্য স্থায়ী পরিবর্তন হলো জলবায়ু পরিবর্তন। জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়ন।

উত্তরঃ

মানুষের তিনটি কর্মকান্ডের ফলে জলবায়ুর পরিবর্তন হতে পারে। যেমন-
১. মানুষ জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ায় ফলে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস নির্গত হয়।

২. বনভূমি ধ্বংসের ফলে গাছপালার মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণের হার কমছে।
৩. ফসল উৎপাদনে কীটনাশক ও রাসায়নিক সার ব্যবহারের ফলে মিথেন গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বলতে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়াকে বোঝায়। বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদানের পরিবর্তন ঘটছে। পৃথিবীর জলবায়ুও ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে।

উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদানের পরিবর্তন হচ্ছে, যেমন- বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যাচ্ছে। তাই জলবায়ু ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে।

উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের তিনটি প্রভাব হলো -
১. মেরু অঞ্চলের বরফ গলছে।
২. সমুদ্রের পানির উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৩. পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উত্তরঃ

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদানের পরিবর্তন ঘটছে। যেমন-
১. বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যাচ্ছে।
২. গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৩. মেরু অঞ্চলের এবং হিমবাহের বরফ দ্রুত গলছে।

উত্তরঃ

তিনটি গ্রিন হাউজ গ্যাসের নাম হলো-
১. কার্বন ডাইঅক্সাইড, ২. জলীয় বাষ্প ও ৩. মিথেন।

উত্তরঃ

গ্রিন হাউজ হলো কাচের তৈরি ঘর, যা ভেতরে সূর্যের তাপ আটকে রাখে। ফলে তীব্র শীতেও গাছপালা এই ঘরের ভিতর উষ্ণ ও সজীব থাকে।

উত্তরঃ

সূর্যের তাপ সহজেই বিকারের ভিতর প্রবেশ করতে পারে কিন্তু বিকার থেকে সহজে বের হতে পারে না। ফলে বিকারের ভিতর দ্রুত গরম হয়ে ওঠে। আর এটিই হলো গ্রিন হাউজ ধারণার মূল বিষয়।

উত্তরঃ

দিনের বেলায় সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলের ভেতর দিয়ে ভূপৃষ্ঠে এসে পড়ে এবং ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয়। রাতে সেই তাপ বায়ুমণ্ডলে ফিরে আসে এবং ভূপৃষ্ঠ শীতল হয়। কিন্তু কিছু তাপ কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প প্রভৃতি গ্যাসের কারণে পৃথিবীতে আটকা পড়ে ফলে রাতের বেলায়ও পৃথিবী উষ্ণ থাকে। আর তাপ ধরে রাখার এই ঘটনাই হলো গ্রিন হাউজ প্রভাব।

উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলে থাকা তিনটি গ্রিন হাউজ গ্যাসের নাম হলো-১. কার্বন ডাইঅক্সাইড, ২. জলীয় বাষ্প ও ৩. মিথেন।

উত্তরঃ

কোনো অঞ্চলের আবহাওয়া পরিবর্তন নির্ণয়ের তিনটি উপায় হলো-

১. ঐ অঞ্চলের তাপমাত্রা।
২. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও
৩. কালবৈশাখী বা ঘূর্ণিঝড়ের প্রবণতা।

উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তনের তিনটি প্রভাব হলো-
১. হঠাৎ ভারী বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যা দেখা দেবে।
২. ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের হার ও মাত্রা বৃদ্ধি করবে।
৩. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে খরা দেখা দেবে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের তিনটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো-
১. খরা, ২. বন্যা, ৩. জলোচ্ছ্বাস।

উত্তরঃ

পরিবর্তিত জলবায়ুতে বেঁচে থাকার জন্য গৃহীত কর্মসূচিই হলো "জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো বা অভিযোজন।"

উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলার দুটি কৌশল হলো-

১. জলবায়ু পরিবর্তনের হার কমানো।
২. জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো বা অভিযোজন।
৩. গ্রিন হাউজ গ্যাসের বৃদ্ধি কমানো।

উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি কমাতে তিনটি করণীয়
হলো-
১. ঘরবাড়ি, বিদ্যালয়, কলকারখানা ইত্যাদি অবকাঠামোর উন্নয়ন।
২. বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ।
৩. উপকূলীয় বন সৃষ্টি।

উত্তরঃ

তিনটি জীবাশ্ম জ্বালানির নাম হলো-
১. কয়লা, ২. তেল ও ৩. প্রাকৃতিক গ্যাস।

উত্তরঃ

তিনটি নবায়নযোগ্য শক্তি হলো-
১. সৌর শক্তি, ২. বায়ু শক্তি ও ৩. তরঙ্গ শক্তি।

উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমনের পরিমাণ কমাতে
তিনটি করণীয় হলো-
১. জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে হবে।
২. নবায়নযোগ্য শক্তি যেমন- সৌরশক্তি, 'বায়ুশক্তি ইত্যাদির ব্যবহার বাড়াতে হবে।
৩. বৃক্ষরোপণ করতে হবে।

উত্তরঃ

পরিবর্তিত জলবায়ুতে বেঁচে থাকার জন্য আমাদের গৃহীত কর্মসূচি হবে জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো বা অভিযোজন।

192

জলবায়ু হলো আবহাওয়ার দীর্ঘ সময়ের গড় অবস্থা। কোনো অঞ্চলের আবহাওয়া কখনো স্বাভাবিক থাকতে পারে আবার কখনো চরম অবস্থা দেখা দিতে পারে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তন ঐ অঞ্চলের তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ, কালবৈশাখী বা ঘূর্ণিঝড়ের প্রবণতা দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবহাওয়ার এই ভিন্নতা একটি স্বাভাবিক ঘটনা। অপরদিকে, আবহাওয়ার উপাদানগুলোর উল্লেখযোগ্য স্থায়ী পরিবর্তন হলো জলবায়ু পরিবর্তন। কোনো স্থানের জলবায়ু হঠাৎ পরিবর্তন হয় না। তবে আমরা এখন জলবায়ু পরিবর্তন উপলব্ধি করতে পারি। চলো বিষয়টি যাচাই করা যাক।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews