এই অধ্যায় পাঠের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মুদ্রার ইতিকথা, বিবর্তন এবং বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারবে। তাছাড়া মুদ্রার ব্যবহার, প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যাংকের সাথে মুদ্রার সম্পর্ক সম্বন্ধে জ্ঞান লাভ করবে।
এ অধ্যায় পাঠে শিক্ষার্থীরা মুদ্রার বহুল ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকের সৃষ্টি এবং ব্যাংকব্যবস্থা ও ব্যাংকার সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারবে। এই অধ্যায়ে ব্যাংকের ব্যবসায়িক ইতিহাস এবং ক্রমবিকাশ আলোচনা করা হয়েছে এবং বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং তার ইতিকথা সম্পর্কে কিছুটা আলোচনা করা হয়েছে।

এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
- মুদ্রা এবং তাঁর ইতিহাস ব্যাখ্যা করতে পারব।
- ব্যাংক, ব্যাংকিং ও ব্যাংকারের মধ্যে যোগসূত্র নির্ণয় করতে পারব।
- ব্যাংক ব্যবসায় ইতিহাস ও ক্রমবিকাশ বর্ণনা করতে পারব।
Related Question
View Allভব্যের বিনিময়ে দ্রব্য লেনদেন করে চাছিদা পূরণ করাই হলো দ্রব্য।
মুদ্রাকে ব্যাংক বাবসায়ের জননী বলা হয়।
মুদ্রা প্রানান হবার পরই ব্যাংক ব্যবস্থার উৎপত্তি হয়েছে। ব্যাংক মুদ্রার মাধ্যমে আমানর সংগ্রহ করে ও ঋণ দেয়। এ কারণেই মুদ্রা ব্যাংক ব্যবসায়ের প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এককথায় ব্যাংক সাবস্থার উৎপরি ও ক্রমবিকাশ হয়েছে মুদ্রাকে ঘিরে। মুদ্রা ছাড়া ব্যাংক ব্যবসায় অচল। আবার ব্যাংক স্বাড়া মুদ্রার ব্যবহারও সীমিত। অর্থাৎ একটি আরেকটির সাথে প্রতপ্রোতভাবে জড়িত
ব্যাংকির ও ব্যাংকার। একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত'-বক্তব্যটি যথার্থ।
ব্যাংকের সব আইনসঙ্গত কাজকে ব্যাংকিং বলে। ব্যাংকিং ব্যবসায় যারা পরিচালনা করেন তাদেরকে বলা হয় ব্যাংকার।
উদ্দীপকে আজমি নর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সে বিভাগে পড়াশোনা করে। তার বাধা ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যয়ের কর্মকর্তী। তিনি সবসময় ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যয় বাতেন এক্ষেত্রে আজমির বানা একজন ব্যাংকার। আর তার করা কাজগুলে হলো ব্যাকিং। অর্থাৎ ব্যাংকারের কাজই ব্যাংকিং। সুতরাং বলা বাহ ব্যাংকিং ও ব্যাংকার একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
উদ্দীপকে আজমি নূর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। সে বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করে। তার বাবা ব্যাংকের একজন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা। তিনি সবসময় ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এক্ষেত্রে আজমির বাবা একজন ব্যাংকার। আর তার করা কাজগুলো হলো ব্যাংকিং। অর্থাৎ ব্যাংকারের কাজই ব্যাংকিং। সুতরাং বলা যায়, ব্যাংকিং ও ব্যাংকার একে অপরের সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত।
মুদ্রাকে ব্যাংক ব্যবস্থার জননী বলা হয় এবং মুদ্রা ছাড়া ব্যাংকিং কার্যক্রম চলতে পারে না।
ব্যাংক ব্যবসায়ের প্রধান উপাদান হলো মুদ্রা। মুদ্রার সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্যই ব্যাংকের উৎপত্তি। ব্যাংক মুদ্রাকে কেন্দ্র করে তার কার্যক্রম সম্পাদন করে থাকে।
উদ্দীপকে আজমি নূর নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। তার বাবা ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তিনি ব্যাংকের বিভিন্ন কাজ করে থাকেন।
ব্যাংক একটি আর্থিক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান। এটি মুদ্রার মাধ্যমে লেনদেন করে। অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের ধারবাহিকতায় মুদ্রার প্রসার হয়। পরবর্তীতে মুদ্রা সঞ্চালনের জন্য ব্যাংকের উদ্ভব হয়। বর্তমানে ব্যাংকের সব কাজই আবর্তিত হয় মুদ্রাকে ঘিরে। ব্যাংক আমানত হিসেবে মুদ্রা সংগ্রহ করে। ঋণ হিসেবে মুদ্রা বিনিয়োগ করে। যেকোনো ব্যাংকিং. সেবার চার্জ হিসেবে মুদ্রা গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে ব্যাংক মুদ্রাকে লেনদেন করেই ব্যবসায় পরিচালনা করে। তাই বলা যায়, ব্যাংক ব্যবসার ক্রমবিকাশে মুদ্রার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!