কুরআন মজিদ সর্বশেষ আসমানি কিতার।
সালাতে কুরআন মজিদ তিলাওয়াত করা ফরজ।
তোমাদের মধ্যে সে উত্তম যে নিজে কুরআন শিখেএবংঅপরকে শেখায় ।
কুরআন মজিদের ভাষা আরবি ।
আরবি পড়তে হয় ডান দিক থেকে।
আরবিতে মোট ২৯টি হরফ বা অক্ষর আছে
যবর, যের এবং পেশ কে হরকত বলে
হরফের উপর যবর থাকলে উচ্চারণে।-কার হবে।
হরফের নিচে যের থাকলে উচ্চারণে -িকার হবে।
হরফের উপর পেশ থাকলে উচ্চারণে-কার হবে।
আরবি হরফ মুখের বিভিন্ন স্থান থেকে উচ্চারিত হয়।
'তা' পেশ তু
ফা' ইয়া যের ফি ।
দুই যবর, দুই যের ও দুই পেশ কে তানবীন বলে
তানবীনের উচ্চারণ নুনযুক্ত হয়।
জযম যুক্ত হরফকে সাকিন বলে
জযম-এর আকৃতি সাধারণত ^ এরূপ হয়।
একই হরফ পাশাপাশি দুবার উচ্চারণ করাকে তাশদীদ বলে
তাশদীদের চিহ্ন ."; এরূপ।
মাদ্দ-এর হরফ তিনটি ।
ছোট মাদ্দ~;।
বড় মাদ্দ. ;।
কোনো হরফে উল্টা পেশ থাকলে সে হরফটি একটু টেনে পড়তে হয় ।
কুরআন মজিদ শুদ্ধভাবে তিলাওয়াতের জন্য যে নিয়ম্ রয়েছে তাকে তাজবীদ বলে।
কুরআন মজিদ তিলাওয়াত করলে প্রত্যেক হরফের জন্য ১০টি সাওয়াব পাওয়া যায়।
আরবি মাখরাজ ১৭টি ।
কাছাকাছি উচ্চারণের দুটি হরফকে যুক্ত করে পড়াকে ইদগাম বলে
ইযহার শব্দের অর্থ প্রকাশ করা ।
হরফে হালকি ৬টি ।
সূরা আল-লাহাবের আয়াত সংখ্যা ৫ টি।
লাহাবিও ওয়ামরাতুহু, হাম্মালাতাল হাতাব।
কুরআন মজিদ আল্লাহর কালাম।
হরফ উচ্চারণের স্থানকে মাখরাজ বলে
কুরআন মজিদের ভাষা আরবি।
কুরআন মজিদ আল্লাহর কালাম। সর্বশেষ আসমানি কিতাব। মহানবির (স) এর উপর নাজিল হয় এ কিতাব।
আমাদের জন্য কুরআন মজিদে বলে দেয়া হয়েছে আমরা দুনিয়াতে কীভাবে শান্তিতে বসবাস করব, কী কাজ করলে আখিরাতে শান্তি পাব, কীভাবে আল্লাহর ইবাদত করব, কোন কাজ অন্যায়, কোন কাজে শাস্তি হবে এ সবকিছু কুরআন মজিদে আছে।
আমরা কুরআন মজিদ শুদ্ধ করে শিখব। অপরকে শিখাব। কুরআন মজিদের নির্দেশমতো চলব।
সালাতে কুরআন মজিদ তিলাওয়াত করা ফরজ। তাই তিলাওয়াত শুদ্ধ হওয়া দরকার। মহানবি (স) বলেছেন, “ তোমাদের মধ্যে সে উত্তম যে নিজে কুরআন শিখে এবং অপরকে শিখায়”।
| পরিকল্পিত কাজ : শিক্ষার্থীরা কুরআন মজিদ শিক্ষা সম্বন্ধে মহানবি (স)- এর বাণীটি খাতায় সুন্দর করে লিখবে। |
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!