বর্তমান যুগে ইন্টারনেট মানুষের জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং শিক্ষা, ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন ও প্রশাসনিক কাজেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
প্রথমত, তথ্য ও জ্ঞান অর্জনের জন্য ইন্টারনেট একটি বিশাল ভাণ্ডার। শিক্ষার্থীরা এখন ঘরে বসেই অনলাইন ক্লাস, টিউটোরিয়াল ভিডিও, ই-বুক এবং গবেষণা উপকরণ পেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট বিপ্লব এনেছে। ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ভিডিও কলের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে খুব সহজেই যোগাযোগ করা সম্ভব।
তৃতীয়ত, ব্যবসা-বাণিজ্যে ইন্টারনেটের ব্যবহার ব্যাপক। অনলাইন শপিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, ব্যাংকিং এবং রিমোট কাজের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও সহজ ও দ্রুত হয়েছে।
চতুর্থত, চাকরি খোঁজা ও আবেদন করতেও ইন্টারনেট সহায়ক। বিভিন্ন চাকরির ওয়েবসাইট, ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম এবং সোশ্যাল মিডিয়া পেশাগত যোগাযোগ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
সবশেষে, বিনোদন ও সামাজিক সংযোগ রক্ষায়ও ইন্টারনেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গান শোনা, সিনেমা দেখা, গেম খেলা এবং বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ – সবই এখন ইন্টারনেটনির্ভর।
ইন্টারনেট আধুনিক জীবনের এক অপরিহার্য অনুষঙ্গ। এর যথাযথ ব্যবহার মানুষের জ্ঞান, দক্ষতা এবং জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে অপব্যবহার এড়িয়ে সচেতনভাবে এর সদ্ব্যবহার করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।
কম্পিউটারের সেই অংশটি যেখানে প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি (instructions) ধারণ করা হয়, তাকে বলা হয় মেমোরি (Memory) বা প্রধান মেমোরি (Primary Memory)।
বিশেষভাবে, RAM (Random Access Memory) হল সেই অংশ যেখানে প্রোগ্রাম চলাকালীন নির্দেশাবলি ও ডেটা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
সংক্ষেপে:
উত্তর: RAM / প্রধান মেমোরি (Main Memory) – যেখানে প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি ধারণ করা হয়।
এটি অস্থায়ী (temporary) মেমোরি; কম্পিউটার বন্ধ হলে RAM-এর ডেটা মুছে যায়।
সাইবার নিরাপত্তা (Cyber Security) বলতে কম্পিউটার, মোবাইল, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট-ভিত্তিক তথ্যব্যবস্থাকে বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল হুমকি যেমন হ্যাকিং, ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ফিশিং, ডেটা চুরি ইত্যাদি থেকে সুরক্ষিত রাখার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
এটি এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক বা সরকারি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হ্যাকারদের হাত থেকে রক্ষা করা হয় এবং নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
সাইবার নিরাপত্তার উদ্দেশ্য:
তথ্যের গোপনীয়তা (Confidentiality) রক্ষা করা
তথ্য সঠিক ও নির্ভুল রাখা (Integrity)
প্রয়োজনমতো তথ্যে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা (Availability)
উদাহরণ:
পাসওয়ার্ড প্রটেকশন
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন
ফায়ারওয়াল ব্যবহার
সাইবার নিরাপত্তা ডিজিটাল যুগে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের তথ্য-সম্পদের নিরাপত্তা রক্ষায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা। সচেতনতা ও প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারই সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।
Related Question
View AllInternet এর পূর্ণরূপ Interconnected Network.
Intranet হলো এক ধরনের জাল । যার মাধ্যমে দুই বা একাধিক কম্পিউটার এর মধ্যে কানেকশন তৈরি করে বিভিন্ন ইনফরমেশন শেয়ার করা হয় । দুইয়ের বেশি কম্পিউটার একত্রে কানেক্ট হওয়াকেই ইন্টারনেট বলে ।
কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষিত থাকে Memory অংশে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!