বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড ১৮০৩ সালে তার পরমাণু মডেলের ধারণা দেন। ধারণাকৃত ফল থেকে রাদারফোর্ড বলেন যে, পরমাণুতে ধনাত্মক আধান ও ভর একটি ক্ষুদ্র জায়গায় আবদ্ধ। তিনি এর নাম দেন নিউক্লিয়াস।
পরমাণু খুব ক্ষুদ্র কণা। তাই এর গঠন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সহজ নয়। তবে বিভিন্ন বিজ্ঞানীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর পরমাণুর গঠন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া গেছে। পরমাণুতে ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যার ভিন্নতার কারণে পরমাণুর ধর্মে পার্থক্য দেখা যায়৷
এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• পরমাণুর গঠন ব্যাখ্যা করতে পারব;
• পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ব্যাখ্যা করতে পারব;
• আইসোটোপ ব্যাখ্যা করতে পারব;
• ইলেকট্রন বিন্যাস ব্যাখ্যা করতে পারব;
• আয়ন কীভাবে সৃষ্টি হয় ব্যাখ্যা করতে পারব;
• ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নের পার্থক্য করতে পারব;
• অ্যানায়ন ও ক্যাটায়ন ব্যবহার করে রাসায়নিক সংকেত প্রণয়ন করতে পারব;
• আইসোটোপের ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব; আমাদের জীবনে আইসোটোপের অবদান উপলব্ধি করতে পারব।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?