উত্তরঃ

উপসর্গ হলো কিছু অব্যয়বাচক শব্দাংশ, যাদের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই。 তবে এগুলো কোনো শব্দ বা ধাতুর পূর্বে যুক্ত হলে সাধিত শব্দের নতুন অর্থ তৈরি হয়, অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটে এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। 

নিচে 'আম', 'নিম' এবং 'কদ' উপসর্গের প্রয়োগ ও উদাহরণ দেওয়া হলো:

  • আম (ফারসি/আরবি উপসর্গ - 'সাধারণ' বা 'পূর্ণ' অর্থে)
    ১. আম + জনতা = আমজনতা
    ২. আম + দরবার = আমদরবার
  • নিম (ফারসি উপসর্গ - 'অর্ধেক' অর্থে)
    ১. নিম + রাজি = নিমরাজি
    ২. নিম + খুন = নিমখুন
  • কদ (খাঁটি বাংলা উপসর্গ - 'নিন্দিত' বা 'খারাপ' অর্থে)
    ১. কদ + বেল = কদবেল
    ২. কদ + আকার = কদাকার 

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
3 months ago
উত্তরঃ

তপোবন = তপের নিমিত্ত বন (চতুর্থী তৎপুরুষ)।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
3 months ago
উত্তরঃ

হিতৈষী = হিত (কল্যাণ) এষণা (ইচ্ছা) করে যে (উপপদ তৎপুরুষ সমাস)

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
3 months ago
উত্তরঃ

দম্পতি – জায়া ও পতি (দ্বন্দ্ব সমাস)

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
3 months ago
উত্তরঃ

জয়ধ্বনি = জয়সূচক ধ্বনি (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্বেল = বেলাকে অতিক্রম করা (অব্যয়ীভাব সমাস)

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
3 months ago
উত্তরঃ

মৃত্যুঞ্জয় = মৃত্যুকে জয় করেছে যে (উপপদ তৎপুরুষ সমাস)

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
3 months ago
উত্তরঃ

কাজলকালো = কাজলের মতো কালো (উপমান কর্মধারয়)

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
3 months ago
উত্তরঃ

ইন্দ্রজিৎ = ইন্দ্রকে জয় করেছে যে (উপপদ তৎপুরুষ সমাস)

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
3 months ago
52

Related Question

View All
উত্তরঃ

১. শব্দের আদিতে ম-ফলা: শব্দের প্রথমে ম-ফলা যুক্ত হলে ম-ফলার উচ্চারণ হয় না, তবে ঐ বর্ণের সঙ্গে যুক্ত স্বরবর্ণটি সানুনাসিক হয়।

উদাহরণ: স্মরণ (শোঁরন্), শ্মশান (শঁশান্), স্মিত (স্মিত্)।

২. অঘোষ ব্যঞ্জনের সঙ্গে ম-ফলা: ম-ফলা ক, চ, ট, ত, প, শ, ষ, স এই অঘোষ ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলে ম-ফলার উচ্চারণ অক্ষুণ্ণ থাকে এবং যে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় তার দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়।

উদাহরণ: বিস্ময় (বিশ্শয়), ভস্ম (ভশ্‌শম), রশ্মি (রোশ্‌শমি), গ্রীষ্ম (গৃশ্‌শ)।

৩. ঘোষ ব্যঞ্জনের সঙ্গে ম-ফলা: ম-ফলা গ, জ, ড, দ, ব এই ঘোষ ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলে ম-ফলার উচ্চারণ অক্ষুণ্ণ থাকে এবং যে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় তার দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়।

উদাহরণ: পদ্ম (পদ্‌দো), ছদ্ম (ছদ্‌দো), আত্মীয়ে (আত্তীয়ে)।

৪. নাসিক্য ব্যঞ্জনের সঙ্গে ম-ফলা: ম-ফলা ঙ, ঞ, ণ, ন, ম এই নাসিক্য ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলে ম-ফলা লুপ্ত হয়। তবে নাসিক্য ব্যঞ্জনটির দ্বিত্ব হয় না, বরং তার নাসিক্য ধ্বনি বজায় থাকে।

উদাহরণ: জন্ম (জন্‌মো), বাঙ্ময় (বাঙ্‌ময়), মৃন্ময় (মৃন্‌ময়)।

৫. হ-এর সাথে ম-ফলা: 'হ' বর্ণের সাথে ম-ফলা যুক্ত হলে ম-ফলার উচ্চারণ অক্ষুণ্ণ থাকে এবং 'হ' বর্ণটির সামান্য নাসিক্য উচ্চারণ হয়, অথবা 'হ' প্রায় লুপ্ত হয়ে ম-এর উচ্চারণ স্পষ্ট হয়।

উদাহরণ: ব্রাহ্মণ (ব্রাম্‌হণ্), ব্রহ্ম (ব্রহ্মো)।


বাংলা শব্দ উচ্চারণে বিভিন্ন ফলার (যেমন: ম-ফলা) সঠিক নিয়ম মেনে চলা ভাষার শুদ্ধতা ও শ্রুতিমাধুর্য রক্ষায় অত্যন্ত জরুরি। এই নিয়মগুলো বাংলা ভাষার ধ্বনিতত্ত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Satt AI
Satt AI
3 months ago
887
উত্তরঃ

চর্যাপদ = চোর্‌জাপদ্

উত্তরঃ

রাষ্ট্রপতি = রাশ্‌ট্রোপোতি

উত্তরঃ

প্রত্যাশা = প্রোত্‌তাশা

উত্তরঃ

সংবাদপত্র = শংবাদ্‌পত্‌ত্রো

উত্তরঃ

তন্বী  = তোন্‌নি

উত্তরঃ

চিত্রকল্প = চিত্‌ত্রোকল্‌পো

উত্তরঃ

অন্য = ওন্‌নো

উত্তরঃ

উদ্বেগ = উদ্‌বেগ্‌

1.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews