'R' এমন একটি ব্যাংক যার উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয়। এই ব্যাংকটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ঋণ নিয়ন্ত্রণ ও অন্যান্য ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। অপরপক্ষে, 'S' ব্যাংক যার মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন করা এবং জনগণের নিকট হতে আমানত সংগ্রহ, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সহায়তা প্রদান করা। তাছাড়া অনেক সময় 'S' ব্যাংক 'R' ব্যাংক হতে ঋণ সহায়তা নিয়ে থাকে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

চাওয়ামাত্র গ্রাহকের অর্থ পরিশোধ করার সামর্থ্যকে তারল্য বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

গ্রাহকদের অর্থের নিরাপত্তা দেয় বলে ব্যাংককে নিরাপত্তার প্রতীক বলা হয়। যে প্রতিষ্ঠান আমানত সংগ্রহ করে, ঋণ দেয় ও বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে, তাকে ব্যাংক বলা হয়। কোনো ব্যাংকের আমানত সংগ্রহের পরিমাণ ঐ ব্যাংক কতটা নিরাপদ তার ওপর নির্ভর করে। গ্রাহকদের অর্থের নিরাপত্তা দিতে ব্যাংক কাজ করে। তাই ব্যাংককে নিরাপত্তা প্রতীক বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'S' ব্যাংক কার্যভিত্তিক শ্রেণি অনুযায়ী বাণিজ্যিক ব্যাংক।

এ ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হলো মুনাফা অর্জন। এ ধরনের ব্যাংক অল্প সুদে জনগণের কাছ থেকে আমানত হিসেবে অর্থ সংগ্রহ করে। আবার বেশি সুদে উক্ত অর্থ অন্যদের ঋণ দেয়।

উদ্দীপকে 'S' নামক একটি ব্যাংকের উল্লেখ রয়েছে। যার মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন করা। ব্যাংকটি জনগণের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে। এর বিনিময়ে ব্যাংকটি তাদের কম পরিমাণে সুদ দেয়। আবার আমানতের অর্থ দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সহায়তা প্রদান করে। এর বিনিময়ে ব্যাংক অধিক সুদ আদায় করে। এ দুই সুদের পার্থক্য থেকেই 'S' ব্যাংক মুনাফা অর্জন করে। এক্ষেত্রে 'S' ব্যাংকটির কাজের সাথে বাণিজ্যিক ব্যাংকের মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, 'S' ব্যাংক কাজের ভিত্তিতে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'R' ব্যাংকটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক গঠিত ও নিয়ন্ত্রিত ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান। এ ব্যাংক দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও এ ব্যাংক দেশের আর্থিক নীতি বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করে। ব্যাংকটি প্রয়োজনীয় নোট ও মুদ্রা প্রচলনের মাধ্যমে অর্থনীতিতে স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখে। সর্বোপরি মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত নয়।

উদ্দীপকে 'R' এমন একটি ব্যাংক যার উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয়। এই ব্যাংকটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ঋণ নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া অন্যান্য ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। তাছাড়া ব্যাংকটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ সহায়তা দিয়ে থাকে। 'R' ব্যাংকটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি দেশের প্রধান ব্যাংক। একমাত্র এ ব্যাংক সরকারের পক্ষে নোট ও মুদ্রা প্রচলন করে। এছাড়া ব্যাংকটি দেশের মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করে। পাশাপাশি ঋণের পরিমাণ কাম্যস্তরে রাখার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। এই ঋণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশের দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে। ফলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে ভারসাম্য রক্ষা হয়। অতএব, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'R' ব্যাংকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে অনবদ্য ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
107
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নগদে ও অংশবিশেষ বন্ড, সিকিউরিটিজ কিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখার বিধানকে বিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত হার বা Statutory Liquidity Ratio (SLR) বলে। বর্তমানে SLR-এর হার ১৩%।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
347
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণের শেষ আশ্রয়স্থল বলা হয়।
তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহ যেকোনো কারণেই তারল্য সংকটে 'বা আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এ সময় ব্যাংকগুলো অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ সরবরাহে এগিয়ে আসে। এক্ষেত্রে এই ব্যাংক ঋণদানের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও ব্যাংক বাণিজ্যিক হুন্ডি, প্রতিজ্ঞাপত্র ইত্যাদি পুনঃবাট্টা করে ঋণ দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
212
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘর নামক বিশেষ কক্ষের কথা উল্লেখ রয়েছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মধ্যকার আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থান হলো নিকাশঘর। এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্যদিবসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সেবার মাধ্যমে তাদের দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত আন্তঃব্যাংকিং নিকাশঘর পরিচালনা করে।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক হলো মুদ্রাবাজারের অভিভাবক। এই ব্যাংকের একটি বিশেষ কক্ষ রয়েছে। উক্ত কক্ষে তালিকাভুক্ত ব্যাংকসমূহের পারস্পরিক দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিশেষ কক্ষ হলো নিকাশঘর। এখানে সদস্য ব্যাংকগুলো প্রতি কার্য দিবসে তাদের দেনা-পাওনার বিবরণী নিয়ে উপস্থিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সবার দেনা ও পাওনা সমন্বয় করে। ফলে খুব সহজেই ব্যাংকগুলো অন্য ব্যাংকের চেক, বিল, ড্রাফট ইত্যাদি নিষ্পত্তি করতে পারে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকাশঘরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
176
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাংক হার 'নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতি গ্রহণ করেছে।

ব্যাংক ঋণের হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল হলো ব্যাংক হার নীতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি প্রতিরোধে ব্যাংক হার বৃদ্ধি করে। আবার, প্রতিটি তালিকাভুক্ত ব্যাংক আমানতের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখে। এ হার হ্রাস-বৃদ্ধি করে ঋণ নিয়ন্ত্রণ করাই হলো জমার হার পরিবর্তন নীতি।

উদ্দীপকে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ ও আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করে। সম্প্রতি দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি তার সুদের হার ৫% থেকে ৬%-এ উন্নীত করে। তবুও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক CRR বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেয়। প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে তাই ব্যাংক হার। উদ্দীপকে প্রথমত ব্যাংক হার বৃদ্ধি করা হয়। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংক কম ঋণ গ্রহণ করবে এবং বাজারে অর্থের সরবরাহ হ্রাস পাবে। কিন্তু ব্যাংকগুলো যদি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয় তাহলে এ নীতি তেমন কার্যকর হয় না। আবার প্রতিটি তালিকাভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংককে আমানতের একটি অংশ বাধ্যতামূলকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয়। এই হারকে জমার হার বলা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ হার বৃদ্ধি করলে ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে বাজারে ঋণ সরবরাহও হ্রাস পায়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ব্যাংক হার নীতি ও জমার হার পরিবর্তন নীতির মধ্যে জমার হার পরিবর্তন নীতি অধিক কার্যকর।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
180
উত্তরঃ

বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যে সুদের হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নেয় বা প্রথম শ্রেণির বিল বা সিকিউরিটিজ বাট্টা করে, সেই হারকে ব্যাংক হার বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
371
উত্তরঃ

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে খোলাবাজারে বন্ড, সিকিউরিটিজ, বিল, শেয়ার, ডিবেঞ্চার ইত্যাদি কেনা-বেচা করাকে খোলাবাজার নীতি বলে।

বাজারে অর্থের সরবরাহ বেশি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলাবাজারে জনগণকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি কেনার আহ্বান জানায়। আবার অর্থ সরবরাহ কম হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জনগণের কাছ থেকে শেয়ার, বন্ড, সিকিউরিটিজ ইত্যাদি ক্রয় করে। এতে ঋণের প্রবাহ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
557
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews