উত্তরঃ

যে শব্দের মাধ্যমে মনের নানা ভাব ও আবেগকে প্রকাশ করা হয়, তাকে আবেগ শব্দ বলে। 

প্রকাশ অনুসারে আবেগ শব্দকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:

  • সিদ্ধান্তবাচক আবেগ শব্দ: এই জাতীয় আবেগ শব্দের সাহায্যে অনুমোদন প্রকাশ পায়। যেমন: বেশ, তাই হবে। 
  • প্রশংসাবাচক আবেগ শব্দ: এ ধরনের আবেগ শব্দ প্রশংসা প্রকাশ করে। যেমন: বাঃ! বড় ভালো কথা বলেছ। 
  • বিরক্তিবাচক আবেগ শব্দ:এ ধরনের আবেগ শব্দ ঘৃণা প্রকাশ করে। যেমনঃ ছিঃ ছিঃ, তুমি এত নীচ! 
  • যন্ত্রণাবাচক আবেগ শব্দ: এ ধরনের আবেগ শব্দ আতঙ্ক প্রকাশ করে। যেমন: আঃ, কী আপদ। 
  • সম্বোধনবাচক আবেগ শব্দ: এ ধরনের আবেগ শব্দ আহবান করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যেমন: হে বন্ধু, তোমাকে অভিনন্দন। বিস্ময়বাচক আবেগ শব্দ:এ ধরনের আবেগ আশ্চর্য হওয়ার ভাব প্রকাশ করে। যেমন: আরে, তুমি আবার এলে!
Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 month ago
উত্তরঃ

উক্ত অনুচ্ছেদ থেকে চিহ্নিত পাঁচটি বিশেষণ হলো:

১. ঘুমন্ত (শিশুর অবস্থা প্রকাশ করছে)
২. গরম (দুধের গুণ/অবস্থা বোঝাচ্ছে)
৩. অবুঝ (শিশুর স্বভাব বোঝাচ্ছে)
৪. সদ্যোজাত (ফুলের অবস্থা বোঝাচ্ছে)
৫. সুখকর (পরিবেশের গুণ বোঝাচ্ছে)

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 month ago
35

Related Question

View All
উত্তরঃ

১. শব্দের আদিতে ম-ফলা: শব্দের প্রথমে ম-ফলা যুক্ত হলে ম-ফলার উচ্চারণ হয় না, তবে ঐ বর্ণের সঙ্গে যুক্ত স্বরবর্ণটি সানুনাসিক হয়।

উদাহরণ: স্মরণ (শোঁরন্), শ্মশান (শঁশান্), স্মিত (স্মিত্)।

২. অঘোষ ব্যঞ্জনের সঙ্গে ম-ফলা: ম-ফলা ক, চ, ট, ত, প, শ, ষ, স এই অঘোষ ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলে ম-ফলার উচ্চারণ অক্ষুণ্ণ থাকে এবং যে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় তার দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়।

উদাহরণ: বিস্ময় (বিশ্শয়), ভস্ম (ভশ্‌শম), রশ্মি (রোশ্‌শমি), গ্রীষ্ম (গৃশ্‌শ)।

৩. ঘোষ ব্যঞ্জনের সঙ্গে ম-ফলা: ম-ফলা গ, জ, ড, দ, ব এই ঘোষ ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলে ম-ফলার উচ্চারণ অক্ষুণ্ণ থাকে এবং যে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয় তার দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়।

উদাহরণ: পদ্ম (পদ্‌দো), ছদ্ম (ছদ্‌দো), আত্মীয়ে (আত্তীয়ে)।

৪. নাসিক্য ব্যঞ্জনের সঙ্গে ম-ফলা: ম-ফলা ঙ, ঞ, ণ, ন, ম এই নাসিক্য ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হলে ম-ফলা লুপ্ত হয়। তবে নাসিক্য ব্যঞ্জনটির দ্বিত্ব হয় না, বরং তার নাসিক্য ধ্বনি বজায় থাকে।

উদাহরণ: জন্ম (জন্‌মো), বাঙ্ময় (বাঙ্‌ময়), মৃন্ময় (মৃন্‌ময়)।

৫. হ-এর সাথে ম-ফলা: 'হ' বর্ণের সাথে ম-ফলা যুক্ত হলে ম-ফলার উচ্চারণ অক্ষুণ্ণ থাকে এবং 'হ' বর্ণটির সামান্য নাসিক্য উচ্চারণ হয়, অথবা 'হ' প্রায় লুপ্ত হয়ে ম-এর উচ্চারণ স্পষ্ট হয়।

উদাহরণ: ব্রাহ্মণ (ব্রাম্‌হণ্), ব্রহ্ম (ব্রহ্মো)।


বাংলা শব্দ উচ্চারণে বিভিন্ন ফলার (যেমন: ম-ফলা) সঠিক নিয়ম মেনে চলা ভাষার শুদ্ধতা ও শ্রুতিমাধুর্য রক্ষায় অত্যন্ত জরুরি। এই নিয়মগুলো বাংলা ভাষার ধ্বনিতত্ত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
837
উত্তরঃ

চর্যাপদ = চোর্‌জাপদ্

উত্তরঃ

রাষ্ট্রপতি = রাশ্‌ট্রোপোতি

উত্তরঃ

প্রত্যাশা = প্রোত্‌তাশা

উত্তরঃ

সংবাদপত্র = শংবাদ্‌পত্‌ত্রো

উত্তরঃ

তন্বী  = তোন্‌নি

উত্তরঃ

চিত্রকল্প = চিত্‌ত্রোকল্‌পো

উত্তরঃ

অন্য = ওন্‌নো

উত্তরঃ

উদ্বেগ = উদ্‌বেগ্‌

1.5k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews