উত্তরঃ

বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তরে প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় ৬.৪°C হারে তাপমাত্রা কমতে থাকে। তাপমাত্রা কমার এ হারকে স্বাভাবিক তাপ হ্রাসহার বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া ও বিশ্বউষ্ণায়ন একে অপরের পরিপূরক। একটি হচ্ছে কারণ, অন্যটি হচ্ছে ফলাফল। গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়ার ফলেই বিশ্বউষ্ণায়ন সাধিত হয়। সূর্য থেকে যে আলো পৃথিবীতে পড়ে তার সবটুকুই আবার সূর্যের কাছে চলে যায় না। কিছু আলো ও তাপ পৃথিবী ও বায়ুমণ্ডল কর্তৃক শোষিত হয়। মানুষের অপরিকল্পিত ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে CO2 বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ফলশ্রুতিতে অতিরিক্ত তাপ ও আলো পৃথিবীপৃষ্ঠে উত্তাপ সৃষ্টি করে। তাই গ্রিনহাউস প্রতিক্রিয়া ও বিশ্বউষ্ণায়নের সাথে সম্পর্ক একে অপরের পরিপূরক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'A' 'চিহ্নিত অঞ্চলটি নিরক্ষরেখার কাছাকাছি হওয়ায় এখানে নিরক্ষীয় জলবায়ু পরিলক্ষিত হয়। নিরক্ষরেখার উভয় পার্শ্বে ° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে যে জলবায়ু পরিলক্ষিত হয় তাকে নিরক্ষীয় জলবায়ু বলে।

নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল নিরক্ষরেখার উভয় পার্শ্বে ° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে দেখা যায়। তবে কোনো কোনো স্থানে ° অক্ষাংশ পর্যন্ত এ জলবায়ু দৃষ্ট হয়। এছাড়াও পৃথিবীর যেসব অঞ্চলে নিরক্ষীয় জলবায়ু দেখা যায় সেগুলো হলো- দক্ষিণ আমেরিকায় আমাজান নদীর অববাহিকা, ব্রাজিলের উত্তরাংশের এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল, গায়ানা, ভেনিজুয়েলা ও কলম্বিয়ার দক্ষিণাংশ, পেরুর উত্তরাংশ এবং ইকুয়েডর, আফ্রিকার কঙ্গো নদীর অববাহিকা ও গিনি উপকূল, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জ ও সিঙ্গাপুর প্রভৃতি দেশ। তাছাড়া নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের বাইরে, ক্রান্তীয় অঞ্চলের পার্বত্য উপকূলভাগে যেখানে আর্দ্র অয়ন বায়ু সারাবছর সোজা উপকূলভাগে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়, সেসব অঞ্চলে নিরক্ষীয় জলবায়ুর ন্যায় উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু বিরাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

চিত্রে 'B' হচ্ছে মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চল এবং 'C' হচ্ছে ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল।

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে যে বায়ুর দিক পরিবর্তন হয় তাকে মৌসুমি বায়ু বলে এবং যেসব দেশের উপর দিয়ে এ বায়ু প্রবাহিত হয় সেসব দেশের জলবায়ুকে মৌসুমি জলবায়ু বলে। আবার, মহাদেশগুলোর পশ্চিমাংশে ° থেকে ৪৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে যে জলবায়ু দেখতে পাওয়া যায় তাকে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু বলে।

  • মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু এবং শীতকালে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়। অপরদিকে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে শুষ্ক অয়ন বায়ু এবং শীতকালে আর্দ্র পশ্চিমা বায়ু প্রবাহিত হয়।
  • মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকাল বৃষ্টিবহুল এবং শীতকাল বৃষ্টিহীন। অপরদিকে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে গ্রীষ্মকাল বৃষ্টিহীন এবং শীতকাল বৃষ্টিবহুল।
  • মৌসুমি জলবায়ুতে মৌসুমি বায়ু গ্রীষ্মকালে জল হতে স্থলভাগের দিকে এবং শীতকালে স্থল হতে জলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়। অপরদিকে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে অয়ন বায়ু স্থল থেকে জলভাগের দিকে এবং শীতকালে পশ্চিমা বায়ু জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হয়।
  • মৌসুমি জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা °সেলসিয়াসের অধিক থাকে। অপরদিকে, ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা অত্যধিক বৃদ্ধি পায়।
  • মৌসুমি জলবায়ুতে শীত ও গ্রীষ্মের গড় তাপমাত্রার পার্থক্য প্রায় °সে. এবং ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুতে শীত ও গ্রীষ্মের গড় তাপমাত্রা প্রায় ১.১° সে.।
  • মৌসুমি অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১২৫ থেকে ২০০ সেন্টিমিটার এবং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে বার্ষিক ২৫ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়।
  • সুতরাং 'B' ও 'C' জলবায়ু অঞ্চলের তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ দু'অঞ্চলের জলবায়ুর মধ্যে বেশিরভাগই বৈসাদৃশ্যতা বিরাজ করে। অর্থাৎ দু'অঞ্চলের জলবায়ুর মধ্যে বৈসাদৃশ্যতা পরিলক্ষিত হয়।
Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
62

Related Question

View All
উত্তরঃ

বায়ুতে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিকে বায়ুর আর্দ্রতা বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
139
উত্তরঃ

নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে সূর্য সারাবছর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে অধিক তাপ থাকে। এই অধিক তাপই জলীয়বাষ্প তৈরির মাধ্যমে সারাবছরই অধিক বৃষ্টিপাত ঘটায়। যেকোনো অঞ্চলে বৃক্ষ বেড়ে ওঠার জন্য তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত অতীব প্রয়োজনীয় উপাদান। সারাবছর এরূপ বৃষ্টিপাত ও তাপের জন্য নিরক্ষীয় অঞ্চলে গভীর অরণ্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
117
উত্তরঃ

উদ্দীপকে তৌকিরের গমনকৃত অঞ্চলটি ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর অন্তর্গত। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে মূলত আর্দ্র পশ্চিমা বায়ুপ্রবাহের জন্য।
শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় মহাদেশীয় ভূভাগের পশ্চিম প্রান্তে ° হতে ৪০° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যবর্তী স্থানে যে জলবায়ু দেখা যায় তাকে পশ্চিম উপকূলবর্তী উষ্ণ নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ু বলে। ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী দেশসমূহে এ শ্রেণির জলবায়ু দেখা যায়। এ কারণে এ জলবায়ুকে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু বলে। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মৃদুভাবাপন্ন শীত ও রৌদ্রকরোজ্জ্বল আবহাওয়া। ফলে এ অঞ্চলের দেশগুলো নাতিশীতোষ্ণমণ্ডলে অবস্থিত হওয়ার কারণে তাপের তেমন প্রখরতা অনুভূত হয় না। ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে বৃষ্টিবহুল শীতকাল এবং বৃষ্টিহীন গ্রীষ্মকাল পরিলক্ষিত হয়। এ অঞ্চলে তৃণভূমির পরিমাণ কম। উদ্দীপকে তৌকিরের গমনকৃত দেশটিতে সারাবছর রৌদ্রকরোজ্জ্বল আবহাওয়া বিরাজ করে এবং শীতকালে বৃষ্টিপাত হয় তা ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
125
উত্তরঃ

তৌকিরের নিজের দেশটি মৌসুমি জলবায়ুর অন্তর্গত এবং গমনকৃত দেশটি ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর অন্তর্গত। অবস্থানগত কারণে এ দুই দেশের জলবায়ু ভিন্ন প্রকৃতির। নিচে মৌসুমি ও ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর পার্থক্য তুলে ধরা হলো।

ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ° থেকে ° সেলসিয়াস এবং শীতকালীন তাপমাত্রা °-° সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে জুন-জুলাই মাসে সূর্য কর্কটক্রান্তির নিকটবর্তী হয় তখন চাপবলয়গুলো উত্তর দিকে সরে যায়। এ অঞ্চলে শীতকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এবং গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাত হয় না। ফলে শীতকাল আর্দ্র এবং গ্রীষ্মকাল শুষ্ক হয়ে থাকে।
অন্যদিকে, মৌসুমি অঞ্চলে সারাবছর তাপমাত্রার পরিমাণ বেশি থাকে। গ্রীষ্মকালীন তাপমাত্রা °সেলসিয়াসের বেশি থাকে। শীতকালীন তাপমাত্রা ° সেল সিয়াস থেকে ° সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। এ অঞ্চলের বায়ুপ্রবাহ ঋতু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কযুক্ত। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ুপ্রবাহের গতি ও দিক পরিবর্তন হয় এবং বায়ুর চাপেরও বৈষম্য হয়। এ অঞ্চলের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত সাধারণত ১২৫ থেকে ২০৩ সেমি পর্যন্ত দেখা যায়। এ অঞ্চলে জুন মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলে সাধারণত বর্ষাকালে ও গ্রীষ্মকালে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়।

সুতরাং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ু এবং মৌসুমি অঞ্চলের জলবায়ু সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
112
উত্তরঃ

মৌসুমি প্রবাহিত ও নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের জলবায়ুকে মৌসুমি জলবায়ু বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
144
উত্তরঃ

মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড যেমন শিল্প-কারখানা স্থাপন, কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের ব্যবহার, ফ্রিজ ও এসি ব্যবহার ইত্যাদির কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার প্রাকৃতিক বিভিন্ন গ্যাস যেমন- কার্বন ডাইঅক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, মিথেন গ্যাস ইত্যাদির কারণে বায়ুমণ্ডলের ওপর নেতিবাচক চাপ পড়ছে যা সরাসরি বৈশ্বয়িক উষ্ণায়ন সৃষ্টি করছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
121
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews