বিহিত মুদ্রা দুই প্রকার।
যমুদ্রাস্ফীতির ফলে ক্রেতা ও ভোগকারী পূর্বের তুলনায় ক্রয়ক্ষমতা কমে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
মুদ্রাস্ফীতির ফলে দাম বৃদ্ধি পেলে ক্রেতা ও ভোগকারীর ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে তারা পূর্বের চেয়ে কম দ্রব্য ভোগ করতে পারে। এছাড়া মুদ্রাস্ফীতির সময় দ্রব্যসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রকৃত আয় হ্রাস পায়। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতির ফলে ক্রেতা ও ভোগকারীদের জীবনযাত্রার মান হ্রাস পায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'A' ব্যাংকটি হলো বাণিজ্যিক ব্যাংক। এ ব্যাংকটির উল্লিখিত কার্যাবলি ছাড়াও আরো তিনটি কার্যাবলি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো
যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে জনগণের কাছ থেকে আমানত সংগ্রহ করে এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে জনগণ বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে স্বল্পমেয়াদি ঋণ দিয়ে থাকে, তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে। উদ্দীপকের 'A' ব্যাংকটি যেহেতু এ সকল কাজ করে সেহেতু 'A' ব্যাংকটি হলো একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। এ ব্যাংকটির আরো তিনটি কার্যাবলি হলো- ১. বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি, ২. বিনিময় বিল বাট্টাকরণ ও ৩. প্রতিনিধিত্বমূলক কাজ।
নোট বা ধাতব মুদ্রা প্রচলনের ক্ষমতা না থাকলেও বাণিজ্যিক ব্যাংক অন্যান্য বিনিময়ের মাধ্যম যেমন- ব্যাংক চেক, ড্রাফট, ভ্রমণকারী চেক ইত্যাদি মাধ্যম সৃষ্টি করে আর্থিক লেনদেন সহজ, নিরাপদ ও গতিশীল করে। আজকাল ধারে ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিনিময়ে বিল ব্যাপক ব্যবহৃত হয়। বাণিজ্যিক ব্যাংক নির্দিষ্ট হারে বাট্টা ধার্য করে বিনিময় বিল ভাঙিয়ে দেয়। এছাড়া, বাণিজ্যিক ব্যাংক মক্কেলদের পক্ষে বিনিময় বিল, বাড়ি ভাড়া, কোম্পানির লভ্যাংশ, পেনশন, বিমার প্রিমিয়াম, বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি সংগ্রহ করে প্রতিনিধিত্বমূলক বিভিন্ন কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'B' ব্যাংকটি হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ব্যাংকটির ঋণ নিয়ন্ত্রণের তিনটি হাতিয়ার নিচে বিশ্লেষণ করা হলো।
সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো এমন একটি একক ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান যা সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীনে থেকে মুদ্রা বাজারের অভিভাবক হিসেবে কাজ করে। এ ব্যাংকের প্রধান কাজ হলো নোট ও ধাতব মুদ্রা প্রচলন এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণ করা। উদ্দীপকে উল্লিখিত 'B' ব্যাংকটি যেহেতু এ সকল কার্যাবলি সম্পাদন করে সেহেতু এটি একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ব্যাংকের ঋণ নিয়ন্ত্রণের তিনটি হাতিয়ার হলো- ১. ব্যাংক হার নীতি, ২. খোলা বাজার নীতি এবং ৩. নগদ জমার হার পরিবর্তন নীতি।
ব্যাংক হার বলতে এমন একটি হারকে বোঝায়, যে হারে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রথম শ্রেণির বিনিময় বিল পুনঃবাট্টা করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ঋণ প্রদান করে। তাই এই ব্যাংক হার হ্রাস বা বৃদ্ধি করলে বাজারে ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি বা হ্রাস ঘটে। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা নিয়ন্ত্রিত হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশে ঋণের পরিমাণ বাড়াতে চাইলে খোলা বাজারে সরকারি ঋণপত্র বিক্রয় করে। বিপরীত অবস্থায় ঋণের পরিমাণ কমাতে চাইলে খোলা বাজার হতে ঋণপত্র ক্রয় করে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক নগদ জমার পরিমাণ বাড়ালে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে নগদ অর্থের পরিমাণ কমে; তখন তাদের ঋণদান ক্ষমতা কমে ও বাজারে ঋণের পরিমাণ কমে। একইভাবে নগদ জমার হার কমানো হলে বাজারে ঋণের পরিমাণ বাড়ে। কাজেই বলা যায়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে উপরে উল্লিখিত তিনটি হাতিয়ার ব্যবহার করে দেশের মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ করে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allযা বিনিময়ের সাধারণ মাধ্যম, মূল্যের পরিমাপ ও সঞ্চয়ের বাহন হিসেবে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত ও সকলের নিকট সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য হয়, তাকে মুদ্রা বলে।
মুদ্রার মূল্য বলতে তার ক্রয় ক্ষমতাকে বোঝায়।
একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দ্বারা যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা ক্রয় করা যায় তাই হলো অর্থের মূল্য। অর্থের এ ক্রয়ক্ষমতা তথা অর্থের মূল্য দুটি দিক থেকে বিবেচনা করা হয়। যথা-অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ক্রয়ক্ষমতা। অর্থের অভ্যন্তরীণ মূল্য বলতে দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থের ক্রয়ক্ষমতাকে বোঝায়। অন্যদিকে, অর্থের বৈদেশিক মূল্য বলতে আন্তর্জাতিক বাজারে তার ক্রয়ক্ষমতাকে বোঝায়। এটি বৈদেশিক বিনিময় হারের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। অর্থের মূল্য ১ বা যেখানে, Vm = অর্থের মূল্য ও P = দামস্তর।
দামস্তর
জাউদ্দীপকে উল্লিখিত তথ্যের ভিত্তিতে ফিশারের অর্থের বিনিময় সমীকরণ ব্যবহার করে নিচে দেশটির দামস্তর নির্ণয় করা হলো:
ফিশারের মুদ্রার পরিমাণ তত্ত্ব অনুসারে ভারসাম্য অবস্থায় অর্থের চাহিদা ও যোগান সমান হয়। অর্থাৎ, PT = MV + M'V' হয়, যা ফিশারের বিনিময় সমীকরণ নামে পরিচিত। এক্ষেত্রে PT হলো অর্থের চাহিদা এবং MV + M'V' হলো অর্থের যোগান।
এখন,
বা,PT = MV + M' V'
P=MV + M' V'
T
বা,
বা
বা
বা
এটিই হলো দেশটির নির্ণেয় দামস্তর।
ফিশারের বিনিময় সমীকরণ,
বা,
বা,
বা,
বা,
বা, P = 23.33
... নতুন দামস্তর, overline P1= 23.33 টাকা। দামস্তরের সাথে অর্থের মূল্য (Vm) এর বিপরীত সম্পর্ক হওয়ায় দামস্তর কমলে অর্থের মূল্য বাড়ে। যেমন- উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী দামস্তর P
= 64 টাকা হতে P1 = 23.33 টাকা হলে অর্থের মূল্য থেকে বেড়ে হয়। সুতরাং বলা যায়, প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী উল্লিখিত দেশটির ক্ষেত্রে অর্থের মূল্যের ধনাত্মক পরিবর্তন হবে তথা অর্থের মূল্য বাড়বে।
যে ব্যাংক দেশের মুদ্রা ব্যবসায় ও সমগ্র ব্যাংক ব্যবসায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলে
ব্যাংকিং সুবিধা ও গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে অনলাইন ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং থেকে ভিন্ন।
অনলাইন ব্যাংকিং বলতে এমন একটি ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে বোঝায়, যার মাধ্যমে পূর্বে প্রচলিত ব্যাংকিং সার্ভিস দ্রুত এবং ব্র্যাঞ্চ নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা যায়। যেমন- অ্যাকাউন্ট থেকে যেকোনো ব্র্যাঞ্চের মাধ্যমে টাকা জমা দেওয়া বা উত্তোলন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে অ্যাকাউন্টের তথ্য জানা বা লেনদেন। অপরপক্ষে মোবাইল ব্যাংকিং একটি সম্পূর্ণ নতুন ব্যবস্থা যার মাধ্যমে মোবাইল নম্বরভিত্তিক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থের লেনদেন করা যায়। অনলাইন ব্যাংকিং-এ ইন্টারনেট ও কম্পিউটার থাকা আবশ্যক। কিন্তু মোবাইল ব্যাংকিং-এ গ্রাহকের কাছে ইন্টারনেটের কোনো প্রয়োজন নেই। তাই বলা হয়, অনলাইন ব্যাংকিং এর গঠন প্রক্রিয়া, মোবাইল ব্যাংকিং এর গঠন প্রক্রিয়ার থেকে ভিন্ন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!