স্টার্চ হলো উদ্ভিদে সঞ্চিত কার্বোহাইড্রেট।
শরীরে পানির পরিমাণ খুব কমে গেলে সেই অবস্থাকে ডিহাইড্রেশন বা পানি শূন্যতা বলে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করলে; অতিরিক্ত গরম আবহাওয়া, ব্যায়াম অথবা জ্বারের কারণে ঘাম বেশি হলে; ডায়রিয়া ও অতিরিক্ত বমি হলে ডিহাইড্রেশন দেখা দেয়। এ অবস্থা প্রতিরোধে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা প্রয়োজন।
চিত্রে স্নেহ জাতীয় খাদ্য রয়েছে। উৎস অনুযায়ী স্নেহকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. প্রথম শ্রেণির স্নেহ: এখানে স্নেহের পরিমাণ ৯০%-১০০%। সয়াবিন তেল, ঘি, মাখন, সরিষার তেল, বড় মাছের তেল, শার্ক মাছের তেল ইত্যাদি।
২. দ্বিতীয় শ্রেণির স্নেহ : এখানে স্নেহের পরিমাণ ৪০%-৫০%। বিভিন্ন ধরনের বাদাম যেমন- চীনা বাদাম, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম, আখরোট, নারকেল ইত্যাদি।
৩. তৃতীয় শ্রেণির স্নেহ: এখানে স্নেহের পরিমাণ ১৫%-২০%। দুধ, ডিম, মাছ, মাংস, যকৃত ইত্যাদি।
আমাদের খাদ্যে দৈনিক ক্যালরির ২০%-২৫% স্নেহ পদার্থ থেকে গ্রহণ করা উচিত।
উদ্দীপকের চিত্রের খাবারগুলো স্নেহপদার্থের অন্তর্ভুক্ত।
স্নেহ পদার্থের কাজ নিচে উল্লেখ করা হলোঃ
১. স্নেহ পদার্থের প্রধান কাজ হলো তাপ ও শক্তি সরবরাহ করা। ১ গ্রাম স্নেহ পদার্থ থেকে দেহে ৯ কিলোক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়। স্নেহ দেহে শক্তির উৎস হিসেবে জ্বালানি রূপে সঞ্চিত থাকে।
২. কোষ প্রাচীরের সাধারণ উপাদান হিসেবে কোলেস্টেরল ও ফসফোলিপিড জাতীয় স্নেহ পদার্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৩. ভিটামিন 'এ', 'ডি', 'ই', কে- কে দ্রবীভূত করে দেহের গ্রহণ উপযোগী করে তোলে।
৪. দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোকে সংরক্ষণের জন্য স্নেহ পদার্থের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
৫. দেহ থেকে তাপের অপচয় রোধ করে শরীর গরম রাখে।
৬. স্নেহ পদার্থ প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড সরবরাহ করে চর্মরোগের হাত থেকে রক্ষা করে।
স্নেহ পদার্থ আমাদের দেহে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে দেহকে সুস্থ ও সবল রাখে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allপ্রোটিন ছাড়া প্রাণীর অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না।
প্রোটিনকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাঙলে প্রথমে অ্যামাইনো এসিড পরবর্তীতে কার্বন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়।
বড় আকারের এক একটি প্রোটিনকে আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে কতগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এসিড অণু পাওয়া যায়। প্রত্যেকটা অণুতে কমপক্ষে ১টি অ্যামাইনো দল (-NH2) ও ১টি কার্বক্সিল দল (-COOH) বিদ্যমান থাকে। এদেরকে অ্যামাইনো এসিড বলে।
সানার দেহে প্রোটিনের অভাবে উল্লিখিত সমস্যাগুলো হচ্ছে।
সানা তার সমবয়সীদের তুলনায় আকৃতিতে ছোট অর্থাৎ তার দৈহিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়েছে এবং ওজন কমে গেছে। সে অল্পতেই রেগে যায় অর্থাৎ তার মেজাজ খিটখিটে হয়ে গেছে। আবার তার চুলের রং ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। এগুলো প্রোটিনের অভাবজনিত লক্ষণ।
প্রোটিনের প্রথম ও প্রধান কাজ হচ্ছে দেহকোষের গঠন ও বৃদ্ধি সাধন করা। আমাদের দাঁত, চুল, নখ থেকে শুরু করে দেহের অস্থি, পেশি সবই প্রোটিন দিয়ে তৈরি। দেহের কোষ সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। নতুন কোষ গঠন করে ক্ষয়পূরণের কাজ করে প্রোটিন। এই প্রোটিনের অভাবে মানবদেহে বিভিন্ন রকমের অভাবজনিত লক্ষণ দেখা দেয়, যা সানার মধ্যেও দেখা দিয়েছে।
ঘসানার শারীরিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে বোঝা যায় তার দেহে প্রোটিনের অভাব দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ডাক্তার তাকে প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন।
পুষ্টি চাহিদা মেটানোর জন্য সানার প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। কারণ প্রোটিন জাতীয় খাবার দেহ গঠন, বৃদ্ধি সাধন ও ক্ষয়পূরণে সহায়তা করে। মানসিক বিকাশের সময় প্রোটিনের অভাব হলে বুদ্ধির বিকাশ ব্যাহত হয়। আর এই উপাদানের ঘাটতি যদি দীর্ঘদিন চলতে থাকে তাহলে তার দেহে আরো বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন- হাত পা ফুলে গিয়ে মুখে পানি এসে কোয়াশিয়রকর (kwashiorkor) দেখা দিতে পারে। এছাড়া দীর্ঘদিন প্রোটিন ও ক্যালরি উভয়েরই অভাব হলে ম্যারাসমাস (marasmus) দেখা দিতে পারে। এ রোগে শিশুরা খুবই শুকিয়ে যায়। অর্থাৎ পরবর্তী জটিলতা এড়ানোর জন্য এবং বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতির মাধ্যমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে ডাক্তারের পরামর্শটি অত্যন্ত যথার্থ হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদনকারী খাদ্য উপাদান হলো স্নেহ পদার্থ।
খাদ্য দেহ গঠন, বৃদ্ধি সাধন, ক্ষয় পূরণ, তাপ উৎপাদন ও কর্মশক্তি প্রদান করে। এছাড়া খাদ্য দেহের অভ্যন্তরীণ কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। বেঁচে থাকার জন্য আমাদের শরীরে এ সকল কাজগুলো সম্পাদন হওয়া জরুরি যা খাদ্যের মাধ্যমেই সম্ভব হয়। তাই বলা যায়, খাদ্যই বেঁচে থাকার নিয়ামক।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!