উত্তরঃ

গবেষণাগারে কাচের পাত্রে শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন' ঘটিয়ে নিষিক্ত
ডিম্বাণুকে জরায়ুতে স্থাপন করে গর্ভধারণ করানোর প্রক্রিয়াই হলো IVF (In-Vitro Fertilization) ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

জরায়ুর কাজগুলো হলো-

১.এটি ভূমিষ্ঠ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ভূণকে আগলে রক্ষা করে।
২. এখান থেকে অমরা সৃষ্টি হয়ে ভূণের পুষ্ঠি, রেচন ও শ্বসন সম্পন্ন করে।
৩. শুক্রাণুর আগমনকে ত্বরান্বিত করে।
৪. সারভিক্সের নিঃসৃত ক্ষারকীয় রস শুক্রাণুর চল শক্তি বৃদ্ধি করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের D ও B হলো ডিম্বাণু ও শুক্রাণু। এরা মিলিত হয়ে নিষেক প্রক্রিয়ায় জাইগোট X সৃষ্টি করে।
মানবদেহে য়ে নিষেক ঘটে তা প্রকৃতপক্ষে, সেকেন্ডারি উওসাইট ও পরিণত শুক্রাণুর নিউক্লিয়াসের একীভবন। স্খলিত শুক্রাণুগুলোর অ্যাক্রোসোম থেকে হায়ালুরোনিডেজ নামক এনজাইম ক্ষরিত হয়। ডিম্বাণুর চারদিকে অবস্থিত ফলিকল কোষগুলো যেসব পদার্থের সাহায্যে পরস্পর যুক্ত থাকে সেসব পদার্থকে এ এনজাইম পরিপাকের মাধ্যমে শুক্রাণুর গমন পথের সৃষ্টি করে। গমন পথ ধরে শুক্রাণু লেজের সাহায্যে চালিত হয়ে ডিম্বাণুর জোনা পেলুসিডার বহির্দেশে এসে পৌঁছে। এ স্তরে অবস্থিত বিশেষ সংগ্রাহক প্রোটিনে শুক্রাণুর মস্তকঝিল্লির সংগ্রাহকগুলো বন্ধনের সৃষ্টি করে। বন্ধনের ফলে উদ্দীপ্ত হয়ে শুক্রাণুমস্তক আরেক ধরনের এনজাইম ক্ষরণ করে। এ এনজাইম জোনা পেলুসিডার অংশকে হজম করে একটি পথের সৃষ্টি করে। এ পথ ধরে শুক্রাণু ডিম্বাণুঝিল্লির বহির্তলে এসে পৌঁছায়। এর মস্তকটি ডিম্বাণুর ভিলাইসমৃদ্ধ প্লাজমা মেমব্রেনের সাথে একীভূত হয় এবং ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজমে প্রবেশ করে। শুক্রাণু মস্তক ডিম্বাণুর অভ্যন্তরে প্রবেশের সাথে সাথে বহির্দেশে অবস্থিত কর্টিকাল দানা নামে পরিচিত লাইসোসোমগুলো এনজাইম ক্ষরণ করে। এনজাইমের প্রভাবে জোনা পেলুসিডা পুরু ও শক্ত হয়ে নিষেক ঝিল্লি সৃষ্টি করে। ফলে আর কোনো শুক্রাণু নিষেকে অংশ নিতে পারে না। শুক্রাণু প্রবেশের ফলে সেকেন্ডারি উওসাইটটি উদ্দীপ্ত হয়ে দ্বিতীয় মায়োটিক বিভাজন ঘটিয়ে পরিণত ডিম্বাণু ও দ্বিতীয় পোলার বডি সৃষ্টি করে। দ্বিতীয় পোলার বডি দ্রুত ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং শুক্রাণুর লেজ ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজমে মিশে যায়। এ সময় শুক্রাণুর নিউক্লিয়াসে ক্রোমাটিনগুলো ঢিলে-ঢালা হয়ে পড়ে। ফলে নিউক্লিয়াসটি স্ফীত হয়। এ পর্যায়ে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু নিউক্লিয়াসকে যথাক্রমে পুরুষ ও স্ত্রী প্রোনিউক্লিয়াই বলে। পুরুষ প্রোনিউক্লিয়াসটি ডিম্বাণুর কেন্দ্রের দিকে অগ্রসর হয়ে স্ত্রী প্রোনিউক্লিয়াসের সাথে একীভূত হলে ডিম্বাণুটি ডিপ্লয়েড জাইগোটে পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে যৌনজননের পূর্বশর্ত অর্থাৎ নিষেকের কথা বলা হয়েছে।
নিষেকের ফলে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু মিলিত হয়ে ডিপ্লয়েড জাইগোট গঠিত হয়। নিষেকের ফলে ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজমে বিভিন্ন উপাদানের বিস্তৃতি ঘটে এবং ডিম্বাণুর গোলাকার ধারণ করার প্রবণতা দেখায়। নিষেকের ফলে ডিম্বাণুর বিভিন্ন আবরণীর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া নিষেকের ফলে ডিম্বাণুর সাইটোপ্লাজম ও কুসুমের বিস্তৃতি এবং বিন্যাসের পরিবর্তন ঘটে। এ নিষেক ক্রিয়া জীবের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে আমার মনে হয়। কারণ নিষেক জীবের ডিপ্লয়েড সংখ্যাকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে এবং নিষেকের কারণেই ডিম্বাণু পরবর্তী পর্যায়ের বৃদ্ধির জন্য প্রস্তুত হয়। পিতামাতার বৈশিষ্ট্যকে সমন্বিত করার ক্ষেত্রে নিষেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিষেকের ফলে জাইগোটে জিনের নতুন সমন্বয় ঘটে এবং এতে জীবের নতুন প্রকরণ সৃষ্টি হয়। নিষেকের মাধ্যমে ভূণের লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। এছাড়া জীবের বংশ রক্ষা ও ধারাবাহিকতার নিশ্চয়তা প্রদানে নিষেকের ভূমিকা অপরিসীম বলে আমি মনে করি। সুতরাং নিষেকের ফলাফল জীবের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং জীবের অস্তিত্ব তথা বংশ রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
26

প্রজনন প্রক্রিয়ায় জীব নিজ সত্তাবিশিষ্ট অপত্য বংশধর সৃষ্টি করে নিজ প্রজাতির স্থায়িত্ব বজায় রাখে। মানুষের বংশবৃদ্ধি যৌন জনন প্রক্রিয়ায় সাধিত হয়।

Related Question

View All
উত্তরঃ

শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসের একীভবনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড জাইগোট সৃষ্টির প্রক্রিয়াই হলো নিষেক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
26
উত্তরঃ

গ্যামেট বা জননকোষ সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে গ্যামেটোজেনেসিস বলে।
এ প্রক্রিয়ায় জনন মাতৃকোষ হতে স্ত্রী জনন অঙ্গে ডিম্বাণু ও পুরুষের জনন অঙ্গে শুক্রাণু তৈরি হয়। এক্ষেত্রে মিয়োসিস কোষবিভাজনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড (2n) মাতৃজনন কোষ থেকে হ্যাপ্লয়েড (n) জননকোষ উৎপন্ন হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
32
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম গঠনটি মানবভূণের ব্লাস্টুলা দশা। নিষেকের পর ৬ থেকে ৯ দিনের মধ্যে যে প্রক্রিয়ায় জাইগোটটি ব্লাস্টোসিস্ট অবস্থায় জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়ামে সংস্থাপিত হয় তাকে ইমপ্লান্টেশন বলে। নিষিক্ত জাইগোট মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে দ্রুত বিভক্ত হয়ে মরুলা দশা পার করে উদ্দীপকের ব্লাস্টুলা দশা বা ব্লাস্টোসিস্ট এ পরিণত হয়। ডিম্বনালিতে সৃষ্ট এ ব্লাস্টোসিস্ট ৪-৫ দিনের ভেতর জরায়ুতে এসে পৌঁছালে দু'দিনের ভেতর এর জোনা পেলুসিডা আবরণ অদৃশ্য হয়ে যায়। তখন এর ট্রফোব্লাস্ট কোষ ও জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়াম কোষের মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হয়। ব্লাস্টোসিস্ট এন্ডোমেট্রিয়ামের যেখানে গ্রোথিত হয় সেখানকার আবরণি টিস্যু ট্রফোব্লাস্ট থেকে নিঃসৃত এনজাইমের প্রভাবে বিগলিত হয়। তখন ব্লাস্টোসিস্টটি সেখানে যুক্ত হয়। এভাবে নিষেকের ষষ্ঠ থেকে নবম দিনের মধ্যে নিষিক্ত ডিম্বাণু বা জাইগোটটি ব্লাস্টোসিস্ট অবস্থায় জরায়ুর এন্ডোমেট্রিয়ামে প্রতিস্থাপিত হয় যা ইমপ্ল্যান্টেশন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
28
উত্তরঃ

পূর্ণাঙ্গ মানব শিশুর দেহ গঠিত হয় ভ্রূণীয় বিভিন্ন পরিবর্তনীয় ধাপের মাধ্যমে। এর মধ্যে উদ্দীপকের দ্বিতীয় গঠন অর্থাৎ গ্যাস্টুলা একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
যে প্রক্রিয়ায় একস্তরী ব্লাস্টুলা থেকে ত্রিস্তরী প্রাণিদের ত্রিস্তরী গ্যাস্টুলা গঠিত হয় তাকে গ্যাস্ট্রলেশন বলে। গ্যাস্টুলেশন পর্যায়ে এর কোষগুলোর পরিযানের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় তিনটি কোষীয়স্তর, যথা-বহিঃস্থ এক্টোডার্ম, মধ্যস্থ মেসোডার্ম এবং অন্তঃস্থ এন্ডোডার্ম। গ্যাস্টুলায় সৃষ্ট এ তিনটি স্তর থেকেই অঙ্গকুড়ি সৃষ্টি হয় যা অর্গানোজেনেসিস নামে পরিচিত। এর মধ্যে এক্টোডার্মের কোষগুলো পরিণত হয় ত্বক, চুল, নখ, বিভিন্ন অঙ্গের আবরণ ইত্যাদি গঠন করে। মেসোডার্মের কোষগুলো পরবর্তীতে দেহের পেশি, যোজককলা, দেহগহ্বরের অন্তঃআবরণী প্রভৃতি সৃষ্টির মাধ্যমে মানব অজাসমূহের পূর্ণাঙ্গতা আনে। আর এন্ডোডার্মের কোষসমূহের পরিণতিতে পৌষ্টিক নালীর বিভিন্ন অংশ, রেচনতন্ত্রের বিভিন্ন অংশ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের গ্রন্থি ইত্যাদি অঙ্গের সৃষ্টি হয়।
কাজেই দেহের বিভিন্ন অঙ্গের পূর্ণতা প্রাপ্তি গ্যাস্টুলার তিনটি স্তরের পরিণতির মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। এজন্য একথা অনস্বীকার্য যে, গ্যাস্টুলার বিভিন্ন স্তরের পরিবর্তন ছাড়া পূর্ণাঙ্গ দেহ গঠন অসম্ভব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
24
উত্তরঃ

যৌনজননক্ষম জীবে যে প্রক্রিয়ায় পুংজননকোষ ও স্ত্রীজনন কোষ মিলিত হয় সেই প্রক্রিয়াই হলো নিষেক।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
25
উত্তরঃ

সেকেন্ডারি যৌন বৈশিষ্ট্যের উদ্ভবসহ জননাঙ্গের সক্রিয় পরিস্ফুটনকালকে বয়ঃপ্রাপ্তি বা বয়ঃসন্ধিকাল বলে। এ কালটি পুরুষে ১৩-১৫ বছরের মধ্যে এবং নারীতে ১২-১৩ বছরের মধ্যে আবির্ভূত হয়। এ সময় বিভিন্ন হরমোনের প্রভাবে দৈহিক গঠন ও চরিত্রে নানান বৈশিষ্ট্য দেখা দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
1 month ago
28
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews