Updated: 6 months ago
উত্তরঃ

যে ভূআলোড়নের প্রভাবে ভূপৃষ্ঠে আনুভূমিকভাবে কার্যকরী হয় এবং এর ফলে পর্বতের সৃষ্টি হয় তাকে গিরিজনি আলোড়ন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় খনিজের সাথে পানি মিশে গেলে তার ফলে যে পরিবর্তন সংঘটিত হয়, তাকে জলযােজন (Hydration) বলে। প্রচুর পানি ও উত্তাপ রাসায়নিক ক্রিয়ার অনুকূল অবস্থা সৃষ্টি করে। এজন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু বিশিষ্ট অঞ্চলে রাসায়নিক বিচূর্ণীভবন সবচেয়ে বেশি। উদাহরণ : জলযোজন প্রক্রিয়ায় হেমাটাইট লিমোনাইটে পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

চিত্রের 'ক' অঞ্চলে বিচূর্ণীভবনের যান্ত্রিক প্রকৃয়া ক্রিয়াশীল।

বিভিন্ন বাহ্যিক প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা শিলার খন্ড বিখণ্ড বা চূর্ণ-বিচূর্ণ হওয়ার প্রকৃয়াকে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন বলে। সাধারণত সূর্যতাপ, তুষার ও মাধ্যাকর্ষণ শক্তির দ্বারাই যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন হয়। তবে উচু পর্বত বা খাড়া ঢালে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির দ্বারাই বেশির ভাগ যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন সংঘটিত হয়। দিন-রাত্রি এবং ঋতুভেদে তাপমাত্রার পার্থক্যের ফলে শিলারাশি অসমভাবে প্রসারিত ও সংকুচিত হয়ে খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যায়। চিত্রে সৌরতাপের প্রভাবে শিলাসমূহের উপরের স্তর উত্তপ্ত হলে তা আয়তনে বৃদ্ধি পায়। যেহেতু শিলা তাপের উত্তম পরিবাহী নয়, সেহেতু তার ঠিক নিচের স্তরটি ততটা উত্তপ্ত হতে পারে না। তাই এটি আয়তনে বৃদ্ধি পায় না। এর ফলে শিলাসমূহের উপরের স্তর এবং  তার নিচের স্তরের মধ্যে টানের সৃষ্টি হয় এবং শিলাস্তরের মাঝে সমান্তরাল ফাটল দেখা যায়। পরবর্তীতে ঐ ফাটল বরাবর শিলার উপরের স্তরটি মূল শিলা হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এভাবে সৌরতাপের প্রভাবে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন হয়ে থাকে।উপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায় পার্বত্য অঞ্চলে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন বেশি হয় এবং উপরের 'ক' অঞ্চলটি একটি পার্বত্য অঞ্চল, তাই বলা যায় 'ক' অঞ্চলটিতে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন প্রকৃয়া ক্রিয়াশীল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
উত্তরঃ

চিত্রের 'ক' স্থানে যান্ত্রিক ও 'খ' স্থানে জৈবিক বিচূর্ণীভবন প্রক্রিয়া ক্রিয়াশীল।

চিত্রের 'ক' স্থানটি পার্বত্য উচ্চভূমি নির্দেশ করছে। তাই এখানে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া কাজ করবে। অন্যদিকে 'খ' স্থানটি উদ্ভিদপূর্ণ স্থান বলে এখানে জৈবিক বিচূর্ণীভবন অধিক ক্রিয়াশীল।  উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন সহজেই ক্রিয়া করে। সাধারণত সৌরতাপ, তুষার, বৃষ্টি, শিলার চাপ হ্রাস এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা এ ধরনের বিচূর্ণীভবন সংঘটিত হয়। উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে এসব প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ সহজেই কাজ করতে পারে। মানুষ, জীবজন্তু এবং বৃক্ষলতাদি দ্বারা শিলারাশি সর্বদা চূর্ণবিচূর্ণ হচ্ছে। একে জৈবিক বিচূর্ণীভবন বলে। বৃক্ষলতাদি দ্বারা শিলা চূর্ণবিচূর্ণ হলে তা সহজে বোঝা যায় না। উদ্ভিদ বিবিধ উপায়ে প্রতিনিয়ত শিলাকে বিশ্লিষ্ট ও চূর্ণবিচূর্ণ করছে। বৃক্ষ মাটির ভেতরে প্রবেশ করলে স্বাভাবিকভাবেই মাটি ফেটে যায় এবং কিছু শিলা আলগা হয়ে পড়ে। এতে করে মাটিতে পানি প্রবেশের পথ পায়। মস, শৈবাল, লাইকেন প্রভৃতির ক্রিয়ায় তখন হিউমাস (Humus) সৃষ্টি হয়। হিউমাস আবার বৃষ্টির পানির সংস্পর্শে এসে জৈব এসিড (Organic acid) সৃষ্টি করে যা শিলারাশিকে ক্ষয় করে।
সুতরাং দেখা যায়, 'ক' স্থানে ভৌত উপায়ে এবং 'খ' স্থানে জৈবরাসায়নিক উপায়ে ভূমিরূপ পরিবর্তিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
72

Related Question

View All
উত্তরঃ

যান্ত্রিক, রাসায়নিক ও জৈবিক প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের শিলারাশি চূর্ণ-বিচূর্ণ বা বিশ্লিষ্ট হলে তাকে বিচূর্ণীভবন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
147
উত্তরঃ

সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস, নভোজাগতিক ঘটনা প্রভৃতি কারণে সুনামির সৃষ্টি হয়।
সাধারণত সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের

সাধারণত সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সমুদ্রের তলদেশের বিশাল জলরাশি সরে যায় এবং সমুদ্রের পানিতে প্রচণ্ড ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় যা সুনামি নামে পরিচিত। এছাড়া পাত সঞ্চালনের কারণে সৃষ্ট ভূমিকম্পের কারণেও সমুদ্রের বিশাল জলরাশি সরে যায় এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা পানি আরও ফুলে ওঠে লক্ষ লক্ষ টনের বিশাল ঢেউ তৈরি করে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসে যা সুনামি নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
145
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিবিসি এর প্রচারিত দুর্যোগটি হলো ভূমিকম্প।
ভূঅভ্যন্তরে দ্রুত বিপুল শক্তি বিমুক্ত হওয়ায় পৃথিবীপৃষ্ঠে যে ঝাঁকুনি বা কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকল্প বলে। নিচে ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার কারণ বর্ণনা করা হলো- ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ভূনিম্নস্থ শিলাস্তরে ভারের সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টির ফলে ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলা চ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়। আবার সমগ্র পৃথিবী ৭টি প্লেটের সমন্বয়ে গঠিত এবং এসব প্লেট সঞ্চরণশীল। যার কারণে একটি প্লেটের সাথে অন্য প্লেটের সংঘর্ষ বা ধাক্কা লাগে এবং শিলাস্তরের মধ্যে কম্পন অনুভূত হয়। জাপানের পূর্ব পার্শ্বে একটি প্লেট থাকায় এখানে ভূমিকম্প বেশি অনুভূত হয়। তবে মূলত প্লেটগুলোর সঞ্চরণশীলতার কারণেই শিলাস্তরের মধ্যে কম্পনের সৃষ্টি হয়, যা ভূমিকম্প নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
129
উত্তরঃ

উদ্দীপকে হারিস সাহেবের পরের দিন দেখা দুর্যোগটি হলো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে লাভা উপরের দিকে ওঠে এবং বহুদূরে লাভার ঢল ছড়িয়ে পড়ে বহু নগর, গ্রাম ইত্যাদি ধ্বংস করে। এর দাহ্য ও বিষাক্ত গ্যাস উদগিরণে নিকটবর্তী এলাকার হাজার হাজার লোকের নিমেষে প্রাণহানি হয়। অনেক সময় আগ্নেয়গিরি থেকে উদগীরিত লাভা, ভস্ম ও ধূলিকণা আকাশের উপরের দিকে স্ট্রাটোমণ্ডলে ওঠে যায় এবং তা দ্রুত পৃথিবীপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পৃথিবীপৃষ্ঠে আবার যেসব আগ্নেয়গিরি উঁচু পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত সেসব পর্বত বরফে ঢাকা থাকলে অগ্ন্যুৎপাতের সময় তা গলে পাদদেশীয় এলাকায় বন্যার সৃষ্টি করে ও জীবনহানি ঘটে এবং বায়ুদূষণের সৃষ্টি করে।
উদ্দীপকের প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপটিও অগ্ন্যুৎপাতের ফলেই সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাৎ শুধু তাই নয়, এর ফলে মালভূমিও সৃষ্টি হয়। লাভার সাথে অত্যন্ত মূল্যবান খনিজ ভূপৃষ্ঠে ওঠে আসে। ফলে উক্ত এলাকা খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
130
উত্তরঃ

ভূগর্ভস্থ গলিত লাভা, বাষ্প, ভস্ম, গ্যাস, ধূম্র প্রভৃতি পদার্থ ভূপৃষ্ঠের ফাটল বা ছিদ্রপথের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হলে তা জমাট বেঁধে যে পদার্থ বা গিরির সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয়গিরি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
150
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন সৃষ্টিকারী শক্তিসমূহের মধ্যে ধীর পরিবর্তন অন্যতম। ধীরগতির শক্তিসমূহের ভূমিরূপের পরিবর্তন দীর্ঘ সময় ব্যাপি সংঘটিত হয়। ধীর গতির শক্তিসমূহ প্রধানত প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এ প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্নভাবে কাজ করে। ধীরগতির শক্তিসমূহ চারটি প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয় যেমন-
১. বিচূর্ণীভবন,
২. অপসারণ,
৩. নগ্নীভবন ও
৪. অবক্ষেপণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
169
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews