উত্তরঃ

উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে বায়ুর অনুভূমিক বা আড়াআড়ি চলাচলকে বায়ুপ্রবাহ বলে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

জলবায়ুর ক্ষেত্রে সমুদ্র থেকে দূরত্ব একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক। সমুদ্রের কাছাকাছি অবস্থিত অঞ্চলগুলোর জলবায়ু সাধারণত মৃদুভাবাপন্ন বা সমভাবাপন্ন হয়, অর্থাৎ এখানে গ্রীষ্মকাল খুব উষ্ণ এবং শীতকাল খুব শীতল হয় না। এর কারণ হলো সমুদ্রের বিশাল জলরাশি দিনের বেলায় বা গ্রীষ্মকালে ধীরে ধীরে তাপ শোষণ করে এবং রাতের বেলায় বা শীতকালে সেই তাপ ধীরে ধীরে বিকিরণ করে।

অন্যদিকে, সমুদ্র থেকে যত দূরে যাওয়া যায়, সমুদ্রের এই তাপীয় প্রভাব তত কমে আসে। এর ফলে, মহাদেশের অভ্যন্তরভাগের অঞ্চলগুলোতে চরমভাবাপন্ন বা মহাদেশীয় জলবায়ু পরিলক্ষিত হয়। এসব অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে এবং শীতকালে তাপমাত্রা অনেক নিচে নেমে যায়, যা উষ্ণতা ও শীতলতার একটি বড় পার্থক্য তৈরি করে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'গোলযোগ ক' হলো টর্নেডো (Tornado)। টর্নেডো হলো বায়ুমণ্ডলের একটি প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়, যা মূলত মেঘপুঞ্জ থেকে মাটি পর্যন্ত বিস্তৃত একটি ঘূর্ণায়মান স্তম্ভের মতো দেখা যায়। এটি দ্রুত গতিতে ঘুরতে থাকা বাতাসের একটি শক্তিশালী স্তম্ভ, যা সাধারণত বজ্রঝড়ের সময় তৈরি হয় এবং এর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি হয়।

বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে, বিশেষ করে মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত প্রাক-মৌসুমি বায়ুপ্রবাহের সময় কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে টর্নেডো সংঘটিত হতে দেখা যায়। গ্রীষ্মকালে ভূপৃষ্ঠ দ্রুত উত্তপ্ত হওয়ায় উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সাথে মিশে তীব্র পরিচলন স্রোতের সৃষ্টি হয়। এই সময় বায়ুমণ্ডলে অস্থিরতা দেখা দেয়, যা টর্নেডো সৃষ্টির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং জলবায়ুগত কারণে গ্রীষ্মকালীন সময়ে টর্নেডোর প্রবণতা বেশি থাকে।

টর্নেডোর একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর দৃশ্যমান আকার। এর ঘূর্ণায়মান বায়ুস্তম্ভটি সাধারণত মেঘ থেকে নিচের দিকে হাতির শুঁড়ের মতো সরু হয়ে নেমে আসে। এই মেঘের স্তম্ভটি অন্ধকার এবং এর ভেতরের বায়ু অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ঘুরতে থাকে, যা এর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার প্রধান কারণ। উদ্দীপকে উল্লেখিত 'খ-এটি দেখতে হাতির শুঁড়ের মতো' বৈশিষ্ট্যটি এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ টর্নেডোর সুস্পষ্ট পরিচয় বহন করে।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত 'খ' গোলযোগটি হলো টর্নেডো, যা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী এবং ধ্বংসাত্মক বায়ুমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়গুলির মধ্যে অন্যতম। এর গঠনগত বৈশিষ্ট্য এবং কার্যকারিতা এটিকে অত্যন্ত প্রলয়ঙ্করী করে তোলে, যা নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো।

উদ্দীপকের বর্ণনানুযায়ী, গোলযোগ 'খ' দেখতে হাতির শুঁড়ের মতো এবং এটি বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে সংঘটিত হয়। এই বৈশিষ্ট্যগুলো টর্নেডোকেই নির্দেশ করে, যা একটি দ্রুত ঘূর্ণায়মান বায়ুস্তম্ভ এবং মেঘমালা থেকে ভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। টর্নেডোর কেন্দ্রে বায়ুর চাপ অত্যন্ত কম থাকে এবং এর চারপাশে বায়ু প্রচণ্ড গতিতে ঘুরতে থাকে, যা এর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার মূল কারণ। এর এই বিশেষ গঠনই একে প্রলয়ঙ্করী রূপে প্রকাশ করে।

টর্নেডোর প্রলয়ঙ্করী হওয়ার প্রধান কারণ হলো এর অবিশ্বাস্য গতিশক্তি এবং আকস্মিকতা। টর্নেডোর কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার বা তারও বেশি হতে পারে, যা পৃথিবীর অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে সচরাচর দেখা যায় না। এই অতি উচ্চ গতির বায়ুপ্রবাহ মুহূর্তের মধ্যে গাছপালা উপড়ে ফেলে, শক্তিশালী ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত করে, যানবাহন উল্টে দেয় এবং সবকিছুকে ছিন্নভিন্ন করে দেয়। এটি একটি সংকীর্ণ এলাকা জুড়ে অগ্রসর হলেও, সেই এলাকার জন্য এটি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের কারণ হয়।

এছাড়াও, টর্নেডোর আকস্মিক আগমন এবং দ্রুত গতিপ্রকৃতির কারণে পূর্বাভাস ও প্রস্তুতি নেওয়ার সময় খুব কম থাকে। ফলে জনজীবন ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং প্রাণহানিও ঘটে। টর্নেডো প্রায়শই তীব্র শিলাবৃষ্টি, বজ্রপাত এবং বন্যা সহকারে আসে, যা ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আরও বাড়িয়ে তোলে। বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এবং অনেক দুর্বল অবকাঠামোর দেশে টর্নেডো আরও বেশি প্রলয়ঙ্করী প্রভাব ফেলে। এসব কারণে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত গোলযোগ 'খ' অর্থাৎ টর্নেডোকে প্রলয়ঙ্করী বলা হয়।

Satt AI
Satt AI
5 days ago
11

Related Question

View All
উত্তরঃ বায়ুমণ্ডলে বিদ্যমান জলীয় বাষ্পের পরিমাণকে বায়ুর আর্দ্রতা বলে। সাধারণত নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয় বাষ্প থাকে, তাকেই বায়ুর আর্দ্রতা হিসেবে পরিমাপ করা হয়।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
668
উত্তরঃ

জীবের বেঁচে থাকার জন্য বায়ুমণ্ডলের ট্রপোমণ্ডল স্তরটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রপোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর এবং এখানেই বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৯০% গ্যাসীয় পদার্থ বিদ্যমান। এই স্তরে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো গ্যাসগুলো রয়েছে যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য। এছাড়া, মেঘ, বৃষ্টি, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহসহ সকল আবহাওয়ার ঘটনা ট্রপোমণ্ডলেই ঘটে, যা জীবের স্বাভাবিক জীবনচক্র ও পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য অত্যাবশ্যক।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews