শৈবাল ও ছত্রাক মিলিতভাবে সম্পূর্ণ পৃথক ধরনের যে উদ্ভিদের সৃষ্টি করে তা হলো লাইকেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে Cycas এর প্রধান মূল থাকলেও পরে সেখানে অস্থানিক মূল সৃষ্টি হয়। অস্থানিক মূলের ভূমিতলের উপর অসংখ্য খাটো খাটো দ্ব্যাগ্র শাখার সৃষ্টি হয়। দ্ব্যাগ্র শাখাবিশিষ্ট এ সকল মূল বিভিন্ন প্রকার ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। ফলে আক্রান্ত মূলগুলো সরু না হয়ে বিকৃত আকৃতি ধারণ করে যা সামুদ্রিক প্রবাল বা কোরালের মতো দেখায়। এ কারণগুলোর জন্যই কোরালয়েড মূল সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে চিত্র 'M' দ্বারা নির্দেশিত উদ্ভিদটি হলো Pteris। এ উদ্ভিদে সুস্পষ্ট জনুক্রম বিদ্যমান, কারণ এখানে স্পোরোফাইটিক জনুর সাথে গ্যামিটোফাইটিক জনুর অনুক্রমের মাধ্যমে জনুক্রম সম্পন্ন হয়। নিচে এর জনুক্রম চিত্রের মাধ্যমে দেখানো হলো:

উদ্দীপকের চিত্র-N হলো রিকশিয়া। এর থ্যালাসটি প্রস্থচ্ছেদ করলে দুটি পৃথক অঞ্চল পরিলক্ষিত হয়, যথা- সালোকসংশ্লেষী বা আত্তীকরণ অঞ্চল এবং সঞ্চয়ী অঞ্চল। রিকশিয়ার জন্য অঞ্চল দুটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ।
থ্যালাসের পৃষ্ঠদেশে ক্লোরোপ্লাস্টযুক্ত কোষগুলো সারিবদ্ধভাবে সজ্জিত হয়ে সঞ্চয়ী অঞ্চল গঠন করে। এই অঞ্চলে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে এবং খাদ্য তৈরি হয়। আত্তীকরণ সূত্রের মধ্যবর্তী স্থান নালির ন্যায় এবং বায়ুপূর্ণ। এটি বায়ুপ্রকোষ্ঠ নামে পরিচিত। বায়ুপ্রকোষ্ঠগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বায়ুরন্দ্রের মাধ্যমে বাইরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে। এছাড়া এই অঞ্চলের বর্ণহীন একসারি কোষ দিয়ে থ্যালাসের পুরু ঊর্ধ্বত্বক গঠিত হয়। অপরদিকে, থ্যালাসের সালোকসংশ্লেষী অঞ্চলের নিচের অংশটিই হলো সঞ্চয়ী অঞ্চল। এ অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে স্টার্চ দানা খাদ্য হিসেবে সঞ্চিত থাকে। সঞ্চয়ী অঞ্চলের নিম্নত্বক থেকে মূলের পরিবর্তে এককোষী রাইজয়েড এবং বহুকোষী স্কেল সৃষ্টি হয়। তাছাড়া থ্যালাসের পৃষ্ঠদিকে পুংজনন অঙ্গ অ্যাম্পেরিডিয়া এবং স্ত্রী জনন অঙ্গ আর্কিগোনিয়া সৃষ্টি হয়। রিকশিয়ার যৌন জননে অ্যান্থোরিডিয়া এবং আর্কিগোনিয়া থেকে সৃষ্ট শুক্রাণু এবং ডিম্বাণু অংশগ্রহণ করে। অঙ্গজ প্রজননের ক্ষেত্রে থ্যালাস ভূমিকা পালন করে। এক্ষেত্রে থ্যালাসের পেছনের অংশ মরে যায় এবং.
অগ্রভাগের প্রতিটি শাখা স্বতন্ত্র রিকশিয়া উদ্ভিদ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তাই বলা যায়, রিকশিয়া উদ্ভিদের ক্ষেত্রে থ্যালাসের প্রস্থচ্ছেদে দৃশ্যমান অঞ্চল দুটির গুরুত্ব অপরিসীম।
আমাদের চারপাশে সচরাচর যে সব উদ্ভিদ আমরা দেখে থাকি এদের অধিকাংশেই কোনো না কোন সময় ফুল ফোটে। এরা সপুষ্পক উদ্ভিদ বা Phanerogamia. এমন অনেক উদ্ভিদ আছে যাদের কখনও ফুল হয় না এবং অল্প কিছু ছাড়া আমাদের চোখে তেমন একটা পড়েওনা । এরা অপুষ্পক উদ্ভিদ বা Cryptogamia. Bryophyta ও Pteridophyta গ্রুপের উদ্ভিদগুলো হচ্ছে → অপুষ্পক উদ্ভিদ। তবে বৈশিষ্টে ব্রায়োফাইটা ও টেরিডোফাইটা অপেক্ষা অনুন্নত । Bryophyta ও Pteridophyta-র মধ্যে বাহ্যিক মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে Bryophyta উদ্ভিদগুলোকে সত্যিকার মূল, কাণ্ড ও পাতায় ভাগ করা যায় না। কিন্তু Pteridophyta কে মূল,কান্ড ও পাতায় ভাগ করা যায়। তাছাড়া Bryophyta অভাস্কুলার কিন্তু Pteridophyta ভাস্কুলার উদ্ভিদ ।
Related Question
View Allযে এনজাইমের সহায়তায় RNA থেকে DNA সৃষ্টি হয় তাকে রিভার্স ট্রান্সক্রিপটেজ বলে।
মাইটোকন্ড্রিয়া কোয়ের সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্ত অবস্থায় ছড়ানো থাকে। এই অঙ্গাণুতে ক্ষুদ্র, চক্রাকার ও দ্বিতন্ত্রী এবং আদিকোষের DNA এর অনুরূপ DNA পাওয়া যায়। DNA-এর উপস্থিতির জন্য মাইটেকান্ড্রিয়া স্বপ্রজননশীল। এছাড়া মাইটোকন্ড্রিয়ার রাইবোসোম 70S প্রকৃতির এবং এতে বিভিন্ন ধরনের এনজাইম সংশ্লেষিত হয়। তাছাড়া মাইটোকন্ড্রিয়ার অংশ অক্সিসোম হলো ATP সংশ্লেষের কেন্দ্র। এসব কারণে মাইটোকন্ড্রিয়াকে অর্ধস্বায়ত্তশাসিত অঙ্গাণু বলা হয়।
উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রটির মাধ্যমে Pieris এর জনুক্রমকে নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে এর জনুক্রম চিহ্নিতকরণপূর্বক সম্পূর্ণ করা হলো-

উদ্দীপকে প্রদর্শিত উদ্ভিদটি Pieris যা টেরিডোফাইটস। টেরিডোফাইটা বিভাগের উদ্ভিদ ব্রায়োফাইটা বিভাগের উদ্ভিদ থেকে উন্নত। কারণ-টেরিডোফাইট উদ্ভিদটি মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভেদিত, কিন্তু ব্রায়োফাইট উদ্ভিদ থ্যালাস প্রকৃতির যা অনুন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। টেরিডোফাইট উদ্ভিদটি স্পোরোফাইটিক পর্যায়ের যা উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য কিন্তু ব্রায়োফাইট উদ্ভিদ সর্বদা গ্যামিটোফাইটিক পর্যায়ের। ব্রায়োফাইট তে মূল অনুপস্থিত, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড উপস্থিত কিন্তু টেরিডোফাইট এ মূল উপস্থিত।. ব্রায়োফাইট উদ্ভিদে কোনো পরিবহন টিস্যু না থাকলেও টেরিডোফাইট উদ্ভিদে পরিবহন টিস্যু উপস্থিত। পরিবহন টিস্যুর উপস্থিতি উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। টেরিডোফাইট উদ্ভিদটিতে সুস্পষ্ট ভাস্কুলার টিস্যু রয়েছে কিন্তু ব্রায়োফাইট উদ্ভিদের কোনো ভাস্কুলার টিস্যু নেই। অনেক সময় ব্রায়োফাইটর স্পোরোফাইটিক উদ্ভিদ গ্যামিটোফাইটিক উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে, কিন্তু টেরিডোফাইট এর স্পোরোফাইটিক উদ্ভিদটি স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও স্বনির্ভর।
উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণেই সুস্পষ্টভাবে বলা যায় যে, টেরিডোফাইট ব্রায়োফাইট থেকে উন্নত।
শৈবাল ও ছত্রাক মিলিতভাবে সম্পূর্ণ পৃথক ধরনের যে উদ্ভিদের সৃষ্টি করে তা হলো লাইকেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে Cycas এর প্রধান মূল থাকলেও পরে সেখানে অস্থানিক মূল সৃষ্টি হয়। অস্থানিক মূলের ভূমিতলের উপর অসংখ্য খাটো খাটো দ্ব্যাগ্র শাখার সৃষ্টি হয়। দ্ব্যাগ্র শাখাবিশিষ্ট এ সকল মূল বিভিন্ন প্রকার ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। ফলে আক্রান্ত মূলগুলো সরু না হয়ে বিকৃত আকৃতি ধারণ করে যা সামুদ্রিক প্রবাল বা কোরালের মতো দেখায়। এ কারণগুলোর জন্যই কোরালয়েড মূল সৃষ্টি হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
