উত্তরঃ

বন্দর হলো স্থল ও জলভাগের মিলনস্থলে অবস্থিত এমন একটি সুবিধাজনক স্থান যেখানে জলযান থেকে পণ্য ও যাত্রী উঠানামার সুব্যবস্থা থাকে।

Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বন্দর গঠন ও এর উন্নতিতে পশ্চাদভূমির গুরুত্ব অপরিসীম। বুন্দরের মাধ্যমে যে অঞ্চলের পণ্যদ্রব্য রপ্তানি ও প্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্য আমদানি করা হয় তাকে ঐ বন্দরের পশ্চাদভূমি বলে।
পশ্চাদভূমি কোনো পণ্যের স্থানীয় চাহিদা মিটাতে সক্ষম হলে তাকে উদ্বৃত্ত অঞ্চল বলে। এতে করে রপ্তানি আর ঘাটতি অঞ্চল হলে আমদানি বাণিজ্য (যেমন, বাংলাদেশের খাদ্যশস্য) বৃদ্ধি পায়। স্বাভাবিকভাবেই পশ্চাদভূমি যদি অর্থনৈতিক দিক থেকে সমৃদ্ধ হয় তাহলে বন্দরের উন্নতি হয়।

Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

খ' নির্দেশক অঞ্চলটি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পরিবহন পথের প্রধানতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ভূপ্রকৃতির প্রভাব। এখানে ভৌগোলিক প্রতিকূলতায় সড়কপথ কম রেলপথ নেই এবং নৌপথ খুবই সামান্য।
পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূপ্রকৃতি বন্ধুর ও উঁচুনিচু বিধায় এ অঞ্চলে সড়কপথ তৈরি করা কষ্টকর, ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। তাই এখানে সড়কপথ কম। বন্ধুর প্রকৃতির ভূমি হওয়ায় এ অঞ্চলে রেলপথ গড়ে তোলা সম্ভব হয় নি। অর্থাৎ পার্বত্য অঞ্চলে কোনো ধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থাই অনুকূল নয়। তবে প্রধান প্রধান অঞ্চলের সাথে যোগাযোগের জন্য প্রয়োজনীয় সড়কপথ রয়েছে। এছাড়া কিছু কিছু স্থানে অঞ্চলভিত্তিক যোগাযোগের জন্য নদীপথও রয়েছে তবে তা খুবই বিরল।

Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে 'ক' নির্দেশিত অঞ্চলের যোগাযোগ, ব্যবস্থা (অর্থাৎ নৌ পরিবহন) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অধিক ভূমিকা রাখছে। 'ক' নির্দেশিত অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বাংলাদেশের নৌ পরিবহনকে নির্দেশ করছে। পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে এ দেশে নৌপথ অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সর্বাধিক ভূমিকা রাখছে। সুলভ ও সহজ পরিবহন ব্যবস্থা ছাড়া কৃষিকাজে উন্নতি হয় না। কারণ, কৃষিক্ষেত্রে বীজ, সার, কৃষি যন্ত্রপাতি, শ্রমিক প্রভৃতি নিয়ে যাওয়া এবং উৎপাদিত পণ্য সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণে সুলভপরিবহন ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে দ্রুত নানা প্রকারের শিল্প গড়ে ওঠার মূলে রয়েছে নদীপথের অবদান। এ পথে শিল্পের কাঁচামাল সুলভে সংগ্রহ করা যায় এবং শিল্পজাত দ্রব্য অল্প খরচে বিভিন্ন বাজারে প্রেরণ করা যায়। তাছাড়া অন্য যেকোনো পরিবহনের তুলনায় জলপথে ভারি বস্তু একস্থান হতে অন্যস্থানে অতি সহজে স্থানান্তরিত করা যায়। অভ্যন্তরীণ জলপথ বাংলাদেশের স্বাভাবিক যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থা। এ পথে পরিবহন ও যাতায়াত খরচ খুবই কম। ফলে জলপথেই দেশের শতকরা ৭৫ ভাগ যাত্রী ও বাণিজ্য পরিবাহিত হয়। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য নদীপথের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। সুলভে পণ্য পরিবহনের কাজে নদীপথ খুবই উপযোগী। ভৌগোলিক অবস্থাগত কারণে নদীপথই 'ক' চিহ্নিত এলাকার যাতায়াতের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। এ পথেই পণ্য ও যাত্রী পরিবাহিত হয়। ফলে নদীপথ এসব এলাকার অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা পালন করে থাকে।

সুতরাং বলা যায়, পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নৌ পরিবহন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অধিক ভূমিকা রাখছে।

Md Durjoy islam
5 months ago
44
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের একটি নদী বন্দরের নাম হলো গোয়ালন্দ নদী বন্দর।

Md Durjoy islam
5 months ago
120
উত্তরঃ

ভগ্ন উপকূল বন্দর স্থাপনে সহায়ক।
ভগ্ন উপকূলে বহু গভীর প্রশস্ত খাঁড়ি দেখা যায়। এরূপ অবস্থায় অধিকসংখ্যক জাহাজ এক সাথে পোতাশ্রয়ে অবস্থান করতে পারে। এছাড়া প্রাকৃতিকভাবে ভগ্ন উপকূলীয় এলাকাগুলো সামুদ্রিক ঝড়, প্রবল স্রোত প্রভৃতি দুর্যোগমুক্ত থাকে। তাই বন্দর স্থাপনের জন্য ভগ্ন উপকূল গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
5 months ago
142
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক', 'খ' হলো যথাক্রমে চট্টগ্রাম ও ঢাকা যেখানে ব্যবহৃত পরিবহন মাধ্যমটি হলো সড়কপথ। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সড়কপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার প্রধান মাধ্যম হলো সড়কপথ। কৃষিকাজের জন্য অতি প্রয়োজনীয় সার, কীটনাশক, বীজ এবং উৎপাদিত পচনশীল কৃষিপণ্য, শিল্পকারখানার কাঁচামাল প্রভৃতি জরুরি ভিত্তিতে একস্থান থেকে অন্যস্থানে পরিবহনের জন্য সড়কপথ অন্যতম মাধ্যম।
উদ্দীপকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাতায়াতের জন্য উত্তম মাধ্যম হলো সড়কপথ। ঢাকা হলো বাংলাদেশের রাজধানী। আর চট্টগ্রাম হলো বাণিজ্যিক নগর। তাই এ দুই অঞ্চলের মধ্যে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ স্থাপনে সড়কপথ মুখ্য ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি পণ্য ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াতে সড়কপথের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। অগণিত কৃষি ও শিল্প পণ্য ঢাকা-চট্টগ্রাম অথবা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পৌছানোর জন্য সড়কপথই একমাত্র গুরুতত্বপূর্ণ পথ। এছাড়া প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী এ পথে যাতায়াত করে থাকে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকাকে সচল রাখতে এ পথ বিভিন্নভাবে ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Durjoy islam
5 months ago
136
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' 'খ' হলো সড়কপথ এবং 'খ'-'গ' হলো বিমানপথ। নিচে সড়কপথ ও বিমানপথের ধরন বিশ্লেষণ করা হলো।" বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করার জন্য উন্নত রাস্তা/সড়ক অপরিহার্য। তবে সব অঞ্চলে যোগাযোগের জন্য ভালো সড়কপথ নেই। ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক কারণে এক একটি অঞ্চলে সড়ক ব্যবস্থার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। গ্রাম, উন্নয়ন, পৌরসভা, শহর, নগর প্রভৃতির অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে জাতীয় জনপথ, জেলা বোর্ড সড়কপথ, উপজেলা সড়কপথ, ইউনিয়ন পরিষদ সড়কপথ রয়েছে।

অন্যদিকে আধুনিক যুগে বিমানে যাতায়াতের গুরুত্ব অপরিসীম।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিমান সার্ভিসে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলার সঙ্গে সংযোগ রয়েছে। বিমানপথ বাংলাদেশের পরিবহনব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। অভ্যন্তরীণ সার্ভিস ব্যবস্থায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সৈয়দপুর, রাজশাহী, যশোর, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম থেকে যশোর, কক্সবাজার, সিলেট প্রভৃতি স্থানে যাওয়া যায়।

বর্তমানে বাংলাদেশে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। তন্মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর। এটি রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। এর পরেই চট্টগ্রাম শাহ আমানত এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানমন্দর রয়েছে

Md Durjoy islam
5 months ago
123
উত্তরঃ

কোনো একটি বন্দরে যে অঞ্চলের বহির্দ্ধায়ের কাজ করে সেই অঞ্চলকে উক্ত বন্দরের পশ্চাদভূমি বলে।

অন্যভাবে বলা যায় যেসব স্থানের রপ্তানি দ্রব্যসমূহ কোনো বন্দরের মধ্যদিয়ে বিদেশে প্রেরণ করা হয় এবং ঐসব অঞ্চলের আমদানি দ্রব্যসমূহ ঐ বন্দরের মধ্য দিয়ে বিদেশ হতে আনয়ন করা হয়। সে অঞ্চলটি হলো উক্ত বন্দরের পশ্চাদভূমি। তাই বন্দরের উন্নতি বহুলাংশে এর পশ্চাদভূমির বিস্তার ও সমৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে। পশ্চাদভূমি যত বেশি বিস্তৃত, জনবহুল, শিল্পপ্রধান ও সম্পদশালী হবে বন্দর তত বেশি অগ্রগতি লাভ করবে।

Md Durjoy islam
5 months ago
136
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews