উত্তরঃ

প্রচ্ছন্ন বেকারত্ব হলো সেই ধরনের এক অবস্থা যেখানে কোনো শ্রমিক আপাত দৃষ্টিতে কাজ করছে বলে মনে হয়, কিন্তু তার প্রান্তিক উৎপাদনশীলতা শূন্য।

উত্তরঃ

নারী, শিশু, প্রতিবন্ধীসহ সকল সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে যে সমস্ত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় তাদেরকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বলে।

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, রাষ্ট্র কর্তৃক দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে আর্থিক বা অন্য কোনো সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা। সম্পদের অপ্রতুলতার কারণে উন্নত দেশের তুলনায় অনুন্নত দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা অপেক্ষাকৃত কম থাকে। সামান্য খাদ্য সহায়তা ছাড়া সত্তরের দশকে বাংলাদেশে এ ধরনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। তবে বিগত প্রায় তিন দশকে বাংলাদেশে এ ব্যবস্থার মাত্রা, আকার ও ধরনের প্রসার ঘটেছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের চক্রাকার প্রবাহটি দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রকে নির্দেশ করে।

দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বলতে এমন কিছু শক্তির একত্রীকরণ কে বোঝায়। যেগুলো সময়ের সাথে পরস্পর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে একটি দেশকে দরিদ্র করে রাখে। অর্থাৎ, যে দেশে উৎপাদন কর্মচুসে দেশের জনগণের আয়ও কম। যার কারণে সে দেশের জনগণের সঞ্চয়ের পরিমাণও কমে যায়। ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিনিয়োগ সম্ভব হয় না। আর বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় মূলধন গঠন ব্যাহত হয়। এরূপ মূলধন ঘাটতির কারণে আবার উৎপাদনশীলতাও হ্রাস পায়, যা স্বল্প আয়ের প্রধান কারণ। এভাবে উপাদানগুলো চক্রাকারে আবর্তিত হতে থাকে বলে অর্থনীতিতে একে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বলা হয়।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে স্বল্প উৎপাদন, স্বল্প আয়, স্বল্প সঞ্চয় হয় বিনিয়োগ ও স্বল্প মূলধনের ক্রমাবর্তন দ্বারা দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রকে নির্দেশ। করা হয়েছে।

উত্তরঃ

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে উদ্দীপকে উল্লিখিত 'দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র' সমস্যা ছাড়াও আরও কিছু উল্লেখযোগ্য সমস্যা পরিলক্ষিত হয়।
নিচে সেগুলো বিশ্লেষণ করা হলো-

উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ। যেমন- অনুন্নত কৃষি ব্যবস্থা, দক্ষ উদ্যোক্তার অভাব, অধিক জনসংখ্যা ও বেকারত্ব, শিক্ষার অভাব রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরশীলতা ও প্রযুক্তি প্রয়োগে বাধা ইত্যাদি। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর হলেও কৃষিব্যবস্থা অনুন্নত এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার খুবই সীমিত। ফলে কৃষি উৎপাদন অনেক কম হয়। তাছাড়া দক্ষ উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় শিল্প খাতের তেমন উন্নতি হয়নি।

আবার বাংলাদেশের জনসংখ্যা অধিক। কিন্তু সে তুলনায় কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় এদেশে বেকার সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। বাংলাদেশে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। এর ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হয় না। শুধু তাই নয় দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনাও ব্যাহত হয়। তাছাড়া উন্নয়নশীল দেশগুলো বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভর করে। ফলে উন্নত দেশের নানা শর্ত ও অসম প্রতিযোগিতার কারণে বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি লক্ষ, করা যায়।

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র' সমস্যাটি ছাড়াও উন্নয়নশীল দেশে উপর্যুক্ত সমস্যাগুলো লক্ষ করা যায়।

128

বাংলাদেশ বর্তমানে নিম্নমধ্যম আয়ের উন্নয়নশীল একটি দেশ। এ দেশের উন্নয়নের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। উচ্চতর প্রবৃদ্ধির হার, দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুষম বণ্টন, মানবসম্পদের উন্নয়ন এবং সুশাসনের মাধ্যমে এই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একটি অনুন্নত দেশের অনুন্নয়নের জন্য দায়ী কারণগুলো চক্রাকারে আবর্তিত হতে থাকে। অনুন্নত দেশে উৎপাদন কম হয় বলে জনগণের মাথাপিছু আয় কম। ফলে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা তথা চাহিদা কমে যায়। এতে বিনিয়োগ প্রবণতা হ্রাস পায়, যার কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে মূলধন গঠন সম্ভব হয় না। এরূপ মূলধন স্বল্পতার কারণে উৎপাদনও কম হয়। এভাবে এ কারণগুলো পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হতে থাকে, যা দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র নামে পরিচিত। এটি একটি দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করে।

2.1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে প্রদত্ত লেখচিত্রে মাথাপিছু আয়ের ক্রমবৃদ্ধি দেখানো হয়েছে, যা একটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।

যেসব দেশ পরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে উন্নয়নের পথে ক্রমশ অগ্রসর হচ্ছে এবং কিছু মাত্রায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন করেছে সেসব দেশই সাধারণভাবে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে পরিচিত। এসব দেশে উন্নয়নের সুযোগ-সুবিধা ও জাতীয় সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়নের জন্য আর্থ-সামাজিক ভিত্তি রচনা করা হয়। এসব দেশে প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন ও তার সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে জনসাধারণের দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের অব্যাহত প্রচেষ্টা লক্ষ করা যায়। ফলে উৎপাদনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে ক্রমোন্নতি পরিলক্ষিত হয়।

ফলে উৎপাদনের প্রায় সকল ক্ষেত্রে ক্রমোন্নতি পরিলক্ষিত হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত লেখচিত্রে লক্ষ করা যায়, ২০০৬-০৭ থেকে ২০০৭- ০৮ অর্থবছরে জনগণের মাথাপিছু আয় যথাক্রমে ৫৫০ থেকে ৬৫০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। একইভাবে ২০০৮-০৯ ও ২০১১-১২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় বেড়ে যথাক্রমে ৭০০ ডলার ও ৯০০ ডলার হয়েছে। যা উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, লেখচিত্রে উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে।

277
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত লেখচিত্রটি বাংলাদেশের তথা একটি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতির চিত্র প্রকাশ করেছে। এ ধরনের অর্থনৈতিক অবস্থার জন্য কৃষি সবচেয়ে বড় নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে।

উন্নয়নশীল দেশে জিডিপির প্রধান খাত হচ্ছে কৃষি। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। তবে এদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা উন্নয়নশীল হলেও এখনও কৃষির ওপর নির্ভরশীলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। এখনো এদেশের অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই বলা যায়, এদেশের প্রধান নিয়ামক শক্তি হলো কৃষি।

কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের দেশের জিডিপিতে কৃষি খাত (শস্য, বন, প্রাণিসম্পদ এবং মৎস্য) এর অবদান ১৩.৬০ শতাংশ। আবার বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামালের যোগান দিয়ে থাকে কৃষি খাত। বর্তমানে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তাছাড়া উৎপাদকগণ কৃষির গুরুত্ব অনুভব করে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এখাতে অধিক উৎপাদনে মনোনিবেশ করছে। ফলে দেশটিতে ক্রমে উন্নতি পরিলক্ষিত হয়েছে

তাই, আমি মনে করি, উদ্দীপকে পরিলক্ষিত ক্রমোন্নতির সবচেয়ে বড় নিয়ামক হলো কৃষি।

324
উত্তরঃ

একজন কর্মক্ষম শ্রমিক প্রচলিত মজুরিতে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ চেয়েও কাজ না পাওয়ার পরিস্থিতিকে বেকারত্ব বলে।

204
উত্তরঃ

অতি দরিদ্র, ভূমিহীন ও বেকার মানুষদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু করেছে।

১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দেয়। বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলায় মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হয়। তখন সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে। এ কর্মসূচির তাৎক্ষণিক লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ শ্রমিকদের মজুরি নগদ অর্থে না দিয়ে খাদ্যশস্যের মাধ্যমে পরিশোধ করা।

679
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews