Riccia থ্যালাসের যকৃতের মতো গঠনই হলো লিভারওয়ার্ট।
| রিকশিয়া থ্যালাস | ফার্ন প্রোথ্যালাস |
| i. রিকশিয়া থ্যালাস দ্ব্যাগ্র শাখান্বিত। | i. ফার্ন প্রোথ্যালাস সবুজ হৃৎপিণ্ডাকৃতির। |
| ii. এ থ্যালাসটির মাঝ বরাবর একটি পুরু মধ্যশিরা রয়েছে। | ii. ফার্ন প্রোথ্যালাসে কোনো মধ্যশিরা থাকে না। |
| iii. থ্যালাসের অঙ্কীয়তল থেকে বহুকোষী স্কেল তৈরি হয়। | iii. প্রোথাল্যাসে কোনো স্কেল তৈরি হয় না। |
| iv. অ্যান্থেরিডিয়াম ও আর্কিগোনিয়াম থ্যালাসের মধ্যশিরা বরাবর কোষ হতে উৎপন্ন হয়। | iv. প্রোথ্যালাসের অগ্রস্থ খাঁজের পার্শ্বে কয়েকটি আর্কিগোনিয়াম এবং নিচে রাইজয়েডের মাঝে মাঝে অ্যান্থেরিডিয়াম তৈরি হয়। |
উদ্দীপকের 'আ' প্রক্রিয়াটি মায়োসিস কোষ বিভাজন। মায়োসিস কোষ বিভাজন জীবজগতের ভারসাম্য রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিচে এর ভূমিকা চিত্রসহ ব্যাখ্যা করা হলো-
মায়োসিসের মাধ্যমে যৌন জননক্ষম জীবের হ্যাপ্লয়েড জনন কোষ বা গ্যামেট তৈরি হয়। পুংগ্যামেট ও-স্ত্রী গ্যামেটের মিলনের মাধ্যমে যৌন জননক্ষম জীবের বংশ রক্ষা তথা তাদের বংশবৃদ্ধি ঘটে থাকে। মায়োসিসের মাধ্যমে পুং ও স্ত্রী গ্যামেট তৈরি না হলে ঐ সকল জীবের বংশবৃদ্ধি বা বংশ রক্ষা সম্ভব হতো না। ফলে জীবজগতের ভারসাম্য নষ্ট 'হতো। আবার, মায়োসিসের ফলে ডিপ্লয়েড (2n) জীবে হ্যাপ্লয়েড (n) গ্যামেট তৈরি হয়। নিষেকের ফলে পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলনে ডিপ্লয়েড জাইগোট (2n) তৈরি হয় এবং তা থেকে পরবর্তীতে মাতৃ জীবের ন্যায় ডিপ্লয়েড (2n) নতুন বংশধর সৃষ্টি হয়। মায়োসিসের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট তৈরি না হলে নতুন বংশধর তার মাতৃবংশের বৈশিষ্ট্য হারাতো।
ফলে জীবজগত হুমকির সম্মুখীন হয়ে তার ভারসাম্যতা হারাতো। সুতরাং, মায়োসিস প্রক্রিয়া হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট তৈরির মাধ্যমে জীবজগতের ভারসাম্য রক্ষায় মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

উদ্দীপকের চিত্র-'অ' হলো ফার্ন সোরাস। অর্থাৎ উল্লিখিত জীবটি একটি ফার্ন উদ্ভিদ (Pteris)। 'ই' দ্বারা এখানে স্পোরোফাইটিক ফার্ন উদ্ভিদকে (2n) বোঝানো হয়েছে।

ফার্ন সোরাস হতে একটি পূর্ণাঙ্গ স্পোরোফাইটিক ফার্ন উদ্ভিদ (Pteris) তৈরিতে উদ্দীপকের ধাপগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জীবটির অর্থাৎ ফার্ন উদ্ভিদের জীবনের শুরুতে সোরাসে অবস্থিত স্পোরাঞ্জিয়ামের হ্যাপ্লয়েড স্পোর অঙ্কুরিত হয়ে প্রথমে প্রোটোনেমা ও পরে কোষবিভাজনের মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডাকার সবুজ স্বভোজী থ্যালাস সৃষ্টি করে। একে প্রোথ্যালাস বলে। প্রোথ্যালাস গ্যামেটোফাইটিক পর্যায়ের উদ্ভিদ এবং এখানে 'পুং জননাঙ্গ (অ্যান্থেরিডিয়াম) এবং স্ত্রী জননাঙ্গ (আর্কিগোনিয়াম) তৈরি হয়। অ্যান্থেরিডিয়ামে শুক্রাণু (n) ও আর্কিগোনিয়ামে ডিম্বাণু (n) সৃষ্টি হয় এবং ডিম্বাণু শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হয়ে ডিপ্লয়েড জাইগোট গঠন করে। জাইগোট বার বার মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বিভাজিত হয়ে ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গ স্পোরোফাইটিক ফার্ন উদ্ভিদের (Pteris) জন্ম
দেয়। এ ফার্ন উদ্ভিদটি অপুষ্পক তবে পরিবহন টিস্যু বহন করে। সুতরাং উদ্দীপকের ফার্ন উদ্ভিদটির পূর্ণাঙ্গ জীবনের ক্ষেত্রে উল্লিখিত ধারাবাহিক পর্যায়টি গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের চারপাশে সচরাচর যে সব উদ্ভিদ আমরা দেখে থাকি এদের অধিকাংশেই কোনো না কোন সময় ফুল ফোটে। এরা সপুষ্পক উদ্ভিদ বা Phanerogamia. এমন অনেক উদ্ভিদ আছে যাদের কখনও ফুল হয় না এবং অল্প কিছু ছাড়া আমাদের চোখে তেমন একটা পড়েওনা । এরা অপুষ্পক উদ্ভিদ বা Cryptogamia. Bryophyta ও Pteridophyta গ্রুপের উদ্ভিদগুলো হচ্ছে → অপুষ্পক উদ্ভিদ। তবে বৈশিষ্টে ব্রায়োফাইটা ও টেরিডোফাইটা অপেক্ষা অনুন্নত । Bryophyta ও Pteridophyta-র মধ্যে বাহ্যিক মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে Bryophyta উদ্ভিদগুলোকে সত্যিকার মূল, কাণ্ড ও পাতায় ভাগ করা যায় না। কিন্তু Pteridophyta কে মূল,কান্ড ও পাতায় ভাগ করা যায়। তাছাড়া Bryophyta অভাস্কুলার কিন্তু Pteridophyta ভাস্কুলার উদ্ভিদ ।
Related Question
View Allযে এনজাইমের সহায়তায় RNA থেকে DNA সৃষ্টি হয় তাকে রিভার্স ট্রান্সক্রিপটেজ বলে।
মাইটোকন্ড্রিয়া কোয়ের সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্ত অবস্থায় ছড়ানো থাকে। এই অঙ্গাণুতে ক্ষুদ্র, চক্রাকার ও দ্বিতন্ত্রী এবং আদিকোষের DNA এর অনুরূপ DNA পাওয়া যায়। DNA-এর উপস্থিতির জন্য মাইটেকান্ড্রিয়া স্বপ্রজননশীল। এছাড়া মাইটোকন্ড্রিয়ার রাইবোসোম 70S প্রকৃতির এবং এতে বিভিন্ন ধরনের এনজাইম সংশ্লেষিত হয়। তাছাড়া মাইটোকন্ড্রিয়ার অংশ অক্সিসোম হলো ATP সংশ্লেষের কেন্দ্র। এসব কারণে মাইটোকন্ড্রিয়াকে অর্ধস্বায়ত্তশাসিত অঙ্গাণু বলা হয়।
উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রটির মাধ্যমে Pieris এর জনুক্রমকে নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে এর জনুক্রম চিহ্নিতকরণপূর্বক সম্পূর্ণ করা হলো-

উদ্দীপকে প্রদর্শিত উদ্ভিদটি Pieris যা টেরিডোফাইটস। টেরিডোফাইটা বিভাগের উদ্ভিদ ব্রায়োফাইটা বিভাগের উদ্ভিদ থেকে উন্নত। কারণ-টেরিডোফাইট উদ্ভিদটি মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভেদিত, কিন্তু ব্রায়োফাইট উদ্ভিদ থ্যালাস প্রকৃতির যা অনুন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। টেরিডোফাইট উদ্ভিদটি স্পোরোফাইটিক পর্যায়ের যা উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য কিন্তু ব্রায়োফাইট উদ্ভিদ সর্বদা গ্যামিটোফাইটিক পর্যায়ের। ব্রায়োফাইট তে মূল অনুপস্থিত, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড উপস্থিত কিন্তু টেরিডোফাইট এ মূল উপস্থিত।. ব্রায়োফাইট উদ্ভিদে কোনো পরিবহন টিস্যু না থাকলেও টেরিডোফাইট উদ্ভিদে পরিবহন টিস্যু উপস্থিত। পরিবহন টিস্যুর উপস্থিতি উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। টেরিডোফাইট উদ্ভিদটিতে সুস্পষ্ট ভাস্কুলার টিস্যু রয়েছে কিন্তু ব্রায়োফাইট উদ্ভিদের কোনো ভাস্কুলার টিস্যু নেই। অনেক সময় ব্রায়োফাইটর স্পোরোফাইটিক উদ্ভিদ গ্যামিটোফাইটিক উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে, কিন্তু টেরিডোফাইট এর স্পোরোফাইটিক উদ্ভিদটি স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও স্বনির্ভর।
উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণেই সুস্পষ্টভাবে বলা যায় যে, টেরিডোফাইট ব্রায়োফাইট থেকে উন্নত।
শৈবাল ও ছত্রাক মিলিতভাবে সম্পূর্ণ পৃথক ধরনের যে উদ্ভিদের সৃষ্টি করে তা হলো লাইকেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে Cycas এর প্রধান মূল থাকলেও পরে সেখানে অস্থানিক মূল সৃষ্টি হয়। অস্থানিক মূলের ভূমিতলের উপর অসংখ্য খাটো খাটো দ্ব্যাগ্র শাখার সৃষ্টি হয়। দ্ব্যাগ্র শাখাবিশিষ্ট এ সকল মূল বিভিন্ন প্রকার ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। ফলে আক্রান্ত মূলগুলো সরু না হয়ে বিকৃত আকৃতি ধারণ করে যা সামুদ্রিক প্রবাল বা কোরালের মতো দেখায়। এ কারণগুলোর জন্যই কোরালয়েড মূল সৃষ্টি হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
