শৈবাল ও ছত্রাকের সহাবস্থানই হলো লাইকেন।
অ্যাডেনিনের সাথে পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা যুক্ত হয়ে অ্যাডিনোসিন তৈরি করে। এই অণুর সাথে পর্যায়ক্রমে একটি, দুইটি এবং তিনটি ফসফেট/ফসফোরিক গ্রুপ যুক্ত হয়ে যথাক্রমে AMP, ADP এবং ATP গঠন করে। এভাবে ফসফেট যুক্ত করতে বাইরে থেকে শক্তি দিতে হয়। এই বিক্রিয়ার নামই হলো ফসফোরাইলেশন।
উদ্দীপকে তৈরিকৃত খাদ্য
উপাদানটি হলো গ্লুকোজ তথা শর্করা। নিচ | শর্করার শ্রেণিবিভাগ উদাহরণসহ উপস্থাপন করা হলো-
শর্করার শ্রেণিবিভাগ
শর্করার শ্রেণি | গঠন | উদাহরণ | উৎস |
| এক শর্করা (Mono- saccharide) | একটি মনোমার বিশিষ্ট শর্করা | গ্লুকোজ | মধু, ফলের রস |
| দ্বি-শর্করা (Disaccharide) | দুইটি মনোমার বিশিষ্ট (ডাইমার) শর্করা | সুক্রোজ, ল্যাকটোজ | চিনি ও দুধ |
| বহু শর্করা (Polysac- charide) | বহু মনোমার বিশিষ্ট (পলিমার শর্করা) | শ্বেতসার, গ্লাইকোজেন | চাল, আটা, আলু, সবুজ শাক-সবজি ইত্যাদি |
উদ্দীপকের নির্দেশিত প্রক্রিয়াটি হলো সালোকসংশ্লেষণ এবং X ও Y হলো যথাক্রমে আলো এবং ক্লোরোফিল। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলো ও ক্লোরোফিলের ভূমিকা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
সালোকসংশ্লেষণে আলোর ভূমিকা: পানি ও CO2 থেকে শর্করা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির উৎস হলো আলো। সূর্যালোক ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করে। সূর্যালোকের প্রভাবেই পত্ররন্ধ্র উন্মুক্ত হয়, CO2 পাতার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে এবং খাদ্য প্রস্তুতকরণে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু আলোর পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে গেলে পাতার অভ্যন্তরস্থ এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরোফিল উৎপাদন কম হয়। ফলে সালোকসংশ্লেষণের হারও কমে যায়।
সালোকসংশ্লেষণে ক্লোরোফিলের ভূমিকা: একমাত্র ক্লোরোফিলই আলোকশক্তি গ্রহণ করতে সক্ষম। তাই পুরাতন ক্লোরোপ্লাস্ট নষ্ট হয়ে গেলে নতুন ক্লোরোপ্লাস্ট সংশ্লেষিত হয়। আমরা জানি, নতুন ক্লোরোপ্লাস্ট এবং ক্লোরোপ্লাস্টের উপাদান সৃষ্টির হারের উপর সালোকসংশ্লেষণের হার নির্ভরশীল। সালোকসংশ্লেষণ ক্ষমতা রক্ষা করার জন্য ক্লোরোপ্লাস্টের বিভিন্ন উপাদান দ্রুত পূর্ণগঠিত হওয়া প্রয়োজন।
উদ্দীপকের নির্দেশিত প্রক্রিয়াটি হলো সালোকসংশ্লেষণ এবং X ও Y হলো যথাক্রমে আলো এবং ক্লোরোফিল। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলো ও ক্লোরোফিলের ভূমিকা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
সালোকসংশ্লেষণে আলোর ভূমিকা: পানি ও CO2 থেকে শর্করা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির উৎস হলো আলো। সূর্যালোক ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে অংশগ্রহণ করে। সূর্যালোকের প্রভাবেই পত্ররন্ধ্র উন্মুক্ত হয়, CO2 পাতার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে এবং খাদ্য প্রস্তুতকরণে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু আলোর পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে গেলে পাতার অভ্যন্তরস্থ এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরোফিল উৎপাদন কম হয়। ফলে সালোকসংশ্লেষণের হারও কমে যায়।
সালোকসংশ্লেষণে ক্লোরোফিলের ভূমিকা: একমাত্র ক্লোরোফিলই আলোকশক্তি গ্রহণ করতে সক্ষম। তাই পুরাতন ক্লোরোপ্লাস্ট নষ্ট হয়ে গেলে নতুন ক্লোরোপ্লাস্ট সংশ্লেষিত হয়। আমরা জানি, নতুন ক্লোরোপ্লাস্ট এবং ক্লোরোপ্লাস্টের উপাদান সৃষ্টির হারের উপর সালোকসংশ্লেষণের হার নির্ভরশীল। সালোকসংশ্লেষণ ক্ষমতা রক্ষা করার জন্য ক্লোরোপ্লাস্টের বিভিন্ন উপাদান দ্রুত পূর্ণগঠিত হওয়া প্রয়োজন।
জীবমাত্রই খাদ্য গ্রহণ করে, কারণ জীবের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্যের প্রয়োজন। তবে উদ্ভিদ ও প্রাণীর খাদ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া ভিন্ন। জীবের পুষ্টির জন্য বিভিন্ন উপাদানের প্রয়োজন হয়। মানবদেহের জন্য খাদ্য, পুষ্টি ও পরিপাক প্রক্রিয়া এবং উদ্ভিদের পুষ্টি এ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়।
- উদ্ভিদের পুষ্টির অতি প্রয়োজনীয় উপাদান বর্ণনা করতে পারব।
- উদ্ভিদে পুষ্টির অভাবজনিত লক্ষণ বিশ্লেষণ করতে পারব।
- প্রাণীর খাদ্যের প্রধান উপাদান ও উৎস বর্ণনা করতে পারব।
- আদর্শ খাদ্য পিরামিড ব্যাখ্যা করতে পারব। খাদ্য গ্রহণের নিয়মনীতি ব্যাখ্যা করতে পারব।
- পুষ্টির অভাবজনিত রোগের লক্ষণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার বর্ণনা করতে পারব।
- কিলোক্যালরি ও কিলোজুল ব্যাখ্যা করতে পারব।
- পুষ্টি উপাদানে শক্তির পরিমাণ এবং ক্যালরি ও জুলে এদের রূপান্তর ব্যাখ্যা করতে পারব।
- বডি মাস ইনডেক্স (বিএমআই) ও বডি মাস রেশিওর (বিএমআর) গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
- বিএমআই ও বিএমআরের হিসাব করতে পারব।
- বিএমআর এবং ব্যয়িত শক্তির সাথে সম্পর্ক নির্ণয় করতে পারব।
- বয়স ও লিঙ্গভেদে বিএমআই হিসাব করতে পারব।
- সুস্থ জীবনযাপনে শরীরচর্চা ও বিশ্রামের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
- খাদ্য সংরক্ষণে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব। খাদ্যে অতিমাত্রায় রাসায়নিক পদার্থ এবং রঞ্জক ব্যবহারের শারীরিক বিক্রিয়া বিশ্লেষণ করতে পারব।
- পৌষ্টিকতন্ত্রের প্রধান অংশ ও সহায়তাকারী অঙ্গের গঠন ও কাজ বর্ণনা করতে পারব।
- পৌষ্টিকতন্ত্রের প্রধান অংশের চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করতে পারব। যকৃতের (Liver) কাজ বর্ণনা করতে পারব।
- অগ্ন্যাশয়ের কাজ বর্ণনা করতে পারব।
- খাদ্য পরিপাকে উৎসেচকের (Enzyme) ভূমিকা মূল্যায়ন করতে পারব।
- অস্ত্রের বিভিন্ন সমস্যাজনিত রোগ এবং এর প্রতিরোধ ও প্রতিক্রিয়া বর্ণনা করতে পারব।
- পরিপাকতন্ত্রের রোগের বিষয়ে নিজে সচেতন হব এবং পরিবারের সদস্যদের সচেতন হতে উদ্বুদ্ধ করব।
- সাত দিনের গৃহীত খাদ্যের একটি তালিকা তৈরি করে এটিকে সুষম খাদ্যের সাথে তুলনা করতে পারব।
- স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে পুষ্টির অবদান বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পোস্টার অঙ্কন করতে পারব।
- স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে পুষ্টির অবদান বিষয়ে নিজে সচেতন হব অন্যদের সচেতন করব।
Related Question
View Allআমিষ জাতীয় খাদ্য দেহে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে।
বিভিন্ন ধরনের প্রাণিজ আমিষ যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, যকৃত ইত্যাদি উচ্চমানের আমিষ জাতীয় খাদ্য। এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় সংখ্যক অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায় যার সবকয়টা উদ্ভিজ্জ আমিষে থাকে না। তাই প্রাণিজ আমিষের জৈবমূল্য অনেক বেশি। সে জন্য প্রাণিজ আমিষকে উচ্চমানের আমিষ বলে।
উদ্দীপকে জহির জাতীয় ফুটবল দলের নিয়মিত খেলোয়াড় হওয়ায় তাকে তার পেশার স্বার্থেই প্রতিদিন খেলাধুলা ও শারীরিক কসরতের মাধ্যমে শরীরের শক্তি ব্যয় করতে হয়। ফলে তার দেহে অধিক তাপ ও শক্তির যোগান দেবে এরূপ খাদ্যের চাহিদা অধিক থাকে। তাই তাকে অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদনকারী চর্বি জাতীয় খাবার বেশি খেতে হবে। যেমন- ঘি, মাখন, ডিম, দুধ, বাদাম, চর্বিযুক্ত মাংস ইত্যাদি খাবার গ্রহণের মাধ্যমে সে প্রচুর স্নেহ বা চর্বি উপাদানের সরবরাহ পাবে।
এছাড়া দুধ, ডিম, বাদাম, ডাল, মাংস ইত্যাদি খাবারের আমিষ তার দেহের ক্ষয়পূরণ করে দেহ গঠনে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া দেহে শক্তি উৎপাদনের অন্যতম উৎস হলো শর্করা জাতীয় খাবার। এজন্য ভাত, আলু, রুটি, চিনি, দুধ ইত্যাদি শর্করা যুক্ত খাবার জহিরকে পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে।
আলোচ্য উদ্দীপকে জহির একজন ফুটবল খেলোয়াড় হওয়ায় তাকে প্রতিদিন প্রচুর দৌড়াতে ও শারীরিক কসরত করতে হয়। ফলে তার মৌল বিপাকের হার বেশি এবং অধিক সময় ধরে তার দেহের মাংসপেশি সংকোচিত প্রসারিত হয় তাই তার খাদ্যের চাহিদাও বেশি। কিন্তু তার বড় ভাই ড. রায়হান দিনের অধিকাংশ সময় গবেষণাগারে বসে সময় কাটান বলে জহিরের মতো তার দেহের মাংসপেশির সংকোচন-প্রসারণ হয় না। তাই শারীরিক পরিশ্রম কম করাতে তার উচ্চ শক্তি সরবরাহকারী খাদ্যের চাহিদাও কম। কাজেই BMR বা বেসাল মেটাবলিক রেট জহিরের তুলনায় ড. রায়হানের অনেক কম। এজন্য জহিরের মতো উচ্চ তাপশক্তি সরবরাহকারী চর্বিযুক্ত খাবার ও অন্যান্য উপাদানের খাবার যদি ড. রায়হান অধিক গ্রহণ করেন তবে তা তার শরীরে শক্তি উৎপাদনে ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে না। ফলে তা তার শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমাবে এবং ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণ হবে। এজন্য ড. রায়হানের খাদ্য তালিকায় তার ছোট ভাইয়ের চেয়ে তুলনামূলক কম পরিমাণ খাবার থাকবে এবং জহিরের মতো চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া তার মোটেই উচিত হবে না।
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান অত্যন্ত কম পরিমাণে প্রয়োজন হয় তারাই হলো মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ।
উদ্ভিদের প্রায় ৬০টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে যার মধ্যে ১৬টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। এই ১৬টি পুষ্টি উপাদানকেই সমষ্টিগতভাবে 'অত্যাবশ্যকীয় উপাদান' বলা হয়। কারণ এদের যে কোন একটির অভাব হলেই উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ ব্যাহত হয়ে এর অভাবজনিত লক্ষণ প্রকাশ পায় এবং পুষ্টির অভাব জনিত রোগের সৃষ্টি হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!