যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যেকোনো দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায় তাকে ভোল্টমিটার বলে।
যখন নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বা এসি প্রবাহ বলে। বর্তমানে বিশ্বের সকল দেশের তড়িৎ প্রবাহই এসি প্রবাহ। এটি ধারক বা ক্যাপাসিটরের ভেতর দিয়ে যেতে পারে। জেনারেটরের সাহায্যে এসি প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়।

উদ্দীপক অনুযায়ী,
বাল্বের রোধ, R = 5 ও'ম
বিভব পার্থক্য, V = 4.5V
তড়িৎ প্রবাহ,. I =?
আমরা জানি অ্যাম্পিয়ার = 0.9 অ্যাম্পিয়ার
রোধের বান্ধটি বন্ধ থাকা অবস্থায় বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ 0.9 অ্যাম্পিয়ার।
যে বর্তনীর সকল অংশে একই পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহিত হয়, সেই বর্তনীকে শ্রেণিসংযোগ বর্তনী বলে। নিচে উদ্দীপকের বাল্বগুলোকে। সাজিয়ে একটি শ্রেণিসংযোগ বর্তনী অঙ্কন করা হলো-

বিদ্যুৎ প্রবাহ হলো মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ। এ প্রবাহ আবার দু'রকম- এসি এবং ডিসি প্রবাহ। কোনো বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের জন্য দরকার এর দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য। এই বর্তনীতে তড়িত্যন্ত্র ও উপকরণসমূহকে শ্রেণি ও সমান্তরাল সংযোগ যুক্ত করা যায়। এছাড়া বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ মাপার জন্য অ্যামিটার বা যেকোনো দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য দরকার ভোল্টমিটার।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
• এসি এবং ডিসি প্রবাহের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব;
• তড়িৎ বর্তনীতে রোধ, ফিউজ এবং চাবির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব;
• তড়িৎ প্রবাহ এবং বিভব পার্থক্যের মধ্যকার সম্পর্ক লেখচিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করতে পারব,
• শ্রেণি ও সমান্তরাল বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ এবং বিভব পার্থক্যের ভিন্নতা প্রদর্শন করত পারব;
• তড়িৎ প্রবাহ এবং বিভব পার্থক্য পরিমাপে অ্যামিটার ও ভোল্টমিটারের সঠিক ব্যবহার করতে পারব;
• তড়িতের কার্যকর ব্যবহার এবং অপচয় রোধে নিজে সচেতন হব এবং অন্যদের সচেতন করব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
