উত্তরঃ

কোনো প্রাণীর স্মৃতিমূলক সাড়াদানই হলো নেমোট্যাক্সিস।

উত্তরঃ

কর্মী মৌমাছিরা সংখ্যায় সর্বাধিক এবং কলোনির ক্ষুদ্রতম সদস্য। যেসব স্ত্রী লার্ভা কেবল মধু ও বি-ব্রেড খেয়ে বড় হয় তারা বন্ধ্যা কর্মীতে রূপান্তরিত হয়। এদের ডিম্বাশয় সৃষ্টি হয় না তাই প্রজননে এদের কোনো ভূমিকা নেই। এদের ডানা দুটি বেশ মজবুত হয় ফলে এরা দ্রুত ডানা সঞ্চালন করতে পারে। এছাড়াও পরাগ সংগ্রহের জন্য, পরাগঝুড়ি, মোম নিঃসরণের জন্য মোমগ্রন্থি, আক্রমণের জন্য হুল ও দীর্ঘ প্রোবোসিস থাকায় এরা সর্বদা কলোনি বা চাকের জন্য নিবেদিত।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রবাহচিত্রে A হলো ট্যাক্সিস ও B হলো রিফ্লেক্স আচরণ। দিকমুখী উদ্দীপনা বা উদ্দীপনা মাত্রার তীব্রতার প্রতি একটি জীবের সহজাত আচরণগত সাড়া দেওয়া হচ্ছে ট্যাক্সিস। 'অন্যদিকে, একটি সরল উদ্দীপনার প্রতি প্রতিবতীর মাধ্যমে দেহ বা দেহের কোনো অংশের দ্রুত সাড়া দেওয়াকে রিফ্লেক্স বা প্রতিবর্তী বলা হয়। সম্পূর্ণ দেহ ট্যাক্সিসে জড়িত থাকে কিন্তু রিফ্লেক্সের ক্ষেত্রে শরীরের কোনো একটি ক্ষুদ্র অংশ জড়িত থাকে। ট্যাক্সিস চলনের দিক অবিরাম বহিঃ উদ্দীপনায় পরিচালিত হয় কিন্তু রিফ্লেক্স উদ্দীপনার মাধ্যমে অবিরাম নিয়ন্ত্রিত হয় না। বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যে সাড়াদানের ভিত্তিতে ট্যাক্সিস বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যেমন- অ্যারোট্যাক্সিস, ফটোট্যাক্সিস, নেমোট্যাক্সিস ইত্যাদি। অন্যদিকে রিফ্লেক্স দুই প্রকার। যথা: টোনিক রিফ্লেক্স ও ফেজিক রিফ্লেক্স।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রবাহচিত্রে C হলো ইনসটিংক্টস বা সহজাত আবেগ। প্রাণীর জীবনধারণে এই ইনসটিংক্টস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদাহরণ হিসেবে সামুদ্রিক কাছিমের কথা বলা যেতে পারে। সাগর পাড়ে সর্বোচ্চ জোয়ার থেকেও খানিকটা দূরে যে সামুদ্রিক কাছিম ডিম পেড়ে বালু দিয়ে ঢেকে রেখে যায় তা থেকে দুমাসের মাথায় ডিম ফুটে কাছিমের বাচ্চা ফুটে অন্য কোনো দিকে না গিয়ে সোজা সমুদ্রের পানিতে আশ্রয় নেয়। পৃথিবীর সব সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চাই এ কাজ করে। বাচ্চাটাকে কেউ যদি সমুদ্রভিমূখে ঘুরিয়ে দেয় তাহলে খানিকটা থমকে আবার সাগর পানে ছুটে যায়। সাগর পানে ছুটে যেতে কাছিমের বাচ্চাকে কেউ নির্দেশ দেয়নি, বরং এটি জিনগতভাবে স্থায়ী ও বংশগত আচরণ।
জন্মগত এই শক্তি যার সাহায্যে একটি প্রজাতির সকল সদস্য কোনো শিক্ষণ ছাড়া এবং উদ্দেশ্যে ও ফলাফল সম্বন্ধে অবগত না হয়ে আত্মরক্ষায় ও প্রজাতি রক্ষায় বংশ পরম্পরায় একইভাবে কাজ করে থাকে তাই-ই ইনসটিংক্টস। এছাড়াও পাখির বাসা নির্মাণ ইনসটিংক্টস এর কারণে ঘটে থাকে। এসকল প্রক্রিয়া উল্লিখিত প্রাণীদের জীবনধারণ ও বংশবিস্তারে অপরিহার্য। তাই বলা যায়, প্রাণীর জীবনধারণে C অর্থাৎ ইনসটিংক্টস এর গুরুত্ব অপরিসীম।

4

ইথোলজিঃ উদ্দীপকের প্রতি সাড়া দেওয়া প্রতিটি জীবের বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন পরিবেশ ও পরিস্থিতির সাপেক্ষে একটি প্রাণীর সাড়া দেওয়া বা প্রতিক্রিয়াকে প্রাণীর আচরণ বলে। সম্পূর্ণ দেহের সঞ্চালন বা অংশবিশেষের সঞ্চালন, দেহভঙ্গি, মুখের ভঙ্গি, স্বর উৎপাদন ভঙ্গি এমনকি বর্ণের পরিবর্তন, গন্ধ সৃষ্টি প্রভৃতি আচরণের অন্তর্গত। জীববিজ্ঞানের যে শাখায় প্রাণীর আচরণ

সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, তাকে আচরণবিদ্যা বা ইথোলজি (Ethology; একি ethos = আচরণ এবং logos=জ্ঞান) বলে। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রবাহমান পানির প্রতি প্রাণীর সাড়া প্রদানের প্রক্রিয়াই হলো রিওট্যাক্সিস।

7
উত্তরঃ

যে প্রক্রিয়ায় কোনো প্রাণী নিজেদের জীবন বিপন্ন করে হলেও তার দলের অন্য সদস্যদেরকে সহায়তা করে তাকে পরার্থপরতা বা অ্যালটুইজম বলে। এ ধরনের আচরণ প্রাণীরা নিজ দায়িত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে করে থাকে। উদাহরণস্বরূপ মানুষের ক্ষেত্রে ভাই বা বোনের জীবন বাঁচাতে পানিতে/আগুনে ঝাঁপ দেওয়া, অঙ্গ প্রদান (চোখ, কিডনি) ইত্যাদি।

5
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'A তে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো পাখি। পাখির বিশেষ স্থানান্তর প্রক্রিয়াটি হলো পরিযান। নিচে পরিযান প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা
হলো-

পরিযান বলতে প্রাণীদের একস্থান হতে অন্যস্থানে গমনকে বোঝায়। সাধারণত প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা, খাদ্যপ্রাপ্তি ও প্রজননের জন্য প্রাণীরা পরিযান করে থাকে। পরিযান পাখির একটি সহজাত আচরণ। আবহাওয়ার পরিবর্তন, খাদ্যাভাব, প্রজননগত সমস্যা ইত্যাদি কারণে পাখিরা পরিযানে উদ্দীপিত হয়। পরিযান সাধারণত দু'রকম হয়ে থাকে যথা- অক্ষাংশিক পরিযান ও উলম্বিক পরিযান। উত্তর থেকে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ থেকে উত্তর গোলার্ধে পরিযানকে অক্ষাংশিক পরিযান বলে। যেমন- শীতকালে সাইবেরিয়ায় প্রচণ্ড তুষারপাত ঘটে তাই সেখানকার পাখিরা বাংলাদেশে পরিযান করে। আবার নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে পাখিরা আবহাওয়ার পরিবর্তনের সাথে সাথে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে পাহাড়ের চূড়ায় পরিযান ঘটায় যাকে উলম্বিক পরিযান বলে। সাধারণত পরিযায়ী পাখিরা তাদের দিক নির্দেশক হিসেবে পৃথিবীর চুম্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে থাকে। প্রায় সকল পরিযায়ী পাখি বছরের পর বছর একই পথ অনুসরণ করে। এসব পাখিরা চেনা যায় এমন স্থান, সূর্য, তারকারাজি, চাঁদ ইত্যাদিকে পথ চেনার কাজে লাগায় এবং পূর্বের বাসস্থানে ফিরে যায়।

6
উত্তরঃ

উদ্দীপকের B-তে উল্লিখিত প্রাণীটি হলো তিন কাঁটা স্টিকলব্যাক মাছ। স্টিকলব্যাক মাছের অপত্য লালন নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-
সাধারণত তিন-কাঁটা স্টিকলব্যাক ছোট ছোট দলে ঝাঁক বেধে ঘোরে। যৌন পরিপক্কতা এলে পুরুষ মাছ দলহীন হয়ে উপকূলবর্তী অগভীর পানির জলাশয়ে নিজস্ব বিচরণ পরিসীমা নির্ধারণ করে সতর্ক পাহারায় নিযুক্ত থাকে। বিচরণ পরিসীমা প্রতিষ্ঠার পর সেখানে বাসা নির্মাণ শুরু করে। এরপর পুরুষ মাছ জিগ-জ্যাগ নৃত্য প্রদর্শনের মাধ্যমে স্ত্রী মাছকে আকৃষ্ট করে ডিম পাড়তে উদ্বুদ্ধ করে। ডিম পাড়া শেষ হলে পুরুষ মাছ ডিমগুলোকে নিষিক্ত করে এবং ডিমের দেখা শোনা আরম্ভ করে। নীড় ও নীড়ের ভেতর থাকা নিষিক্ত ডিমগুলো থেকে সুস্থ পোনা উৎপাদন, রক্ষা, যত্ন নেওয়া ও সবশেষে নিরাপদে পরিবেশে ফিরে যাওয়া অনুকূলে রাখতে পুরুষ মাছ সদা ব্যস্ত থাকে। এ সময় বাসার কাছে নিজ প্রজাতির সদস্যসহ কোনো মাছ বা ক্ষতিকর প্রাণীর প্রবেশ রোধ করতে মাছ সদা তৎপর থাকে। ডিম ফোটার অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখার জন্য স্টিকলব্যাক এক অদ্ভুত আচরণ করে। বাসায় প্রবেশ পথের সামনে মাথা নিচু করে তির্যকভাবে অবস্থান নিয়ে বক্ষপাখনা সামনের দিকে সঞ্চালিত করে। এভাবে অক্সিজেন চাহিদা নিশ্চিত, করতে পানিস্রোত অব্যাহত রাখে। এ প্রক্রিয়ার নাম ফ্যানিং। ৭-৮ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে পোনা বের হয়ে আসে। তখন পোনাগুলো পাহারা দেওয়ার জন্য পুরুষ মাছটি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে। পোনার দল থেকে কিছু পোনা দলছুট হলে পুরুষ মাছটি দ্রুত সেগুলোকে মুখে তুলে এনে আবার মূল দলে ছেড়ে দেয়। প্রায় দুই সপ্তাহ পর পোনাগুলো ঝাঁক বেধে চলতে অভ্যস্ত হয়ে পড়লে পুরুষ মাছটি তখন নিজ সঙ্গীদের কাছে ফিরে যায়। এভাবে স্টিকলব্যাক মাছ অপত্যের প্রতি যত্ন নেয়।

5
উত্তরঃ

দেহের প্রতিরক্ষা তন্ত্র থেকে উৎপন্ন এক ধরনের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন যা রোগব্যাধি সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট-অ্যান্টিজেনকে ধ্বংস করে তাই হলো অ্যান্টিবডি।

7
উত্তরঃ

রজঃচক্র হলো বয়োঃপ্রাপ্ত মারীর নির্দিষ্ট সময় পর পর জরায়ু থেকে রক্ত, মিউকাস, এন্ডোমেট্রিয়ামের ভগ্নাংশ ও ধ্বংসপ্রাপ্ত অনিষিক্ত ডিম্বাণুর চক্রীয় নিষ্কাশন। স্ত্রী যৌনচক্রের সময় জরায়ুর প্রাচীরে যেসব ধারাবাহিক ও চক্রাকার পরিবর্তন ঘটে তাকে জরায়ু চক্র বলে। প্রতিবার জরায়ুচক্র শেষে রক্তসহ মিউকাস ও অন্যান্য পদার্থ যোনীপথে বের হয়ে যায়। একে রজঃস্রাব বলে। ২৮ দিন পর পর একটি জরায়ু চক্র শেষে আবার নতুন করে রজঃস্রাব হয়।

5
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews