উত্তরঃ

ক্যাপসিড (Capsid) হলো একটি ভাইরাসের অস্তিত্বকারী অংশ, যা ভাইরাস পাকেটে করে রাখে এবং তাকে সুরক্ষা দেয়। ক্যাপসিড একটি গোলকৃমির বৈজ্ঞানিক নাম যা ভাইরাসের জেনেটিক বা আরন্ধতা ব্যবস্থা সমর্থন করে, সার্কুলার বা অবকৃত্রিক আকৃতির সংরচনা হতে পারে। ভাইরাসের জেনেটিক তত্ত্বগুলি ক্যাপসিডে সুরক্ষা প্রাপ্ত রাখার জন্য তা আবদ্ধ থাকে। এই ক্যাপসিড আকারে পাকেট বা কোকোন বা আরফেট অথবা অন্যান্য আকৃতিতে থাকতে পারে, সেইসাথে তা ভাইরাসের প্রবেশ পর্যাপ্ত সুলভ করে এবং নিশ্চিত করে যে ভাইরাসের জেনেটিক তত্ত্বগুলি নির্বাচিত প্রাপ্ত স্থানে পৌঁছে।

উত্তরঃ

সাইকাস উদ্ভিদের মূল কতগুলো ব্যাকটেরিয়া ও সায়ানো ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়ে সমুদ্রের কোরা লের ন্যায় আকৃতির সৃষ্টি করে এঁকে করালয়েড মূল বলে

lamia sultana
lamia sultana
2 years ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'বিভাজন B' বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে। 'বিভাজন B' হলো মায়োসিস (Meiosis) কোষ বিভাজন, যা জীবের প্রজনন কোষে (যেমন - গ্যামেট বা রেণু) ঘটে এবং এর ফলে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়। এই বিভাজনে সৃষ্ট অপত্য কোষগুলো মাতৃকোষের হুবহু অনুরূপ না হয়ে ভিন্ন বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।

মায়োসিস বিভাজনের প্রথম ধাপ প্রোফেজ-১ এ ক্রসিং ওভার (Crossing over) ঘটে, যেখানে সমসংস্থ ক্রোমোজোমের (Homologous chromosome) নন-সিস্টার ক্রোমাটিডগুলোর (Non-sister chromatids) মধ্যে জিনের বিনিময় হয়। এর ফলে পৈতৃক ও মাতৃ ক্রোমোজোমের মধ্যে জিনের পুনর্বিন্যাস ঘটে এবং নতুন জিনগত বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়। এছাড়াও, অ্যানাফেজ-১ এ সমসংস্থ ক্রোমোজোমগুলোর স্বাধীন সঞ্চারণ (Independent assortment) নতুন জিনগত সমন্বয়ের সৃষ্টি করে।

ক্রসিং ওভার এবং স্বাধীন সঞ্চারণের কারণে উদ্দীপকের 'বিভাজন B' এ সৃষ্ট প্রতিটি অপত্য কোষ (n) জিনগতভাবে ভিন্ন হয়। এই জিনগত বৈচিত্র্যই একটি প্রজাতির মধ্যে ভিন্নতা আনতে সাহায্য করে, যা বিবর্তন (Evolution) ও অভিযোজনের (Adaptation) জন্য অপরিহার্য। এর মাধ্যমে প্রজাতি পরিবেশের পরিবর্তনশীল অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে এবং টিকে থাকতে সক্ষম হয়।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
উত্তরঃ

Pteris (টেরিস) একটি ফার্ন উদ্ভিদ যা সপুষ্পক উদ্ভিদের ন্যায় জটিল জীবনচক্র প্রদর্শন করে। এর জীবনচক্রে ডিপ্লয়েড (2n) স্পোরোফাইট (sporophyte) এবং হ্যাপ্লয়েড (n) গ্যামেটোফাইট (gametophyte) দশার পর্যায়ক্রমিক আবর্তন ঘটে, যাকে জনুক্রম (alternation of generations) বলে। উদ্দীপকে প্রদর্শিত বিভাজন A হলো মাইটোসিস (mitosis) এবং বিভাজন B হলো মিয়োসিস (meiosis)। Pteris এর সফল জনুক্রমের জন্য এই উভয় প্রকার কোষ বিভাজনই অপরিহার্য।

উদ্দীপকের বিভাজন A বা মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড (2n) মাতৃকোষ থেকে দুটি ডিপ্লয়েড (2n) অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়, যেখানে ক্রোমোজোম সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে। Pteris এর জীবনচক্রে, স্পোরোফাইট (2n) উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধি এই মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় ঘটে। এছাড়া, স্পোর অঙ্কুরিত হয়ে যখন হ্যাপ্লয়েড (n) প্রোথ্যালাস বা গ্যামেটোফাইট গঠন করে, তখন সেই প্রোথ্যালাসের বৃদ্ধি এবং এর অ্যান্থেরিডিয়া (antheridia) ও আর্কেগোনিয়া (archegonia) নামক জনন অঙ্গে যথাক্রমে শুক্রাণু ও ডিম্বাণু (উভয়ই n) সৃষ্টির জন্য মাইটোসিস বিভাজন ঘটে। এভাবে মাইটোসিস উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং গ্যামেট উৎপাদনে সহায়তা করে।

অন্যদিকে, উদ্দীপকের বিভাজন B বা মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে একটি ডিপ্লয়েড (2n) মাতৃকোষ থেকে চারটি হ্যাপ্লয়েড (n) অপত্য কোষ উৎপন্ন হয়, যেখানে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়। Pteris এর জনুক্রমে, স্পোরোফাইট উদ্ভিদ যখন পরিণত হয়, তখন এর স্পোরাঞ্জিয়াতে (sporangia) স্পোর মাতৃকোষ (2n) মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে হ্যাপ্লয়েড (n) স্পোর (spore) উৎপন্ন করে। এই মিয়োসিস বিভাজন Pteris এর জীবনচক্রে ক্রোমোজোম সংখ্যাকে ডিপ্লয়েড দশা (2n) থেকে হ্যাপ্লয়েড দশায় (n) হ্রাস করে এবং এর মাধ্যমে জনুক্রম বজায় রাখে। যদি মিয়োসিস না ঘটতো, তাহলে প্রতি প্রজন্মে ক্রোমোজোম সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যেত, যা প্রজাতির জন্য ক্ষতিকর হতো।

সুতরাং, Pteris এর জনুক্রমে মাইটোসিস (উদ্দীপকের বিভাজন A) দৈহিক বৃদ্ধি এবং গ্যামেটোফাইট থেকে গ্যামেট উৎপাদনে ভূমিকা রাখে, আর মিয়োসিস (উদ্দীপকের বিভাজন B) স্পোরোফাইট থেকে স্পোর উৎপাদনের মাধ্যমে ক্রোমোজোম সংখ্যাকে হ্যাপ্লয়েড দশায় ফিরিয়ে আনে এবং জনুক্রমের অপরিহার্য অংশ হিসেবে কাজ করে। এই দুটি কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া পারস্পরিকভাবে Pteris এর জীবনচক্রের প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করতে এবং প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।

Satt AI
Satt AI
4 days ago
478

জীবের বৃদ্ধি ও পরিস্ফুটন নির্ভর করে কোষ বিভাজনের ওপর। 

Related Question

View All
উত্তরঃ

দুটি হোমোলোগাস ক্রোমোসোমের মধ্যে জোড় সৃষ্টি হওয়াই হলো সিন্যাপসিস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
55
উত্তরঃ

সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থানের উপ্ন ভিত্তি করে ক্রোমোসোমকে চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা--
মধ্যকেন্দ্রিক: সেন্ট্রোমিয়ার ক্রোমাসোমের মাঝখানে অবস্থান করলে এরূপ ক্রোমোসোমকে মধ্যকেন্দ্রিক বা মেটাসেন্ট্রিক বলে।
উপ-মধ্যকেন্দ্রিক: সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান ক্রোমোসোমের মধ্যাঞ্চল থেকে সামান্য একপাশে থাকলে বাহু দুটি অসম দৈর্ঘ্যের হয়। এরূপ ক্রোমোসোমকে উপ-মধ্যকেন্দ্রিক বা সাব-মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোসোম বলে।
উপ-প্রান্তকেন্দ্রিক: ক্রোমোসোমের প্রান্তের কাছাকাছি অংশে সেন্ট্রোমিয়ার অবস্থান করলে এরূপ ক্রোমোসোমকে উপ-প্রান্তকেন্দ্রিক বা অ্যাক্রোসেন্ট্রিক ক্রোমোসোম বলে।
প্রান্তকেন্দ্রিক: ক্রোমোসোমের একপ্রান্তে সেন্ট্রোমিয়ার অবস্থান করলে এরূপ ক্রোমোসোমকে প্রান্তকেন্দ্রিক বা টেলোসেন্ট্রিক ক্রোমোসোম বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
52
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র: A তে উল্লিখিত প্রক্রিয়াটি হলো মাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ার টেলোফেজ ধাপ। নিচে টেলোফেজ ধাপে সংঘটিত কার্যাবলি ব্যাখ্যা করা হলো-
কোষ বিভাজনের টেলোফেজ ধাপে অপত্য ক্রোমোসোমসমূহ দুই বিপরীত মেরুতে স্থিরভাবে অবস্থান নেয়। এ পর্যায়ে ক্রোমোসোমগুলোতে আবার জলযোজন ঘটে। ফলে এরা ক্রমান্বয়ে প্রসারিত হয়। ক্রোমোসোমগুলো ক্রমশ সরু ও লম্বা হতে থাকে এবং অদৃশ্য হতে থাকে। এ পর্যায়ের শেষের দিকে ক্রোমোসোমগুলোর চারদিকে নিউক্লিয়ার এনভেলপ এবং স্যাট ক্রোমোসোমের গৌণ কুঞ্চনে নিউক্লিওলাসের পুনঃআবির্ভাব ঘটে। ফলে দুই মেরুতে দুটি অপত্য নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয় এবং স্পিন্ডল ফাইবারগুলো - ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
46
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্র-A ও চিত্র-B দ্বারা যথাক্রমে মাইটোসিস কোষ বিভাজনের টেলোফেজ ও প্রো-মেটাফেজ পর্যায়কে বোঝানো হয়েছে। নিচে এ পর্যায় দুটির তুলনামূলক অবস্থান বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হলো-

  • প্রো-মেটাফেজ পর্যায়টি স্বল্পস্থায়ী; অন্যদিকে টেলোফেজ পর্যায়টি তুলনামূলকভাবে দীর্ঘস্থায়ী।
  • প্রো-মেটাফেজ পর্যায়ে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাস প্রায় অদৃশ্য হয়ে যায়; কিন্তু টেলোফেজ পর্যায়ে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিওলাস সুস্পষ্ট হয়।
  • প্রো-মেটাফেজ পর্যায়ে দুই মেরু বিশিষ্ট স্পিন্ডলযন্ত্র তৈরি হতে শুরু করে। যেখানে টেলোফেজ পর্যায়ে স্পিন্ডল যন্ত্রের কাঠামো অদৃশ্য হয়ে যায়।
  • প্রো-মেটাফেজ ক্রোমোসোমগুলো বিষুবীয় অঞ্চলমুখী হয়। অন্যদিকে, টেলোফেজে ক্রোমোসোমগুলো বিপরীত দুই মেরুতে অবস্থান করে।
  • প্রো-মেটাফেজের শেষ দিকে ক্রোমোসোমগুলো কুণ্ডলিত হয়ে খাঁটো হতে থাকে। অন্যদিকে, টেলোফেজে ক্রোমোসোমের কুণ্ডলিত ভাঁজ খুলতে থাকে, ফলে ক্রোমোসোম সরু ও লম্বা দেখায়।
  • প্রো-মেটাফেজ দুই মেরুতে অপত্য কোষ তৈরি না হলেও টেলোফেজ পর্যায়ে দুই মেরুতে দুটি অপত্য কোষ তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
37
উত্তরঃ

মাইটোসিসের মেটাফেজ পর্যায়ে স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে ক্রোমোসোমের বিন্যস্ত হওয়াই হলো মেটাকাইনেসিস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
63
উত্তরঃ

প্লাজমোডেজমাটা হলো উদ্ভিদ কোষ প্রাচীরের একটি সূত্রবৎ অংশ যা পাশাপাশি দুটি কোষের সাথে সূক্ষ্ম ছিদ্র পথে সাইটোপ্লাজমিক সংযোগ রক্ষা করে। এটি লিপিড এবং প্রোটিন দিয়ে গঠিত। এটি কোষ থেকে কোষে পানি, আয়ন, পুষ্টি উপাদান এবং রাসায়নিক সংকেত আদান-প্রদানে সহায়তা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
44
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews