Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

অর্থনীতিবিদ আলফ্রেড মার্শাল সংগঠনকে 'Captain of the Industry' বলেছেন।

উত্তরঃ

বেসরকারি উদ্যোগে যে সংগঠন সমাজের অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে তাকে NGO বলে।
সাধারণভাবে, সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত নয় এমন যেকোনো সংস্থাই বেসরকারি সংগঠন বা এনজিও। তবে বিগত তিন দশকে এনজিও কার্যক্রমের ধারা থেকে বর্তমানে এনজিও-র যে রূপ দাঁড়িয়েছে তাতে বলা যায়, এনজিও হচ্ছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত অমুনাফাভিত্তিক এক ধরনের বিশেষ স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে
চিহ্নিত স্থানে 'সংগঠক' বা 'উদ্যোক্তা' বসবে।
উৎপাদনের বিভিন্ন উপকরণ সংগঠনের মাধ্যমে সমন্বয় করে উৎপাদন কাজটি সঠিকভাবে যে ব্যক্তি পরিচালনা করেন তাকে সংগঠক বা উদ্যোক্তা বলে। একজন সংগঠক উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন, মূলধন সংগ্রহ, ঝুঁকি গ্রহণ, নতুনত্ব প্রবর্তন প্রভৃতি কাজগুলো সম্পাদন করে থাকেন।
একজন সংগঠকের অন্যতম কাজ হলো- উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা। সর্বোচ্চ মুনাফার জন্য কতটুকু দ্রব্য বা সেবা উৎপাদন করা উচিত, উপযুক্ত শ্রমিক নিয়োগ দান করে কীভাবে খরচ সর্বনিম্ন করা যায়, এরূপ সিদ্ধান্ত সংগঠককে নিতে হয়। এছাড়া প্রয়োজনীয় উপকরণ ও মূলধন সংগ্রহ করে সমন্বয় সাধন করা, শ্রম বিভাজন, পণ্য বাজারজাতকরণ, তত্ত্বাবধান প্রভৃতি কার্যাবলি একজন দক্ষ ও সফল সংগঠক বা উদ্যোক্তা সুচারুভাবে সম্পন্ন করে থাকেন। উৎপাদিত দ্রব্যের গুণগত পরিবর্তন এনে চাহিদা অনুযায়ী দ্রব্য বা সেবায় নতুনত্ব আনতে হয় একজন সংগঠককে। কাজেই বলা যায়, একজন সফল সংগঠক উপরে উল্লিখিত কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকেন।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'B' কারবারটি হলো যৌথ মূলধনী কারবার। নিচে এ কারবারের সুবিধাগুলো বিশ্লেষণ করা হলো:
যৌথ মূলধনী কারবার বলতে বহু সংখ্যক ব্যক্তির যৌথ মালিকানায় গঠিত কারবার প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়। এ ধরনের কারবারের সুবিধাগুলো হলো পর্যাপ্ত মূলধন সংগ্রহ, বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠান, সীমাবদ্ধ দায়, শেয়ার হস্তান্তরযোগ্য, জনগণের অধিক আস্থা ইত্যাদি।
যৌথ মূলধনী কারবার সরকারের সুনির্দিষ্ট কোম্পানি আইন বা নীতিমালা অনুযায়ী গঠিত হওয়ায় এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস বেশি থাকে। এছাড়া যৌথ মূলধনী কারবারে অধিক মূলধন সংগ্রহের ম সুবিধা থাকে বলে বৃহদায়তনে উৎপাদন করা যায়। কারবারের কোনো স শেয়ারহোল্ডার মারা গেলে কিংবা দেউলিয়া হলে কোম্পানি বন্ধ হয়ে যায় না। ফলে কারবার পরিচালনায় তেমন কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় না।
আবার, যৌথ মূলধনী কারবারের শেয়ার অনেকে ক্রয় করে বলে শেয়ার ক্রয়ের অনুপাতে কারবারের ঝুঁকি ও শেয়ার হোল্ডারগণের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। এর ফলে মাথাপিছু ঝুঁকি গ্রহণের মাত্রাও কমে যায়। এছাড়া এ ধরনের কারবার শেয়ার হোল্ডারদের নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ দ্বারা পরিচালিত হয়। এতে দক্ষ কর্মচারীর সমাবেশ ঘটে এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

116
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর সুষ্ঠু সমন্বয় সাধনের কাজকে সংগঠন বলে।

206
উত্তরঃ

উৎপাদনের উপকরণগুলোকে সংগঠনের মাধ্যমে সমন্বয় করে উৎপাদন কাজটি সঠিকভাবে পরিচালনা করেন একজন সফল উদ্যোক্তা।
সংগঠন হলো এক কর্মনৈপুণ্য; বস্তুগত নয়। উদ্যোক্তাকেই এ কর্মনৈপুণ্য কাজে লাগানোর জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয়। এছাড়া তিনি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো সংগ্রহ, তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন, মূলধন সংগ্রহ ও উৎপাদনক্ষেত্রে শ্রমবিভাগের মাত্রা নির্ধারণ করেন। আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা ক্রমান্বয়ে বড় ও জটিল হয়ে পড়ায় সেখানে জনবল ও প্রযুক্তির ব্যবহার, বিনিয়োগ সমস্যার সমাধান এবং শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয়ে ব্যবস্থাপনার জন্য একটি স্বতন্ত্র ও অপরিহার্য উপাদান হিসেবে উদ্যোক্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এজন্যই আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থায় উদ্যোক্তাকেই সংগঠনের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

387
উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ হওয়ায় ব্যক্তি পর্যায়ে মূলধন স্বল্পতার কারণে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকারি খাতের ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নিচে তা উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করা হলো-
বাংলাদেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান থাকায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগও পরিলক্ষিত হয়। তবে বেসরকারি খাতের পরিসর খুবই সীমিত। বেসরকারি উদ্যোগে ভারী শিল্প স্থাপন এখনও এদেশে ব্যাপক প্রসার ঘটেনি। কিন্তু মূলধন নিবিড় শিল্প বা ভারী শিল্প স্থাপন একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই এ ধরনের শিল্প স্থাপনে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। আবার, বেসরকারি উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মুনাফা অর্জন। এজন্য দেশে ধনী-গরিবের বৈষম্য দেখা দেয়। এছাড়া তাদের উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন হওয়ায় যে মুদ্রাস্ফীতির সৃষ্টি হয় তা নিয়ন্ত্রণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, বাংলাদেশে NGO-গুলোর কার্যক্রম খুবই সীমিত। এদের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম দ্বারা মুনাফা অর্জন করা। কিন্তু একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শুধু ক্ষুদ্র পরিসরে চিন্তা করলে চলবে না। আবার, সমবায়সহ অন্যান্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অনিয়ম ও উচ্চ মুনাফা আকাঙ্ক্ষার কারণে কিছু ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বার্থ অর্জিত হলেও জাতীয় স্বার্থ বিঘ্নিত হয়। তাই বাংলাদেশে খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা প্রভৃতিসহ অর্থনৈতিক অবকাঠামো নির্মাণে সরকারকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হয়।

657
উত্তরঃ

বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ উদ্যোগে কীভাবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ এগিয়ে যেতে পারে, তা নিচে উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করা হলো:
একটি দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উভয় উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি উদ্যোগ সীমিত হলেও দেশের (বিশেষত গ্রামীণ) অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশে এনজিওগুলো দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিতে পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক জ্ঞান দান, বিভিন্ন পেশার জন্য কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা, আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম ইত্যাদি। এছাড়াও এনজিওগুলো গ্রামের বেকার যুবক-যুবতীদেরকে মাছ চাষ, ফল ও ফুলের বাগান তৈরি, হাঁস-মুরগি পালন ও তার প্রশিক্ষণ, স্থানীয় সম্পদ ব্যবহার করে কুটিরশিল্প স্থাপন, পানের বরজ তৈরি, মৌমাছি চাষ ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাতে-কলমে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। অন্যদিকে, সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তি স্বার্থের পরিবর্তে সমষ্টিগত স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে বৃহদায়তনে উৎপাদন পরিচালনা করতে পারে। এতে দেশীয় সম্পদের সুষম বণ্টন হবে, মধ্যস্থ ব্যবসায়ীর দৌরাত্ম্য হ্রাস পাবে এবং সর্বোপরি সামাজিক উন্নয়ন দ্বারা দেশ এগিয়ে যাবে। পাশাপাশি। উদ্দীপকে উল্লিখিত সরকারি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি হ্রাস করতে পারলে সরকারি খাতের অবদান আরও বৃদ্ধি পাবে।
এভাবে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগ আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

217
উত্তরঃ

একজন সংগঠক উৎপাদনের সকল উপাদানকে সংগ্রহ ও সমন্বিত করে উৎপাদনকে সফল করে।
উৎপাদন ক্ষেত্রে কোনো কিছু উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ, সমন্বয়-সাধন, পরিকল্পনা প্রণয়ন, মৌলিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো একজন সংগঠককে পরিচালনা করতে হয়। আর এগুলো দক্ষতার সাথে না করতে পারলে উৎপাদন ব্যাহত হবে। তাই বলা হয়, সংগঠকের দক্ষতার ওপর একটি সংগঠনের সাফল্য নির্ভর করে।

348
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews