উত্তরঃ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলনকে সাংগঠনিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ১ অক্টোবর যে পরিষদ গঠিত হয় তাই 'রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদ'।
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলনের গতিকে বেগবান করতে তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগে 'রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করা হয়। এ পরিষদের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন স্বনামধন্য তরুণ অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ নুরুল হক ভূঁইয়া। ভাষা আন্দোলনকে সাংগঠনিক রূপদানের ক্ষেত্রে এ পরিষদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের চিত্রটি বাঙালির ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের ঘটনাকে নির্দেশ করে।

১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান নিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রটি আত্মপ্রকাশ করে। শুরু থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্ব বাংলার ওপর নানা বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণ করে। প্রথমেই তারা আঘাত হানে বাঙালির ভাষার ওপর। পূর্ব পাকিস্তান তথা পূর্ব বাংলার অধিবাসীদের মাতৃভাষা বাংলা। তাই পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার অন্যায় ঘোষণার প্রতিবাদে 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' আন্দোলন শুরু হয়। রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার জন্য পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালির সাংস্কৃতিক স্বাধিকার আন্দোলন। পরবর্তীকালে এই আন্দোলন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্ম দেয়। পাকিস্তানের মোট জনগোষ্ঠীর ৫৬.৪০ শতাংশের মুখের ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও সংখ্যালঘিষ্ঠ মাত্র ৩.২৭ শতাংশ জনগোষ্ঠীর ভাষা উর্দুকে তারা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু বাঙালি ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এ বৈষম্যমূলক আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। তারা দেশব্যাপী তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি সালাম, রফিক, জব্বার ও বরকতের রক্তের বিনিময়ে রাষ্ট্রভাষা বাংলা অর্জিত হয় এবং বিকশিত হয় বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনা। উদ্দীপকের চিত্রে প্রদর্শিত স্থাপনাটি ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই নির্মিত হয়েছে। তাই বলা যায় যে, এ চিত্রের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয় অর্থাৎ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্যেই বাঙালির স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতিকে ঐক্যবন্দ করেছিল। পাশাপাশি এ আন্দোলন বাঙালিদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি করে। এ আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ অধিকার সচেতন হয়ে ওঠে। ফলে বাঙালিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে দাবি আদায়ে সচেতন হয়ে ওঠে। উদ্দীপকে উল্লিখিত চিত্রের মধ্যদিয়ে এ ঘটনারই অবতারণা করা হয়েছে।

বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনার মাধ্যমে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বাঙালি জাতি যুক্তফ্রন্টের পক্ষে এক ব্যালট বিপ্লব ঘটায়। যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়। ১৯৬২ সালে আইয়ুব খান সরকারের প্রবর্তিত শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে বাংলার ছাত্রসমাজ এক আন্দোলন গড়ে তোলে। ১৯৬৬ সালের ছয় দফা দাবির প্রেক্ষিতে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বীর বাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে। আর ১৯৬৯ সালে সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান, যা আইয়ুব খানের পতনকে ত্বরান্বিত করে। পরে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে জয়লাভ করে। কিন্তু তাদেরকে ক্ষমতায় যেতে দেয়া না হলে বাঙালি জাতি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বক্তাবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। অবশেষে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে বাঙালি অর্জন করে তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। আর পৃথিবীর মানচিত্রে উদ্ভব ঘটে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের।

উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতীয়মান হয় যে, ভাষা আন্দোলনই ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করেছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
32

Related Question

View All
উত্তরঃ

শহিদ মিনার নির্মাণের উদ্দেশ্য হলো ভাষাশহিদদের স্মরণ ও ভাষার প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন।
১৯৫২ সালের ভাষার জন্য শহিদ হওয়া ব্যক্তিদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও তাদের স্মৃতিসংরক্ষণের জন্য ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ঢাকা মেডিকেলের ছাত্ররা প্রথম শহিদ মিনার নির্মাণ শুরু করে এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের বাবা তা উদ্বোধন করেন। কিন্তু পুলিশ ও সেনাবাহিনী তা ভেঙে ফেললে ১৯৫৭ সালে বর্তমান স্থানে শহিদ মিনার স্থাপন শুরু হয় এবং ১৯৬৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
564
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মানভূমের ভাষা আন্দোলনের সাথে আমার * পঠিত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সাদৃশ্য খুঁজে পাই।

উদ্দীপকে দেখা যায়, মানভূমের বাঙালিদের মধ্যে ১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষা আন্দোলন গড়ে ওঠে। এসময় রাজনৈতিকভাবে স্কুল-কলেজ ও সরকারি দপ্তরের হিন্দি ভাষা জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ আন্দোলনের সাথে আমার পঠিত বাংলা ভাষা আন্দোলনের * সাদৃশ্য লক্ষণীয়। অনুরূপ ১৯৪৭ সালে পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬.৪০% মানুষের মুখের ভাষা বাংলার পরিবর্তে মাত্র ৭.২০% মানুষের ভাষা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকা এসে ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। তাছাড়া ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে ঘোষণা করলে পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন নতুন মাত্রা ও সর্বাত্মক রূপলাভ করে। এ সময়ে তমদ্দুন মজলিস ও রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ সালে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক হরতাল আহূত হলে স্থানীয় প্রশাসন ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ১ মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে এবং সকল সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়। সরকারের এ ঘোষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। অতঃপর ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা মিছিল বের করলে পুলিশের গুলিতে সালাম, আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার শহিদ হন। যার ফলে বিশ্ব ইতিহাসে ভাষার জন্য আন্দোলনের এক অবিনশ্বর ইতিহাস রচিত হয়।

অতএব উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে পূর্ব-বাংলার ভাষা আন্দোলনের মিল পরিলক্ষিত হয়। বাংলা ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদ উজ্জীবিত হয় যা স্বাধীনতা যুদ্ধের মূলমন্ত্র ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
423
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বাংলা ভাষা আন্দোলনে 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল' উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ ঘটায়। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি সর্বপ্রথম নিজেদের স্বতন্ত্র সত্তা ও অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়। আর এ চেতনাই পরবর্তীতে প্রতিটি গণআন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগায় এবং সকল বৈষম্য থেকে মুক্তির পথ সুগম করে। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রেরণায় উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে শাসক দল মুসলিম লীগের সকল বৈষম্যমূলক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে গণরায় প্রদানের মাধ্যমে যুক্তফ্রন্টকে জয়ী করে। বাঙালি জাতীয়তাবোধে উজ্জীবিত বাঙালি জাতি পরবর্তীতে ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্বাধিকারের প্রশ্নে পশ্চিম পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। সর্বোপরি এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতি বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে আনে। ফলে বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের। তাই ঘটনা পরম্পরা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৯৫২ সালে। বাঙালি জাতি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ের যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা অর্জন করে তার ধারাবাহিকতাতেই স্বাধীনতা অর্জন করে।

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন যে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা দেয় তার মধ্যে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল। তাই উদ্দীপকের উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
783
উত্তরঃ

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। কাল রাত বলতে নৃশংস ও ভয়ংকর রাতকে বোঝানো হয়। ১৯৭১ সালে ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট নামে বাঙালি জাতির উপর যে জঘন্য ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায় এ রাতকে কালরাত্রি বলা হয়। এ রাতে অসংখ্য নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্বিচারে হত্যা করা হয় এবং ঢাকা শহরের রাস্তায় লাশের স্তূপ তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
7 months ago
682
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews