Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

যদিও কোন তড়িৎদ্বার ইলেকট্রন দান করলে তাকে আমরা ধনাত্মক তড়িৎদ্বার হিসেবেই চিনি কিন্তু গ্যালভানিক সেলে কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইস সংযুক্ত করতে বা বর্তনী পূর্ণ করতে আমরা কী দেখি? আমরা দেখি অ্যানোড দন্ড দুটো মুক্ত ইলেকট্রন নিয়ে বসে আছে যা এখনো বর্তনী পার হয়নি। অর্থাৎ অ্যানোডে দুটি ইলেকট্রন থাকা মানে তা ঋণাত্বক আধান বিশিষ্ট যদিও বর্তনী পূর্ণ হলে তা ক্যাথোড দন্ডে চলে যায়। 

Sabbir Ahmad
Sabbir Ahmad
2 years ago
168

Related Question

View All
উত্তরঃ

স্টয়চিওমেট্রি (Stoichiometry) রসায়নের একটি শাখা যা একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক (reactants) এবং উৎপাদগুলির (products) মধ্যে পরিমাণগত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। এই শাখায় রাসায়নিক বিক্রিয়াতে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি পদার্থ এবং উৎপন্ন পদার্থের আপেক্ষিক পরিমাণ (relative amounts) গণনা করা হয়। এটি ভর সংরক্ষণের সূত্র (Law of Conservation of Mass) এবং সুষম রাসায়নিক সমীকরণের (Balanced Chemical Equation) উপর ভিত্তি করে কাজ করে। স্টয়চিওমেট্রি রসায়নবিদদের বিক্রিয়ার ফলন (yield) এবং প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির পরিমাণ নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
1k
উত্তরঃ

অ্যামোনিয়া (NH3) একটি ক্ষারধর্মী যৌগ। এটি একটি দুর্বল ক্ষার। অ্যামোনিয়া অণুতে নাইট্রোজেন পরমাণুর উপর একটি নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন যুগল (lone pair of electrons) থাকে, যা এটি দান করতে সক্ষম।

লুইস তত্ত্ব অনুযায়ী, যে সকল পদার্থ ইলেকট্রন যুগল দান করতে পারে, তাদের ক্ষার বলে। অ্যামোনিয়া অণু তার নিঃসঙ্গ ইলেকট্রন যুগল প্রোটন (H+) বা অন্য কোনো ইলেকট্রন-ঘাটতি সম্পন্ন যৌগকে দান করে বন্ধন গঠন করতে পারে। জলীয় দ্রবণে অ্যামোনিয়া জল থেকে প্রোটন গ্রহণ করে অ্যামোনিয়াম আয়ন (NH4+) এবং হাইড্রোক্সাইড আয়ন (OH-) উৎপন্ন করে। এই হাইড্রোক্সাইড আয়ন দ্রবণের ক্ষারধর্মীতার জন্য দায়ী।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
1.2k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের গ্রুপ 1 এর মৌল X (3য় পর্যায়) এবং Z (4র্থ পর্যায়)। উদ্দীপকের 3য় পর্যায়ের মৌলগুলো হলো X (গ্রুপ 1), Y (গ্রুপ 2) এবং Cl (গ্রুপ 17)। পর্যায় সারণীর একই গ্রুপের উপর থেকে নিচের দিকে পারমাণবিক আকার বৃদ্ধি পায় এবং একই পর্যায়ের বাম থেকে ডানে পারমাণবিক আকার হ্রাস পায়।

একই গ্রুপে উপর থেকে নিচে নামলে ইলেকট্রন কক্ষপথের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। প্রতিটি নতুন কক্ষপথ যুক্ত হওয়ার কারণে নিউক্লিয়াস থেকে সর্ববহিস্থ ইলেকট্রনের দূরত্ব বাড়ে এবং পারমাণবিক আকার বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে, একই পর্যায়ে বাম থেকে ডানে গেলে মৌলগুলোর নিউক্লিয়াসে প্রোটন সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, ফলে নিউক্লিয়াসের ধনাত্মক চার্জ বাড়ে। যদিও কক্ষপথের সংখ্যা একই থাকে, বর্ধিত নিউক্লিয়াসীয় চার্জ সর্ববহিস্থ ইলেকট্রনগুলোকে তীব্রভাবে আকর্ষণ করে ভেতরের দিকে টেনে নেয়, যার ফলে পারমাণবিক আকার হ্রাস পায়।

এই নীতি অনুসারে, উদ্দীপকের গ্রুপ 1 এর মৌলগুলোর মধ্যে X এর চেয়ে Z এর পারমাণবিক আকার বড় (Z > X), কারণ Z এর কক্ষপথের সংখ্যা X এর চেয়ে বেশি। আবার, উদ্দীপকের 3য় পর্যায়ের মৌলগুলোর মধ্যে X, Y এবং Cl এর পারমাণবিক আকারের ক্রম হলো X > Y > Cl। কারণ একই পর্যায়ে বাম থেকে ডানে নিউক্লিয়াসের আকর্ষণ শক্তি বাড়ায় পারমাণবিক আকার হ্রাস পায়। তাই, X, Y এবং Cl এর মধ্যে X এর পারমাণবিক আকার সবচেয়ে বড় এবং Cl এর পারমাণবিক আকার সবচেয়ে ছোট।

Satt AI
Satt AI
3 weeks ago
736
উত্তরঃ

উদ্দীপকের পর্যায় সারণি থেকে পাই:

        
  • তৃতীয় পর্যায়, গ্রুপ-২ মৌলটি হলো Y, অর্থাৎ ম্যাগনেসিয়াম (Mg)।
  •     
  • দ্বিতীয় পর্যায়, গ্রুপ-১৪ মৌলটি হলো C, অর্থাৎ কার্বন (C)।
  •     
  • তৃতীয় পর্যায়, গ্রুপ-১৭ মৌলটি হলো Cl, অর্থাৎ ক্লোরিন (Cl)।

সুতরাং, Y ও Cl দ্বারা গঠিত যৌগটি হলো ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড (\(MgCl_2\)) এবং C ও Cl দ্বারা গঠিত যৌগটি হলো কার্বন টেট্রাক্লোরাইড (\(CCl_4\))। এই যৌগদ্বয়ের মধ্যে \(MgCl_2\) বিদ্যুৎ পরিবাহী এবং \(CCl_4\) বিদ্যুৎ অপরিবাহী।

ম্যাগনেসিয়াম (Mg) গ্রুপ-২ এর একটি ধাতু, যা সহজে দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে \(Mg^{2+}\) আয়নে পরিণত হয়। অন্যদিকে, ক্লোরিন (Cl) গ্রুপ-১৭ এর একটি অধাতু, যা একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে \(Cl^-\) আয়নে পরিণত হয়। ইলেকট্রন আদান-প্রদানের মাধ্যমে Mg ও Cl এর মধ্যে আয়নিক বন্ধন গঠিত হয় এবং ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড (\(MgCl_2\)) গঠিত হয়। আয়নিক যৌগসমূহ কঠিন অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে না, তবে গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় তারা আয়নগুলোতে বিয়োজিত হয়। এই মুক্ত আয়নসমূহ বিদ্যুৎ পরিবহনে সক্ষম, তাই \(MgCl_2\) এর জলীয় দ্রবণ বা গলিত অবস্থা বিদ্যুৎ পরিবাহী।

কার্বন (C) গ্রুপ-১৪ এর একটি অধাতু এবং ক্লোরিন (Cl) গ্রুপ-১৭ এর একটি অধাতু। অধাতুসমূহ পরস্পরের সাথে ইলেকট্রন ভাগাভাগির মাধ্যমে সমযোজী বন্ধন গঠন করে। কার্বন এবং ক্লোরিনের মধ্যে সমযোজী বন্ধন গঠিত হয়, ফলে কার্বন টেট্রাক্লোরাইড (\(CCl_4\)) একটি সমযোজী যৌগ। সমযোজী যৌগসমূহের মধ্যে কোনো মুক্ত ইলেকট্রন বা আয়ন থাকে না যা বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। তাই, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড (\(CCl_4\)) একটি বিদ্যুৎ অপরিবাহী যৌগ।

উপরিউক্ত বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায় যে, উদ্দীপক অনুসারে Y (ম্যাগনেসিয়াম) ও Cl (ক্লোরিন) দ্বারা গঠিত ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড (\(MgCl_2\)) আয়নিক প্রকৃতির হওয়ায় বিদ্যুৎ পরিবাহী। অপরদিকে, C (কার্বন) ও Cl (ক্লোরিন) দ্বারা গঠিত কার্বন টেট্রাক্লোরাইড (\(CCl_4\)) সমযোজী প্রকৃতির হওয়ায় বিদ্যুৎ অপরিবাহী।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
819
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews