No explanation available yet.
উত্তরঃ

হাইড্রোজেন বর্ণালি তৈরি হয় যখন একটি হাইড্রোজেন অ্যাটম অথবা একাধিক হাইড্রোজেন অ্যাটম পরবর্তী অ্যাটমের সাথে চুম্বক বন্ধনের মাধ্যমে বিজারণ করে। হাইড্রোজেন বর্ণালির গঠনে সাধারণত একটি হাইড্রোজেন অ্যাটম মোলেকুলের সাথে বন্ধন গঠন করে, যা মোলেকুলার হাইড্রোজেন নামে পরিচিত।

হাইড্রোজেন বর্ণালি তৈরি হতে পারে অনেক পদ্ধতিতে, তবে সবচেয়ে সাধারণ পদ্ধতি হল নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়াতে, অতি উচ্চ তাপমাত্রার পরিবেশে হাইড্রোজেন মোলেকুল অথবা আয়টোম একসাথে সংঘটিত হয় এবং একটি নতুন মোলেকুল তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে, অতি বৃহত্তম শক্তির উপকরণ বের হয়, যা অংশগ্রহণকারী হাইড্রোজেন পরমাণুর মধ্যে রক্ষারক্ষী নিউক্লিয়ার বন্ধনের মাধ্যমে উত্সর্গ হয়। এই প্রক্রিয়ায় বের হওয়া উপকরণ শক্তির একটি অংশ প্রকাশ করে, যা আমরা পরিবাহী শক্তি হিসাবে ব্যবহার করি।

হাইড্রোজেন বর্ণালির অন্যান্য উৎপাদনের পদ্ধতিতে সহজেই উল্লিখিত নিউক্লিয়ার ফিউশন ব্যবহৃত হতে পারে, এটি পরিবেশে সংগ্রহশীল হাইড্রোজেন অণুগুলির সাথে প্রতিকূল সংঘটিত হতে পারে, যা মাধ্যমে হাইড্রোজেন ইলেক্ট্রন হারায় এবং নিউক্লিয়ার মধ্যে বন্ধনের ফলে বর্ণালি তৈরি হয়।

সরলতার দৃষ্টিতে, হাইড্রোজেন বর্ণালি সৃষ্টি হয় যখন হাইড্রোজেন অ্যাটম বা মোলেকুল অন্যান্য অণুগুলির সাথে চুম্বক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত হয়।

80

রাসায়নিক পরিবর্তন কি?

যে পরিবর্তনে কোন বস্তু বা পদার্থের আণবিক গঠন সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত হয়ে একটি নতুন পদার্থ তৈরি হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। অর্থাৎ রাসায়নিক পরিবর্তন এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে এক বা একাধিক পদার্থ এক বা একাধিক নতুন এবং ভিন্ন পদার্থে পরিবর্তিত হয়।

রাসায়নিক পরিবর্তন একটি অপরিবর্তনীয় এবং স্থায়ী প্রক্রিয়া। পরিবর্তনের সময় পদার্থের ভর পরিবর্তিত হয়, হয় ভর যোগ করা হয় বা সরানো হয়। এছাড়া রাসায়নিক পরিবর্তনে শক্তিরও পরিবর্তন ঘটে। রাসায়নিক পরিবর্তনে তাপ শোষণ বা উৎপন্ন হতে পারে। এতে পরমাণুর সংখ্যা এবং ধরন স্থির থাকলেও তাদের বিন্যাস পরিবর্তিত হয়।

রাসায়নিক পরিবর্তন কি? সংজ্ঞা ও উদাহরণ, azhar bd academy

রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ

যেকোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ। নিম্মে রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণসমূহ দেওয়া হল,

 

  • লোহায় মরিচা ধরা।
  • গাঁজন প্রক্রিয়া।
  • সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া।
  • বেকিং সোডা এবং ভিনেগার একত্রিত করা।
  • খাদ্য হজম।
  • কাগজ পোড়ানো।
  • ফল পাকা।
  • ফল পচা।

অ্যাসিড-ক্ষার বিক্রিয়া

  • পাতার রং পরিবর্তন।
  • টক দুধ।
  • বর্জ্যের পচন।
  • শ্বসন।
  • মোমের দহন
  • আতশবাজি বিস্ফোরণ।
  • ইলেক্ট্রোকেমিস্ট্রি
  • জিংক ও লঘু সালফিউরিক এসিডের বিক্রিয়া
  • সাবান বা ডিটারজেন্ট পানির সাথে বিক্রিয়া

রাসায়নিক পরিবর্তনের বৈশিষ্ট্য

রাসায়নিক পরিবর্তনগুলো নিম্মোক্ত বৈশিষ্ট্য দ্বারা চিহ্নিত করা যেতে পারে:

 

তাপমাত্রা পরিবর্তন: যেহেতু রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শক্তির পরিবর্তন হয়, তাই প্রায়ই পরিমাপযোগ্য তাপমাত্রা পরিবর্তন হয়। তাপ শোষণ বা উৎপন্ন হতে পারে।

আলো তৈরি: কিছু রাসায়নিক বিক্রিয়া আলো তৈরি করে।

বুদবুদ: কিছু রাসায়নিক পরিবর্তন গ্যাস উৎপন্ন করে যা তরল দ্রবণে বুদবুদ হিসেবে দেখা যায়।

রঙ পরিবর্তন: রাসায়নিক পরিবর্তনে রঙ পরিবর্তন হয়ে ভিন্ন কালার সৃষ্টি হয়।

গন্ধ পরিবর্তন: রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় উদ্বায়ী রাসায়নিক নির্গত করতে পারে যা গন্ধ তৈরি করে।

অপরিবর্তনীয়: রাসায়নিক পরিবর্তনগুলো প্রায়শই অপরিবর্তনীয় এবং এটিকে পূর্বাস্থায় ফেরানো অসম্ভব।

গঠনে পরিবর্তন: যখন কাঠ জ্বালানো হয়, তখন এটি ছাই এ পরিণত হয়। যখন খাদ্য পচে যায়, তখন এর গঠন দৃশ্যমানভাবে পরিবর্তিত হয়। এসব গঠন পূর্বাস্থায় আনা অসম্ভব।

রাসায়নিক পরিবর্তনের ৫ টি উদাহরণ

১. এক টুকরো লোহাকে দীর্ঘদিন বাতাসে রেখে দিলে, এটির ওপর মরিচার (ফেরিক অক্সাইড) আবরণ তৈরি হয়। লোহার সাথে বাতাসে বিদ্যমান অক্সিজেন ও জলীয়বাষ্প বিক্রিয়া করে পানিযুক্ত ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3) উৎপন্ন করে যা মরিচা নামে পরিচিত। মরিচা লোহা হতে সম্পূর্ণ ভিন্ন। সুতরাং এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন। মরিচার রাসায়নিক বিক্রিয়া হল, 


 

4Fe(s) + 3O2(g) + 6H2O(l)→ 4Fe (OH)3(s)


 

 


 

২. সূর্যালোকের উপস্থিতিতে, উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করতে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং পানি বিক্রিয়া করে খাদ্য (গ্লুকোজ) এবং অক্সিজেন উতপন্ন করে যা সালোকসংশ্লেষণ নামে পরিচিত। এটি দৈনন্দিন রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলির মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এইভাবে গাছপালা নিজেদের এবং প্রাণীদের জন্য খাদ্য তৈরি করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইডকে অক্সিজেনে রূপান্তর করে। বিক্রিয়ার সমীকরণ হল:


 

6 CO2 + 6 H2O + আলো → C​6H12O6 + 6 O2


 

৩. খাদ্য হজমের সময় রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। মুখের মধ্যে খাবার দেওয়ার সাথে সাথে লালার মধ্যে থাকা অ্যামাইলেজ নামক একটি এনজাইম শর্করা এবং অন্যান্য কার্বোহাইড্রেটগুলিকে আপনার শরীর শোষণ করতে পারে এমন সহজ আকারে ভেঙে দিতে শুরু করে। 


 

আপনার পাকস্থলীতে থাকা হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড খাবারের সাথে বিক্রিয়া করে এটিকে আরও ভেঙে দেয়। সবশেষে, এনজাইমগুলো প্রোটিন এবং চর্বি বিচ্ছিন্ন করে এবং রক্তের মাধ্যমে শরীরে শক্তি সঞ্চয় করে।


 

৪. অ্যাসিড (যেমন, ভিনেগার, লেবুর রস, সালফিউরিক অ্যাসিড) এবং ক্ষারক (যেমন, বেকিং সোডা, সাবান, অ্যামোনিয়া বা অ্যাসিটোন) একত্রিত করলে, একটি অ্যাসিড-ক্ষার বিক্রিয়া শুরু হয়। অ্যাসিড-ক্ষারকের বিক্রিয়ায় লবণ (KCl) ও পানি (H2O) উৎপাদন হয়। তাই এটি একটি রাসয়নিক পরিবর্তন। অ্যাসিড-ক্ষারকের বিক্রিয়ার সমীকরণটি হল,


 

HCl + KOH → KCl + H2O


 

৫. মোমবাতির দহন একটি রাসায়নিক পরিবর্তন। কারণ মোমবাতি জ্বলার সময় তাপে কিছু মোম গলে যায়, এটি ভৌত পরিবর্তন। কিন্তু অধিকাংশ মোম বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) ও জলীয় বাষ্প (H2O) উৎপন্ন করে। কার্বন ডাই অক্সাইড ও জলীয় বাষ্পের ধর্ম মোমের ধর্ম থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। সুতরাং মোমবাতির দহন একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।

 


 

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews