Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

যদি সমোন্নতি রেখাগুলো নদী থেকে কিছুটা দূরে খুব ঘন সন্নিবিষ্ট হয়ে দুটি সমোন্নতি রেখা কাছাকাছি থাকার পর কিছুটা স্থান ফাঁকা থাকে এবং পরে দুটি সমোন্নতি রেখা আবার কাছাকাছি সন্নিবিষ্ট থাকে তা হলে তাকে নদী মঞ্চ বা নদী সোপান বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় শিলাসমূহ সঞ্চিত হয়ে পাদদেশীয় পলল সমভূমি গঠিত হয়েছে।
পার্বত্য এলাকায় উচ্চগতিতে ক্ষয়প্রাপ্ত সূক্ষ্ম শিলাচূর্ণ, বালুকা, পলি প্রভৃতি কোনো না কোনো ক্ষেত্রে পাহাড়ের খাড়া ঢালের পাদদেশে ব্যাপকভাবে সঞ্চিত হয়। সূক্ষ্ম কণাবিশিষ্ট পদার্থসমূহ সঞ্চিত হয় বলে সেই স্থান ধীরে ধীরে উচ্চ ভূমিতে পরিণত হয়ে পাদদেশীয় পলল সমভূমি গঠিত হয়। বাংলাদেশের দিনাজপুর ও রংপুর জেলার অধিকাংশ স্থান পলল সমভূমির অন্তর্ভুক্ত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' ভূমিরূপটি হলো ভি-আকৃতির উপত্যকা। নিচে চিত্রসহ V আকৃতির উপত্যকা সম্পর্কে ব্যাখ্যা দেওয়া হলো-
নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট V-এর মতো দেখতে উপত্যকাকে V আকৃতির উপত্যকা বলে। পার্বত্য অঞ্চলের শিলা তুলনামূলকভাবে কঠিন থাকে। সেখানে নদীর স্রোতের গতিবেগও বেশি। ফলে এ অবস্থায় নদী পার্শ্বক্ষয়ের তুলনায় তলদেশের ক্ষয়সাধন অধিক হয়। এ সময় পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার মধ্যভাগ অধিক ক্ষয় হতে হতে কালক্রমে ইংরেজি 'V' অক্ষরের ন্যায় রূপধারণ করে। এজন্য এ ধরনের উপত্যকাকে 'V' আকৃতির উপত্যকা বলে। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে পার্শ্বদিকের ক্ষয়ের পরিমাণ বেশি হলে উপত্যকা ক্রমান্বয়ে প্রশস্ত হতে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'খ' ও 'গ' ভূমিরূপ দুটি হলো যথাক্রমে বদ্বীপ ও বর্তুলাকার গর্ত।

আকার, আকৃতি ও বৈশিষ্ট্যগতভাবে এ দুই প্রকার ভূমিরূপ ভিন্ন আকৃতির হয়। নিচে বদ্বীপ ও বর্তুলাকার গর্তের বৈশিষ্ট্য আলাদাভাবে তুলে ধরা হলো- বদ্বীপ হলো নদীর সঞ্চয়জাত ভূমিরূপ। সর্বনিম্ন গতিতে অর্থাৎ মোহনার নিকট নদীর গতিবেগ একেবারেই কমে যায়। নদীর তখন পলি বহনের ক্ষমতা একেবারেই থাকে না। ফলে নদীবাহিত পলি, বালুকণা, শিলাচূর্ণ নদীর মোহনায় সঞ্চিত হতে থাকে। দীর্ঘদিন সঞ্চিত হতে হতে নদীর মোহনায় উঁচু হয়ে নদীর মুখে সমুদ্রের পানির উপর জেগে ওঠে। তখন নদীর মুখ বন্ধ হয়ে যায়। নদী সে সময় নতুন খাতের সৃষ্টি করে প্রবাহিত হয়। এভাবে বাধা পাওয়ার কারণে নদী বহু শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে পড়ে। এ সমস্ত শাখানদী আবার পরবর্তীতে একইভাবে তাদের মুখে পলি সঞ্চয় করে নতুন ভূখণ্ডের সৃষ্টি করে। নতুন গঠিত ভূখণ্ডের দুই পাশ দিয়ে নদী প্রবাহিত হওয়ায়  ভূখন্ডটি স্বাভাবিকভাবেই ত্রিকোণার মাত্রাহীন 'এ' এর মতো রূপ লাভকরায় একে বদ্বীপ বলে। পশ্চিমবঙ্গের হুগলী নদী হতে বাংলাদেশের মেঘনা নদীর মোহনা পর্যন্ত এলাকা একটি আদর্শ বদ্বীপ অঞ্চল। অন্যদিকে বর্তুলাকার গর্ত হলো নদীর ক্ষয়জাত ভূমিরূপ। দ্রুতবেগে নদীর স্রোত প্রবাহিত হওয়ার সময় নদী উপত্যকার কোনো কোনো স্থানে ঘূর্ণিস্রোতের সৃষ্টি হয়। তখন নদীর তলদেশের কোনো কোনো স্থানের কোমল শিলাস্তর দ্রুত ক্ষয় হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। এ জাতীয় গর্তকে বর্তুলাকার গর্ত বলে। বর্ষাকালে নদীর গতি দ্রুত বৃদ্ধির ফলে এ ধরনের গর্ত সৃষ্টি হয়। তবে বাংলাদেশের সব অঞ্চলের নদীতে এরূপ ভূমিরূপ সৃষ্টি হয় না। ফরিদপুর জেলার গোয়ালন্দ থেকে শিবচর থানা পর্যন্ত পদ্মা নদীর পশ্চিমপাড়ে মাঝে মাঝে এ ধরনের গর্ত দেখা যায়।  তাই বলা যায়, বদ্বীপ ও বর্তুলাকার গর্তের মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য রয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
39
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All

বিচূর্ণীভবনের সংজ্ঞা দাও। (জ্ঞানমূলক)

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

যান্ত্রিক, রাসায়নিক ও জৈবিক প্রক্রিয়ায় ভূপৃষ্ঠের শিলারাশি চূর্ণ-বিচূর্ণ বা বিশ্লিষ্ট হলে তাকে বিচূর্ণীভবন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
121

সুনামি সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবন)

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস, নভোজাগতিক ঘটনা প্রভৃতি কারণে সুনামির সৃষ্টি হয়।
সাধারণত সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের

সাধারণত সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সমুদ্রের তলদেশের বিশাল জলরাশি সরে যায় এবং সমুদ্রের পানিতে প্রচণ্ড ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় যা সুনামি নামে পরিচিত। এছাড়া পাত সঞ্চালনের কারণে সৃষ্ট ভূমিকম্পের কারণেও সমুদ্রের বিশাল জলরাশি সরে যায় এবং মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা পানি আরও ফুলে ওঠে লক্ষ লক্ষ টনের বিশাল ঢেউ তৈরি করে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসে যা সুনামি নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
119

উদ্দীপকে বিবিসি প্রচারিত দুর্যোগ সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা কর। (প্রয়োগ)

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বিবিসি এর প্রচারিত দুর্যোগটি হলো ভূমিকম্প।
ভূঅভ্যন্তরে দ্রুত বিপুল শক্তি বিমুক্ত হওয়ায় পৃথিবীপৃষ্ঠে যে ঝাঁকুনি বা কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকল্প বলে। নিচে ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার কারণ বর্ণনা করা হলো- ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ভূনিম্নস্থ শিলাস্তরে ভারের সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টির ফলে ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ভূআলোড়নের ফলে ভূত্বকের কোনো স্থানে শিলা ধসে পড়লে বা শিলা চ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়। আবার সমগ্র পৃথিবী ৭টি প্লেটের সমন্বয়ে গঠিত এবং এসব প্লেট সঞ্চরণশীল। যার কারণে একটি প্লেটের সাথে অন্য প্লেটের সংঘর্ষ বা ধাক্কা লাগে এবং শিলাস্তরের মধ্যে কম্পন অনুভূত হয়। জাপানের পূর্ব পার্শ্বে একটি প্লেট থাকায় এখানে ভূমিকম্প বেশি অনুভূত হয়। তবে মূলত প্লেটগুলোর সঞ্চরণশীলতার কারণেই শিলাস্তরের মধ্যে কম্পনের সৃষ্টি হয়, যা ভূমিকম্প নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
108

হারিস সাহেবের পরের দিন দেখা দুর্যোগটির প্রভাব বিশ্লেষণ কর। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে হারিস সাহেবের পরের দিন দেখা দুর্যোগটি হলো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে লাভা উপরের দিকে ওঠে এবং বহুদূরে লাভার ঢল ছড়িয়ে পড়ে বহু নগর, গ্রাম ইত্যাদি ধ্বংস করে। এর দাহ্য ও বিষাক্ত গ্যাস উদগিরণে নিকটবর্তী এলাকার হাজার হাজার লোকের নিমেষে প্রাণহানি হয়। অনেক সময় আগ্নেয়গিরি থেকে উদগীরিত লাভা, ভস্ম ও ধূলিকণা আকাশের উপরের দিকে স্ট্রাটোমণ্ডলে ওঠে যায় এবং তা দ্রুত পৃথিবীপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে পৃথিবীপৃষ্ঠে আবার যেসব আগ্নেয়গিরি উঁচু পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত সেসব পর্বত বরফে ঢাকা থাকলে অগ্ন্যুৎপাতের সময় তা গলে পাদদেশীয় এলাকায় বন্যার সৃষ্টি করে ও জীবনহানি ঘটে এবং বায়ুদূষণের সৃষ্টি করে।
উদ্দীপকের প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপটিও অগ্ন্যুৎপাতের ফলেই সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাৎ শুধু তাই নয়, এর ফলে মালভূমিও সৃষ্টি হয়। লাভার সাথে অত্যন্ত মূল্যবান খনিজ ভূপৃষ্ঠে ওঠে আসে। ফলে উক্ত এলাকা খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
110

আগ্নেয়গিরি কী? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

ভূগর্ভস্থ গলিত লাভা, বাষ্প, ভস্ম, গ্যাস, ধূম্র প্রভৃতি পদার্থ ভূপৃষ্ঠের ফাটল বা ছিদ্রপথের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠে নির্গত হলে তা জমাট বেঁধে যে পদার্থ বা গিরির সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয়গিরি বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
125

ভূপৃষ্ঠের ধীর পরিবর্তনকারী শক্তি ব্যাখ্যা কর। (অনুধাবন)

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন সৃষ্টিকারী শক্তিসমূহের মধ্যে ধীর পরিবর্তন অন্যতম। ধীরগতির শক্তিসমূহের ভূমিরূপের পরিবর্তন দীর্ঘ সময় ব্যাপি সংঘটিত হয়। ধীর গতির শক্তিসমূহ প্রধানত প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এ প্রাকৃতিক শক্তিসমূহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্নভাবে কাজ করে। ধীরগতির শক্তিসমূহ চারটি প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয় যেমন-
১. বিচূর্ণীভবন,
২. অপসারণ,
৩. নগ্নীভবন ও
৪. অবক্ষেপণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
145
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews