প্রাচীনকালে রোম নগরী সবচেয়ে শক্তীশালী ছিল।
উর্বর মাটিতে পুঞ্জিভূত বসতি গড়ে ওঠে। কিন্তু মাটি অনুর্বর হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। তাই বসতি স্থাপনে মাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
যেমন- দক্ষিণ জার্মানে বিক্ষিপ্ত বসতি গড়ে উঠেছে।
উদ্দীপকের-১ নং চিত্রের বসতি হলো অতি ক্ষুদ্র পরিবারভুক্ত বসতি
অর্থাৎ বিক্ষিপ্ত বসতি।
অধিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঢাকা নগরীকে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠতে প্রধান ভমিকা পালন করেছে। যেহেতু ঢাকা দেশের বৃহত্তম ও রাজধানী শহর তাই এখানে অধিক সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তির আশায় জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এত জনগণের জায়গা সংকুলানের জন্য দ্রুত আবাসন সৃষ্টি করতে হচ্ছে। ফলে সঠিক প্রক্রিয়ায় পরিকল্পিতভাবে নগরী গড়ে উঠতে বাধাগ্রস্ত
হচ্ছে। কৃষি জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়া আর একটি কারণ। কেননা জনসংখ্যা অধিক হওয়ায় কৃষিজমি অধিগ্রহণ করে শিল্প কারখানা গড়ে উঠছে আবার এসব জনগণের আবাসনও তৈরি হচ্ছে। ফলে ঢাকা শহরের খাবার পানি ও উপযুক্ত পয়ঃনিষ্কাশনের সঙ্কট সৃষ্টি হচ্ছে। বর্জ্য অপসারণ সমস্যা, পরিবহন ও যানজট সংকট, বাসস্থানের অভাব ও বস্তির সৃষ্টি, পানি, বায়ু, মাটি ও শব্দ দূষণ ইত্যাদি সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান নগরবাসীর জন্য এসব সমস্যার সমাধান করা দুরুহ হয়ে পড়ছে। ফলে পরিকল্পনাহীন ব্যবস্থাপনা ও দুর্বল অর্থনীতির কারণে পরিকল্পিত নগরায়ণ গড়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়ছে।
উদ্দীপকে ২ ও ৩ নং চিত্রের বসতি দুটি হলো যথাক্রমে গোষ্ঠীবদ্ধ বা সংঘবদ্ধ বসতি এবং রৈখিক বা দণ্ডাকৃতির বসতি।
১. ঢাকা শহরের জনসংখ্যা হ্রাস করতে হবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন জেলা শহরগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে তাহলে গ্রামের দরিদ্র জনগণ ঢাকা শহরে আসার আগ্রহ হারিয়ে জেলা শহরগুলোতে কাজের জন্য যাবে।
২. পরিকল্পিতভাবে রাস্তাঘাট নির্মাণ করতে হবে। রাস্তার পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। এতে যানজট কমে আসবে।
৩. পুরনো গাড়ি, গণপরিবহন, টেম্পো ইত্যাদি পরিবর্তন করতে হবে। নতুন গাড়ির লাইসেন্স প্রদান করার সময় যথাযথ নিয়ম মেনে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। তাহলে যানজটমুক্ত রোড পাওয়া যাবে। গ্যাসচালিত পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে। এতে ঢাকা শহরে গাড়ির সংখ্যা কমবে এবং যানজটও কমে আসবে।
৪. ঢাকা শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা সর্বোত্তম বিবেচিত হলেও ময়লা আবর্জনার ভারে বুড়িগঙ্গা নদী বিপর্যস্ত ও পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ময়লা আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখা যায়।
Related Question
View Allমুসলিম সভ্যতায় (অষ্টম শতাব্দী থেকে) নগরায়ণের প্রসার ঘটে।
মাটির উর্বরাশক্তির ওপর নির্ভর করে বসতি স্থাপন করা হয়।
উর্বর মাটিতে পুঞ্জীভূত বসতি গড়ে ওঠে। মানুষ কৃষিজমির পাশে বসতি গড়ে তোলে যাতে করে সহজে ও কম খরচে ফসল ফলাতে পারে এবং খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারে। যেমন- যমুনা নদীর তীরবর্তী অঞ্চল। কিন্তু মাটি অনুর্বর বা অসমতল হলে বিক্ষিপ্ত জনবসতি গড়ে ওঠে। যেমন- চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!