মানুষের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াই হলো বিশ্ব উষ্ণায়ন।
একটি দেশ যখন পণ্য রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি করে তখন তাকে বাণিজ্য ঘাটতি বলে।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ভারসাম্য সমান নয়। অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর দেশের সঙ্গে উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অসম বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে। এটাই বাণিজ্য ঘাটতি।
সম্পদকে প্রাথমিকভাবে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-(১) প্রাকৃতিক সম্পদ, (২) মানব সম্পদ, (৩) অর্থনৈতিক সম্পদ। প্রাকৃতিক সম্পদকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
১. নবায়নযোগ্য সম্পদ; ২ . অনবায়নযোগ্য সম্পদ।
বিজ্ঞানীদের মতে, অনবায়নযোগ্য সম্পদ খুব ধীর গতিতে সৃষ্টি হয় এবং তাদের সরবরাহের পরিমাণ সীমাবদ্ধ। অনেক সম্পদ আছে যেগুলো সময়ের উত্তরণে কোনোভাবেই প্রভাবিত হয় না। যেমন কয়লার মজুদ অথবা আকরিক ধাতু। আবার অনেক সম্পদ সময়ের উত্তরণে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়, যেমন চোয়ানের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ হ্রাসপ্রাপ্ত হয়। নবায়নযোগ্য সম্পদ বলতে বোঝাবে সেই জাতীয় সম্পদ, যা মূলত পুনঃসংগঠনশীল, কিন্তু সময়ের ব্যবধানে তারা বিশেষভাবে পরিবর্তনশীল। এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে জলবিদ্যুৎ।
সম্পদ সংরক্ষণের অর্থ প্রাকৃতিক সম্পদের এমন ব্যবহার, যাতে ঐ সম্পদ যথাসম্ভব অধিকসংখ্যক লোকের দীর্ঘ সময়ব্যাপী সর্বাধিক মঙ্গল নিশ্চিত করতে সহায়ক হয়। সংরক্ষণধারণার অপর নাম জীবনাচরণ। শিক্ষা, মানবিক বৃত্তি, সত্যাচরণ, ন্যায়বিধান, সত্যানুসন্ধান, কর্তব্যপরায়ণতা বা প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসার অপর নাম সংরক্ষণ। অর্থনীতিবিদদের মতে, সম্পদ অসীম নয়, সসীম। তাই সম্পদ ব্যবহারের উত্তম ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। উত্তম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে
নবায়নযোগ্য সম্পদের বৃদ্ধি সম্ভবপর। পরিবেশ সম্মত ব্যবস্থাপনাই
উত্তম ব্যবস্থাপনা। অনবায়নযোগ্য সম্পদ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হতে পারে, যেমন তেল পোড়ানো। কিন্তু নবায়নযোগ্য সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৌরবিদ্যুৎ এবং পানিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে জলবিদ্যুৎশক্তি উৎপাদন করলে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না। এছাড়া বিভিন্ন ব্যবহৃত বস্তুকে রিসাইক্লিং করে পুনরায় সম্পদরূপে ব্যবহার করা যায়, এতে সম্পদের অপচয় কম হয়। আবর্জনা থেকে তেল উৎপাদন করে আবর্জনা বহনকারী গাড়ি চলছে।
তাই ভূমি, পানি, বিভিন্ন খনিজ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় সকলকে সচেতন হওয়া উচিত এবং এগুলো অপচয় রোধ করা গেলে আমাদের সম্পদের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে।
সুতরাং আমি মনে করি, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের উত্তম ব্যবস্থাপনাই অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাবি।
মানুষের প্রাত্যহিক চাহিদা মেটানোর জন্য সম্পদ প্রয়োজন এবং এটি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সম্পদের ব্যবহারের ভিঞ্চিকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ ভৌগোলিকভাবে কোন কোন ধরনের অর্থনৈতিক কার্যাবলির সঙ্গে জড়িত তা জানা যাবে। আর এ থেকে জানা যাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ কী ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকার্ডের সঙ্গে জড়িত ाচ্ছে। ान ওঠা কোন কোন নিয়ামকের উপর নির্ভর করে এবং বিভিন্ন পণ্যের আমদানি-রপ্তানির ভারসাম্যহীনতা কেন হয়, তা আমরা জানতে পারব।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!