হুমায়ুন আজাদ মুন্সীগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
ছোটো বয়স থেকে একজনকে কবিতা লিখতে হলে তাকে শব্দ ও ছন্দ সম্পর্কে জানতে হবে।
কবিতা লিখতে হলে প্রথমে নানা ধরনের শব্দ এবং সেগুলোর ব্যবহার জানতে হবে। জানতে হবে ছন্দ আর থাকতে হবে স্বপ্ন। যার চোখে স্বপ্ন নেই, সে কবি হতে পারে না। স্বপ্ন থাকলে মনে আসে নতুন ভাবনা, নেচে নেচে আসে ছন্দ আর শব্দ। যার ফলে তৈরি হয় কবিতা।
উদ্দীপকে ফুটে ওঠা ভাবনার সাথে 'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধের কবি ও কবিতার বৈশিষ্ট্য বর্ণনার দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে।
'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক হুমায়ুন আজাদ কবিতার বৈশিষ্ট্য ও কবিতা লেখার কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তাঁর মতে, যা পড়লে মনের ভিতর স্বপ্ন জেগে ওঠে, ছবি ভেসে ওঠে, তা-ই কবিতা। শব্দের সঙ্গে শব্দ মিলিয়ে রচিত হয় কবিতা। তাই কবিতা লিখতে হলে সাধনার পাশাপাশি নানা রকম শব্দ সম্পর্কেও জানতে হবে।
উদ্দীপকে ফুটে ওঠা ভাবনায় কবিতা লেখার জন্য কল্পনা অর্থাৎ স্বপ্ন দেখা, শব্দ চেনা, শব্দের প্রয়োগ ও ছন্দের কথা বলা হয়েছে। এসবের সঠিক প্রয়োগ ঘটলেই লেখাটি কবিতা হয়ে উঠবে। এর মাধ্যমে আমরা পাব একজন সার্থক কবিকে। আলোচ্য প্রবন্ধটিতেও প্রাবন্ধিক কবিতার বৈশিষ্ট্য এবং রচনাকৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন। সে বিবেচনায় উদ্দীপকের ছকে বর্ণিত কবিতা সম্পর্কিত ভাবনার সাথে 'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।
নতুন কোনো ভাবনাকে যথাযথ শব্দ ও ছন্দের সমন্বয়ে প্রকাশ করার মধ্য দিয়েই একজন কবি কবিতা লিখতে পারেন।
'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক মনে করেন, কবিরা কবিতা লিখতে পারেন কারণ নতুন ভাব তাঁদের চেতনায় খেলা করে। এজন্য কবিকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন শব্দ জানতে হয়, যা পূর্বে কেউ ব্যবহার করেনি। তারপর কল্পনা, শব্দ ও ছন্দের মিলন ঘটিয়ে কবিতা লিখতে হয়।
পৃথিবীর সবকিছুই কোনো না কোনো নিয়মের দ্বারা পরিচালিত। কবিকেও তেমনই নিয়ম মেনে কবিতা লিখতে হয়। কবিতা লেখার এই নিয়মের মধ্যে রয়েছে কল্পনা, ছন্দ ও শব্দ প্রয়োগের কৌশল। উদ্দীপকের ছকে সে বিষয়টিকেই নির্দেশ করা হয়েছে। একজন কবি কবিতা লিখতে কী কী উপাদান ব্যবহার করেন তার ধারাবাহিক প্রক্রিয়াই সেখানে ফুটে উঠেছে।
'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক কবিতা লেখার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গগুলো সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। কবিতার জন্য স্বপ্ন ও কল্পনাশক্তির প্রয়োজন, নতুন নতুন ভাবনার প্রয়োজন, আরও প্রয়োজন শব্দ নিয়ে খেলতে জানা। আলোচ্য প্রবন্ধ ও উদ্দীপকে কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে মূলত এ বক্তব্যটিই তুলে ধরা হয়েছে। তাই বলা যায়, কবিতা লেখার জন্য এই অপরিহার্য অনুষঙ্গগুলো যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমেই একজন কবি কবিতা লিখতে পারেন।
Related Question
View Allকবিতা লেখার জন্য প্রথমেই স্বপ্নের প্রয়োজন।
যেকোনো কিছু বানাতে হলে যেমন উপকরণ বা জিনিসের দরকার হয়, তেমনই কবিতা লেখার জন্যও দরকার হয় রংবেরঙের শব্দের।
শব্দের পর শব্দ সাজিয়েই কবি প্রকাশ করেন- রূপ-রস-গন্ধ-সুর-ছবি। কবির মনোভাব ব্যক্ত করতে প্রয়োজন পড়ে রংবেরঙের হাজারো শব্দের। কবির কবিতায় এসব শব্দ ছন্দের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। প্রশ্নোক্ত উক্তি দ্বারা একথাই বোঝানো হয়েছে।
'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধে কবি প্রকৃতিকে দেখার কথা বলেছেন; বুকের মধ্যে ছবি, রং, সুর জমাতে বলেছেন। যা উদ্দীপকের নির্ঝরের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিফলিত হয়েছে।
'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধে ছোটোদের চারপাশের প্রকৃতিকে দেখতে বলা হয়েছে। ছোটো বয়সে দেখা এসব কিছু বুকে জমাতে বলা হয়েছে। প্রাবন্ধিক মনে করেন, গভীরভাবে দেখা, কবিতার বই পড়া এবং মায়াবী শব্দ ও ছন্দ অনুধাবনে একদিন সেসব বিষয় কবিতা হয়ে ধরা দেবে।
উদ্দীপকের নির্ঝরকে তার ফুফু মাহফুজা প্রায়ই নানা রকম কবিতা শোনান। এজন্য সে তার ফুফুকে খুব পছন্দ করে। নির্ঝর একদিন ফুফুর কাছে ভালো কবিতা লেখার বিষয়ে জানতে চাইলে ফুফু তাকে চারপাশের সুন্দর স্বপ্নময় শব্দ বুকে ধারণ করতে বলেন। কেননা, ভবিষ্যতে এসব সুন্দর স্বপ্নময় শব্দ নিবিড়ভাবে কবিতা লেখার প্রেরণা জোগাবে। উদ্দীপক ও 'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধে কবিতা লেখার উপকরণ প্রকৃতির রূপ -গন্ধ-সৌন্দর্য অবলোকন ও আত্মস্থ করার কথা বলা হয়েছে। যার মাধ্যমে উদ্দীপকের নির্ঝরের প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়।
মাহফুজার উত্তর 'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধের মূলভাবকে ধারণ করে।
শব্দের সঙ্গে শব্দ মিলিয়ে কবিতা লেখা হয়। তাই কবিতা লিখতে গেলে শব্দকে চেনা জরুরি। ছেলেবেলা থেকেই চারপাশের শব্দগুলোকে চিনতে হবে। তাদেরকে মনে গেঁথে নিতে হবে। তবেই কবি হওয়া সম্ভব, ভালো কবিতা রচনা করা সম্ভব।
উদ্দীপকের মাহফুজার উক্তিটি কবিতা লেখার মূল প্রেরণাকে ধারণ করেছে। একইভাবে পঠিত প্রবন্ধেও কবিতা লেখার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে। আমাদের চারপাশে সুন্দর সুন্দর স্বপ্নময় শব্দ রয়েছে। উদ্দীপকে এ শব্দকে চেনার ও বুকে লালন করার কথা বলা হয়েছে।
সাহিত্যের এক অনন্য শাখা কবিতা। কবিতা লিখতে হলে শব্দের কথা ভাবতে হবে। শব্দ নিয়ে খেলতে হবে। 'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধে তেমন বক্তব্যই ফুটে উঠেছে। একথাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে উদ্দীপকের মাহফুজার বক্তব্যেও। কবিতা লিখতে হলে নানা রকম শব্দের রূপ-রস-গন্ধ-বর্ণ চিনতে হবে। তবেই সার্থক কবিতা লেখার চেষ্টা করা যেতে পারে। কবিতা লেখার জন্য শব্দের সৌন্দর্যই মূলকথা। এদিক বিবেচনায় উদ্দীপকের মাহফুজার উত্তর 'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধের মূলভাবকে ধারণ করেছে।
'চমকপ্রদ' শব্দের অর্থ যা অবাক করে দেয়।
কবিদের ভাষার সৌন্দর্যকে প্রকাশ করতে প্রাবন্ধিক প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছেন।
কবিরা কবিতা লিখেন আর কবিতা লেখার জন্য প্রয়োজন হয় নানা রকম শব্দ, শব্দের প্রতি ভালোবাসা। কবিদের শব্দের প্রতি ভালোবাসা আছে তাই তারা শব্দকে আদর করে সুখ অনুভব করেন। গোলাপের মতো সুন্দর সুন্দর কথা বলেন, চাঁদের মতো স্বপ্ন দেখেন। শব্দের জন্য আদর-ভালোবাসা না থাকলে গোলাপের মতো সুন্দর করে কথা বলা যায় না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
