Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

হুমায়ুন আজাদ মুন্সীগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

ছোটো বয়স থেকে একজনকে কবিতা লিখতে হলে তাকে শব্দ ও ছন্দ সম্পর্কে জানতে হবে।

কবিতা লিখতে হলে প্রথমে নানা ধরনের শব্দ এবং সেগুলোর ব্যবহার জানতে হবে। জানতে হবে ছন্দ আর থাকতে হবে স্বপ্ন। যার চোখে স্বপ্ন নেই, সে কবি হতে পারে না। স্বপ্ন থাকলে মনে আসে নতুন ভাবনা, নেচে নেচে আসে ছন্দ আর শব্দ। যার ফলে তৈরি হয় কবিতা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ফুটে ওঠা ভাবনার সাথে 'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধের কবি ও কবিতার বৈশিষ্ট্য বর্ণনার দিকটির সাদৃশ্য রয়েছে।

'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক হুমায়ুন আজাদ কবিতার বৈশিষ্ট্য ও কবিতা লেখার কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করেছেন। তাঁর মতে, যা পড়লে মনের ভিতর স্বপ্ন জেগে ওঠে, ছবি ভেসে ওঠে, তা-ই কবিতা। শব্দের সঙ্গে শব্দ মিলিয়ে রচিত হয় কবিতা। তাই কবিতা লিখতে হলে সাধনার পাশাপাশি নানা রকম শব্দ সম্পর্কেও জানতে হবে।

উদ্দীপকে ফুটে ওঠা ভাবনায় কবিতা লেখার জন্য কল্পনা অর্থাৎ স্বপ্ন দেখা, শব্দ চেনা, শব্দের প্রয়োগ ও ছন্দের কথা বলা হয়েছে। এসবের সঠিক প্রয়োগ ঘটলেই লেখাটি কবিতা হয়ে উঠবে। এর মাধ্যমে আমরা পাব একজন সার্থক কবিকে। আলোচ্য প্রবন্ধটিতেও প্রাবন্ধিক কবিতার বৈশিষ্ট্য এবং রচনাকৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন। সে বিবেচনায় উদ্দীপকের ছকে বর্ণিত কবিতা সম্পর্কিত ভাবনার সাথে 'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
উত্তরঃ

নতুন কোনো ভাবনাকে যথাযথ শব্দ ও ছন্দের সমন্বয়ে প্রকাশ করার মধ্য দিয়েই একজন কবি কবিতা লিখতে পারেন।

'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধের প্রাবন্ধিক মনে করেন, কবিরা কবিতা লিখতে পারেন কারণ নতুন ভাব তাঁদের চেতনায় খেলা করে। এজন্য কবিকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন শব্দ জানতে হয়, যা পূর্বে কেউ ব্যবহার করেনি। তারপর কল্পনা, শব্দ ও ছন্দের মিলন ঘটিয়ে কবিতা লিখতে হয়।

পৃথিবীর সবকিছুই কোনো না কোনো নিয়মের দ্বারা পরিচালিত। কবিকেও তেমনই নিয়ম মেনে কবিতা লিখতে হয়। কবিতা লেখার এই নিয়মের মধ্যে রয়েছে কল্পনা, ছন্দ ও শব্দ প্রয়োগের কৌশল। উদ্দীপকের ছকে সে বিষয়টিকেই নির্দেশ করা হয়েছে। একজন কবি কবিতা লিখতে কী কী উপাদান ব্যবহার করেন তার ধারাবাহিক প্রক্রিয়াই সেখানে ফুটে উঠেছে।

'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক কবিতা লেখার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গগুলো সম্পর্কে আলোকপাত করেছেন। কবিতার জন্য স্বপ্ন ও কল্পনাশক্তির প্রয়োজন, নতুন নতুন ভাবনার প্রয়োজন, আরও প্রয়োজন শব্দ নিয়ে খেলতে জানা। আলোচ্য প্রবন্ধ ও উদ্দীপকে কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে মূলত এ বক্তব্যটিই তুলে ধরা হয়েছে। তাই বলা যায়, কবিতা লেখার জন্য এই অপরিহার্য অনুষঙ্গগুলো যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমেই একজন কবি কবিতা লিখতে পারেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
144

কবিতা কাকে বলে, বলা খুব মুশকিল। কিন্তু আমরা যারা পড়তে পারি, তারা কম-বেশি কবিতা চিনি। কবিতারও চেহারা আছে। বইয়ে বা পত্রিকায় যে-লেখাগুলো খুব সুন্দরভাবে ছাপানো হয়, যে-লেখাগুলো, পঙ্ক্তিগুলো খুব বেশি বড় হয় না, যে-গুলোতে একটি পঙ্ক্তি আরেকটি পঙ্ক্তির সমান হয়, সে-লেখাগুলোই কবিতা। যে-লেখাগুলো পড়লে মন নেচে ওঠে; গান গেয়ে উঠতে ইচ্ছে করে, চোখে বুকে রং-বেরঙের স্বপ্ন এসে জমা হয়, তা-ই কবিতা। যা পড়লে, দু-তিনবার পড়লে আর ভোলা যায় না, মনের ভেতর যা নাচতে থাকে, তা-ই কবিতা।

কবিতা কারা লেখেন? কবিরা লেখেন কবিতা। তাঁরা একটি শব্দের পাশে আরেকটি শব্দ বসিয়ে, একটি শব্দের সাথে আরেকটি শব্দ মিলিয়ে কবিতা লেখেন। আমরা যদি কিছু বানাতে চাই, তাহলে কিছু-না-কিছু জিনিস লাগে। উপমা একটি ঘুড়ি বানাতে চায়। ঘুড়ি বানানোর জন্যে উপমার দরকার লাল-নীল কাগজ, সুতো, বাঁশের টুকরো। মৌলি একটি পুতুল বানাতে চায়। তার দরকার হলদে টুকরো কাপড়, সুতো, তিনটা লাল বোতাম, দুটো সবুজ কাঁটা, একটু তুলো। তেমনি কবিতা বানাতে হলেও জিনিস চাই। কবিতার জন্যে দরকার শব্দ - রংবেরঙের শব্দ। 'পাখি' একটা শব্দ, 'নদী' একটা শব্দ, 'ফুল' একটা শব্দ, 'মা' একটা শব্দ; এমন হাজারো শব্দের দরকার হয় কবিতা লেখার জন্যে। কবি হতে পারে কে? সে-ই হতে পারে কবি, যে লিখতে পারে কবিতা, যার ভালোবাসা আছে শব্দের জন্যে। যে শব্দকে ভালোবাসে খুব, শব্দকে আদর করে করে যে খুব সুখ পায়, সে-ই হতে পারে কবি। কবিরা গোলাপের মতো সুন্দর সুন্দর কথা বলেন, চাঁদের মতো স্বপ্ন দেখেন। তুমিও গোলাপের মতো সুন্দর কথা বলতে চাও, চাঁদের মতো স্বপ্ন দেখতে চাও? তোমার যদি শব্দের জন্যে আদর-ভালোবাসা না থাকে, তাহলে পারবে না তুমি গোলাপের মতো লাল গন্ধভরা কথা বলতে, চাঁদের মতো জ্যোৎস্নাভরা স্বপ্ন দেখতে।

তুমি কি লিখতে চাও ফুলের মতো কবিতা? বানাতে চাও নূপুরের শব্দের মতো ছড়া? যদি চাও তবে তোমাকে সারাদিন ভাবতে হবে শব্দের কথা। খেলতে হবে শব্দের খেলা। নানান রকমের শব্দ আছে আমাদের ভাষায়। তোমাকে জানতে হবে সে-সব শব্দকে। কিছু কিছু শব্দ আছে, যেগুলোর গায়ে হলুদ-সবুজ-লাল-নীল -বাদামি-খয়েরি রং আছে। তোমাকে চিনতে হবে শব্দের রং। অনেক শব্দ আছে, যেগুলোর শরীর থেকে সুর বেরোয়: কোনো কোনো শব্দে বাঁশির সুর শোনা যায়, কোনো কোনো শব্দে শোনা যায় হাসির সুর। কোনো শব্দে বাজে শুকনো পাতার খসখসে আওয়াজ, কোনোটিতে বেহালার সুর। কোনো কোনো শব্দ তোমার পায়ের নূপুরের মতো বাজে। তোমাকে শুনতে হবে শব্দের সুর ও স্বর। অনেক শব্দ আছে বাংলা ভাষায় যেগুলোর শরীর থেকে সুগন্ধ বেরোয়। কোনোটির শরীর থেকে ভেসে আসে লাল গোলাপের গন্ধ, কোনোটির গা থেকে আসে কাঁঠালচাঁপার ঘ্রাণ, কোনোটি থেকে আসে বাতাবিলেবুর সুবাস। তুমি যদি দেখতে পাও শব্দের শরীরের রং, শুনতে পাও শব্দের সুর, টের পাও শব্দের সুগন্ধ, তাহলেই পারবে তুমি কবি হতে।

কবিরা শব্দ দিয়ে লেখেন নানান রকমের কবিতা। কখনো তাঁরা খুব হাসির কথা বলেন, কখনো বলেন কান্নার কথা। কখনো তাঁরা বলেন স্বপ্নের কথা, কখনো তাঁরা চারপাশে যা দেখেন, তার কথা বলেন। কিন্তু সব সময়ই তাঁরা কথা বলেন শব্দে। শব্দ বসিয়ে বসিয়ে তাঁরা বানান কবিতা। কবিতা লিখতে হলে প্রথমেই জানতে হবে নানান রকমের শব্দ। তারপর আসে শব্দ দিয়ে যা বলতে চাই, তার কথা। কিন্তু কীভাবে বলা যায় সেই কথা?

কবিতায় আমরা অনেক কিছু বলতে পারি। কখনো বলতে পারি ঘর-ফাটানো হাসির কথা। বলতে পারি টগবগে রাগের কথা। বলতে পারি খুব চমৎকার ভালো কথা। কখনো বাজাতে পারি নাচের শব্দ। আবার কখনো আঁকতে পারি রঙিন ছবি। কিন্তু সব সময়ই মনে রাখতে হবে, ওই কথা নতুন হতে হবে। যা একবার কেউ বলে গেছে, যে-ছবি একবার কেউ এঁকে গেছে, তা বলা যাবে না, সে-ছবি আঁকা যাবে না। আর কথা বলতে হবে, নাচতে হবে, ছবি আঁকতে হবে ছন্দে। তাই কবিতা লিখতে হলে শব্দকে জানতে হবে, জানতে হবে ছন্দ, আর থাকতে হবে স্বপ্ন। যার চোখে স্বপ্ন নেই, সে কবি হতে পারে না। স্বপ্ন থাকলে মনে আসে নতুন ভাবনা, নেচে নেচে আসে ছন্দ, আর শব্দ।

যে কোনো বিষয় নিয়েই তুমি লিখতে পারো কবিতা। বাড়ির পাশের গলিটা, দূরের ধানক্ষেতটা, পোষা বেড়ালটা বা পুতুলটাকে নিয়ে কবিতা লেখা যায়, যদি মনে স্বপ্ন থাকে। রাস্তার দোকানিকে নিয়ে কবিতা লেখা যায়, যদি স্বপ্ন থাকে। আর যা নেই, তা নিয়েও কবিতা লেখা যায়, যদি স্বপ্ন থাকে। এবার একটা কবিতা লেখা যাক। কবিতাটির নাম দিচ্ছি 'দোকানি'। রাস্তার মোড়ের দোকানদারকে তুমি-আমি চিনি। সে বিক্রি করে সাদা দুধ, খয়েরি চকোলেট, লাল পুতুল, সবুজ পান। এসব জিনিস আমরা কিনে খাই, দোকানিকে চকচকে টাকা দিই। তার জিনিসপত্র বিক্রি দেখে মাথায় আমার একটা ভাব এলো। ভাবটা হলো: আমি একটা দোকান খুলেছি দুদিন ধরে, কিন্তু সে-দোকানে দুধ, চকোলেট, পান বিক্রি হয় না।

বিক্রি হয় এমন সব জিনিস, যা কেউ বেচে না, যা কেউ কেনে না। শুধু স্বপ্নেই সে-সব জিনিস বেচাকেনা চলে। ভাবটা মাথায় এলো, সঙ্গে শব্দ এলো, আর ছন্দ এলো। প্রথমে লিখলাম:

দুদিন ধরে বিক্রি করছি

চকচকে খুব চাঁদের আলো

টুকটুকে লাল পাখির গান।

কথাটাই চমক দেয় সবার আগে: চকচকে চাঁদের আলো, টুকটুকে লাল পাখির গান বিক্রির ব্যাপারটা বেশ নতুন। সারা পৃথিবীতে খুঁজে এমন দোকান পাওয়া যাবে না। ছন্দটাও বেশ, দুলে দুলে আসছে। এ-তিনটি পঙ্ক্তি পড়ার সাথে সাথে শব্দ, ছন্দ, কথা মিলে এক রকম স্বপ্ন তৈরি হয় চোখে আর মনে। এরপর আরও এগিয়ে গিয়ে লিখলাম:

বিক্রি করছি চাঁপার গন্ধ

স্বপ্নে দেখা নাচের ছন্দ

গোলাপ ফুলের মুখের রূপ।

এখানে ছন্দ-মিল আরও মধুর। বিক্রির জিনিসগুলো আগের মতোই চমকপ্রদ। তবে এখানে স্বপ্ন আরও বেড়েছে, ছবিও আরও রঙিন। চাঁপার গন্ধ পাওয়া গেল এবং বেজে উঠল স্বপ্নে দেখা নাচের ছন্দের নূপুর। এ-নাচ স্বপ্ন ছাড়া আর কোথাও দেখা যায় না, এমন নাচ নাচতে পারে না কেউ। 'গোলাপ ফুলের মুখের রূপ' বলার সাথে সাথে গোলাপ ফুল একটি মিষ্টি মেয়ের মতো ফুটে উঠল, মেয়েটির মুখ হয়ে উঠল গোলাপ, আর গোলাপ হয়ে উঠল মেয়েটির মুখ। স্বপ্ন জড়ো হলো চোখে।

কবিতাটিকে আমি আর লিখতে চাই না। ইচ্ছে হলে তোমরা লিখতে পার। কবিতা লিখতে হলেই নতুন কথা ভাবতে হবে, আর সে-কথাকে পরিয়ে দিতে হবে শব্দ ও ছন্দের রঙিন সাজপোশাক। তোমরা এখন ছোটো, এ-ছোটো থাকার সময়টা বেশ সুন্দর। বারবার আমার ছোটো সময়ের কথা মনে পড়ে। আমি দেখতে পাই, ছোট আমি দাঁড়িয়ে আছি পুকুরের পাড়ে, একটা সাদা মাছ লাফ দিয়ে আবার ঢুকে গেল পানিতে। দেখতে পাই শাপলা ফুটেছে, পানি লাল হয়ে গেছে। একটা চড়ুই উড়ে গেল, তার ঠোঁটে চিকন একটা কুটো। এসব আমাকে কবিতা লিখতে বলে।

তোমরা এখন ছোটো, এ বয়সে তোমরা খুব বেশি করে দেখে নেবে। যত পার, দেখ। দেখ, দেখ এবং দেখ। বুকের মধ্যে, মনের মধ্যে ছবি জমাও, রং জমাও, সুর জমাও। বড় হলে এ ছবি, সুর, রং তোমাদের খুব উপকার করবে। খুব ছোটো বয়সে কি কবিতা লেখা উচিত? ছোটো বয়সে উচিত কবিতা পড়া, পড়া এবং পড়া। চারদিকের ছবি দেখা, দেখা এবং দেখা। ছোট বয়সে বুকে জমানো উচিত শব্দ আর ছন্দ। তারপর একদিন, যখন বড়ো হবে, শব্দ, ছন্দ, ছবি, সুর, রং সব দল বেঁধে আসবে তোমার কাছে, বলবে আমাদের তুমি কবিতায় রূপ দাও। তুমি হয়তো একা একা ঘরে বসে শব্দ-ছন্দ-ছবি-সুর-রং মিলিয়ে বানাবে এক নতুন জিনিস, যার নাম কবিতা।

(সংক্ষেপিত)

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেকোনো কিছু বানাতে হলে যেমন উপকরণ বা জিনিসের দরকার হয়, তেমনই কবিতা লেখার জন্যও দরকার হয় রংবেরঙের শব্দের।

শব্দের পর শব্দ সাজিয়েই কবি প্রকাশ করেন- রূপ-রস-গন্ধ-সুর-ছবি। কবির মনোভাব ব্যক্ত করতে প্রয়োজন পড়ে রংবেরঙের হাজারো শব্দের। কবির কবিতায় এসব শব্দ ছন্দের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। প্রশ্নোক্ত উক্তি দ্বারা একথাই বোঝানো হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
473
উত্তরঃ

'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধে কবি প্রকৃতিকে দেখার কথা বলেছেন; বুকের মধ্যে ছবি, রং, সুর জমাতে বলেছেন। যা উদ্দীপকের নির্ঝরের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিফলিত হয়েছে।

'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধে ছোটোদের চারপাশের প্রকৃতিকে দেখতে বলা হয়েছে। ছোটো বয়সে দেখা এসব কিছু বুকে জমাতে বলা হয়েছে। প্রাবন্ধিক মনে করেন, গভীরভাবে দেখা, কবিতার বই পড়া এবং মায়াবী শব্দ ও ছন্দ অনুধাবনে একদিন সেসব বিষয় কবিতা হয়ে ধরা দেবে।

উদ্দীপকের নির্ঝরকে তার ফুফু মাহফুজা প্রায়ই নানা রকম কবিতা শোনান। এজন্য সে তার ফুফুকে খুব পছন্দ করে। নির্ঝর একদিন ফুফুর কাছে ভালো কবিতা লেখার বিষয়ে জানতে চাইলে ফুফু তাকে চারপাশের সুন্দর স্বপ্নময় শব্দ বুকে ধারণ করতে বলেন। কেননা, ভবিষ্যতে এসব সুন্দর স্বপ্নময় শব্দ নিবিড়ভাবে কবিতা লেখার প্রেরণা জোগাবে। উদ্দীপক ও 'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধে কবিতা লেখার উপকরণ প্রকৃতির রূপ -গন্ধ-সৌন্দর্য অবলোকন ও আত্মস্থ করার কথা বলা হয়েছে। যার মাধ্যমে উদ্দীপকের নির্ঝরের প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
401
উত্তরঃ

মাহফুজার উত্তর 'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধের মূলভাবকে ধারণ করে।

শব্দের সঙ্গে শব্দ মিলিয়ে কবিতা লেখা হয়। তাই কবিতা লিখতে গেলে শব্দকে চেনা জরুরি। ছেলেবেলা থেকেই চারপাশের শব্দগুলোকে চিনতে হবে। তাদেরকে মনে গেঁথে নিতে হবে। তবেই কবি হওয়া সম্ভব, ভালো কবিতা রচনা করা সম্ভব।

উদ্দীপকের মাহফুজার উক্তিটি কবিতা লেখার মূল প্রেরণাকে ধারণ করেছে। একইভাবে পঠিত প্রবন্ধেও কবিতা লেখার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কথা বলা হয়েছে। আমাদের চারপাশে সুন্দর সুন্দর স্বপ্নময় শব্দ রয়েছে। উদ্দীপকে এ শব্দকে চেনার ও বুকে লালন করার কথা বলা হয়েছে।

সাহিত্যের এক অনন্য শাখা কবিতা। কবিতা লিখতে হলে শব্দের কথা ভাবতে হবে। শব্দ নিয়ে খেলতে হবে। 'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধে তেমন বক্তব্যই ফুটে উঠেছে। একথাই প্রতিধ্বনিত হয়েছে উদ্দীপকের মাহফুজার বক্তব্যেও। কবিতা লিখতে হলে নানা রকম শব্দের রূপ-রস-গন্ধ-বর্ণ চিনতে হবে। তবেই সার্থক কবিতা লেখার চেষ্টা করা যেতে পারে। কবিতা লেখার জন্য শব্দের সৌন্দর্যই মূলকথা। এদিক বিবেচনায় উদ্দীপকের মাহফুজার উত্তর 'শব্দ থেকে কবিতা' প্রবন্ধের মূলভাবকে ধারণ করেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
239
উত্তরঃ

কবিদের ভাষার সৌন্দর্যকে প্রকাশ করতে প্রাবন্ধিক প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছেন।

কবিরা কবিতা লিখেন আর কবিতা লেখার জন্য প্রয়োজন হয় নানা রকম শব্দ, শব্দের প্রতি ভালোবাসা। কবিদের শব্দের প্রতি ভালোবাসা আছে তাই তারা শব্দকে আদর করে সুখ অনুভব করেন। গোলাপের মতো সুন্দর সুন্দর কথা বলেন, চাঁদের মতো স্বপ্ন দেখেন। শব্দের জন্য আদর-ভালোবাসা না থাকলে গোলাপের মতো সুন্দর করে কথা বলা যায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
11 months ago
222
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews