বয়স্কভাতা হচ্ছে একটি কর্মসূচি যা দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার এবং সমাজের মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে চালু করা হয়। এটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সামজসেবা অধিদপ্তর এই কর্মসূচি বাস্ত বায়ন করে থাকে ।
সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত টেকনাফ উপজেলার একটি ইউনিয়ন। এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এটি বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণের ইউনিয়ন।
বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালের ৭ম বিশ্বকাপ ক্রিকেটে প্রথম অংশগ্রহণ করেছিল। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ড (১৭ মে ১৯৯৯) দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের অভিষেক ঘটে।
১৯৩৩ সালে পারোনিয়ার ফিলস কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন কাজী নজরুল ইসলাম। এই প্রতিষ্ঠান থেকে 'ধ্রুব' নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়। পুরাণের কাহিনী নিয়ে গিরিশচন্দ্র ঘোষের লেখা 'ধ্রুব চরিত' অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মিত হয়। নজরুল এ ছবির গান লেখেন এবং সংগীত পরিচালনা করেন। তিনি দেবর্ষি নারদের চরিত্রে অভিনয়ও করেন এবং একটি গানে কণ্ঠ দেন। ১৯৩৪ সালের ১ জানুয়ারি 'ধ্রুব' মুক্তি পায়।
কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে কানাডায় চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয় । পরিচালকের নামঃ ফিলিপ স্পারেল।
টেকসই উন্নয়নের ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো: দারিদ্র্য বিমোচন: খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টির উন্নয়ন ও কৃষির টেকসই উন্নয়ন; সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা; মানসম্পন্ন শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণ, লিঙ্গ সমতা; সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা; সকলের জন্য জ্বালানি বা বিদ্যুতের সহজলভ্য করা; স্থিতিশীল ও অংশগ্রহণমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পূর্ণকালীন উৎপাদনমূলক কর্মসংস্থান ও কাজের পরিবেশ; স্থিতিশীল শিল্পায়ন এবং উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা; দেশের অভ্যন্তরে ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় বৈষম্য হ্রাস; মানব বসতি ও শহরগুলোকে নিরাপদ ও স্থিতিশীল রাখা; সম্পদের দায়িত্বপূর্ণ ব্যবহার; জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ; টেকসই উন্নয়নের জন্য সাগর, মহাসাগর ও সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ও পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করা; ভূমির টেকসই ব্যবহার; শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক সমাজ, সকলের জন্য ন্যায়বিচার, সকল স্তরে কার্যকর, জবাবদিহি ও অংশগ্রহণমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য এ সব বাস্তবায়নের উপায় নির্ধারণ ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের স্থিতিশীলতা আনা ।
গ্রিনহাউস কথাটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন সুইডিস রসায়নবিদ সোভনটে আরহেনিয়াস ১৮৯৬ সালে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রতিক্রিয়াকে গ্রিনহাউস ইফেক্ট বলে। গ্রিনহাউস হলো কাঁচের তৈরি ঘর যার ভেতর গাছপালা লাগানো হয়। শীতপ্রধান দেশে তীব্র ঠাণ্ডার হাত থেকে গাছপালাকে রক্ষার জন্য গ্রিনহাউস তৈরি করা হয়। গ্রিনহাউস ইফেক্ট বলতে মূলত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে বুঝায়। এর ফলে উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে যাতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে।
WHO করোনা ভাইরাসকে * Pandemic' ঘোষণা করেছে। চীনের উহান অঞ্চলে প্রথম কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাস রোগের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। চীন সরকার কতৃর্ক ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ এ প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাকে কোভিড-১৯ রোগ সম্পর্কে অবহিত করা হয়। WHO বা বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ৩০ জানুয়ারি ২০২০ ভাইরাস সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করে এবং ১১ মার্চ ২০২০ মহামারি বা অভিমারি (Pandemic) হিসেবে ঘোষণা করে। জানুয়ারি ২০২০ হতে চীনের উহান থেকে করোনা ভাইরাস বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
IMF এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। উল্লেখ্য, IMF এর পূর্ণরূপ International Monetary Fund. এটি ১-২২ জুলাই ১৯৪৪ যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডসের মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেলে অনুষ্ঠিত ৪৫টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে গৃহীত চুক্তির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা IMF প্রতিষ্ঠিত হয়। এই চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫ সালে।
২০১৬ সাল পর্যন্ত জাপানের সংবিধানকে “শান্তির সংবিধান' বলা হত আর এখন বলা হয় না কারণ ২য় বিশ্ব যুদ্ধের ধ্বংস লীলা থেকে শিক্ষা নিয়ে ২০১৬ সালের পূর্বে জাপানের সংবিধানে যুদ্ধ বিষয়ক অনুচ্ছেদে বলা হয় সামরিক বাহিনী শুধুমাত্র আত্মরক্ষা ছাড়া কোনো দেশের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরতে পারতো না, অস্ত্র উৎপাদন ও সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞা ছিলো। তারা ছিল শান্তিপ্রিয় জাতি। তাই তাদের সংবিধানকে 'শান্তি র সংবিধান' বলা হত। কিন্তু ২০১৬ সালে এই বিধানটি রদ করে যোগ করা হয় কোনো দেশ আক্রমণ করলে তারা আত্মরক্ষার্থে যুদ্ধ করতে পারবে। সেজন্য জাপানের সংবিধানকে আর শাস্তির সংবিধান বলা হয় না।
বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরী। তীক্ষ্ণ মননশীলতা, বাকচাতুর্যের চমৎকারিত্ব এবং বুদ্ধির অসিচালনা ছিল তাঁর ভাষাগত বিশেষত্ব। তিনি ১৮৯৯ সালে রবীন্দ্রনাথের অগ্রজ বাংলা প্রথম সিভিলিয়ান সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মেয়ে ইন্দিরা দেবীকে বিয়ে করেন। তিনি রবীন্দ্রনাথকে বাংলা গদ্যে চলিত রীতি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করেন।
প্রমথ চৌধুরী ৭ আগস্ট, ১৮৬৮ সালে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস- পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রাম।
তাকে বলা হয় বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক।
প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম-বীরবল।
প্রমথ চৌধুরীর প্রথম প্রবন্ধ 'জয়দেব' ১৮৯৩ সালে 'সাধনা' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
'হালখাতা' ('ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশ- ১৯০২), এ গদ্য /প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।বাংলা কা
ব্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
তিনি 'সবুজপত্র' (১৯১৪), 'বিশ্বভারতী পত্রিকা' সম্পাদনা করেন।
তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৩৮ সালে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক লাভ করেন। উল্লেখ্য, স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় নিজ মাতার নামে এ পদক প্রবর্তন করেন।
তিনি ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬ সালে (১৬ ভাদ্র, ১৩৫৩ বঙ্গাব্দ) শান্তিনিকেতনে মারা যান।
চলিত রীতিতে রচিত তাঁর প্রথম গদ্যরচনাঃ
'হালখাতা' (১৯০২): এটি 'ভারতী' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। [বাজারের অধিকাংশ বইয়ে লেখা যে, চলিত ভাষায় রচিত প্রমথ চৌধুরীর প্রথম গ্রন্থ 'বীরবলের হালখাতা'। প্রকৃতপক্ষে এটি হবে 'হালখাতা'। কারণ, 'বীরবলের হালখাতা' প্রবন্ধগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে আর 'হালখাতা' গদ্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯০২ সালে। (সূত্র: বাংলা একাডেমি চরিতাভিধান)]। উল্লেখ্য, চলিত ভাষায় রচিত প্রথম গ্রন্থ কোনটি? এ প্রশ্নের উত্তরের অপশনে 'হালখাতা' না থাকলে 'বীরবলের হালখাতা' উত্তর দিতে হবে। কারণ, অধিকাংশ প্রশ্নকর্তা বিগত সালের পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলো নতুন প্রশ্নে অপশনসহ হুবহু তুলে দেয়।
বাংলা কথ্যরীতিতে রচিত প্রথম গ্রন্থ হলো প্যারীচাঁদ মিত্রের 'আলালের ঘরের দুলাল'। ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী রচনা। এর পূর্বে বাংলা গদ্য সাহিত্য প্রধানত সংস্কৃত প্রভাবিত সাধু ভাষায় লেখা হতো। প্যারীচাঁদ মিত্র প্রচলিত কথ্যভাষা বা 'আলালী ভাষা' ব্যবহার করে একটি নতুন ধারার সূচনা করেন, যা পরবর্তীতে চলিত রীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের বাস্তব চিত্র, বিশেষ করে বিত্তবান পরিবারের সন্তানদের উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন ও তাদের পরিণতির কথা তুলে ধরা হয়েছে।
কার্বন নিঃস্রণ (Carbon Emission) বলতে মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) এবং অন্যান্য কার্বন-ভিত্তিক গ্রিনহাউস গ্যাস (Greenhouse gas), যেমন মিথেন (Methane), নাইট্রাস অক্সাইড (Nitrous oxide) ইত্যাদির বায়ুমণ্ডলে নির্গমনকে বোঝায়। এই গ্যাসগুলি মূলত মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের ফল। জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil fuels) যেমন কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানো, বন উজাড় (Deforestation), শিল্প উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কৃষিকাজ কার্বন নিঃস্রণের প্রধান উৎস।
বায়ুমণ্ডলে কার্বন নিঃস্রণের ক্ষতিকর প্রভাবসমূহ:
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming) ও জলবায়ু পরিবর্তন (Climate Change): কার্বন ডাই অক্সাইড একটি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস। এর ঘনত্ব বৃদ্ধির ফলে বায়ুমণ্ডলে তাপ আটকে যায়, যা পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যায়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় এবং আবহাওয়ার চরম পরিবর্তন (Extreme weather events) যেমন তীব্র খরা, বন্যা ও ঝড় পরিলক্ষিত হয়।
সমুদ্রের অম্লীকরণ (Ocean Acidification): বায়ুমণ্ডলের অতিরিক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড সমুদ্রের পানিতে মিশে কার্বনিক অ্যাসিড (Carbonic acid) তৈরি করে, যা সমুদ্রের পানিকে আরও অম্লীয় করে তোলে। এটি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, বিশেষ করে প্রবাল প্রাচীর (Coral reefs) ও শেলফিশের (Shellfish) জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।
জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি (Public Health Risks): কার্বন নিঃস্রণের সাথে নির্গত অন্যান্য কণা (Particulate matter) এবং দূষণকারী পদার্থ শ্বাসযন্ত্রের রোগ (Respiratory diseases), হৃদরোগ (Cardiovascular diseases) এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হয়।
জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি (Loss of Biodiversity): জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী তাদের স্বাভাবিক আবাসস্থল হারায়, যা জীববৈচিত্র্যের ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়।
কার্বন নিঃস্রণ নিয়ন্ত্রণের উপায়সমূহ:
নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি (Increased Use of Renewable Energy): সৌরশক্তি (Solar energy), বায়ুশক্তি (Wind energy), জলবিদ্যুৎ (Hydroelectric power) এবং ভূ-তাপীয় শক্তির (Geothermal energy) মতো নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস ব্যবহার করে জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমানো।
শক্তি দক্ষতা বৃদ্ধি (Increased Energy Efficiency): শিল্প, পরিবহন এবং গৃহস্থালিতে বিদ্যুতের অপচয় কমানো এবং উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা। যেমন, শক্তি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা।
বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ (Afforestation and Reforestation): নতুন করে গাছ লাগানো এবং বন উজাড় বন্ধ করা। গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে।
কার্বন ক্যাপচার ও স্টোরেজ (Carbon Capture and Storage - CCS): শিল্প কারখানা এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস বায়ুমণ্ডলে পৌঁছানোর আগেই ধরে ফেলে ভূগর্ভে নিরাপদে সংরক্ষণ করা।
টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা (Sustainable Transportation Systems): গণপরিবহনের (Public transport) ব্যবহার বৃদ্ধি, সাইক্লিং (Cycling) ও হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বৈদ্যুতিক গাড়ির (Electric vehicles) ব্যবহার উৎসাহিত করা।
আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও নীতি নির্ধারণ (International Cooperation and Policy Making): প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) এর মতো আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসরণ করা এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে কার্বন নিঃস্রণ কমাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। সরকার কর্তৃক কার্বন ট্যাক্স (Carbon tax) বা কার্বন ট্রেডিং (Carbon trading) এর মতো নীতি প্রণয়ন।
কৃষি পদ্ধতির উন্নতি (Improvement in Agricultural Practices): টেকসই কৃষি পদ্ধতি যেমন, কম কার্বন নিঃসরণকারী সার ব্যবহার, মিথেন নিঃসরণ কমানো (যেমন ধানের জমিতে পানি ব্যবস্থাপনার উন্নতি) ইত্যাদি অনুশীলন করা।