আর্কিগোনিয়া গুচ্ছ যে সব সরল বন্ধ্যা ফিলামেন্টের সাথে মিশ্র অবস্থায় থাকে তাই হলো প্যারাফাইসিস।
যখন কোনো স্পোরোফাইটিক উদ্ভিদে ভিন্ন আকৃতির দুই ধরনের স্পোর তৈরি হয় তখন তাকে বলা হয় হেটারোস্পোরাস। সাধারণত ক্ষুদ্র আকৃতির স্পোরটি পুং এবং বৃহদাকৃতির স্পোরটি স্ত্রী হয়ে থাকে। কিছু টেরিডোফাইটে এবং উন্নত উদ্ভিদে, যেমন- Cycas-এ হেটারোস্পোর দেখা যায়।
উদ্দীপকে বর্ণিত উদ্ভিদটি Riccia যা ব্রায়োফাইটা বিভাগের অন্তর্গত। উদ্ভিদটিতে দুই ধরনের জনন পরিলক্ষিত হয়। যথা- i. অঙ্গজ জনন ও ii. যৌন জনন।
i. থ্যালাসের পেছনের অংশ মরে গেলে অগ্রভাগের প্রতিটি শাখা স্বতন্ত্র উদ্ভিদে পরিণত হয়। রাইজয়েডের অগ্রভাগে গেমি এবং থ্যালাসের উপর টিউবার জাতীয় উপবৃদ্ধি সৃষ্টি হতে পারে যা থেকে নতুন Riccia উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়।
ii. Riccia-র যৌন জনন শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনে উগ্যামীয় পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়। থ্যালাস সহবাসী ধরনের অর্থাৎ একই থ্যালাসে পুং ও স্ত্রী জনননাঙ্গ উৎপন্ন হয়। পুংজননাঙ্গকে আন্থেরিডিয়াম ও স্ত্রী জননাঙ্গকে আকির্গোনিয়াম বলে।
উদ্দীপকে নির্দেশিত উদ্ভিদটি হলো Riccia যা মস জাতীয় উদ্ভিদ। মস জাতীয় উদ্ভিদের সাথে ফার্নের তুলনামূলক বিশ্লেষণ নিম্নরূপ-
মস গ্যামিটোফাইটিক উদ্ভিদ; ফার্ন স্পোরোফাইটিক উদ্ভিদ। মসের দেহ থ্যালয়েড অর্থাৎ দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না; ফার্নের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়। মসের থ্যালাসটি সবুজ, শায়িত এবং বিষমপৃষ্ঠ। এর থ্যালাস দ্ব্যাগ্র শাখা বিশিষ্ট। সাধারণত কতগুলো মসের থ্যালাস একত্রে গোলাপের পাপড়ির মতো গোলাকার চক্র করে অবস্থান করে। এ অবস্থাকে রোজেট বলে। প্রতিটি শাখার শীর্ষে একটি অগ্রস্থ খাঁজ রয়েছে। আবার ফার্নের পাতা চিরসবুজ এবং পক্ষল যৌগিক। এর এরূপ পাতাকে ফ্রন্ড বলে। এর পাতা মুকুলাবস্থায় কুণ্ডলী পাকানো অবস্থায় থাকে যাকে বলা হয় সারসিনেট ডার্নেশন এবং কুণ্ডলিত কচি পাতাকে বলে ক্রোজিয়ার। এর পত্র যৌগপত্র এবং প্রতিটি পত্রখণ্ডকে পিনা বলে। প্রতিটি পত্রক অবৃত্তক, সরু, লম্বাটে এবং কিনারা মসৃণ। মসের থ্যালাসের নিচের পৃষ্ঠ থেকে বহুকোষী স্কেল এবং এককোষী রাইজয়েড সৃষ্টি হয়। রাইজয়েড মসৃণ ও অমসৃণ দুই ধরনের হয়ে থাকে। অপরদিকে, ফার্নের পাতার র্যাকিস বা অক্ষের নিম্নপ্রান্ত এবং রাইজোম এক প্রকার অসংখ্য বাদামি রঙের শল্পপত্র দিয়ে আবৃত থাকে। এ শল্কপত্রকে র্যামেন্টাম বলে।
আমাদের চারপাশে সচরাচর যে সব উদ্ভিদ আমরা দেখে থাকি এদের অধিকাংশেই কোনো না কোন সময় ফুল ফোটে। এরা সপুষ্পক উদ্ভিদ বা Phanerogamia. এমন অনেক উদ্ভিদ আছে যাদের কখনও ফুল হয় না এবং অল্প কিছু ছাড়া আমাদের চোখে তেমন একটা পড়েওনা । এরা অপুষ্পক উদ্ভিদ বা Cryptogamia. Bryophyta ও Pteridophyta গ্রুপের উদ্ভিদগুলো হচ্ছে → অপুষ্পক উদ্ভিদ। তবে বৈশিষ্টে ব্রায়োফাইটা ও টেরিডোফাইটা অপেক্ষা অনুন্নত । Bryophyta ও Pteridophyta-র মধ্যে বাহ্যিক মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে Bryophyta উদ্ভিদগুলোকে সত্যিকার মূল, কাণ্ড ও পাতায় ভাগ করা যায় না। কিন্তু Pteridophyta কে মূল,কান্ড ও পাতায় ভাগ করা যায়। তাছাড়া Bryophyta অভাস্কুলার কিন্তু Pteridophyta ভাস্কুলার উদ্ভিদ ।
Related Question
View Allযে এনজাইমের সহায়তায় RNA থেকে DNA সৃষ্টি হয় তাকে রিভার্স ট্রান্সক্রিপটেজ বলে।
মাইটোকন্ড্রিয়া কোয়ের সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্ত অবস্থায় ছড়ানো থাকে। এই অঙ্গাণুতে ক্ষুদ্র, চক্রাকার ও দ্বিতন্ত্রী এবং আদিকোষের DNA এর অনুরূপ DNA পাওয়া যায়। DNA-এর উপস্থিতির জন্য মাইটেকান্ড্রিয়া স্বপ্রজননশীল। এছাড়া মাইটোকন্ড্রিয়ার রাইবোসোম 70S প্রকৃতির এবং এতে বিভিন্ন ধরনের এনজাইম সংশ্লেষিত হয়। তাছাড়া মাইটোকন্ড্রিয়ার অংশ অক্সিসোম হলো ATP সংশ্লেষের কেন্দ্র। এসব কারণে মাইটোকন্ড্রিয়াকে অর্ধস্বায়ত্তশাসিত অঙ্গাণু বলা হয়।
উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রটির মাধ্যমে Pieris এর জনুক্রমকে নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে এর জনুক্রম চিহ্নিতকরণপূর্বক সম্পূর্ণ করা হলো-

উদ্দীপকে প্রদর্শিত উদ্ভিদটি Pieris যা টেরিডোফাইটস। টেরিডোফাইটা বিভাগের উদ্ভিদ ব্রায়োফাইটা বিভাগের উদ্ভিদ থেকে উন্নত। কারণ-টেরিডোফাইট উদ্ভিদটি মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভেদিত, কিন্তু ব্রায়োফাইট উদ্ভিদ থ্যালাস প্রকৃতির যা অনুন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। টেরিডোফাইট উদ্ভিদটি স্পোরোফাইটিক পর্যায়ের যা উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য কিন্তু ব্রায়োফাইট উদ্ভিদ সর্বদা গ্যামিটোফাইটিক পর্যায়ের। ব্রায়োফাইট তে মূল অনুপস্থিত, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড উপস্থিত কিন্তু টেরিডোফাইট এ মূল উপস্থিত।. ব্রায়োফাইট উদ্ভিদে কোনো পরিবহন টিস্যু না থাকলেও টেরিডোফাইট উদ্ভিদে পরিবহন টিস্যু উপস্থিত। পরিবহন টিস্যুর উপস্থিতি উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। টেরিডোফাইট উদ্ভিদটিতে সুস্পষ্ট ভাস্কুলার টিস্যু রয়েছে কিন্তু ব্রায়োফাইট উদ্ভিদের কোনো ভাস্কুলার টিস্যু নেই। অনেক সময় ব্রায়োফাইটর স্পোরোফাইটিক উদ্ভিদ গ্যামিটোফাইটিক উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে, কিন্তু টেরিডোফাইট এর স্পোরোফাইটিক উদ্ভিদটি স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও স্বনির্ভর।
উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণেই সুস্পষ্টভাবে বলা যায় যে, টেরিডোফাইট ব্রায়োফাইট থেকে উন্নত।
শৈবাল ও ছত্রাক মিলিতভাবে সম্পূর্ণ পৃথক ধরনের যে উদ্ভিদের সৃষ্টি করে তা হলো লাইকেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে Cycas এর প্রধান মূল থাকলেও পরে সেখানে অস্থানিক মূল সৃষ্টি হয়। অস্থানিক মূলের ভূমিতলের উপর অসংখ্য খাটো খাটো দ্ব্যাগ্র শাখার সৃষ্টি হয়। দ্ব্যাগ্র শাখাবিশিষ্ট এ সকল মূল বিভিন্ন প্রকার ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়। ফলে আক্রান্ত মূলগুলো সরু না হয়ে বিকৃত আকৃতি ধারণ করে যা সামুদ্রিক প্রবাল বা কোরালের মতো দেখায়। এ কারণগুলোর জন্যই কোরালয়েড মূল সৃষ্টি হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
