উত্তরঃ

চট্টগ্রামের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম শাহ্ আমানত বিমানবন্দর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

নদীতীরবর্তী বাণিজ্য কেন্দ্রগুলোকে নদীবন্দর বলে। নৌবন্দরগুলো গড়ে ওঠার জন্য নদীতে পানির পর্যাপ্ততা, বালুচর ও কর্দমমুক্ত খাত, সরল প্রকৃতির নদীখাত, পশ্চাদভূমির উপস্থিতি প্রভৃতি অনুকূল পরিবেশ রয়েছে।

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের নদীগুলোতে পর্যাপ্ত পানি থাকার কারণে নৌবন্দরগুলো গড়ে উঠেছে। এ কারণে নৌকা, লঞ্চ, স্টিমার নদীতে চলাচল করে সহজে পণ্যসামগ্রী আনা-নেওয়া করা যায়। নদীখাত বালুচর ও কর্দমমুক্ত হলে লঞ্চ, স্টিমার, নৌকা প্রভৃতি সহজেই পণ্যসামগ্রী নিয়ে বন্দর থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবাহিত করতে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

'B' চিহ্নিত অঞ্চলে সমুদ্রবন্দরটি হলো চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।

যা গড়ে ওঠার পেছনে বিভিন্ন ভৌগোলিক নিয়ামক কাজ করেছে।সমুদ্রবন্দর গড়ে ওঠার অন্যতম নিয়ামক হলো পোতাশ্রয়। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের কাছাকাছি পোতাশ্রয় রয়েছে। এ পোতাশ্রয়ে জাহাজগুলো সহজেই ঝড় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে আশ্রয়গ্রহণ করতে পারে। এটি বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত বলে অনেক জাহাজ একসাথে পোতাশ্রয়ে অবস্থান করতে পারে। তাই বলা যায়, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর গড়ে ওঠার পেছনে পোতাশ্রয়ের প্রভাব রয়েছে।তাছাড়া এ বন্দরটি গড়ে ওঠার অন্যতম কারণ হলো এটি শৈলমুক্ত। চট্টগ্রাম বন্দরের উপকূল সমুদ্র বেশ গভীর। এতে সব ধরনের জাহাজ বন্দরে যাতায়াত করতে পারে। জাহাজ, নির্মাণ, মালের গুদাম ইত্যাদি নির্মাণের জন্য এ বন্দরের বিশাল সমভূমি রয়েছে। এ বন্দরের সাথে পণ্য আনা-নেওয়ার জন্য ভালো পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া এ বন্দরের উপযুক্ত বিস্তৃত পশ্চাদভূমিও রয়েছে।

সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে 'B' চিহ্নিত অঞ্চলে সমুদ্রবন্দরটি গড়ে ওঠার পেছনে যেসব নিয়ামক কাজ করছে তন্মধ্যে পোতাশ্রয়, পশ্চাদভূমি, ভগ্ন তটরেখা, শৈলমুক্ততা, উপকূলের গভীরতা, সুবিস্তৃত সমভূমি, জলবায়ু, উন্নত যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

চিত্রের 'A' ও 'B' চিহ্নিত অঞ্চলদ্বয় হলো যথাক্রমে ঢাকা ও চট্টগ্রাম। এ দুটি স্থানে যোগাযোগের জন্য সড়ক, রেল ও আকাশপথ বেশি ব্যবহৃত যোগাযোগ মাধ্যম। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এ তিনটি পথ ভূমিকা রাখে।

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বৃহৎ সড়ক ও রেলসেতুর ভূমিকা অনস্বীকার্য। বৃহৎ সড়ক নির্মাণের কারণে রাজধানীর সাথে বিভিন্ন জেলার সংযোগসাধন হয়েছে। ফলে এক জেলার সাথে আরেক জেলার পণ্য ও মালামাল আনা-নেওয়া সহজতর হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে রেলসেতু নির্মাণের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন স্থানে রেলসেতু ও সড়কসেতু নির্মাণের ফলে দ্রুত গতিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াত করা যায়। জরুরি প্রয়োজনে বিমান পথ রয়েছে। এদিকে নৌপথেও চট্টগ্রাম যাওয়া যায়।
তাই বলা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াতে পরিবহনের সবগুলো মাধ্যমেই ব্যবহার করা হয়, তবে নৌপথ কম ব্যবহার হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
64

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের একটি নদী বন্দরের নাম হলো গোয়ালন্দ নদী বন্দর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
138
উত্তরঃ

ভগ্ন উপকূল বন্দর স্থাপনে সহায়ক।
ভগ্ন উপকূলে বহু গভীর প্রশস্ত খাঁড়ি দেখা যায়। এরূপ অবস্থায় অধিকসংখ্যক জাহাজ এক সাথে পোতাশ্রয়ে অবস্থান করতে পারে। এছাড়া প্রাকৃতিকভাবে ভগ্ন উপকূলীয় এলাকাগুলো সামুদ্রিক ঝড়, প্রবল স্রোত প্রভৃতি দুর্যোগমুক্ত থাকে। তাই বন্দর স্থাপনের জন্য ভগ্ন উপকূল গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
6 months ago
162
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক', 'খ' হলো যথাক্রমে চট্টগ্রাম ও ঢাকা যেখানে ব্যবহৃত পরিবহন মাধ্যমটি হলো সড়কপথ। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সড়কপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার প্রধান মাধ্যম হলো সড়কপথ। কৃষিকাজের জন্য অতি প্রয়োজনীয় সার, কীটনাশক, বীজ এবং উৎপাদিত পচনশীল কৃষিপণ্য, শিল্পকারখানার কাঁচামাল প্রভৃতি জরুরি ভিত্তিতে একস্থান থেকে অন্যস্থানে পরিবহনের জন্য সড়কপথ অন্যতম মাধ্যম।
উদ্দীপকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাতায়াতের জন্য উত্তম মাধ্যম হলো সড়কপথ। ঢাকা হলো বাংলাদেশের রাজধানী। আর চট্টগ্রাম হলো বাণিজ্যিক নগর। তাই এ দুই অঞ্চলের মধ্যে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ স্থাপনে সড়কপথ মুখ্য ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি পণ্য ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াতে সড়কপথের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে। অগণিত কৃষি ও শিল্প পণ্য ঢাকা-চট্টগ্রাম অথবা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পৌছানোর জন্য সড়কপথই একমাত্র গুরুতত্বপূর্ণ পথ। এছাড়া প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী এ পথে যাতায়াত করে থাকে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চাকাকে সচল রাখতে এ পথ বিভিন্নভাবে ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
152
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'ক' 'খ' হলো সড়কপথ এবং 'খ'-'গ' হলো বিমানপথ। নিচে সড়কপথ ও বিমানপথের ধরন বিশ্লেষণ করা হলো।" বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করার জন্য উন্নত রাস্তা/সড়ক অপরিহার্য। তবে সব অঞ্চলে যোগাযোগের জন্য ভালো সড়কপথ নেই। ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক কারণে এক একটি অঞ্চলে সড়ক ব্যবস্থার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। গ্রাম, উন্নয়ন, পৌরসভা, শহর, নগর প্রভৃতির অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে জাতীয় জনপথ, জেলা বোর্ড সড়কপথ, উপজেলা সড়কপথ, ইউনিয়ন পরিষদ সড়কপথ রয়েছে।

অন্যদিকে আধুনিক যুগে বিমানে যাতায়াতের গুরুত্ব অপরিসীম।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিমান সার্ভিসে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জেলার সঙ্গে সংযোগ রয়েছে। বিমানপথ বাংলাদেশের পরিবহনব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। অভ্যন্তরীণ সার্ভিস ব্যবস্থায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সৈয়দপুর, রাজশাহী, যশোর, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম থেকে যশোর, কক্সবাজার, সিলেট প্রভৃতি স্থানে যাওয়া যায়।

বর্তমানে বাংলাদেশে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। তন্মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সবচেয়ে বড় বিমানবন্দর। এটি রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। এর পরেই চট্টগ্রাম শাহ আমানত এবং সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানমন্দর রয়েছে

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
142
উত্তরঃ

কোনো একটি বন্দরে যে অঞ্চলের বহির্দ্ধায়ের কাজ করে সেই অঞ্চলকে উক্ত বন্দরের পশ্চাদভূমি বলে।

অন্যভাবে বলা যায় যেসব স্থানের রপ্তানি দ্রব্যসমূহ কোনো বন্দরের মধ্যদিয়ে বিদেশে প্রেরণ করা হয় এবং ঐসব অঞ্চলের আমদানি দ্রব্যসমূহ ঐ বন্দরের মধ্য দিয়ে বিদেশ হতে আনয়ন করা হয়। সে অঞ্চলটি হলো উক্ত বন্দরের পশ্চাদভূমি। তাই বন্দরের উন্নতি বহুলাংশে এর পশ্চাদভূমির বিস্তার ও সমৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে। পশ্চাদভূমি যত বেশি বিস্তৃত, জনবহুল, শিল্পপ্রধান ও সম্পদশালী হবে বন্দর তত বেশি অগ্রগতি লাভ করবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
152
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews