উত্তরঃ

খ্রিষ্টীয় সাত শতক থেকে তেরো শতক পর্যন্ত সময়কাল হচ্ছে প্রাক- মধ্যযুগ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

প্রাচীন ছোট ছোট খণ্ডরাজ্য নিয়ে এক একটি জনপদ গড়ে উঠেছিল।

প্রাচীন যুগে বাংলা বর্তমান বাংলাদেশের মতো একক ও অখণ্ড ছিল না। সাম্রাজ্যভিত্তিক বা কেন্দ্রীয় শাসন শুরু হওয়ার আগে বাংলা ছোট ছোট অনেকগুলো অঞ্চলে বিভক্ত ছিল এবং স্থানীয়ভাবে শাসিত হতো। বাংলার এ অঞ্চলগুলোকে তখন এক-একটি জনপদ হিসেবে নাম দেওয়া হয়। গড়ে ওঠে বঙ্গ, পুণ্ড, গৌড়, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ নামে নানা জনপদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

১নং চিত্রে উল্লেখিত নিদর্শনটি প্রাচীন পুণ্ড জনপদে অবস্থিত।

প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড। ধারণা করা হয়, পুণ্ড বলে একটি জাতি এ জনপদ গড়ে তুলেছিল। বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে এ পুণ্ড জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল। পুণ্ডদের রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়। মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ডই ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।

উদ্দীপকের ১নং চিত্রে প্রদর্শিত চিত্রটি হলো বগুড়ায় অবস্থিত মহাস্থানগড়। উপরের বর্ণনায় স্পষ্ট যে মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড নগরীর ধ্বংসাবশেষ ছিল। তাই বলা যায়, ১নং চিত্রে উল্লেখিত নিদর্শনটি প্রাচীন পুণ্ড জনপদে অবস্থিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

২নং চিত্রের জনপদটি হলো সমতট জনপদ। সমতট জনপদটি প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে উন্নত জনপদ ছিল বলে আমি মনে করি না।

সমতট জনপদটি কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। এ জনপদে দেব রাজবংশের রাজারা বিভিন্ন ধরনের স্থাপত্য, নির্মাণশৈলী, শিল্পকলা ইত্যাদিতে অবদান রেখেছেন। এছাড়াও এ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ময়নামতি অঞ্চল তখনকার সময়ে বৌদ্ধ সংস্কৃতির অন্যতম চর্চাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। এর নিদর্শনস্বরূপ রয়েছে অনেকগুলো বৌদ্ধ বিহার। যেমন- আনন্দ বিহার, ভোজ বিহার ইত্যাদি। বৌদ্ধ ভিক্ষুরা এ অঞ্চলে এসে তাদের ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছিলেন। তাছাড়া গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে মেঘনা নদীর মোহনা পর্যন্ত এ অঞ্চলের বিস্তৃতি বিধায় এ জনপদ নৌ- বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে পুণ্ড অন্যতম। পুণ্ড নামে একটি জাতি এ জনপদ গড়ে তুলেছিল। পুণ্ডদের রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। পরবর্তীতে এর নাম হয় মহাস্থানগড়। মহাস্থানগড় কয়েক শতাব্দীকাল পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন রাজবংশের প্রাদেশিক রাজধানী ছিল। বর্তমান বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলা জুড়ে ছিল বিস্তৃত ছিল এ পুণ্ড্র জনপদ। বগুড়া থেকে সাত মাইল দূরে মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা ধারণা করে থাকেন। সভ্যতার নিদর্শনের দিক থেকে অপরাপর জনপদ অপেক্ষা পুণ্ডই ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ। পাথরের চাকতিতে খোদাই করা বাংলাদেশের প্রাচীনতম শিলালিপি এখানে পাওয়া গেছে। করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত পুণ্ড্রনগরের সাথে জল ও স্থলপথে বাংলার অন্যান্য অংশের বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল এবং প্রাচীন যুগে জনপদটি ব্যবসা-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিখ্যাত ছিল। চীনের সঙ্গে মগধের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলের ওপর পুণ্ড্রবর্ধনের উপস্থিতি এ গুরুত্ব আরো বাড়িয়ে দেয়। চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এর বিবরণীও এ অঞ্চলের সমৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাই বলা যায়, সমতট নয় পুণ্ড্র ছিল বাংলার সবচেয়ে উন্নত জনপদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
140

ইতিহাস-বিষয়ক আলোচনায় যুগের বিভাজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে এ যুগ বিভাজন নির্ণয় করা হয়ে থাকে । ঐতিহাসিকগণ খ্রিষ্টপূর্ব পাঁচ শতক থেকে খ্রিষ্টীয় তেরো শতক পর্যন্ত সময়কালকে বাংলার ইতিহাসের প্রাচীন যুগ বলে মনে করেন । আবার কেউ কেউ খ্রিষ্টপূর্ব পাঁচ শতক থেকে খ্রিষ্টীয় ছয় শতক পর্যন্ত সময়কালকে আদি ঐতিহাসিক যুগ এবং খ্রিষ্টীয় সাত শতক থেকে তেরো শতক পর্যন্ত সময়কালকে প্রাক- মধ্যযুগ বলেও যুগ বিভাজন করে থাকেন । 

 

এই অধ্যায় শেষে আমরা  -

♦ বাংলাদেশের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও প্রভাব সম্পর্কে জানতে পারব

♦ প্রাচীন বাংলার তথ্য অনুসারে জনপদগুলোর গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব

♦ প্রাচীন বাংলার ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা লাভে জনপদগুলোর গুরুত্ব জানতে আগ্রহী হব ।

Related Question

View All

জনপদ বলতে কী বোঝায়? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

প্রাচীনকালে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চলে বিভক্ত হওয়া বাংলার অঞ্চলগুলোর সমষ্টিকে জনপদ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
393

গৌড়রাজ শশাংকের রাজধানী ছিল কোনটি? (অনুধাবন)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

গৌড়রাজ শশাংকের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।

সপ্তম শতকের চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং-এর ভ্রমণ বৃত্তান্ততে এর উল্লেখ পাওয়া যায়। ১৯৬০- এর দশকে প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে প্রাপ্ত রাজবাড়িডাঙ্গার (পশ্চিম বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার যদুপুর গ্রাম) মঠের সাথে লো-তো-মি-ছি (রক্তমৃত্তিকা)-এর ফলে এখন যথার্থভাবেই বলা যায় যে, খননকৃত প্রত্নস্থলের নিকটে ছিল কর্ণসুবর্ণ। রাক্ষসীডাঙ্গার ধ্বংসস্তূপ খননে আনুমানিক সপ্তম শতকের বৌদ্ধ বিহারের ভিত্তিচিহ্ন পাওয়া গেছে, স্থানীয় ভাবে এটি রাজা কর্ণ-এর প্রাসাদ নামে পরিচিত। তবে নদীপ্রবাহ বা ভাঙ্গনের ফলে অনেক চিহ্ন এখন মুছে গেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
481

উদ্দীপকে উল্লিখিত নিদর্শনটি প্রাচীন কোন জনপদে অবস্থিত? ব্যাখ্যা করো। ৩ (প্রয়োগ)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত নিদর্শনটি প্রাচীন সমতট জনপদে অবস্থিত।

পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রতিবেশী জনপদ হিসেবে ছিল সমতটের অবস্থান। এ অঞ্চলটি ছিল আর্দ্র নিম্নভূমি। কেউ কেউ মনে করেন, সমতট বর্তমান কুমিল্লার প্রাচীন নাম। আবার কেউ মনে করেন, কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে সমতট গঠিত হয়েছিল। তবে সাত শতক থেকে বারো শতক পর্যন্ত বর্তমান ত্রিপুরা জেলা ছিল সমতটের অন্যতম অংশ।

উদ্দীপকে আমরা শালবন বিহারের চিত্র দেখি, যা কুমিল্লা শহর থেকে ৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বা লালমাই-ময়নামতি পাহাড়শ্রেণির প্রায় মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত। কুমিল্লা যেহেতু প্রাচীনকালে সমতট নামে পরিচিত ছিল তাই এই বিহারটি সমতট জনপদে অবস্থিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.4k

তুমি কি মনে কর, উক্ত জনপদটিই প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে উন্নত জনপদ? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

না, উক্ত জনপদ অর্থাৎ সমতট জনপদটি প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে উন্নত জনপদ ছিল বলে আমি মনে করি না। প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে উন্নত জনপদ ছিল পুণ্ড।
সমতট জনপদটি কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল। এ জনপদে দেব রাজবংশের রাজারা বিভিন্ন ধরনের স্থাপত্য, নির্মাণশৈলী, শিল্পকলা ইত্যাদিতে অবদান রেখেছেন। এছাড়াও এ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ময়নামতি অঞ্চল তখনকার সময়ে বৌদ্ধ সংস্কৃতির অন্যতম চর্চাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল। এর নিদর্শনস্বরূপ রয়েছে অনেকগুলো বৌদ্ধ বিহার। যেমন- আনন্দ বিহার, ভোজ বিহার ইত্যাদি। বৌদ্ধ ভিক্ষুরা এ অঞ্চলে এসে তাদের ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছিলেন। তাছাড়া গঙ্গা- ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে মেঘনা নদীর মোহনা পর্যন্ত এ অঞ্চলের বিস্তৃতি বিধায় এ জনপদ নৌ-বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে পুণ্ড অন্যতম। পুণ্ড নামে একটি জাতি এ জনপদ গড়ে তুলেছিল। পুণ্ডদের রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। পরবর্তীতে এর নাম হয় মহাস্থানগড়। মহাস্থানগড় কয়েক শতাব্দীকাল পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন রাজবংশের প্রাদেশিক রাজধানী ছিল। বর্তমান বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলা জুড়ে ছিল বিস্তৃত ছিল এ পুণ্ড জনপদ। বগুড়া থেকে সাত মাইল দূরে মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা ধারণা করে থাকেন। সভ্যতার নিদর্শনের দিক থেকে অপরাপর জনপদ অপেক্ষা পুণ্ডই ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ। পাথরের চাকতিতে খোদাই করা বাংলাদেশের প্রাচীনতম শিলালিপি এখানে পাওয়া গেছে। করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত পুন্ড্রনগরের সাথে জল ও স্থলপথে বাংলার অন্যান্য অংশের বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল এবং প্রাচীন যুগে জনপদটি ব্যবসা-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিখ্যাত ছিল। চীনের সঙ্গে মগধের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলের ওপর পুণ্ড্রবর্ধনের উপস্থিতি এ গুরুত্ব আরো বাড়িয়ে দেয়। চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এর বিবরণীও এ অঞ্চলের সমৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাই বলা যায়, সমতট নয় পুণ্ড ছিল বাংলার সবচেয়ে উন্নত জনপদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
944

কর্ণসুবর্ণ কী? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

শশাংকের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
421

জনপদ বলতে কী বোঝ? (অনুধাবন)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

জনপদ হলো প্রাচীন ছোট ছোট খণ্ডরাজ্য যার প্রতিটি অঞ্চলের শাসক তার রাজ্যটিকে নিজের মতো করে শাসন করতেন। প্রাচীন যুগে বাংলা এখনকার বাংলাদেশের মতো কোনো একক ও অখণ্ড রাষ্ট্র বা রাজ্য ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল। আর প্রতিটি অঞ্চলের শাসক যার যার মতো শাসন করতেন। বাংলার এ অঞ্চলগুলোকে এক-একটি জনপদ হিসেবে নাম দেওয়া হয়। ইতিহাসে বিখ্যাত বাংলার কয়েকটি প্রাচীন জনপদ হলো পুণ্ড, গৌড়, বঙ্গ, হরিকেল, সমতট ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews