Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

কবুতরের বাচ্চাকে (৪ সপ্তাহের কম বয়স) স্কোয়াব (squab) বলে।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

কোয়েল অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন এক প্রকারের পাখি।

আকারে ছোট হওয়ায় অল্প জায়গায় অনেক কোয়েল পালন করা যায়। ১টি মুরগির স্থানে ১০টি কোয়েল পালন করা যায়। এদের খাদ্য খরচও মুরগি বা অন্য পাখির তুলনায় কম হয়। একটি প্রাপ্ত বয়স্ক কোয়েল দৈনিক গড়ে ২০-২৫ গ্রাম খাদ্য খায়। তাছাড়া এদের রোগবালাইও কম হয়। তাই এদের ওষুধ বাবদ বেশি খরচ হয় না। প্রতিটি কোয়েল বছরে প্রায় ৩০০টির মতো ডিম দেয়। এসব কারণে কোয়েল পালন লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

ছকের 'B' চিহ্নিত পালন পদ্ধতিটি হলো অর্ধ-মুক্ত পালন পদ্ধতি।

এ পদ্ধতিতে মুরগির জন্য নির্দিষ্ট ঘর থাকে। আবার ঘরসংলগ্ন কিছু খোলা জায়গাও থাকে। ঘরসহ উক্ত খোলা জায়গার চারিদিক জাল বা বেড়া দিয়ে ৬-৭ ফুট উঁচু করে ঘিরে দেওয়া হয়। মুরগি সারাদিন খোলা জায়গায় চরে বেড়ায় ও রাতের বেলা ঘরের ভেতরে থাকে। সাধারণত প্রতিটি মুরগির জন্য ঘরের মেঝেতে ৩-৪ বর্গফুট এবং বিচরণক্ষেত্রে ১৫০-২০০ বর্গফুট জায়গা রাখা হয়। এ পদ্ধতিতে মুরগি যে খাবার পায় তা যথেষ্ট নয় বলে নিয়মিত কিছু সম্পূরক খাবার ও পানি সরবরাহ করতে হয়। এ পদ্ধতির সুবিধা হলো উন্নত ও দেশি উভয় জাতের মুরগিই পালন করা যায়। মুরগি হারানোর সম্ভাবনা থাকে না এবং রোগব্যাধি কম হয়। প্রয়োজনীয় আলো-বাতাস পায় বলে মুরগির স্বাস্থ্য ভালো থাকে। অল্প জমিতে বেশি সংখ্যক মুরগি পালন করা যায়। 

উপরে উল্লিখিতভাবে অর্ধমুক্ত পদ্ধতিতে মুরগি পালন করা হয়।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'B' এবং 'C' চিহ্নিত মুরগি পালন পদ্ধতি দুটি হলো যথাক্রমে মুরগির অর্ধমুক্ত এবং মেঝেতে পালন (আবদ্ধ) পদ্ধতি। বাণিজ্যিকভাবে মুরগি পালনের ক্ষেত্রে মেঝেতে পালন পদ্ধতি উপযোগী। এ পদ্ধতিতে ঘরের মেঝেতে বিচালি, কাঠের গুঁড়া, ধানের ও গমের তুষ ইত্যাদি দিয়ে বিছানা তৈরি করা হয়। মুরগির এই বিছানাকে ইংরেজিতে লিটার বলে। বাণিজ্যিকভাবে মুরগি পালনের জন্য এটি সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে একসঙ্গে কয়েক হাজার মুরগি পালন করা যায়। এই পদ্ধতিতে প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার করতে হয় না। লিটার মুরগির বিষ্ঠার সাথে মূত্র শুষে নেয়, ফলে মুরগির ঘর শুকনো ও দুর্গন্ধমুক্ত থাকে। মুরগি স্বাচ্ছন্দে চলাফেরা করতে পারে এবং ডিম ভাঙার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। প্রতি ব্যাচ মুরগি পালন শেষে লিটার সামগ্রী পরিবর্তন করা যায় বলে, সার্বক্ষণিক স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় থাকে। লিটার জৈব সার ও মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বায়োগ্যাস তৈরিতেও এই লিটার ব্যবহার করা হয়।

উপরের আলোচনা হতে বলা যায় যে, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মুরগি পালনের ক্ষেত্রে উদ্দীপকের 'C' চিহ্নিত পালন পদ্ধতি অর্থাৎ মেঝেতে পালন সবচেয়ে বেশি উপযোগী এবং অর্থনৈতিক দিক দিয়ে লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
189

Related Question

View All
উত্তরঃ

পুলেট হলো প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন ২০/২২ সপ্তাহ বয়সের মুরগি যাকে এখনো মোরগের সংস্পর্শে দেওয়া হয়নি।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
893
উত্তরঃ

বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক কারণ হাঁস পালনের জন্য জায়গা কম লাগে। হাঁস বছরে প্রায় ৩০০টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। মুরগির তুলনায় হাঁস ৪০-৪৫টি ডিম বেশি পাড়ে। অধিকাংশ হাঁস নিজের খাবার নিজে সংগ্রহ করে খেতে পারে বিধায় হাঁস পালনে যত্ন, পরিচর্যা ও খরচ কম লাগে। দ্রুত চলাফেরা করতে পারে। এসব কারণে বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
2.1k
উত্তরঃ

সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত। এটি হাঁসের ডাকপ্লেগ ভাইরাস দ্বরা সংক্রমিত মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। হাঁসের এই রোগ ডাক হারপেস ভাইরাস-১ (DHV-1) এর সংক্রমণে হয়ে থাকে।

এ রোগে হাঁস আলো দেখলে ভয় পায়। সাঁতার কাটতে চায় না। পানি পিপাসা বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য গ্রহণে অনীহা দেখায়। নাক দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়। সবুজ ও হলুদ রঙের পাতলা মলত্যাগ করে। পালক এলোমেলো হয়ে ঝুলে পড়ে। মাথা, ঘাড় ও শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয়। পা এবং পাখা অবশ হয়ে যায়। চোখ হতে অনবরত পানি ঝরে এবং চোখের ভিতরে সাদা রঙের আবরণ পড়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এ রোগে হাঁস খুঁড়িয়ে হাঁটে, ডিম পাড়া হাঁস ডিম পাড়া কমিয়ে দেয় এবং হঠাৎ মারা যায়।

সাবিনার খামারের হাঁসগুলোতে উল্লিখিত লক্ষণগুলো দেখা দেয়। অর্থাৎ সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
573
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রাণী চিকিৎসক সাবিনাকে তার খামারে ডাক প্লেগ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য করণীয় সম্পর্কে জানান।
সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাক প্লেগ নামক ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয়েছে। উক্ত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো-

i. খামারের জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

ii. আক্রান্ত হাঁস অন্যত্র সরিয়ে ফেলা।

iii. মৃত হাঁস মাটিতে পুঁতে ফেলা।

iv. খামারে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা।

V. বাসস্থান নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা।

vi. পরিষ্কার পানি সরবরাহ করা।

vii. হাঁসের ঘর ফিউমিগেশন করা।

viii. বাসস্থানে ঢোকার মুখে ফুটবাথের ব্যবস্থা করা।

ix. প্রতিষেধক হিসেবে খামারে নিয়মিত ডাক প্লেগ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। হাঁসের বাচ্চাকে জন্মের ১৫-২০ দিন পর ১ম মাত্রা, ১ম মাত্রার ২৫ দিন পর বুস্টার বা ২য় মাত্রা এবং ২য় মাত্রার পর প্রতি ৫-৬ মাস অন্তর অন্তর এ টিকা দিতে হয়।

পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ডাক প্লেগ রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
647
উত্তরঃ

যে সকল ডিম থেকে বাচ্চা জন্ম নেয় না সেগুলোই অনুর্বর ডিম।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
780
উত্তরঃ

কবুতর খুব অল্প জায়গায়, কম খরচে, উঁচুতে দেয়ালের পাশে বা ছাদের উপর বাসা তৈরি করে পালন করা যায়।

কবুতরের রোগবালাই কম হয় এবং খাদ্য খরচও কম লাগে। ৪ সপ্তাহের মধ্যেই কবুতরের বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী হয়। এরা ৫-৬ মাস বয়সে ডিম দেয় এবং মাত্র ১৮ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। কাজের অবসরে পালন করা যায় বলে অতিরিক্ত শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। সময়, শ্রম ও অর্থ কম লাগে বলেই কবুতর পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
767
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews