কবি বিশাল পৃথিবীর জ্ঞান অর্জনের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষায় ভুগছেন। তিনি জানেন, পৃথিবীতে অসংখ্য নগর, রাজধানী, মানুষের কীর্তি, নদী, পর্বত, মরুভূমি, অজানা প্রাণী ও অপরিচিত গাছপালা রয়েছে। বিশাল বিশ্বের এই বিশালতার কাছে তার জ্ঞান অত্যন্ত নগণ্য মনে হচ্ছে। এই ক্ষোভে তিনি বই ও ভ্রমণবৃত্তান্ত পড়েন, যেখানে লেখকরা অক্ষয় উৎসাহে বিশ্বের বিভিন্ন দিকের বর্ণনা দিয়েছেন। কবি এই বর্ণনা থেকে অনুপ্রেরণা পান এবং নিজের জ্ঞানের অভাব পূরণ করার চেষ্টা করেন।
মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়
মূলভাব: পৃথিবীতে মানুষের শারীরিক উপস্থিতি স্বল্পকালীন। এ সময়ের মাঝে কেউ যদি মহৎ অবদান রাখে, সে-ই প্রতিষ্ঠিত হয় মহাকালের ইতিহাসে। অন্যথায় হারিয়ে যায় কালের গর্ভে।
সম্প্রসারিত ভাব: প্রকৃতির নিয়মে মানুষ জন্মগ্রহণ করে। আস্তে আস্তে বড় হয় এবং একসময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। স্বল্পকালের এ জীবনে মানুষ যদি কেবল ব্যক্তিগত ভোগ-বিলাস ও সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকে তবে সে জীবন তাৎপর্যময় হয়ে ওঠে না। মৃত্যুর পর নিকটাত্মীয়রা কিছুটা সময় তাকে মনে রাখে। তারপর একসময় সে হারিয়ে যায় বিস্মৃতির অতল গহ্বরে। কিন্তু যাঁরা মানবকল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করেন, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্প-সাহিত্যে মহৎ অবদান রাখেন, তাঁরা হয়ে ওঠেন কীর্তিমান মানুষ। সব যুগে, সব কালে তাঁরা মানুষের কাছে হন স্মরণীয়। তাঁরা তাঁদের কীর্তির মাঝে বেঁচে থাকেন অনন্তকাল। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি, উইলিয়াম শেক্সপিয়ার কিংবা রবীন্দ্রনাথ। ভিঞ্চির আঁকা ছবি, শেকপিয়ারের নাটক কিংবা রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যকর্ম তাঁদের অমর করে রেখেছে। মৃত্যুর শত শত বছর পরও আমরা সেই কীর্তির কারণে তাদের কথা স্মরণ করি। তাঁদের এই অমরত্ব মানুষকে শিক্ষা দেয় যে, কেবল কর্মই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখতে পারে। জানিয়ে দেয় নিছক পার্থিব জীবনের স্মৃতি নয়, মানব জীবনে কীর্তিই অবিনশ্বর।
মন্তব্য: স্বীয় কীর্তির মাধ্যমে মানব হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান পাবার মধ্যেই নিহিত রয়েছে জীবনের প্রকৃত সার্থকতা। দৈহিক জীবন এ পথের নশ্বর উপাদান মাত্র।
Related Question
View Allচর্যাপদ = চোর্জাপদ্
'চর্যাপদ'-এর সঠিক উচ্চারণ হলো [tʃordʒapɔd] বা চোর্জাপদ্। 'চর্চা' (সাধনা/আচরণ) থেকে 'চর্যা' শব্দটি আসায়, এর উচ্চারণ 'চর্য্যাপদ' না হয়ে 'চর্যাপদ' বা 'চোর্জাপদ্' হিসেবেই প্রমিত, যেখানে আদ্য 'অ' য-ফলার প্রভাবে ও-কারান্ত [tʃo] ধ্বনি সৃষ্টি করে।
উচ্চারণ বিশ্লেষণ:
- চোর্-জা-পদ্ (Char-ja-pad)
- চ-এর সাথে য-ফলা (য) থাকায় এবং এটি প্রাচীন/তৎসম শব্দ হওয়ায় প্রথম 'অ' ধ্বনিটি ও-কারান্ত [o] রূপ নেয়।
- এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত সাধন সঙ্গীত।
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত সাড়ে ছেচল্লিশটি (৪৬.৫টি) পদের সংকলন।
চর্যাপদ = চোর্জাপদ্
রাষ্ট্রপতি = রাশ্ট্রোপোতি
রাষ্ট্রপতি' শব্দের উচ্চারণ হলো: /রাস্ট্রোপোতি/ (Ra-stro-po-ti).
Wikipedia
বিশ্লেষণ:
- রা: স্বাভাবিক উচ্চারণ।
- ষ্ট্র: 'ষ' ও 'ট' যুক্তবর্ণটি 'স্ট' (sto) হিসেবে উচ্চারিত হয়।
- প: 'প' এর সাথে 'তি' যুক্ত হয়ে 'পোতি' (poti) উচ্চারণ হয়, যেখানে 'প' এর সাথে 'ও' কারের মতো উচ্চারণ আসে.
প্রত্যাশা = প্রোত্তাশা
'প্রত্যাশা' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ হলো: প্রোত্তাশা (Prôttasha)।
বিশ্লেষণ:
- প্র = প্রো
- ত্যা = ত্তা (ত-যফলা হলে উচ্চারণে ত্ত হয়)
- শা = শা
অর্থাৎ, প্রোত্-তা-শা।
সংবাদপত্র = শংবাদ্পত্ত্রো
সংবাদপত্র' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ হলো শংবাদ্পোত্ত্রো (shong-bad-pot-tro)।
উচ্চারণ বিশ্লেষণ:
- সং (shong): 'স' এর উচ্চারণ 'শ'-এর মতো এবং 'ং' (অনুস্বার) এর উচ্চারণ 'ঙ'-এর মতো।
- বাদ (bad): 'ব'-এ আকার (া) এবং 'দ'-এর উচ্চারণ স্পষ্ট।
- প (po): 'প' এর উচ্চারণ ও-কারের মতো।
- ত্র (ttro): 'ত্র' এর উচ্চারণ 'ৎত্র' বা 'ত্ত্র' এর মতো।
- পত্র (tro): 'ত্র' এর শেষে 'ও' কার (ো) উচ্চারিত হয়।
সহজভাবে: শং-বাদ-পোৎ-ত্রো।
তন্বী = তোন্নি
'তন্বী' (তন্বী) শব্দের উচ্চারণ হলো: তন্বী (তন্-বী)।
- বিশ্লেষণ: তন্ + বী (ন-ফলা)।
এটি একটি বিশেষণ পদ, যার অর্থ সাধারণত তনুগাত্রী, কৃশাঙ্গী বা সুক্ষ্মদেহী নারী।
চিত্রকল্প = চিত্ত্রোকল্পো
চিত্রকল্প শব্দটির সঠিক উচ্চারণ হলো: চিত্রোকল্প [cit̪rokol̪p]।
উচ্চারণের নিয়ম:
- চিন্-: চ-এ হ্রস্ব-ইকার।
- -ত্রোক-: 'ত্ৰ' (ত+র) যুক্তবর্ণটি 'ত্রো' উচ্চারিত হয়।
- -ল্প: প-এর শেষে 'অ' ধ্বনি প্রায় বিলুপ্ত হয় (হসন্ত)।
বিশ্লেষণ:
চিত্রকল্প -> চৎ + রোক + ল্প।
অন্য = ওন্নো
উদ্বেগ = উদ্বেগ্
চর্যাপদ = চোর্জাপদ্
'চর্যাপদ'-এর সঠিক উচ্চারণ হলো [tʃordʒapɔd] বা চোর্জাপদ্। 'চর্চা' (সাধনা/আচরণ) থেকে 'চর্যা' শব্দটি আসায়, এর উচ্চারণ 'চর্য্যাপদ' না হয়ে 'চর্যাপদ' বা 'চোর্জাপদ্' হিসেবেই প্রমিত, যেখানে আদ্য 'অ' য-ফলার প্রভাবে ও-কারান্ত [tʃo] ধ্বনি সৃষ্টি করে।
উচ্চারণ বিশ্লেষণ:
- চোর্-জা-পদ্ (Char-ja-pad)
- চ-এর সাথে য-ফলা (য) থাকায় এবং এটি প্রাচীন/তৎসম শব্দ হওয়ায় প্রথম 'অ' ধ্বনিটি ও-কারান্ত [o] রূপ নেয়।
- এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত সাধন সঙ্গীত।
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত সাড়ে ছেচল্লিশটি (৪৬.৫টি) পদের সংকলন।
চর্যাপদ = চোর্জাপদ্
রাষ্ট্রপতি = রাশ্ট্রোপোতি
রাষ্ট্রপতি' শব্দের উচ্চারণ হলো: /রাস্ট্রোপোতি/ (Ra-stro-po-ti).
Wikipedia
বিশ্লেষণ:
- রা: স্বাভাবিক উচ্চারণ।
- ষ্ট্র: 'ষ' ও 'ট' যুক্তবর্ণটি 'স্ট' (sto) হিসেবে উচ্চারিত হয়।
- প: 'প' এর সাথে 'তি' যুক্ত হয়ে 'পোতি' (poti) উচ্চারণ হয়, যেখানে 'প' এর সাথে 'ও' কারের মতো উচ্চারণ আসে.
প্রত্যাশা = প্রোত্তাশা
'প্রত্যাশা' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ হলো: প্রোত্তাশা (Prôttasha)।
বিশ্লেষণ:
- প্র = প্রো
- ত্যা = ত্তা (ত-যফলা হলে উচ্চারণে ত্ত হয়)
- শা = শা
অর্থাৎ, প্রোত্-তা-শা।
সংবাদপত্র = শংবাদ্পত্ত্রো
সংবাদপত্র' শব্দটির সঠিক উচ্চারণ হলো শংবাদ্পোত্ত্রো (shong-bad-pot-tro)।
উচ্চারণ বিশ্লেষণ:
- সং (shong): 'স' এর উচ্চারণ 'শ'-এর মতো এবং 'ং' (অনুস্বার) এর উচ্চারণ 'ঙ'-এর মতো।
- বাদ (bad): 'ব'-এ আকার (া) এবং 'দ'-এর উচ্চারণ স্পষ্ট।
- প (po): 'প' এর উচ্চারণ ও-কারের মতো।
- ত্র (ttro): 'ত্র' এর উচ্চারণ 'ৎত্র' বা 'ত্ত্র' এর মতো।
- পত্র (tro): 'ত্র' এর শেষে 'ও' কার (ো) উচ্চারিত হয়।
সহজভাবে: শং-বাদ-পোৎ-ত্রো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!