উত্তরঃ

মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান হলেন বোমাং চিফ বা বোমাং রাজা।

উত্তরঃ

রাখাইন শব্দটি উৎপত্তি পালি ভাষার 'রাক্ষাইন' থেকে। এর অর্থ হচ্ছে রক্ষণশীল জাতি। যারা নিজেদের পরিচয়, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় কৃষ্টিসমূহকে রক্ষা করতে সচেষ্ট। যেহেতু রাখাইনরা তাদের সংস্কৃতি রক্ষায় দৃঢ়। তাই তাদেরকে রক্ষণশীল জাতি বলা হয়।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'ক'-এর বৈশিষ্ট্যগুলো সাঁওতাল নৃ-গোষ্ঠীর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সাঁওতালরা কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। নারী-পুরুষ উভয়ই খেতে কাজ করে। তারা ধান, সরিষা, তামাক, মরিচ, তিল ইক্ষু প্রভৃতি ফসলের চাষ করে। সাঁওতাল নৃগোষ্ঠী প্রধানত দুটি ধর্মের অনুসারী। তাদের একাংশ সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস করে এবং এ ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান পালন করে। অপর অংশ খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণ করেছে এবং তারা খ্রিস্টধর্মের আচার-অনুষ্ঠান পালন করে থাকে। অপরদিকে, সাঁওতাল সমাজ হলো পিতৃসূত্রীয়। তাদের সমাজে পিতার সূত্র ধরে সন্তানের দল ও গোত্র পরিচয় নির্ণয় করা হয়।

সাঁওতালদের সংস্কৃতির অংশ 'ঝুমুর নাচ'। এছাড়াও বিবাহ অনুষ্ঠানে 'দোন' ও 'ঝিকা' নাচের আয়োজন হয়ে থাকে। আর এ সকল বৈশিষ্ট্যের সাথে সাঁওতালদের মিল রয়েছে। তাই 'ক' দ্বারা সাঁওতাল নৃগোষ্ঠীকে বোঝানো হয়েছে।

উত্তরঃ

হ্যাঁ, প্রশ্নোত্ত উক্তিটির সাথে আমি একমত পোষণ করি। "উদ্দীপকে 'খ' নির্দেশিত চাকমা নৃগোষ্ঠীর বাঙালি সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে"- উক্তিটির সাথে আমি একমত।

বাংলাদেশের নৃগোষ্ঠীসমূহ যেমন চাকমা নৃগোষ্ঠী বহু কাল থেকে বাঙালিদের সাথে এই ভূখন্ডে বসবাস করে আসছে। জীবনের প্রয়োজনে যেমন চাকমা নৃগোষ্ঠী বাঙালিদের অনেক কার্যাবলি গ্রহণ করেছে তেমনি বাঙালিরাও চাকমাদের সংস্কৃতির অনেক উপাদান গ্রহণ করেছে। ফলে বাঙালি সংস্কৃতি চাকমা নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতির সংমিশ্রণে সমৃদ্ধ হয়েছে। যেমন-

  • ভাষাগতভাবে আমরা অনেক শব্দ চাকমাদের ভাষা থেকে গ্রহণ করেছি।
  • চাকমাদের বিজু উৎসব আর বাঙালি সংস্কৃতির পহেলা বৈশাখ। এখন একই সূত্রে গ্রোথিত।
  • সাংস্কৃতিক বিভিন্ন বিষয় যেমন- চাকমাদের খাদ্যাভ্যাস, পোশাক, ভাষা, নৃত্য ইত্যাদি এখন বাঙালি সংস্কৃতিতে আগ্রহের বিষয়।
  • বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক ঐতিহ্য মুক্তিযুদ্ধে, চাকমা, যুক্তিযোদ্ধাদের ভূমিকার অনম্বিকার্য।

সুতরাং বলা যায়, চাকমা নৃগোষ্ঠী বাঙালি সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে।

66

বাংলাদেশে বৃহত্তর নৃগোষ্ঠী বাঙালিদের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষ দীর্ঘকাল ধরে বসবাস করে আসছে। এ অধ্যায়ে আমরা বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যেমন : চাকমা, গারো, সাঁওতাল, মারমা ও রাখাইনদের ভৌগোলিক অবস্থান, জীবনধারা, সামাজিক রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সম্পর্কে জানব। 

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা- 

• বাংলাদেশের চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, রাখাইন, গারো নৃগোষ্ঠীর ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কে জানব এবং মানচিত্রে শনাক্ত করতে পারব; 

• বাংলাদেশের চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, রাখাইন, গারো নৃগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক জীবনধারা সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব; 

• বাংলাদেশের চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, রাখাইন, গারো নৃগোষ্ঠীর সাথে বাঙালি জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতির সংমিশ্রণ ব্যাখ্যা করতে পারব; 

• বাংলাদেশের চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, রাখাইন, গারো নৃগোষ্ঠী ও বাঙালি জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান প্রদান ব্যাখ্যা করতে পারব; 

• বাংলাদেশের চাকমা, মারমা, সাঁওতাল, রাখাইন, গারো নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ করব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, পাংখুয়া, চাক, খ্যাং, খুমি এবং লুসাই নৃগোষ্ঠীর বসবাস। তারা মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বাস করে। এই নৃগোষ্ঠীগুলো নৃতাত্ত্বিকভাবে মঙ্গোলীয় শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

347
উত্তরঃ

সমতলভূমিতে সাঁওতাল, ওরাঁও, মাহালি, মুন্ডা, মাল পাহাড়ি ও মালো নৃগোষ্ঠীর মানুষ বাস করে। এরা দিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী, বগুড়া এবং পাবনা জেলার সমতলভূমিতে বাস করে। এদের মধ্যে সাঁওতাল নৃগোষ্ঠী সংখ্যা ও প্রভাবের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি।

161
উত্তরঃ

বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে খাসি, মণিপুরি, গারো, হাজং এবং কোচ নৃগোষ্ঠীর বাস রয়েছে। এই অঞ্চলের পাহাড়ি ও উঁচু ভূমিতে তারা নিজেদের আবাস গড়ে তুলেছে। তারা লোকগীতি, নৃত্য এবং ধর্মীয় উৎসবের মাধ্যমে তাদের সংস্কৃতির পরিচয় প্রকাশ করে।

173
উত্তরঃ

রাখাইন নৃগোষ্ঠীর প্রধান বসতি কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায়। তারা মূলত মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত এবং সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে বসবাস করে। রাখাইনরা কৃষি, নৌকা নির্মাণ এবং মৎস্যশিকার পেশায় দক্ষ।

149
উত্তরঃ

বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গারো, হাজং, কোচ, খাসি এবং মণিপুরি নৃগোষ্ঠীর বসবাস। তারা ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলে নিজেদের আবাস গড়ে তুলেছে। এই নৃগোষ্ঠীগুলো কৃষিকাজ ও নৃত্য-গীতের জন্য পরিচিত।

249
উত্তরঃ

পাহাড়ি নৃগোষ্ঠীগুলো নৃতাত্ত্বিকভাবে মঙ্গোলীয় শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। তাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক আচার-অনুষ্ঠানে মঙ্গোলীয় বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি দেখা যায়। এই নৃগোষ্ঠীগুলো পার্বত্য অঞ্চলে বসবাস করলেও কৃষি ও পশুপালন তাদের প্রধান পেশা।

167
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews