সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাস, খনিজ তেল, কয়লা প্রভৃতি পুড়িয়ে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তাকে তাপবিদ্যুৎ বলে।
উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে কয়লার সৃষ্টি হয়। উদ্ভিদের কাণ্ড, গুঁড়ি, শাখা-প্রশাখা, পাতা, প্রাণীর দেহাবশেষ সবকিছু ভূঅভ্যন্তরে তাপ, চাপ ও রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে কয়লায় পরিণত হয়।
উদ্দীপকে 'খ' সম্পদের নাম হলো বিদ্যুৎ শক্তি। এই বিদ্যুৎ বিভিন্ন প্রকৃয়ায় উৎপাদন করা যায়। নিচে পানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকৃয়া ব্যাখ্যা করা হলো-
নদী ও জলপ্রপাতের প্রবল স্রোতের সাহায্যে টারবাইন ঘুরিয়ে পানি বিদ্যুত উৎপন্ন করা হয়।
বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলায় কাপ্তাই হ্রদের প্রবহমান পানির গতি শক্তিকে কাজে লাগিয়ে পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। যা কর্ণফুলী বিদ্যুৎকেন্দ্র নামে পরিচিত। ১৯৬২ সালে সাল থেকে এ। কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। প্রথমে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো ৪০ মেগাওয়াট। বর্তমানে এ কেন্দ্র থেকে ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এ কেন্দ্রে মোট ইউনিটের সংখ্যা ৫টি।
এভাবে বিভিন্ন দেশে জলস্রোতকে কাজে লাগিয়ে যন্ত্রের সাহায্যে পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
উদ্দীপকে 'ক' খনিজটি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জালানি সম্পদ।
উদ্দীপকের ইঙ্গিতকৃত প্রধান খনিজ সম্পদটি হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
বাংলাদেশ খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ না হলেও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাপ্যতার ওপর ভিত্তি করে এদেশে অনেক শিল্পকারখানা গড়ে উঠেছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক গ্যাসের মতো খনিজ সম্পদের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
বাংলাদেশের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাস, খনিজ তেল ও কয়লা দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এটি আমাদের শিল্পোন্নয়ন ও প্রাত্যহিক জীবনে বিরাট ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাস শুধু শিল্পের কাঁচামাল হিসেবেই ব্যবহৃত হয় না। এগুলো গৃহস্থালিতে জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করে সরকার প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে অর্থ আয় করে থাকে, যা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হয়। সুতরাং বাংলাদেশের উন্নতির পেছনে প্রাকৃতিক গ্যাস প্রত্যক্ষএ প্ররোক্ষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এ খনিজ সম্পদটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পদ।
তাই বলা যায়, বাংলাদেশের উন্নয়নে 'ক' খনিজের ভূমিকা অপরিসীম।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allপ্রকৃতিপ্রদত্ত যে সকল পদার্থ হতে শক্তি পাওয়া যায় তাকেই শক্তিসম্পদ বলে।
বাংলাদেশে নিকৃষ্ট শ্রেণির কয়লা বেশি পাওয়া যায়।
যেসব কয়লায় কার্বণের পরিমাণ কম এবং ছাই ও গন্ধকের পরিমাণ বেশি যেসব কয়লাকে নিকৃষ্ট শ্রেণির কয়লা বেশি। নিকৃষ্ট শ্রেণির কয়লায় মধ্যে পিট ও বিটুমিনাস উল্লেখযোগ। বাংলাদেশের বেশির ভাগ কয়লা ক্ষেত্র থেকে বিটুমিনাস ও পিট জাতীয় কয়লার উত্তোলন করা হয়।
উদ্দীপকে 'ক' খনিজ সম্পদটি হলো লৌহ আকরিক যা সভ্যতার আধুনিকায়ন ও নগরায়ণ বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লৌহ আকরিক উত্তোলন করা হয়। এশিয়ার মহাদেশের বেশ কয়েকটি দেশে লৌহ আকরিক সঞ্চিত আছে। নিচে এশিয়া মহাদেশে লৌহ
আকরিকের উৎপাদন ব্যাখ্যা করা হলো-
এশিয়া মহাদেশের মধ্যে চীন, ভারত, ইরান, জাপান, প্রভৃতি দেশে 'লৌহ আকরিক উত্তোলন করা হয়। নিচে এসব দেশে ২০১৯ সালে কী পরিমাণ লৌহ আকরিক উত্তোলন করা হয় তা একটি তালিকায় মাধ্যমে তুলে ধরা হলো-
ক্রমিক নং | দেশ | ২০১৯ সাল |
১ | চীন | ৩৫.০০ |
২ | ভারত | ২১.০০ |
৩ | কাজাখিস্তান | ৪.৩০ |
8 | ইরান | ৩.৮০ |
অতএব বলা যায় এশিয়া মহাদেশের বহু দেশ লৌহ আকরিক উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে 'খ' খনিজ সম্পদটি হলো- খনিজ তেল।
ভূগর্ভস্থ বিভিন্ন শিলা স্তর থেকে উত্তোলিত তেলকে খনিজ তেল বলে। খনিজ তেল বিশ্বব্যাপি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তাই সারা বিশ্বব্যাপি এর বাণিজ্য কার্যক্রম সচল। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তেল উত্তোলন করে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে তেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ দ্বিতীয়টি নেই। মৃল্প কয়েকটি দেশ তেল সম্পদে সমৃদ্ধ হওয়ায় এবং তেলের ব্যবহার বিশ্বব্যাপী ব্যাপক ও বহুমুখী হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে।
খনিজ তেল অপরিশোধিত ও পরিশোধিত উভয় প্রকারেই রপ্তানি করা হয়। অপরিশোধিত খনিজ তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে কুয়েত, ইরাক, ইরান, সৌদি আরব, মেক্সিকো, কলম্বিয়া, ভেনিজুয়েলা, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, লিবিয়া, আলজেরিয়া প্রভৃতি প্রধান। আর আমদানিকৃত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জাপান, জার্মানি, ইতালি, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি প্রধান।
পরিশেষে বলা যায় খণিজ তেল বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক তরল সম্পদ। কৃষি, শিল্প, পরিবহন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তেলের প্রত্যক্ষ ব্যবহার রয়েছে। তাই সারাবিশ্ব ব্যপিই এর আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাস, খনিজ তেল, কয়লা প্রভৃতি পুড়িয়ে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় তাকে তাপবিদ্যুৎ বলে।
উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে কয়লার সৃষ্টি হয়। উদ্ভিদের কাণ্ড, গুঁড়ি, শাখা-প্রশাখা, পাতা, প্রাণীর দেহাবশেষ সবকিছু ভূঅভ্যন্তরে তাপ, চাপ ও রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে কয়লায় পরিণত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
