গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল হলেন জীববিজ্ঞানের জনক।
যে সকল কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত, অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি দ্বারা নিউক্লিয় বস্তুসমূহ পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত থাকে, তাকে প্রকৃত কোষ বলে। এসব কোষে রাইবোজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। অধিকাংশ উচ্চ শ্রেণির জীবকোষ এ ধরনের হয়।
চিত্র-২ এর জীবটি হলো শাপলা। এর বৈজ্ঞানিক নাম- Nymphaea nouchali। এই উদ্ভিদটির নামকরণে ক্যারোলাস লিনিয়াস প্রদত্ত এবং ICBN কর্তৃক স্বীকৃত দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে যা নিম্নরূপ-
i. নামকরণে অবশ্যই ল্যাটিন বা ল্যাটিনকৃত ইংরেজী শব্দ ব্যবহৃত হবে।
ii. এর Nymphaea অংশটি গণ-পদ এবং nouchali অংশটি প্রজাতি-পদ।
iii. এটি অনন্য নাম, এ নামে অন্য আর কোনো জীব নেই এবং সার্বজনীন, সকল ভাষায় এটি এভাবে ব্যবহৃত হবে।
iv. এই নামের প্রথম অংশের আদ্যক্ষর বড় হরফ অর্থাৎ N এবং বাকি অক্ষরগুলো ছোট হরফের এবং দ্বিতীয় অংশের সবগুলোই ছোট হরফের হবে।
'V. মুদ্রণের সময় নামটিকে ইটালিক অক্ষরে লিখতে হয়। যেমন: Nymphaea nouchali
vi. প্রথমে যে বিজ্ঞানী এর বিজ্ঞানসম্মত নাম দিয়েছেন তার নাম অনুযায়ীই এটি গৃহীত এবং এই নামের শেষে উক্ত বিজ্ঞানীর নাম সংক্ষিপ্ত আকারে সংযোজিত হবে। যেমন: Nymphaea nouchali L. (এখানে L লিনিয়াসের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ)।
চিত্র-১ হলো মাশরুম, এবং চিত্র-২' হলো শাপলা উদ্ভিদ। উদ্দীপকের জীব দু'টির মধ্যে চিত্র-২ এর জীবটি বা শাপলা অধিক উন্নত। নিচে এর কারণগুলো বিশ্লেষণ করা হলো-
i. মাশরুম ছত্রাক যা অপুষ্পক উদ্ভিদ কিন্তু শাপলা সপুষ্পক উদ্ভিদ। সপুষ্পক উদ্ভিদ সর্বদাই ছত্রাক অপেক্ষা উন্নত।
ii. মাশরুম পরভোজী, নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না। কিন্তু শাপলা স্বভোজী, এটি সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে।
iii. মাশরুম স্পোরের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটায়। কিন্তু শাপলা যৌন জননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটায় যা উন্নত জীবদের বৈশিষ্ট্য।
iv. মাশরুমকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না কিন্তু শাপলা উদ্ভিদটিকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়।
V. পরিবহন কলাগুচ্ছ মাশরুমে অনুপস্থিত কিন্তু শাপলা উদ্ভিদে উপস্থিত; পরিবহন কলাগুচ্ছ উন্নত জীবদের বৈশিষ্ট্য।
vi. মাশরুমের দেহ নরম কিন্তু শাপলার দেহ সে তুলনায় বেশ শক্ত। শক্ত উদ্ভিদদেহ উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য বহন করে।
Related Question
View Allজীবের শ্রেণিবিন্যাসের প্রতিটি ধাপই শ্রেণিবিন্যাসের একক।
বংশগতিবিদ্যায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়ে থাকে। তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা হলো জীববিজ্ঞানের ভৌত শাখার প্রধান বৈশিষ্ট্য।
এ কারণেই বংশগতিবিদ্যাকে জীববিজ্ঞানের ভৌত শাখা বলা হয়।
চিত্র-২ এর উদ্ভিদটির নামকরণের ক্ষেত্রে যেভাবে ধারাবাহিকতা বজায় রাখবো-
i.উদ্ভিদটির নামকরণে অবশ্যই ল্যাটিন শব্দ ব্যবহার করব।
ii. বৈজ্ঞানিক নামের দুটি অংশ। প্রথমটি হবে গণের এবং দ্বিতীয়টি হবে প্রজাতির।
iii.উদ্ভিদটির নামকরণে বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশের প্রথম অক্ষরটি বড় অক্ষরে, এবং বাকি অক্ষরগুলো ছোট অক্ষরে লিখবো আর দ্বিতীয় অংশটির নাম ছোট অক্ষর দিয়ে লিখবো।
iv. উদ্ভিদটির নাম মুদ্রণের সময় অবশ্যই ইটালিক অক্ষরে লিখবো।
V.উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক নাম হাতে লেখার সময় গণ ও প্রজাতি নামের নিচে আলাদা আলাদা দাগ দিবো।
vi. যিনি উদ্ভিদটির নাম সর্বপ্রথম দিয়েছিলেন তাঁর নামের সংক্ষিপ্তরূপ বৈজ্ঞানিক নামের শেষে যোগ করবো। যেমন- লিনিয়াসের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো- L ।
চিত্র-১ হলো মাশরুম এবং চিত্র-২ হলো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ। উদ্দীপকের জীব দুটির মধ্যে চিত্র-২ এর জীবটি বা দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ অধিক উন্নত। নিচে এর কারণগুলো বিশ্লেষণ করা হলো-
i. মাশরুম অপুষ্পক, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদটি সপুষ্পক। সপুষ্পক উদ্ভিদ সর্বদাই অপুষ্পক উদ্ভিদ অপেক্ষা উন্নত।
ii. মাশরুম নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না। কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদটি সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে।
iii. মাশরুম স্পোরের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটায়। কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদটি যৌন জননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটায় যা উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য।
iv. মাশরুমকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদটিকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়।
V.পরিবহণ কলাগুচ্ছ উন্নত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। এই পরিবহণ কলাগুচ্ছ মাশরুমে অনুপস্থিত, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদে উপস্থিত।
vi. মাশরুমের দেহ নরম, কিন্তু দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদদেহ বেশ শক্ত। শক্ত উদ্ভিদদেহ উন্নত উদ্ভিদেরই বৈশিষ্ট্য বহন করে।
পৃথিবীর বিশাল ও বৈচিত্র্যময় জীবজগৎকে সহজভাবে অল্প পরিশ্রমে ও অল্প সময়ে সঠিকভাবে জানার উদ্দেশ্যে সুষ্ঠুভাবে বিন্যাস করার জন্য জীববিজ্ঞানের স্বতন্ত্র শাখাই হলো শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা।
অঙ্গসংস্থান ভৌত জীববিজ্ঞানের একটি শাখা। এর উদ্দেশ্য হলো জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন বর্ণনা করা। জীবদেহের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ উভয়ই বর্ণনা করে অঙ্গসংস্থান। দেহের বাহ্যিক বর্ণনার বিষয়কে বহিঃঅঙ্গসংস্থান এবং দেহের অভ্যন্তরীণ বর্ণনার বিষয়কে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান বলে। জীবের দৈহিক গঠনের বর্ণনা জেনে ঐ জীবকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
