Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless fidelity, কম্পিউটার/ ডিজিটাল যন্ত্রগুলোকে তারবিহীন উপায়ে ইন্টারনেটে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া হলো Wi-Fi Wi-Fi হলো জনপ্রিয় একটি Wireless নেটওয়ার্কি প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট এবং নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে। এটি একটি Wireless LAN স্টান্ডার্ড যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
WiFi Network এবং Adhoc Network এর মধ্যে পার্থক্যঃ
| WiFi Network | Adhoc Network |
| Wi-Fi Network সাধারণত কোন একটা Access point এ কানেক্টেড হয়। Wi-Fi নেটওয়ার্কে প্রত্যেকটি ডিভাইস একটা অক্সেস পয়েন্টের মাধ্যেমে সংযোগ স্থাপন করে। যেমনঃ Router. | Adhoc Network একধরনের Wireless Network. যেখানে ডিভাইসগুলো ডিরেক্টলি কানেক্টেড হয়। যেমনঃ Mobile network. |
Authentication হলো এমন একটা পদ্ধতি যেখানে Users এর Identity, Recosnizing করা হয়। Authentication সাধারণত ক্লাইট ব্যবহার করে যখন সার্ভারের ক্লেইম সম্পর্কে Users এর জানতে হয়। Authentication এ ইউসার বা কম্পিউটারের সার্ভারের নিকট তার আইডেন্টিটি প্রমাণ করতে হয়। সার্ভার সাধারণত ইউজারের নাম এবং পাসওয়ার্ড Authentication করে।
Two Factor Authentication: Two Factor Authentication বা 2FA বলতে সাধারণত সার্ভারের একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করে Authentication করার পদ্ধতিকে বুঝায়। সাধারণত এই পদ্ধতিতে সার্ভার ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে সার্ভারের এক্সেস প্রদান করে না। সার্ভারের এক্সেস এর জন্য ইউজার অন্য কোন মাধ্যম যেমনঃ E-mail অথবা মোবাইল ফোনের নাম্বার এর মাধ্যমে এক্সেস করে থাকে। 2FA এর প্রধান কাজ বা উদ্দেশ্য হল আরও সিকিউরিটি প্রদান করা। উদাহরণ (Text Message ) : Text Message সাধারণত কোন মোবাইল ডিভাইসে লগ ইন কোড প্রদান করে থাকে। User এর সাধারণত ঐ মোবাইল ডিভাইসটিকে কোন ইন্টারনেট সংযোগে থাকতে হয়। লগ ইন কোড পাওয়ার পর কোন ইউজার ঐ লগ ইন কোড প্রদান করে সার্ভারকে এক্সেস করে থাকে। Text Message-ই সাধারণত 2FA এর জনপ্রিয় মাধ্যম। এছাড়াও আরও কিছু মাধ্যম হলঃ Authentication Applications, Biometric ইত্যাদি।
Related Question
View AllWi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless fidelity, কম্পিউটার/ ডিজিটাল যন্ত্রগুলোকে তারবিহীন উপায়ে ইন্টারনেটে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া হলো Wi-Fi Wi-Fi হলো জনপ্রিয় একটি Wireless নেটওয়ার্কি প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট এবং নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে। এটি একটি Wireless LAN স্টান্ডার্ড যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
WiFi Network এবং Adhoc Network এর মধ্যে পার্থক্যঃ
| WiFi Network | Adhoc Network |
| Wi-Fi Network সাধারণত কোন একটা Access point এ কানেক্টেড হয়। Wi-Fi নেটওয়ার্কে প্রত্যেকটি ডিভাইস একটা অক্সেস পয়েন্টের মাধ্যেমে সংযোগ স্থাপন করে। যেমনঃ Router. | Adhoc Network একধরনের Wireless Network. যেখানে ডিভাইসগুলো ডিরেক্টলি কানেক্টেড হয়। যেমনঃ Mobile network. |
Authentication হলো এমন একটা পদ্ধতি যেখানে Users এর Identity, Recosnizing করা হয়। Authentication সাধারণত ক্লাইট ব্যবহার করে যখন সার্ভারের ক্লেইম সম্পর্কে Users এর জানতে হয়। Authentication এ ইউসার বা কম্পিউটারের সার্ভারের নিকট তার আইডেন্টিটি প্রমাণ করতে হয়। সার্ভার সাধারণত ইউজারের নাম এবং পাসওয়ার্ড Authentication করে।
Two Factor Authentication: Two Factor Authentication বা 2FA বলতে সাধারণত সার্ভারের একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করে Authentication করার পদ্ধতিকে বুঝায়। সাধারণত এই পদ্ধতিতে সার্ভার ইউজার নাম এবং পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে সার্ভারের এক্সেস প্রদান করে না। সার্ভারের এক্সেস এর জন্য ইউজার অন্য কোন মাধ্যম যেমনঃ E-mail অথবা মোবাইল ফোনের নাম্বার এর মাধ্যমে এক্সেস করে থাকে। 2FA এর প্রধান কাজ বা উদ্দেশ্য হল আরও সিকিউরিটি প্রদান করা। উদাহরণ (Text Message ) : Text Message সাধারণত কোন মোবাইল ডিভাইসে লগ ইন কোড প্রদান করে থাকে। User এর সাধারণত ঐ মোবাইল ডিভাইসটিকে কোন ইন্টারনেট সংযোগে থাকতে হয়। লগ ইন কোড পাওয়ার পর কোন ইউজার ঐ লগ ইন কোড প্রদান করে সার্ভারকে এক্সেস করে থাকে। Text Message-ই সাধারণত 2FA এর জনপ্রিয় মাধ্যম। এছাড়াও আরও কিছু মাধ্যম হলঃ Authentication Applications, Biometric ইত্যাদি।
Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হলোঃ Wireless Fidelity.
অথেন্টিকেশন (Authentication): অথেন্টিকেশন হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি, সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন তার পরিচয় যাচাই করে। অর্থাৎ, ব্যবহারকারী যিনি নিজেকে দাবি করছেন, তিনি সত্যিই সেই ব্যক্তি কিনা তা নিশ্চিত করার পদ্ধতিই হলো অথেন্টিকেশন। এটি সাধারণত কোনো রিসোর্স (যেমন- কম্পিউটার সিস্টেম, ওয়েবসাইট, ডেটা) অ্যাক্সেস করার আগে করা হয়। অথেন্টিকেশনের সাধারণ উপায়গুলো হলো পাসওয়ার্ড, পিন, বায়োমেট্রিক (আঙুলের ছাপ, মুখমণ্ডল), স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি।
টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (Two-Factor Authentication - 2FA):
টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা প্রক্রিয়া যেখানে ব্যবহারকারীকে তার পরিচয় প্রমাণ করার জন্য দুটি ভিন্ন ধরনের প্রমাণ বা "ফ্যাক্টর" সরবরাহ করতে হয়। একটি মাত্র ফ্যাক্টর (যেমন- শুধু পাসওয়ার্ড) চুরি বা অনুমান করা গেলেও, দুটি ভিন্ন ফ্যাক্টর হ্যাকারের পক্ষে জোগাড় করা অনেক বেশি কঠিন, ফলে এটি অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে।
টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের ফ্যাক্টরগুলো সাধারণত নিম্নলিখিত তিনটি শ্রেণীর মধ্যে থেকে দুটি বেছে নেওয়া হয়:
১. জ্ঞান ভিত্তিক (Something you know): যেমন- পাসওয়ার্ড, পিন, নিরাপত্তা প্রশ্ন।
২. অধিকার ভিত্তিক (Something you have): যেমন- মোবাইল ফোন (যেখানে ওটিপি আসে), সিকিউরিটি টোকেন, স্মার্ট কার্ড।
৩. সত্তা ভিত্তিক (Something you are): যেমন- বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ, মুখমণ্ডল স্ক্যান, কণ্ঠস্বর)।
টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন প্রক্রিয়ায়, ব্যবহারকারী প্রথমে তার প্রথম ফ্যাক্টর (সাধারণত ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড) দিয়ে লগইন করার চেষ্টা করে। এটি সঠিক হলে, সিস্টেম দ্বিতীয় ফ্যাক্টরের জন্য অনুরোধ করে। দ্বিতীয় ফ্যাক্টরটি হতে পারে: ব্যবহারকারীর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে পাঠানো একটি ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (OTP)। একটি অথেন্টিকেটর অ্যাপ (যেমন- Google Authenticator, Authy) দ্বারা জেনারেট করা একটি সময়-ভিত্তিক কোড। একটি ফিজিক্যাল সিকিউরিটি কী (যেমন- YubiKey)। একটি বায়োমেট্রিক ইনপুট। কেবলমাত্র উভয় ফ্যাক্টর সঠিকভাবে সরবরাহ করা হলেই ব্যবহারকারীকে সিস্টেমে অ্যাক্সেস দেওয়া হয়।
ওয়াই-ফাই (Wifi): বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিগুলোকে তারবিহীন উপায়ে সংযুক্ত করার একটি কৌশল হলো ওয়াই-ফাই। ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ সালে ভিক্টর ভিক হেইয়েস ওয়াইফাই আবিষ্কার করেন। এটি হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগ সমূহ সরবরাহের জন্য বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে। Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity এবং এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEE802.11 ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!