উত্তরঃ

অধিকার ভোগ করতে গিয়ে নাগরিককে রাষ্ট্রের প্রতি যেসব দায়িত্ব পালন করতে হয় তাকে নাগরিকের কর্তব্য বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

অধিকার ও কর্তব্য শব্দ দুটি ভিন্ন হলেও এদের পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাই কর্তব্য পালন ছাড়া অধিকার ভোগ করা যায় না।
অধিকার ভোগ করতে হলে কর্তব্য পালন করতে হয়। যেমন- ভোটদান নাগরিকের অধিকার, আবার ভোটাধিকার প্রয়োগ নাগরিকের কর্তব্য। একটি ভোগ করলে অন্যটি পালন করতে হয়। অর্থাৎ অধিকার ভোগ করতে হলে কর্তব্য পালন করতে হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি পাঠ্যবইয়ের তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী তথ্য প্রাপ্তির প্রক্রিয়া এবং তথ্য প্রদান পদ্ধতিকে নির্দেশ করছে।
তথ্য অধিকার অর্থ কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার। জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় তথ্য অধিকার আইন একটি যুগান্তকারী আইন। তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের জন্য জাতীয় সংসদ ৩০ মার্চ ২০০৯ তারিখে একটি বিল অনুমোদন করে। এরপর ৫ এপ্রিল ২০০৯ সেটি 'তথ্য অধিকার আইন' নামে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে। এ আইনটি প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে সাধারণ মানুষকে ব্যাপকভাবে সহায়তা করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, ব্যক্তির লিখিত/ই-মেইলে অনুরোধ, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুরোধ প্রাপ্তি, অনধিক ২০ (বিশ) কার্যদিবসে কাজ, প্রয়োজনে অনধিক ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসে কাজ, অপারগতায় কর্মকর্তা ১০ (দশ) কর্ম দিবসের মধ্যে অনুরোধকারীকে অবহিত করা- এ বিষয়গুলো পরপর সাজিয়ে লেখা রয়েছে। যা কোনো নাগরিক কীভাবে তথ্য পেতে পারে সেই প্রক্রিয়াকেই নির্দেশ করে। কেননা তথ্য অধিকার আইনের অধীন তথ্য প্রাপ্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট লিখিতভাবে বা ই-মেইলে অনুরোধ করতে হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অনুরোধ প্রাপ্তির তারিখ থেকে অনধিক ২০ কার্যদিবসের মধ্যে অনুরোধকৃত তথ্য সরবরাহ করবেন। অনুরোধকৃত তথ্যের সাথে একাধিক তথ্য প্রদান ইউনিট সংশ্লিষ্ট থাকলে অনধিক ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য সরবরাহ করতে হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোনো কারণে তথ্য প্রদানে অপরাগ হলে কারণ উল্লেখ করে আবেদন প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তিনি অনুরোধকারীকে অবহিত করবেন।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকটি তথ্য অধিকার আইনের অন্তর্গত তথ্য প্রাপ্তির প্রক্রিয়া ও তথ্য প্রদান পদ্ধতিকে নির্দেশ করছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

না, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যক্তির যেকোনো অনুরোধকেই আমলে নিতে বাধ্য নন।
তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী কোনো কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নাগরিকের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রাপ্তির অধিকার থাকবে। তবে তা হতে হবে আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে। আইন অনুযায়ী যেসব তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার জনগণের আছে সেসব তথ্যই কোনো নাগরিকের অনুরোধের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবে।
তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তথ্য জানার অধিকার থাকলেও কিছু কিছু তথ্য প্রকাশ বা প্রদান বাধ্যতামূলক নয়। যেমন বাংলাদেশের নিরাপত্তা, অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি হুমকি হতে পারে, পররাষ্ট্রনীতির কোনো বিষয়, কোনো বিদেশি সরকারের নিকট হতে প্রাপ্ত কোনো গোপনীয় তথ্য, কোনো তৃতীয় পক্ষের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে কোনো বিশেষ সংস্থা বা ব্যক্তিকে লাভবান বা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, অপরাধ বৃদ্ধি পেতে পারে, বিচারাধীন মামলার সুষ্ঠু বিচারকার্য ব্যাহত হতে পারে, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপদাপন্ন হতে পারে এরূপ কোনো তথ্য প্রদানে কর্তৃপক্ষ বাধ্য নয়। এছাড়াও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এরূপ তথ্য প্রকাশ করা যাবে না। যেসব তথ্য কোনো তদন্ত কাজের বিঘ্ন ঘটাতে পারে এবং অপরাধীদের গ্রেফতার বা শাস্তিকে প্রভাবিত করতে পারে তা প্রদান বাধ্যতামূলক নয়। তাছাড়া আইন দ্বারা সংরক্ষিত যেকোনো তথ্য এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বা পরীক্ষায় প্রদত্ত নম্বর সম্পর্কিত আগাম তথ্য প্রদানে কর্তৃপক্ষ বাধ্য নয়।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, তথ্য প্রাপ্তি নাগরিকের অধিকার হলেও কিছু নির্দিষ্ট তথ্য প্রদানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাধ্য নয়। অর্থাৎ, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ব্যক্তির সব অনুরোধ আমলে নিতে বাধ্য নন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
155

আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। নাগরিক হিসেবে আমরা প্রত্যেকে কিছু অধিকার ভোগ এবং কর্তব্য পালন করি। আবার কতগুলো গুণের অধিকারী হয়ে আমরা সুনাগরিকে পরিণত হতে পারি । সুনাগরিক রাষ্ট্রের সম্পদ । আমাদের প্রত্যেকের সুনাগরিকতার শিক্ষা লাভ করা অত্যাবশ্যক । এ অধ্যায়ে নাগরিক ও নাগরিকতার ধারণা, নাগরিকতা অর্জনের উপায়, দ্বৈত নাগরিকতা, সুনাগরিকের ধারণা ও বৈশিষ্ট্য, নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে । এ অধ্যায় পড়া শেষে আমরা-
♦ নাগরিক ও নাগরিকতার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
♦ নাগরিকতা অর্জনের উপায় বর্ণনা করতে পারব
♦ দ্বৈত নাগরিকতা ব্যাখ্যা করতে পারব
♦ সুনাগরিকতার ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারব
♦ নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্যের ধারণা বর্ণনা করতে পারব
♦ নাগরিক অধিকার ও কর্তব্যের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারব
♦ নাগরিক দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে আগ্রহী হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

একজন ব্যক্তির একই সঙ্গে দুটি রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জনকে দ্বৈত নাগরিকতা বলে। সাধারণত একজন ব্যক্তি একটি রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জনের সুযোগ পায়।
তবে জন্মসূত্রসহ নাগরিকতা অর্জনের একাধিক নীতি থাকায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে দ্বৈত নাগরিকতা সৃষ্টি হতে পারে। যেমন- বাংলাদেশ নাগরিকতা নির্ধারণে জন্মনীতি অনুসরণ করে। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জন্ম ও জন্মস্থান উভয় নীতি অনুসরণ করে। কাজেই বাংলাদেশি কোনো পিতা-মাতার সন্তান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলে জন্মস্থান নীতি অনুযায়ী সে ঐ রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করবে। আবার জন্মনীতি অনুযায়ী সে বাংলাদেশের নাগরিকতাও অর্জন করবে। বিনিয়োগ, অভিবাসন ইত্যাদি উপায়ে অনুমোদনসূত্রেও এক রাষ্ট্রের নাগরিক অন্য রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করতে পারে। এভাবে দ্বৈত নাগরিকতার সৃষ্টি হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
487
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' ইউনিয়নের নাগরিকদের মধ্যে নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য পালনের বিষয়টি লক্ষ করা যায়।'
অধিকার ভোগ করতে হলে রাষ্ট্রের নাগরিকদের যেসব দায়িত্ব পালন করতে হয় সেগুলোই কর্তব্য হিসেবে বিবেচিত। নাগরিকের কর্তব্য প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত। যথা- নৈতিক ও আইনগত কর্তব্য। ব্যক্তির বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা বোধ থেকে যে কর্তব্য জন্ম নেয় এবং যা নাগরিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করে, তাকে নৈতিক কর্তব্য বলে। যেমন: নিজে শিক্ষিত হওয়া এবং সন্তানদের শিক্ষিত করা, সততার সাথে ভোট দেওয়া, রাষ্ট্রের সেবা করা, বিশ্বমানবতার সাহায্যে এগিয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
উদ্দীপকের 'ক' ইউনিয়নের নাগরিকরা নৈতিক কর্তব্য পালন করেছেন। কেননা তারা ইউনিয়নের নির্বাচনে 'X' ও 'Y' ব্যক্তির মধ্য থেকে 'X' ব্যক্তিকে সৎ ও যোগ্য বলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। তাদের এই কাজের সাথে নাগরিকের অন্যতম নৈতিক কর্তব্য সততার সাথে ভোট দেওয়ার সাদৃশ্য রয়েছে। সুতরাং বলা যায়, 'ক' ইউনিয়নের নাগরিকদের মধ্যে নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য পালনের প্রতিফলন ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
919
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'ক' ইউনিয়নের চেয়ারম্যান 'X' ব্যক্তি যে সততা ও কর্তব্যপরায়ণতা দেখিয়েছেন তার আলোকে তাকে সুনাগরিক বলা যুক্তিসঙ্গত।
রাষ্ট্রের সব নাগরিককে সুনাগরিক বলা যায় না। এর জন্য কিছু নির্দিষ্ট গুণের অধিকারী হতে হয়। ব্রিটিশ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও ইতিহাসবিদ লর্ড ব্রাইস (Lord James Bryce) 'The Hindrances to Good Citizenship' (১৯০৯) গ্রন্থে সুনাগরিকের তিনটি মৌলিক গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। যথা: বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম। খ্যাতিমান এ রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর মতে, একজন ব্যক্তিকে সুনাগরিক হতে হলে এ তিনটি গুণের অধিকারী হতে হবে। একজন নাগরিক বুদ্ধিমান, বিবেকবান ও সংযমী হলেই কেবল রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করে এর উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।
উদ্দীপকের 'ক' ইউনিয়নের চেয়ারম্যান 'X' ব্যক্তির মধ্যে বুদ্ধি, বিবেক ও আত্মসংযম এ তিনটি গুণই উপস্থিত। বুদ্ধিমান বলেই স্কুলের শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে তিনি যোগ্য লোককে বেছে নিয়েছেন। পাশাপাশি বিবেকবোধসম্পন্ন হওয়ার কারণে তিনি নিজের ভাইয়ের ছেলে প্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তার আত্মসংযমেরও প্রমাণ পাওয়া যায়। কেননা চেয়ারম্যান ইচ্ছা করলেই নিজের ভাইয়ের ছেলেকে শিক্ষক পদে নিয়োগ দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থকে উপেক্ষা করে বৃহত্তর স্বার্থে যোগ্য প্রার্থীকেই নিয়োগ দেন। সুতরাং আমরা বলতে পারি, উদ্দীপকের 'X' ব্যক্তি একজন সুনাগরিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
828
উত্তরঃ

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কর্তৃক গৃহীত তথ্য অধিকার আইনটি ৫ এপ্রিল, ২০০৯ তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
উত্তরঃ

নাগরিকের অধিকার হলো সমাজ ও রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত কতগুলো সুযোগ-সুবিধা, যা ভোগের মাধ্যমে নাগরিকের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটে।
অধিকার ব্যতীত মানুষ তার ব্যক্তিত্বকে উপলব্ধি করতে পারে না। অধিকারের মূল লক্ষ্য ব্যক্তির সর্বজনীন কল্যাণ সাধন। রাষ্ট্রের নাগরিকদের মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য অধিকার অপরিহার্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.7k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews